ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১১ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ৬


১১ জেলেকে নিয়ে ট্রলারডুবি, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ ৬

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপকূলের অদূরে বঙ্গোপসাগরে প্রবল স্রোত ও উত্তাল ঢেউয়ের মুখে পড়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। ট্রলারে থাকা ১১ জন জেলেদের মধ্যে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু, ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও ৬ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

রবিবার (৫ জুলাই) রাত ১০টার দিকে, রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী এলাকা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর বঙ্গোপসাগরে এটি ঘটেছে।

উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন- বায়েজিদ (৩০), ইমাদুল সিকদার (৪০), নাজমুল (৩০), রাকিব (২২) ও সজিব (২৫)।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

অন্যদিকে, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পানপট্টি ইউনিয়নের তুলারাম গ্রামের ইমাদুল খা (৪৫), খরিদা গ্রামের হারুন (৬০), গজালিয়া ইউনিয়নের আদানী গ্রামের ফরকান (৪৫), সায়েদ (২০), আল-আমিন (৪০) এবং গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের আক্কাস (২৫)।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানিয়েছেন, গলাচিপা উপজেলার পানপুট্টি ইউনিয়নের খরিদা গ্রামের ইমাদুল সিকদারের মালিকানাধীন ট্রলারটি শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ১১ জন জেলে নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বঙ্গোপসাগরে রওনা হয়েছিল। পরবর্তীতে রোববার রাতে সাগরে প্রবল স্রোত ও বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে ডুবে যায়। এ সময় জেলেরা ট্রলারের বিভিন্ন অংশ ও একটি বয়া ধরে সাগরের বুকে প্রায় ৬ ঘণ্টা ভেসে ছিলেন। রাত ৩টার দিকে, একই এলাকার ইমাম সিকদারের একটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের দেখতে পেয়ে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে।

ট্রলারডুবির প্রায় দুই দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো নিখোঁজ ৬ জেলের কোনো সন্ধান মেলেনি। স্থানীয় জেলে ও মাছ ধরার ট্রলারগুলো সাগরে নিখুঁজ জেলেদের উদ্ধারের জন্য নিরলস তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজার মো. ইজাজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, 'ট্রলারডুবির খবর পাওয়ার পরপরই রাঙ্গাবালী ও কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। নিখোঁজ জেলেদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের জন্য কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে সাগরে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।'

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাক টু ব্যাক এলসি কমে যাওয়ায় রফতানি খাতে নতুন শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


ব্যাক টু ব্যাক এলসি কমে যাওয়ায় রফতানি খাতে নতুন শঙ্কা

রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়েছে। তবে দেশের অর্থনীতি এখনও প্রত্যাশিতভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের এলসি (ঋণপত্র) সংক্রান্ত সর্বশেষ পরিসংখ্যানেও এ চিত্র উঠে এসেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ভোগ্যপণ্য, মূলধনী যন্ত্রপাতি ও পেট্রোলিয়াম আমদানিতে যেমন হ্রাস হয়েছে, তেমনি কমে গেছে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসিও। এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতে রফতানি আয় হ্রাসেরও ইঙ্গিত উৎপন্ন করছে।

বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি গতি ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে। গত রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এলসি খোলার পরিসংখ্যানে প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে এমন এক চিত্র উঠে এসেছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ১৪০ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ০৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে এলসি নিষ্পত্তির হারও ১০ শতাংশের বেশি কমে গেছে।

এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এলসি খোলা হয়েছে শিল্পে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির জন্য, যার পরিমাণ ১ হাজার ৮২১ কোটি ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১ হাজার ৮৭১ কোটি ডলারে ছিল। শুধু এলসি খোলার কথাই নয়, কাঁচামাল আমদানির জন্য এলসি নিষ্পত্তি আড়াই শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।

শিল্পে ব্যবহৃত মধ্যবর্তী পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও এলসি খোলার পাশাপাশি নিষ্পত্তি কমে গেছে। গত মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে পেট্রোলিয়াম আমদানির জন্য এলসি খোলার হার ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং এলসি নিষ্পত্তি ১৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে।

সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের উপজীব্য হচ্ছে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির পরিসংখ্যান। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি নিষ্পত্তিতে ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ হ্রাস ঘটেছে। একই সঙ্গে রফতানি আদেশের বিপরীতে নতুন এলসি খোলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ না থাকার ফলে বেসরকারি খাতের সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে এলসি খোলার পরিসংখ্যানে। ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বহু দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর ফলে কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি, মধ্যবর্তী পণ্য কিংবা শিল্পের প্রয়োজনীয় উপকরণ আমদানির সক্ষমতা কমে গেছে। অর্থনীতিতে যে নতুন কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে এখনো বের হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়নি।

এ অবস্থায় অর্থবছরের শুরু থেকেই ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করার উপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেছেন, দেশের মুদ্রানীতিকে নতুনভাবে সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অন্তত ১০ শতাংশে উন্নীত করা উচিত। এছাড়াও খাতভিত্তিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে নীতি প্রণয়ন এবং যেসব পণ্যে কর বা শুল্ক কমানো হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে আমদানি বাড়াতে বাজারভিত্তিক নীতিতে আরও নমনীয়তা আনার প্রয়োজন।

শুধু শিল্প-কারখানার প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বা যন্ত্রপাতি নয়, বরং ডাল, ভোজ্যতেল ও চিনির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানিতেও এলসি কমেছে। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ভোগ্যপণ্য আমদানির জন্য এলসি খোলা শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ এবং এলসি নিষ্পত্তি ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিয়েভসহ আশপাশে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত অন্তত ২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৮ পি.এম


