মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৬ পি.এম
মুলতানের শের শাহ সেতুর নিকটে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রেহমান বাবা এক্সপ্রেস ট্রেনের ১৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন, যা পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীদের দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে।
জিও টিভি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য মুলতানের নিশতার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ১৩টি বগি থেকে উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটি বগিতে উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।
এক যাত্রীর বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ট্রেনটি করাচি থেকে পেশোয়ারের দিকে যাচ্ছিল।
এক যাত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার আগে রোহরির কাছে ট্রেনের নয় নম্বর বগির নাট-বল্টু মেরামত করা হয়েছিল। তবে ওই মেরামতের সঙ্গে দুর্ঘটনার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
এদিকে, দুর্ঘটনার বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ খোঁজ নিয়েছেন। তিনি আহত যাত্রীদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি একইসঙ্গে নির্দেশ দিয়েছেন যে, আহত ব্যক্তিদের যেন বিলম্ব ছাড়াই সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৪৯ জনের। সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা ১০৭৪ জন পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২৯৫, সিলেটে ১৪২, চট্টগ্রামে ২৪৬, রাজশাহীতে ৩৭, ময়মনসিংহে ৭২, বরিশালে ১৩২, খুলনায় ১২৬ এবং রংপুরে ২৪ জন আক্রান্ত হয়েছে।
নিশ্চিত হামে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ৬৩ জন, চট্টগ্রামে ৬৭ জন এবং খুলনায় ৯ জন রয়েছে।
হামের উপসর্গে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ঢাকায় তিনজন, সিলেটে একজন এবং চট্টগ্রামে দুইজনের।
গত মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে ১০৬৬ জন মারা গেছেন।
এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ৭১২ জন। হাম রোগের উপসর্গ পাওয়া গেছে দুই লাখ ৭ হাজার ৩৭১ জনের মধ্যে।
হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৬৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৭২ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পূর্বশত্রুতার কারণে এক কারাবন্দি কৃষকের পরিবারের দুই বিঘা জমির ফলন্ত লাউক্ষেত কেটে নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার ফলে পরিবারটির কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং তারা বর্তমানে আরও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কায় ভুগছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ গণকপাড়া গ্রামের ফসলি জমির মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী কৃষক শাহানুর মিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে চলমান মামলা ও বিরোধের কারণে প্রায় এক মাস ধরে কারাবন্দি রয়েছেন। তার অনুপস্থিতিতে পরিবারটি যখন চরম দুর্দিন পার করছে, ঠিক তখনই তাদের বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেত নষ্ট করা হলো।
ক্ষতিগ্রস্ত লাউক্ষেতে দাঁড়িয়ে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন কৃষানি লাবনী বেগম (৩০)। তিনি বলেন, "আমার স্বামী প্রতিপক্ষের করা মিথ্যা মামলায় এক মাস যাবৎ জেলে। অনেক কষ্ট ও স্বপ্ন নিয়ে দুই বিঘা জমিতে আমরা লাউ চাষ করেছিলাম। প্রতি সপ্তাহে পাঁচ শতাধিক লাউ মিলছিল। আজ ভোরে প্রতিপক্ষরা আমাদের স্বপ্নের লাউক্ষেত উপড়ে ফেলেছে। ফলে পরিবার নিয়ে আমি সর্বস্বান্ত। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।"
লাবনীর ১০ বছর বয়সী ছেলে, স্থানীয় বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র হাবিব হাসান জানায়, সকালে মায়ের সাথে সে জমিতে লাউ তুলতে যায়। সে সময় প্রতিপক্ষ সুখটু, আসমা, বেলাল, তারা ও রফিকুলকে কাস্তে হাতে লাউগাছের সুতা ও গাছ কাটতে দেখে। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী কৃষক শাহানুর মিয়ার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী রফিকুল গংদের প্রায় ২০ বছর ধরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জেরে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা ও জেল-জুলুমের শিকার হতে হয়েছে তাদের। বর্তমানে প্রতিবেশীদের করা মিথ্যা মামলায় শাহানুর মিয়া প্রায় দেড় মাস ধরে জেলহাজতে রয়েছেন বলে দাবি তাদের। তার অবর্তমানে দুই বিঘা জমির লাউগাছ কেটে নষ্ট করার ঘটনাটিকে স্থানীয়রা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অমানবিক উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন সোহল জানান, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। তিনি ভুক্তভোগী কৃষক পরিবারকে সম্ভাব্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।
ভুক্তভোগী পরিবারটি জানিয়েছে, এ ঘটনায় থানায় মামলা বা অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানানোর পাশাপাশি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়ার জন্য দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিবন্ধন শুরু হওয়ার মাত্র ১২ দিনের মধ্যে ১৪২টি দেশ থেকে দেড় কোটির বেশি টিকিটের আবেদন জমা পড়েছে। টিকিটের জন্য নিবন্ধনের শেষ সময় ২১ নভেম্বর।
এখনো প্রায় এক বছর বাকি রয়েছে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু হতে। তবে এর মধ্যেই টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো মাঠে বসে দেখার জন্য দর্শকদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) তথ্য অনুযায়ী, টিকিটের জন্য নিবন্ধন শুরুর ১২ দিনের মধ্যে মোট ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫২টি আবেদনের বিপরীতে নিবন্ধন করেছেন ৪৪ লাখ ২৩ হাজার ৪১৭ জন।
