ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রেইন ড্রেইনে যেভাবে বাংলাদেশ হারাচ্ছে সেরা মেধাবীদের


ব্রেইন ড্রেইনে যেভাবে বাংলাদেশ হারাচ্ছে সেরা মেধাবীদের

একসময় পরিবারে সবচেয়ে মেধাবী ছেলেটা বা মেয়েটাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা হতো। স্বপ্ন ছিল, একদিন সে দেশের বড় চিকিৎসক, গবেষক কিংবা স্বনামধন্য অন্য কোনো পেশায় নিযুক্ত হবে। তবে এখন সেই স্বপ্নের শেষ গন্তব্য দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং হয়ে উঠছে কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া কিংবা ইউরোপের কোনো শহর। বিমানবন্দরের বিদায় মুহূর্তে যখন চোখে পানি থাকে, তখনও অনেকের মনে একটাই কথা ঘুরতে থাকে—হয়তো আর ফেরা হবে না।

বাংলাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা গত কয়েক বছরে অপরিসীমভাবে বেড়েছে। ইউনেসকোর তথ্য বলছে, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৭০ থেকে ৯০ হাজার শিক্ষার্থী বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে। কেবল যুক্তরাষ্ট্রই ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রায় ৮ হাজার ৬০০ বাংলাদেশিকে স্টাডি পারমিট দিয়েছে। তাছাড়া ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা আনুমানিক ১৭ হাজারেরও বেশি পৌঁছেছে। এটি তার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৬% বেশি এবং ইতিহাসের সর্বোচ্চ। কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানও বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অন্যতম বড় গন্তব্য হয়ে উঠেছে।

এটি সম্ভব হয়েছে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিশেষ উদ্যোগের জন্য। তারা একের পর এক স্কলারশিপ দিচ্ছে, টিউশন ফি কমাচ্ছে, এবং পড়াশোনা শেষে চাকরির সুযোগও দিচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের পোস্ট স্টাডি ওয়ার্ক পারমিট কিংবা কানাডার স্থায়ী বসবাসের সুযোগ তরুণদের কাছে নিরাপদ ভবিষ্যতের একটি প্রতিশ্রুতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

কিন্তু সমস্যাটা সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জায়গায় রয়েছে। যারা বিদেশে যায়, তাদের একটি বড় অংশ আর ফিরছে না। দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের প্রতি ব্যাচের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী বিদেশে চলে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে খুব কম শিক্ষার্থীই দেশে ফিরে আসে বলেও একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কেবল শিক্ষার্থীরাই নয়, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যেও বিদেশে থাকার প্রবণতা বেড়েছে। কেউ কেউ উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার জন্য বিদেশে চলে যান এবং ফেরেন না, আবার কেউ পিএইচডি করে বিদেশেই স্থায়ী হয়ে যান।

এটির পেছনে শুধুমাত্র টাকার বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হতাশা, অনিশ্চয়তা এবং নিরাপদ জীবনের আকাঙ্ক্ষা। দেশে হাজার হাজার শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেও চাকরি পাচ্ছে না। আর চাকরি পেলেও তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেশনজট, গবেষণার সীমাবদ্ধতা ও প্রতিযোগিতার চাপ অনেক শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দিচ্ছে। ফলে বিদেশের পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস, নির্ভরযোগ্য জীবনব্যবস্থা ও সম্মানজনক কাজের সুযোগ তাদের কাছে একেবারে স্বপ্নের মতো হয়ে গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিকে ‘ব্রেইন ড্রেইন’ বলে চিহ্নিত করেন। অর্থাৎ, একটি দেশের সবচেয়ে মেধাবী মানুষগুলো ধীরে ধীরে অন্য দেশের হয়ে যাচ্ছেন। তাদের মতে, এই ‘ব্রেইন ড্রেইন’ কেবল কয়েকজন মেধাবীর দেশত্যাগ নয়। এর প্রভাব ধীরে ধীরে সমগ্র অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করছে। কারণ যখন একটি দেশ নিজের সেরা মেধাগুলো ধরে রাখতে পারে না, তখন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত দুর্বল হয়ে পড়ে। এই প্রক্রিয়ায় মানুষের মধ্যেও এক ধরনের অনাস্থা জন্মায়, যেখানে মনে হয়, ভালো ভবিষ্যৎ গড়তে হলে দেশ ছাড়তেই হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় এক শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০০৯ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ পি.এম


হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় এক শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০০৯ জন

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে একটি শিশুর মৃত্যু ঘটে। এই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯ জন।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগের উপসর্গে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে মোট ৬৬৫ শিশুর মৃত্যু তারিখে হামের উপসর্গ নিয়ে ঘটেছে। এছাড়াও, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এর আগে, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮৯৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৩৭৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১১৩ জন, আর গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৩ হাজার ৬১৩ জনে পৌঁছেছে।

এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৫ হাজার ১৯৬ জন। একই সময়ে, সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯১ হাজার ৪৮৩ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক ব্যবসায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে আইন পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


মাদক ব্যবসায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে আইন পাস

সাইবার স্পেস ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অবৈধ মাদক ব্যবসা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে মাদক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। জনমত যাচাই, সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে সংশোধিত বিলে প্রযুক্তিনির্ভর মাদক-সংক্রান্ত অপরাধকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাইবার স্পেস, ডিজিটাল ডিভাইস, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগব্যবস্থা বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা মনঃপ্রভাবকারী পদার্থ কেনা, বিক্রি, সরবরাহ, প্রস্তাব, বিজ্ঞাপন, যোগাযোগ, সহায়তা বা অন্য কোনো অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল অ্যাসেট বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার বা ব্যবহারের চেষ্টা করলেও এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আইনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংঘটিত মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের বিচার করতে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে মাদক উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক হবে না। এ ধরনের অপরাধে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। যদি কোনো অপরাধ আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের অংশ হিসেবে সংঘটিত হয়, তবে অপরাধীকে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

আইন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আদালত বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাদক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সাইবার স্পেসের বিভিন্ন রিসোর্স, ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল অ্যাসেট ও ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ, অপসারণ, বাজেয়াপ্ত বা রাষ্ট্রের অনুকূলে জব্দ করার নির্দেশ দিতে পারবে।

সংশোধিত আইনে সাধারণ আদালতের এখতিয়ার বহাল রাখার পাশাপাশি মাদকপ্রবণ এলাকায় পৃথক মাদক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান পুনর্বহাল করা হয়েছে। এ ছাড়া, প্রযুক্তিনির্ভর মাদক অপরাধ, বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ দমনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আগ্নেয়াস্ত্র বহন এবং ডগ স্কোয়াড গঠনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে হত্যার পর প্রেমিকার কাছে পাঠালেন মরদেহের ছবি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৫ পি.এম


স্ত্রীকে হত্যার পর প্রেমিকার কাছে পাঠালেন মরদেহের ছবি!

এখন যে মানুষটিকে আপনি দেখতে পাচ্ছেন, প্রথম দর্শনে তার শান্ত এবং ভদ্র প্রকৃতি আপনার নজরে আসবে। কিন্তু যদি আপনি জানেন যে, তার ভালোবাসা এতটাই গভীর যে, তিনি নিজের স্ত্রীকে হত্যা করার পর সেই মরদেহের ছবি ভারতে থাকা প্রেমিকার কাছে পাঠিয়েছেন, তাহলে আপনি অবাক হবেন। শুধু তাই নয়, এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে, তিনি পুলিশকে সম্পূর্ণ ভিন্ন গল্প শুনিয়েছিলেন। তবে, তদন্ত যতদূর এগিয়েছে, ততই বেরিয়ে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভারতীয় প্রযুক্তিকর্মী অবিনাশ নার্নে প্রায় নয় মাস পর এই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের বেলভিউ শহরে অবিনাশ নার্নের বিরুদ্ধে গত বছরে অক্টোবর মাসে স্ত্রী রাজিথা সাব্বিনেনিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ৩০ বছর বয়সী সফটওয়্যার প্রকৌশলী অবিনাশ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছিলেন, তিনি কেনাকাটা করতে বাইরে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রায় ৪০ মিনিট পর ফিরে এসে দেখেন যে তার স্ত্রী বাথরুমে আটকে আছেন। কিন্তু যখন পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাঁকে উদ্ধার করে, তখনই রাজিথার মরদেহ তারা পেয়ে যায়। পরবর্তীতে তদন্তে সিসিটিভি এবং অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার সময় বাসায় কোনও অন্য ব্যক্তি প্রবেশ করেনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিশ্চিত করে, রাজিথার মৃত্যু শ্বাসরোধের কারণেই ঘটেছে।