কিয়েভসহ আশপাশে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা, নিহত অন্তত ২৩

রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আবারও রক্তাক্ত হলো ইউক্রেনের কিয়েভ। রুশ আগ্রাসন চলেছে রাতভর, যার ফলে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন কিয়েভে এবং আশপাশের অঞ্চলে আরও ৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। এদিকে যুদ্ধ শেষের সম্ভাবনা দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, তবে ভ্লাদিমির পুতিন শান্তি আলোচনায় নিজের শর্তে অনড় রয়েছেন।

কিয়েভের রাজধানীতে রাশিয়া চালিয়েছে রাতভর বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ। অনেক আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন লেগেছে।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনী দাবি করেছে, রাশিয়া ২৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়লেও ইন্টারসেপ্টর সংকটের কারণে একটিও ভূপাতিত করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও অধিকাংশ ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে তারা।

হামলার পর প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের গুদামে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র থাকা সত্ত্বেও ইউক্রেন যথাযথ সহায়তা পাচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না পেলে রাশিয়া বেসামরিক স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রাখবে। এই সপ্তাহের ন্যাটো সম্মেলনে তিনি মিত্রদের কাছ থেকে শক্তিশালী সিদ্ধান্ত এবং নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়ার আবেদন জানান।

এদিকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন ইউক্রেনের জরুরি প্রতিরক্ষা প্রয়োজনকে সম্মেলনের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান মানুষের ধারণার চেয়েও কাছাকাছি। তাঁর দাবি, প্রেসিডেন্ট পুতিন যুদ্ধ শেষ করতে চান এবং জেলেনস্কিও এখন শান্তি চান। ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে যুদ্ধক্ষেত্রে হামলা অব্যাহত থাকায় ট্রাম্পের আশাবাদ কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

অন্যদিকে, কয়েক সপ্তাহ আগে দেয়া এক বক্তব্যে পুতিন আবারও জানিয়েছেন, রাশিয়া যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী হলেও এ বিষয়ে তাদের নিজেদের নির্ধারিত শর্তে আলোচনা হবে। তিনি দাবি করেন, দনবাসসহ দখলকৃত অঞ্চল নিয়ে পূর্ববর্তী সমঝোতার ভিত্তিতে শান্তি সম্ভব এবং ইউক্রেনকেও কিছু ছাড় দিতে হবে। তিনি রাশিয়ার সেনাবাহিনীর অগ্রগতির কথাও জানান এবং প্রয়োজনে ওরেশনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিতও দেন।

অতএব, কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রে হামলা ও কঠোর অবস্থানকে ধরে রাখা সংকটের দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনাকে অনিশ্চিত করে তুলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেছেন। দেশে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে মাঠপর্যায়ের সেনাসদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটালেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৮ বীর-এর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয়ে বিস্তীর্ণ অংশ হেঁটে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফার্ম বেস’-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা (Verbal Order) মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি ‘রেইড’ (Raid) মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

এ ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেনা বাঙ্কারে নেমে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী অফিসার ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। এমনকি গাছের পাতার আড়ালে ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়েও তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা তাৎক্ষণিক রান্না করা খাবার গ্রহণ করেন এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন। মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরকারপ্রধান দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে উপস্থিত সেনাসদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে। জাতীয় সংকট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননে ইস্রায়েলের প্রাণঘাতী হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ পি.এম


যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননে ইস্রায়েলের প্রাণঘাতী হামলা

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক মাস না পেরোলেও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। নাবাতিয়েহ এলাকায় ড্রোন হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। বৈরুতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অব্যাহত ইসরাইলি হামলা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, সীমান্তজুড়ে ধ্বংসস্তূপ ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে বর্তমানে ঘরে ফিরতে পারছেন না বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ।

দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকায় একটি গাড়িতে ড্রোন হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে হত্যা করে ইসরাইল। নিহতদের মধ্যে রয়েছে একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, তার মা, এক গৃহকর্মী এবং সিরিয়ার এক নাগরিক।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, তারা নিজ বাড়ির পরিস্থিতি দেখতে গেলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, সীমান্তবর্তী নিরাপত্তা অঞ্চলের কাছে তাদের বাহিনীর জন্য হুমকি হয়ে ওঠা সন্দেহভাজনদের লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

শুধু নাবাতিয়েহ নয়, একই দিনে বিনতে জুবেইল জেলার কৌনিন ও বারাআশিত এলাকাতেও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। বারাআশিতে বেসামরিকদের জানাজার সময়েই নতুন করে হামলা হয়। কৌনিনের আবাসিক বাড়িঘর লক্ষ্য করে বোমা ফেলার অভিযোগ তুলেছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে মানুষ যাতে ফিরতে না পারে, সে জন্যই ধারাবাহিকভাবে বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন্স বলেছেন, দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের দখল ও অব্যাহত হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। চুক্তি অনুযায়ী ইসরাইলের সেনা প্রত্যাহার, লেবাননের সেনাবাহিনীর মোতায়েন এবং সীমান্তে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো পক্ষই পুরোপুরি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। তাই সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়ে গেছে।

চলমান সংঘাতে দক্ষিণ লেবাননে ৯০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে সরকারি জরিপে উঠে এসেছে। প্রায় ছয় লাখ মানুষ এখনো নিজ এলাকায় ফিরতে পারেননি। যারা ফিরেছেন, তারাও প্রতিদিন বিস্ফোরণের শব্দ আর নতুন হামলার আশঙ্কার মধ্যে বসবাস করছেন।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে শুরু হওয়া সর্বশেষ সংঘাতে দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩১৯ জনে, আহত হয়েছেন ১২ হাজার ২০৩ জনেরও বেশি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%