ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রে মানবপাচারের অভিযোগ, বাংলাদেশের সাইফুল্লাহ আল-মামুনের বিচার শুরু


যুক্তরাষ্ট্রে মানবপাচারের অভিযোগ, বাংলাদেশের সাইফুল্লাহ আল-মামুনের বিচার শুরু

দক্ষিণ আমেরিকা ও মেক্সিকো হয়ে বাংলাদেশিদের অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করানোর অভিযোগে টেক্সাসের লারেডোতে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী সাইফুল্লাহ আল-মামুন। তার বিরুদ্ধে একটি আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের হয়ে কাজ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আল-মামুনকে ৮ জুলাই ব্রাজিল থেকে প্রত্যর্পণের পর যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয় এবং তিনি লারেডোতে প্রথমবারের মতো আদালতে হাজির হন। তার বিরুদ্ধে দাখিল করা দ্বিতীয় সংশোধিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের ব্রাজিলের সাও পাওলোতে আশ্রয় প্রদান করতেন এবং দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোর বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতেন।

মামলার নথিতে জানানো হয়েছে, এই মানবপাচার চক্রে মোহাম্মদ মিলন হোসেন (৪৬) ও মোক্তার হোসেন (৩৮) নামে দুটি বাংলাদেশি আরও জড়িত ছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে, মিলন হোসেন মেক্সিকোর তাপাচুলায় অভিবাসীদের রাখা এবং তাদের মন্টেরে শহরে পাঠানোর ব্যবস্থা করতেন। অপরদিকে, মোক্তার হোসেন মন্টেরেতে তাদের আশ্রয় দিয়ে রিও গ্র্যান্ডে নদী পার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য নির্দেশনা দিতেন। তদন্তে বলা হয়েছে, নদী পার হওয়া সময় অনেক অভিবাসী গুরুতর ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এছাড়া, তদন্তে আরও জানানো হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশের জন্য অনেক বাংলাদেশি দালালদের মাধ্যমে কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ পরিশোধ করেছেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, আল-মামুনকে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর ব্রাজিলে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। একই মামলায় অভিযুক্ত মোহাম্মদ মিলন হোসেন ও মোক্তার হোসেন আগে দোষ স্বীকার করেন এবং প্রত্যেককে ৪৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সাইফুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে অবৈধ অভিবাসী আনা, অবৈধভাবে অভিবাসী প্রবেশে ষড়যন্ত্র এবং অভিবাসীদের অবৈধ প্রবেশে উৎসাহ ও সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে অভিবাসী আনার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে তার ন্যূনতম পাঁচ বছর এবং সর্বাধিক ১৫ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি ষড়যন্ত্র সংক্রান্ত অভিযোগের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধিও রয়েছে।

মামলার তদন্ত পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস (এইচএসআই), যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন, ব্রাজিলের ফেডারেল পুলিশ, কলম্বিয়ার জাতীয় পুলিশ, যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল সার্ভিস এবং ব্রাজিলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসসহ উক্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সংস্থা একসাথে কাজ করেছে। ব্রাজিল থেকে অভিযুক্তকে প্রত্যর্পণে বিচার বিভাগের অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, এই মামলাটি তাদের যৌথ টাস্কফোর্স ‘জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স আলফা (জেটিএফএ)’ এর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। এই টাস্কফোর্স আন্তর্জাতিক মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের জন্য কাজ করছে।

তবে, বিচার বিভাগ এটাও মনে করিয়ে দিয়েছে যে, অভিযোগপত্র কোনো ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণ করে না। আদালতে সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সাইফুল্লাহ আল-মামুন আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিদিন ২৪২ জনের মৃত্যু ঘটাচ্ছে বায়ু দূষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


প্রতিদিন ২৪২ জনের মৃত্যু ঘটাচ্ছে বায়ু দূষণ

বাংলাদেশে বর্তমানে বায়ুদূষণ একটি বড় জনস্বাস্থ্য সংকটের রূপ নিয়ে উঠেছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সূক্ষ্ম ধূলিকণা বা পিএম-২.৫-এর কারণে দেশের ছয়টি প্রধান শহরে বছরে প্রায় ৮৮ হাজার ২৪০ জন মানুষের অকালমৃত্যু ঘটছে। এর অর্থ হলো, বায়ু দূষণের কারণে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪২ জনের প্রাণহানি ঘটছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে পাবলিক হেলথ বিভাগের আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে গবেষক দলের প্রধান এবং পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি তুলে ধরেন।

গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর দেশের অর্থনীতিতে মোটামুটি ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হচ্ছে, যা প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার সমান। এটি বাংলাদেশের মোট জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশের সমান। বায়ু দূষণের কারণে মোট মৃত্যুর মধ্যে প্রতি বছর হৃদরোগে ৩৭ হাজার ৫১৯ জন, শ্বাসতন্ত্রের রোগে ৮৩৪৪ জন এবং ফুসফুস ক্যান্সারে ৮১১ জন মারা যান। শহরগুলোর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে, যেখানে প্রায় ৬৮ হাজার ৭০৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, বরিশালে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে কম, সেখানে ১৩৯৫ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী ২১ ক্যাটাগরিতে প্রাথমিক শিক্ষা পদক বিতরণ করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী ২১ ক্যাটাগরিতে প্রাথমিক শিক্ষা পদক বিতরণ করছেন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ২১ ক্যাটাগরি, যা ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও বিষয় ভিত্তিক, পদক তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ জুলাই) এই পদক বিতরণ করা হয় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে।

