শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৩ পি.এম
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নিশ্চায়ন ও মাইগ্রেশনের আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এখন শিক্ষার্থীদের জন্য জানানো হবে, কে কোন কলেজে ভর্তি হয়েছে, তার চূড়ান্ত ফলাফল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় ভর্তি কমিটি এই ফল প্রকাশ করবে। শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফল দেখতে পারবেন। এছাড়া, আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের দেওয়া নিবন্ধিত নম্বরে তাদের চূড়ান্ত মনোনয়নের ফল জানানো হবে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, "আজ রাতে যে ফল প্রকাশিত হবে, তাতে কোন শিক্ষার্থী কোন কলেজ বা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলো, তা জানানো হবে।" ভর্তিপ্রক্রিয়া ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের সশরীরে নির্বাচিত কলেজে গিয়ে ফি পরিশোধ করে ভর্তি হতে হবে।
অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আরও জানান, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে। যেসব শিক্ষার্থী আবেদন করে কলেজ পাননি অথবা কোনো কারণে আবেদন করতে পারেননি, তাদের ২৪ সেপ্টেম্বরের পর পুনরায় আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দক্রম দিলে কেউ বাদ পড়বে না।
এর আগে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবারের ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে প্রথম ধাপে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন।
এদিকে, অনলাইনে আবেদন করেও ভর্তি সুযোগ থেকে ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। বঞ্চিতদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ২০৫ জন। দেশের ১১টি অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে কোনো শিক্ষার্থী পছন্দক্রম বা চয়েজ দেননি। আর ৪১৬টি প্রতিষ্ঠান কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেয়নি। অর্থাৎ, এসব কলেজ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একজন শিক্ষার্থীও পায়নি।
গত ২ সেপ্টেম্বর অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন শুরু হয়। আবেদন গ্রহণ শেষ হয় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পেরেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিজ্ঞান লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইব্রাহীম মন্তব্য করেছেন যে, এআই সত্যকে গুজব এবং গুজবকে সত্যে পরিণত করছে। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরিতে এআই এর প্রভাব নিয়ে চিন্তা করা উচিত।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র ছায়া সংসদের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।
তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাবে আজ আমাদের রাষ্ট্রের সিকিউরিটি, অর্থনৈতিক সিকিউরিটি এমনকি ব্যক্তিগত সিকিউরিটিও হুমকির সম্মুখীন। সাইবার সিকিউরিটি পরিস্থিতিও নাজুক। পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে অর্থ চুরি হয়েছে, তাতে এআই এর প্রভাব ছিলো কিনা তা নিয়ে ভাবতে হবে। ফেইক নিউজের মাধ্যমে আজ ব্যক্তিত্বকে বদলে ফেলা হচ্ছে। সত্যকে গুজব এবং গুজবকে সত্যে পরিণত করা হচ্ছে। এআই এর অপব্যবহারে বিশ্ব অচেনা হয়ে যাচ্ছে। এটি যেন একটি যুদ্ধের মতো। তবে এআই এর উপর জ্ঞানের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যা হলো ‘কমনসেন্স’।
তিনি আরো বলেন, এআই এর অনেক সেন্স আছে, কিন্তু মানুষের মত কমনসেন্স নেই। সুপার এআই আসার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে নতুন বিশ্বসংস্থার মাধ্যমে বিশ্ব সমঝোতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। বৈশ্বিক আইনি বিধানও প্রয়োজন। এআই আজ সব ক্ষেত্রে নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করছে। এমনকি যারা এটি তৈরি করেছে, তারাও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্তমান অর্থনীতি এআই এর নয়, বরং এর মাধ্যমে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সৃষ্টি হবে। বিশ্বের অনেক মানুষের কাজ চলে যাবে। এআই বিকল্প কাজ সৃষ্টি করতে আসেনি। তবে এআই নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, প্রযুক্তি মানুষের জন্য আশির্বাদ হলেও এর অপব্যবহার সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিকিৎসা বিজ্ঞান, রোগ নির্ণয়, নতুন ওষুধ উদ্ভাবন, কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি, দুর্যোগের পূর্বাভাস, মানব শ্রমের অপচয় কমানো, ব্যবসা-বাণিজ্য, গ্রাহক সেবা সহ জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই নানাভাবে সহযোগিতা করছে। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারের কারণে ভূয়া ছবি, ভূয়া ভিডিও, অডিও ক্লোনিং এর মাধ্যমে সমাজে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে। কন্ঠ ও চেহারা নকল করে ভূয়া কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে প্রতারণা করা হচ্ছে। এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে যেভাবে অপসাংবাদিকতা শুরু হয়েছে, তা প্রতিরোধ করা না গেলে মূলধারার গণমাধ্যম হুমকির মুখে পড়বে। মানুষের সংবাদে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে। অপসাংবাদিকতা গণমাধ্যমকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করাবে।
