ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গায়ে কাঁটা দেয় কেন? এর পেছনের বৈজ্ঞানিক রহস্য জানুন


গায়ে কাঁটা দেয় কেন? এর পেছনের বৈজ্ঞানিক রহস্য জানুন

হঠাৎ যদি ভয় হয়, খুব বেশি আবেগিত হলে অথবা তীব্র ঠান্ডা লাগে তখন শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায় বা দাঁড়িয়ে যায়। যদিও অনেকেই একে সাধারণ ঘটনা মনে করেন, এর পিছনে রয়েছে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি মানবদেহের একটি স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া, যা আমরা ইচ্ছা করলেও নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হই না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের লোম খাড়া হওয়ার বিষয়টিকে বলা হয় লোম খাড়া হওয়া। এটি ঘটে স্নায়ুতন্ত্রের একটি বিশেষ অংশের নির্দেশের মাধ্যমে। তখন লোমের গোড়ার ক্ষুদ্র পেশিগুলি সংকুচিত হয়ে লোমগুলো সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।

তাহলে কেন শরীরের লোম খাড়া হয় বা দাঁড়িয়ে যায়? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই বৈশিষ্ট্য মানুষের বহু প্রাচীন পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে এসেছে। অতীতের সময়ে শরীরের লোম খাড়া হলে মানুষ বা প্রাণীকে বড় আকারে দেখায়, যা শিকারি প্রাণীকে ভয় দেখাতে সাহায্য করত। আজও বিড়াল বা অনেক প্রাণীর শরীরে একই প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বর্তমানে শরীরের লোম খাড়া হওয়ার মূলত দুটি কারণ পাওয়া যায়।

প্রথমত, ঠান্ডা লাগলে। শীতের সময়ে বা আচমকা তাপমাত্রা কমে গেলে শরীর সন্তোষজনক তাপমাত্রা ধরে রাখার জন্য মস্তিষ্কের চেষ্টা করে। তখন স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে লোমের গোড়ায় সংকেত যায়। এতে লোম খাড়া হয়ে শরীরের চারপাশে বাতাসের একটি পাতলা স্তর সৃষ্টি হয়, যা কিছুটা তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

দ্বিতীয়ত, ভয় বা প্রবল আবেগে। ভয়, উদ্বেগ, উত্তেজনা কিংবা গভীর আবেগের সময়েও শরীরের লোম খাড়া হতে পারে। এই সময়ে শরীরে এক ধরনের হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হয়, যা স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় করে এবং লোমের গোড়ার পেশি সংকুচিত হয়। ফলে শরীরে কাঁটা দেওয়ার মতো অনুভূতি তৈরি হয়।

চুলের যত্নও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুল ও শরীরের লোম শুধুমাত্র সৌন্দর্যর জন্য নয়, এটি শরীরের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা, সঠিক যত্ন নেওয়া এবং অস্বাভাবিক চুল পড়া শুরু হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

অতিরিক্ত চুল পড়া বা টাকের সমস্যা দেখা দিলে শুরুতেই ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব। তাই সমস্যা দীর্ঘকাল ফেলে না রেখে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সর্বোত্তম উপায়।

অতএব, শরীরের লোম খাড়া হওয়া বা দাঁড়িয়ে যাওয়া কোনো রহস্য নয়। এটি মানবদেহের একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, যা ঠান্ডা কিংবা প্রবল আবেগের সময় নিজে থেকেই সক্রিয় হয়ে ওঠে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেবে: প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেবে: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা ও পদক্ষেপ নেবে।

তিনি জানান, বন্যার পানি সম্পূর্ণ নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি ঘরবাড়ি মেরামতে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

কৃষি, মৎস্য ও গবাদিপশুর মালিকসহ বন্যায় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সরকার বিশেষ সহায়তা প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার ৯১৫ (জুলাই) সকালে বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় বন্যাকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সবসময় বন্যাকবলিত মানুষের পাশে রয়েছে। দুর্গত এলাকায় নিয়মিত ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছানো হচ্ছে।

তবে সরকার শুধু ত্রাণ বিতরণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বন্যায় যাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হবে।

এদিকে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বান্দরবান স্থানীয় সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মার্মা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা বেশি বেড়ে গেছে: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা বেশি বেড়ে গেছে: ত্রাণমন্ত্রী