তদন্তে জানা যায়, অবিনাশ ভারতে অবস্থানরত এক নারীর সঙ্গে বহু বছর ধরে গোপন সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। সেই সম্পর্ককে চালিয়ে যেতে, তিনি ২০২৫ সালের জুনে রাজিথাকে বিয়ে করেন। এমনকি তার প্রেমিকা সেই বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, হত্যার দিন অবিনাশ তার প্রেমিকার সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেন এবং স্ত্রীকে খুন করার পর তিনি তার প্রেমিকার কাছে ছবি পাঠান।

এদিকে, তদন্তে রাজিথার মোবাইল ফোন থেকেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা উদ্ধার করা হয়। সেখানে রাজিথা অভিযোগ করেছিলেন যে, তার স্বামী তাকে অস্বাভাবিক তিতা পানীয় বানিয়ে খাওয়াচ্ছিলেন। এমনকি মৃত্যুর দিনও তিনি লিখেছিলেন, তাকে কাশির সিরাপের মতো স্মুদি খেতে দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে, সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, যদি অবিনাশ নার্নের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বর্তমানে ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের জামিন অযোগ্য শর্তে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে ৪ জেলের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে ৪ জেলের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও ১

বৈরী আবহাওয়ার কারণে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ট্রলারডুবির ঘটনায় চার জেলের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনার পরেও, একটি জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। মৃত্যুর খবর পাওয়া চার জেলেকে ট্রলারের ভেতরেই পাওয়া গেছে, আর অন্যান্য সাত জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে জীবিত অবস্থায়।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার সময়, কুতুবদিয়া উপকূল থেকে কিছু দূরে গভীর সাগরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

কুতুবদিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ফারুক হোসেন জানান, ‘ট্রলারডুবির ঘটনার পর এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকৃত চার জেলের মরদেহ ডুবে যাওয়া ট্রলারের ভেতর থেকেই পাওয়া গেছে।’

তিনি এইটাও উল্লেখ করেন যে, ট্রলারে মোট ১২ জন মাঝি-মাল্লা ছিলেন। তাদের মধ্যে সাতজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে আর একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

ফারুক হোসেন আরো জানান, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে, ডুবে যাওয়া ট্রলারটি সোমবার রাত ৯টার দিকে উদ্ধার করে কুতুবদিয়ায় আনা হয়। সেখানে অভিযান চালিয়ে ট্রলারের ভেতরে চার জেলের মরদেহ মেলে।’

এ সম্পর্কে কুতুবদিয়া মৎস্য ফেডারেশনের সভাপতি আবুল কালাম জানিয়েছেন, ‘বড়ঘোপ ইউনিয়নের দক্ষিণ অমজাখালীর নুরুল আবছারের মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার এফবি ফকিরা মসজিদ ছিল। ট্রলারটি ১২ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল এবং ভোরে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ডুবে যায়।’

আবুল কালাম আরো বলেন, দুর্ঘটনার পর সাতজন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ জেলের সন্ধানে স্থানীয় জেলেরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। বিকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

কুতুবদিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেছেন, ‘মরদেহগুলো উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে এবং আর নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধার করতে স্থানীয় জেলেরা তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%