সকাল বেলা গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে, অনুষ্ঠানস্থলের বাইরের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বক্তব্য রাখেন। এই বক্তব্যের সময় তিনি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছের চারা রোপণের জন্য আহ্বান জানান।

এর আগে, নির্বাচনী ইশতেহার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সারাদেশে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল সরকার। এই প্রতিযোগিতাগুলি উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে ধাপে ধাপে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, দেশের স্কুল পর্যায়ের ২ কোটি ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ আজ প্রদান করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গায়ে কাঁটা দেয় কেন? এর পেছনের বৈজ্ঞানিক রহস্য জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


গায়ে কাঁটা দেয় কেন? এর পেছনের বৈজ্ঞানিক রহস্য জানুন

হঠাৎ যদি ভয় হয়, খুব বেশি আবেগিত হলে অথবা তীব্র ঠান্ডা লাগে তখন শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায় বা দাঁড়িয়ে যায়। যদিও অনেকেই একে সাধারণ ঘটনা মনে করেন, এর পিছনে রয়েছে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি মানবদেহের একটি স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া, যা আমরা ইচ্ছা করলেও নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হই না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের লোম খাড়া হওয়ার বিষয়টিকে বলা হয় লোম খাড়া হওয়া। এটি ঘটে স্নায়ুতন্ত্রের একটি বিশেষ অংশের নির্দেশের মাধ্যমে। তখন লোমের গোড়ার ক্ষুদ্র পেশিগুলি সংকুচিত হয়ে লোমগুলো সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।

তাহলে কেন শরীরের লোম খাড়া হয় বা দাঁড়িয়ে যায়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই বৈশিষ্ট্য মানুষের বহু প্রাচীন পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে এসেছে। অতীতের সময়ে শরীরের লোম খাড়া হলে মানুষ বা প্রাণীকে বড় আকারে দেখায়, যা শিকারি প্রাণীকে ভয় দেখাতে সাহায্য করত। আজও বিড়াল বা অনেক প্রাণীর শরীরে একই প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়।

বর্তমানে শরীরের লোম খাড়া হওয়ার মূলত দুটি কারণ পাওয়া যায়।

প্রথমত, ঠান্ডা লাগলে। শীতের সময়ে বা আচমকা তাপমাত্রা কমে গেলে শরীর সন্তোষজনক তাপমাত্রা ধরে রাখার জন্য মস্তিষ্কের চেষ্টা করে। তখন স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে লোমের গোড়ায় সংকেত যায়। এতে লোম খাড়া হয়ে শরীরের চারপাশে বাতাসের একটি পাতলা স্তর সৃষ্টি হয়, যা কিছুটা তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

দ্বিতীয়ত, ভয় বা প্রবল আবেগে। ভয়, উদ্বেগ, উত্তেজনা কিংবা গভীর আবেগের সময়েও শরীরের লোম খাড়া হতে পারে। এই সময়ে শরীরে এক ধরনের হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হয়, যা স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় করে এবং লোমের গোড়ার পেশি সংকুচিত হয়। ফলে শরীরে কাঁটা দেওয়ার মতো অনুভূতি তৈরি হয়।

চুলের যত্নও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুল ও শরীরের লোম শুধুমাত্র সৌন্দর্যর জন্য নয়, এটি শরীরের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা, সঠিক যত্ন নেওয়া এবং অস্বাভাবিক চুল পড়া শুরু হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

অতিরিক্ত চুল পড়া বা টাকের সমস্যা দেখা দিলে শুরুতেই ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব। তাই সমস্যা দীর্ঘকাল ফেলে না রেখে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সর্বোত্তম উপায়।

অতএব, শরীরের লোম খাড়া হওয়া বা দাঁড়িয়ে যাওয়া কোনো রহস্য নয়। এটি মানবদেহের একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, যা ঠান্ডা কিংবা প্রবল আবেগের সময় নিজে থেকেই সক্রিয় হয়ে ওঠে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেবে: প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেবে: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা ও পদক্ষেপ নেবে।

তিনি জানান, বন্যার পানি সম্পূর্ণ নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি ঘরবাড়ি মেরামতে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

কৃষি, মৎস্য ও গবাদিপশুর মালিকসহ বন্যায় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সরকার বিশেষ সহায়তা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার ৯১৫ (জুলাই) সকালে বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় বন্যাকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সবসময় বন্যাকবলিত মানুষের পাশে রয়েছে। দুর্গত এলাকায় নিয়মিত ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছানো হচ্ছে।

তবে সরকার শুধু ত্রাণ বিতরণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বন্যায় যাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হবে।

এদিকে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বান্দরবান স্থানীয় সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মার্মা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%