রেকর্ড পরিমাণ ভারী বৃষ্টি এবং চট্টগ্রামের খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা বেড়ে গেছে, এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের হালিশহর ও বাশখালীতে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এই মন্তব্যগুলি করেছেন।

এ সময় সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সাঈদ আল নোমান এমপি, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বেলারHEST হোসেন এবং জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যা পরিস্থিতির সার্বক্ষণিক খবর রাখছেন, এই কথা উল্লেখ করে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, তিনি বন্যাদুর্গত এলাকা থেকে ফিরে বিস্তারিত তথ্য অবহিত করবেন। যে সকল কাজ দ্রুত করা প্রয়োজন, তা আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি জানান, জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত বিএনপির সরকার। জনগণের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। জনগণের দুঃখ ও দুর্দশার মধ্যে আমাদের সরকার নিশ্চুপ বসে থাকতে পারে না। আমরা জনগণের পাশে আছি। সরকারের ওপর ভরসা রাখেন। এ বছর ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া ছাড়াও দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৭৪ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫২ পি.এম


দেশে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৭৪ শতাংশ

অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) জমা পড়েছে ৩০ হাজার ১৯৯টি সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের (এসটিআর/এসএআর) প্রতিবেদন, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব প্রতিবেদনের ৯৫ শতাংশই এসেছে ব্যাংকখাত থেকে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে এসব তথ্য তুলে ধরে বিএফআইইউ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জমা পড়া মোট প্রতিবেদনের মধ্যে ২০ হাজার ৫২৪টি ছিল সন্দেহজনক লেনদেনের প্রতিবেদন (এসটিআর) এবং ৯ হাজার ৬৭৫টি ছিল সন্দেহজনক কার্যক্রমের প্রতিবেদন (এসএআর)। আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৩৪৫টি। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে মাত্র ৫ হাজার ২৮০টি প্রতিবেদন জমা পড়েছিল, সেখানে চার বছরের ব্যবধানে তা প্রায় ছয়গুণ বেড়েছে।

বিএফআইইউ জানায়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ অনুযায়ী রিপোর্টিং সংস্থাগুলোকে সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে বিএফআইইউতে পাঠাতে হয়। কোনো অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন শনাক্ত হলে বিলম্ব না করে তা প্রতিবেদন আকারে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্দেহজনক লেনদেনের প্রতিবেদন বৃদ্ধির পেছনে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর তদারকি, আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা বৃদ্ধি, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকি সম্পর্কে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সচেতনতা বৃদ্ধির ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়াও অনলাইন জুয়া, বাজি, বৈদেশিক মুদ্রা ও ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন এবং ডিজিটাল হুন্ডির মতো ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিলে ব্যাংকিং খাতই সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট প্রতিবেদনের ৯১ শতাংশ, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯৫ শতাংশ এসেছে ব্যাংক থেকে।

সবশেষ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো ২৮ হাজার ৭৫৫টি সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১৫ হাজার ৯৯১টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংক খাতের প্রতিবেদন প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের ১২ হাজার ৮০৯টির তুলনায় এ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি。

বিএফআইইউর মতে, ব্যাংকখাতে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি, উন্নত লেনদেন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রক নজরদারি জোরদারের ফলেই এ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

অন্যদিকে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জমা দেওয়া প্রতিবেদন ১২১টি থেকে বেড়ে ২৫০টিতে পৌঁছেছে। একই সময়ে অর্থ প্রেরণকারী (মানি ট্রান্সফার) প্রতিষ্ঠানগুলোর জমা দেওয়া প্রতিবেদন ৯০০টি থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৫টিতে উন্নীত হয়েছে। তবে, মোট প্রতিবেদনের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের অংশ যথাক্রমে প্রায় ১ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যৌন নির্যাতন মামলায় বড় অঙ্কের জরিমানা পরিশোধ করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ পি.এম


যৌন নির্যাতন মামলায় বড় অঙ্কের জরিমানা পরিশোধ করলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন এবং মানহানির মামলায় ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়া গিয়েছে লেখক ও সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট ই. জিন ক্যারলের হাতে। মোট ৫৬ লাখ ২৫ হাজার ৫ ডলার ৪৮ সেন্টের এই অর্থ সুদসহ তার আইনজীবীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রায় তিন বছর আগে জুরির দেওয়া রায় অনুসারে এই অর্থের পরিশোধের প্রক্রিয়া আজ সম্পন্ন হলো।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আদালতের নথিতে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিচারক লুইস ক্যাপলানের নির্দেশে এই অর্থ ছাড় করা হয়।