চৌধুরী কিরণ আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো মারাত্মক সাইবার নিরাপত্তা হুমকিতে রয়েছে। অথচ আমাদের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা অনেকাংশেই পার্শ্ববর্তী দেশের হাতে। আমাদের ব্যান্ডউইথ চাহিদার সিংহভাগই আসে ভারত থেকে। সেই দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থা আমাদের ডিজিটাল ডেটা ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা নজরদারি করতে পারে। এতে আমাদের যোগাযোগবার্তা ও তথ্যাদি অন্যের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ মানবসভ্যতার জন্য আশির্বাদ নয়, অস্তিত্বের সংকট’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে সরকারি তিতুমীর কলেজ বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, ড. শাকিলা জেসমিন, মাইদুর রহমান রুবেল ও আনোয়ার হোসেন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। ছায়া সংসদটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের অধ্যাপক ড. শিপন মিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরখাস্ত করেছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কারণ তিনি ছুটি শেষ হওয়ার পরও কর্মস্থলে যোগদান করেননি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে গত ২৮ মার্চ থেকে তাকে চাকরিচ্যুত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আইসিটি বিভাগের এই শিক্ষককে গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ৮১ দিনের অর্জিত ছুটি এবং ১৬ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধকালীন সময়ে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ছুটির পর এ বছরের ২৮ মার্চ তার কর্মস্থলে যোগদান করার কথা ছিল, কিন্তু তিনি উপস্থিত হননি। পরে ১৯ এপ্রিল একটি পত্রের মাধ্যমে তাকে ১৪ দিনের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি কর্মস্থলে যোগদান না করে ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটি, অ্যাডিলেডে যোগদানের উদ্দেশ্যে এক বছর এক মাস দুই দিনের লিয়েন ছুটির আবেদন করেন।
এরপর, ২৯ জুন অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৭৪তম (সাধারণ) সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে তাকে পুনরায় ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে যোগদানের চূড়ান্ত সময় দেওয়া হবে। তবে এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হন, যার ফলে তাকে গত ২৮ মার্চ থেকে চাকরিচ্যুত ঘোষণা করা হয়।
এ বিষয়ে বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ বলেন, "তিনি (ড. শিপন) যে আবেদন করেছিলেন, তা প্রশাসনের কাছে আমরা হস্তান্তর করেছি। প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ ব্যাপারে আমাদের কোনো কথা নেই।"
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, "দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় সিন্ডিকেটে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিস্তারিত রেজুলেশনে উল্লেখ করা আছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে অনুষ্ঠিত মেধা যাচাই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য মোট ৩৪১ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। ‘সুপার ট্যালেন্ট’, ‘ট্যালেন্ট’ এবং ‘গোল্ডেন’—এই তিন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র এবং গ্রাজুয়েশন ক্যাপ তুলে দেওয়া হয়।
এই বৃত্তির আয়োজন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার দাউদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিজয়নগর কিন্ডারগার্টেন ফোরামের ব্যবস্থাপনায় করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এন্টারপ্রাইজ এডভাইজার মো. কামরুল হাসান।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দা শারমিন আক্তার, বিজয়নগর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ লুৎফর রহমান এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রাক্তন সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার এ. এ. কামরুল আলম চৌধুরী।
বিজয়নগর কিন্ডারগার্টেন ফোরামের সভাপতি ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. জুহুর আহম্মেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম শাহেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নৌ-পুলিশ বুড়িগঙ্গা নদী থেকে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতির পর, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, স্থানীয়রা পৃথক সময়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে মরদেহ দুটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌ-পুলিশের সদস্যরা মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন।
বরিশুর নৌ-পুলিশের এএসআই বাবুল মিয়া জানিয়েছেন, শনিবার বেলা ১২ টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে সংবাদ পাওয়ার পর, বুড়িগঙ্গা নদীর বেপারিঘাট বরাবর মাঝ নদী থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় অজ্ঞাতনামা (৪০) এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি দুই-তিন দিন আগের। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, হাসনাবাদ নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়রা বুড়িগঙ্গা নদীর দোলেশ্বর খেয়া ঘাট দিয়ে নৌকাযোগে নদী পারাপারের সময় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে হাসনাবাদ নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। নিহতের বয়স আনুমানিক ২৮ বছর। তার পড়নে জিন্সের প্যান্ট ও ফুল হাতা শার্ট ছিল। পুলিশ জানায়, নিহতের গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
নিহতদের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি তাদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক পৃথক আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