আইসিসি জানায়, বিশ্বের ১৪২টি দেশ থেকে এসব আবেদন জমা পড়েছে। টিকিটের চাহিদার দিক থেকে যুক্তরাজ্য শীর্ষে রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে।
আগামী বছরের ২ অক্টোবর শুরু হয়ে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৪তম আসর। এবারের টুর্নামেন্ট দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। গত ১ অক্টোবর বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছে আইসিসি।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্ত দর্শকদের এ ব্যাপক আগ্রহে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, বিপুলসংখ্যক আবেদন ক্রিকেট বিশ্বকাপের জনপ্রিয়তা ও আকর্ষণের পাশাপাশি আফ্রিকার পর্যটন গন্তব্য হিসেবে আবেদনকে তুলে ধরছে।
আইসিসির বিবৃতিতে সংযোগ গুপ্ত বলেন, "টিকিটের অভূতপূর্ব চাহিদা ক্রিকেট বিশ্বকাপের মর্যাদা ও আকর্ষণের প্রমাণ।" একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আইসিসি ও এর অংশীদারদের প্রচারণা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
বিশ্বকাপ শুরু হতে প্রায় এক বছর বাকি থাকায় দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়াতে আইসিসির বিভিন্ন কার্যক্রম, একাধিক প্ল্যাটফর্মে প্রচারাভিযান এবং নানা ধরনের কনটেন্ট প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকিটের জন্য আইসিসির ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করা যাবে আগামী ২১ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, নিবন্ধনের শেষ সময় ২২ নভেম্বর ভোর ৩টা ৫৯ মিনিট।
টিকিটের জন্য নিবন্ধন করতে কোনো অর্থ দিতে হবে না। একজন দর্শক একটি ম্যাচের জন্য একবার আবেদন করতে পারবেন। তবে একাধিক ম্যাচের টিকিট পেতে চাইলে প্রতিটি ম্যাচের জন্য আলাদাভাবে আবেদন করা যাবে।
টিকিট পাওয়ার ক্ষেত্রে আগে আবেদন করলেই বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা প্রত্যেকের সুযোগ সমান থাকবে। কোনো ম্যাচের টিকিটের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে লটারির মাধ্যমে টিকিট কেনার সুযোগ পাওয়া দর্শকদের নির্বাচন করা হবে।
লটারিতে নির্বাচিত ব্যক্তিদের ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে টিকিট কেনার পরবর্তী প্রক্রিয়া। নির্বাচিত না হলেও নিবন্ধনের সময় দেওয়া ইমেইল ঠিকানায় ফলাফল জানানো হবে।
অর্থাৎ, এখন পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়লেও আবেদনকারীরা এখনই টিকিট নিশ্চিত পাননি। বরং তাঁরা অংশ নিচ্ছেন টিকিট কেনার সুযোগ পাওয়ার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহিম রনির বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এসব দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের একটি ভিডিওতে চাকসু ভিপি ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহিম রনি পবিত্র কোরআনের আয়াত ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ এবং বেগম খালেদা জিয়ার বাচনভঙ্গিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করেছেন। বিষয়টিকে ধর্মীয় মূল্যবোধের অবমাননা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থি বলে উল্লেখ করে সংগঠনটি।
এ সময় ছাত্রদল ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। সংগঠনটির অভিযোগ, আন্দোলনের সময় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটিতে অবস্থান করেছেন। এছাড়া ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে চাকসু ভিপির বিরুদ্ধে হল দখল, ক্যাম্পাস অবরুদ্ধ রাখা ও শিক্ষার্থী দাউদ সালমানকে কেন্দ্র করে মব সৃষ্টির অভিযোগও তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের ছয় দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হয়।
১. চাকসু ভিপি ইব্রাহিম রনির ব্যঙ্গাত্মক ভিডিওর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, তদন্তের ফলাফল প্রকাশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন ও চাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ।
২. পবিত্র কোরআনের আয়াত ও বেগম খালেদা জিয়ার বাচনভঙ্গিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপনের জন্য ইব্রাহিম রনিকে দেশ, দেশের জনগণ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
৩. ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা ও গুপ্ত রাজনীতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সামনে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।
৪. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধ করে স্বচ্ছ ও প্রকাশ্য ছাত্ররাজনীতির পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. আবরার ফাহাদ হত্যার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ছাত্রশিবিরের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা, গুপ্ত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং সন্দেহের রাজনীতি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
৬. ক্যাম্পাসের নারী শিক্ষার্থীদের চরিত্রহনন ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক বিভিন্ন পেজের অ্যাডমিনদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং পেজগুলো বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাস ও মানুষের সম্মান নিয়ে উপহাস গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দাবিগুলো বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন। অন্যথায়, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় ছাত্রদল নেবে না বলেও জানান তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