এর আগে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু দেশটির সর্বোচ্চ আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। পরে পুনর্বিবেচনার আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থ পরিশোধ স্থগিত রাখার চেষ্টাও করেছিলেন তিনি। তবে সেই আবেদনেরও সাড়া পাওয়া যায়নি।

আদালতে দাখিল করা নথিতে ক্যারলের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তিনি এই অর্থ অবসর জীবনের জন্য সংরক্ষণ করবেন। তবে ট্রাম্পের পুনর্বিবেচনার আবেদন চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থকে সুদবাহী একটি ব্যাংকে রাখা হবে।

এদিকে আইনি লড়াই থেকে সরে আসেননি ট্রাম্প। গত শুক্রবার তার আইনজীবীরা ফেডারেল আপিল আদালতে অর্থ হস্তান্তর স্থগিতের আবেদন করেছেন। তাদের যুক্তি, সুপ্রিম কোর্ট পুনর্বিবেচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত অর্থ ছাড় দেওয়া উচিত নয়। এমনকি যদি অর্থ হস্তান্তর হয়ে থাকে, তবে তা আদালতের নিয়ন্ত্রণে ফেরত নেওয়ার জন্যও আবেদন জানানো হয়েছে। তবে জরুরি ভিত্তিতে অর্থ ছাড় স্থগিতের আবেদন আপিল আদালত এরই মধ্যে খারিজ করে দিয়েছে। সর্বশেষ আবেদনের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

বর্তমানে ৮২ বছর বয়সী ই. জিন ক্যারল পুরো অর্থই পাবেন বলেও জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। তারা জানান, চুক্তিভিত্তিক পারিশ্রমিকে মামলাটি পরিচালনা করলেও এই ক্ষতিপূরণের অর্থ থেকে তারা কোনো আইনগত ফি নেবেন না।

এক বিবৃতিতে ক্যারলের আইনজীবী রবার্টা ক্যাপলান বলেন, তিন বছর আগে নয় সদস্যের সর্বসম্মত জুরি ট্রাম্পকে ই. জিন ক্যারলের ওপর যৌন নির্যাতন এবং পরে তাকে মানহানির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন। সেই রায়ের ভিত্তিতে আজ তিনি ক্ষতিপূরণের অর্থ পেয়েছেন।

ই. জিন ক্যারল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন প্রথম নারী নন। তবে তিনিই প্রথম এই অভিযোগটি আদালতে পূর্ণাঙ্গ বিচারের জন্য নিয়ে আসেন। আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯০ সালের দশকের মাঝাপথে নিউইয়র্কের একটি ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ট্রাম্প তাকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন। প্রথম বিচারে ট্রাম্প আদালতে উপস্থিত না থাকলেও তিনি জানিয়েছিলেন যে অভিযোগগুলো অস্বীকার করছেন। এছাড়া ক্যারলকে নিজের পছন্দের নারী নন বলেও দাবি করেছিলেন এবং জানিয়েছেন তিনি বই বিক্রির জন্য এসব অভিযোগ তুলেছেন। জুরি এসব বক্তব্যকে মানহানিকর বলে রায় দেন। একই সঙ্গে যৌন নির্যাতনের দায়ও প্রমাণিত হওয়ায় ক্যারলকে ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরে সিএনএনের এক টাউন হল অনুষ্ঠানে ট্রাম্প আবারও ক্যারলকে কটাক্ষ করে তাকে 'পাগল' আখ্যা দেন এবং অভিযোগকে 'সম্পূর্ণ বানানো গল্প' বলে দাবি করেন। এরপর ২০১৯ সালের মানহানি মামলায় নতুন করে এসব মন্তব্যও যুক্ত করেন ক্যারল।

দ্বিতীয় বিচারে ট্রাম্প আদালতে হাজির হন এবং অল্প সময়ের জন্য সাক্ষ্যও দেন। ওই মামলায় জুরি রায় দেয় যে ২০১৯ সালে ট্রাম্পের দেওয়া মন্তব্যগুলোও মানহানিকর ছিল। এজন্য ক্যারলকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ রায়ের বিরুদ্ধেও ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়মুক্তি (প্রেসিডেনশিয়াল ইমিউনিটি) সংক্রান্ত যুক্তি বিবেচনার জন্য চলতি মাসের শেষের দিকে তার আবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: সিএনএন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%