ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এআই ছবি তৈরিতে পানি ও বিদ্যুতের বিপুল ব্যবহার


এআই ছবি তৈরিতে পানি ও বিদ্যুতের বিপুল ব্যবহার

মুঠোফোনে কিছু শব্দ লিখলেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্রুত চমৎকার ছবি তৈরি করে। সাম্প্রতিক সময়ে আশির দশকের আবহে ছবি তৈরির ট্রেন্ডটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এই সহজ প্রযুক্তির আড়ালে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার বিপুল পরিমাণে ঘটে।

ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনে সরাসরি পানি বা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ না হলেও, এআইয়ের কাজটি সম্পন্ন হয় দূরের ডেটা সেন্টারে। এসব ডেটা সেন্টারে থাকা হাজার হাজার শক্তিশালী সার্ভার একসঙ্গে জটিল হিসাব-নিকাশ করে ছবি তৈরি করে। ফলে সার্ভারগুলো প্রচণ্ড গরম হয়ে ওঠে, এবং এগুলো ঠান্ডা রাখতে বিপুল পরিমাণ পানি ও বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়।

বড় ডেটা সেন্টারগুলোর অনেকগুলোতে সার্ভার ঠান্ডা রাখতে ‘ইভাপোরেটিভ কুলিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে গরম পানি কুলিং টাওয়ারের মাধ্যমে ঠান্ডা করার সময় একটি অংশ বাষ্প হয়ে বাতাসে মিশে যায়। পাশাপাশি পানিতে থাকা খনিজ ও লবণের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় নির্দিষ্ট সময় পর সেই পানি ফেলে দিয়ে নতুন পানি যোগ করতে হয়।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

একটি এআই ছবিতে কত পানি লাগে?

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে ২০২৩ সালের গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, জিপিটি-৩ দিয়ে ১৫০ থেকে ৩০০ শব্দের একটি সাধারণ লেখা তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গড় ডেটা সেন্টারে প্রায় ১৭ মিলিলিটার পানি খরচ হতে পারে। এর একটি অংশ সরাসরি সার্ভার ঠান্ডা করতে এবং বাকি অংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

এআই দিয়ে ছবি তৈরির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হিসাব এক নয়। বিভিন্ন বিশ্লেষণে একটি ছবি তৈরিতে কয়েক মিলিলিটার থেকে কয়েক দশ মিলিলিটার পানি ব্যবহারের হিসাব পাওয়া যায়। কোথাও গড়ে প্রায় ২৩ মিলিলিটার পানির কথা বলা হয়েছে, আবার কিছু হিসাবে ৫ থেকে ৬০ মিলিলিটার বা তারও বেশি ধরা হয়েছে। হিসাবের পার্থক্যের প্রধান কারণ হলো—শুধু ডেটা সেন্টারের কুলিংয়ের পানি ধরা হচ্ছে, নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত পানিও হিসাবের মধ্যে রাখা হচ্ছে।

একটি সাধারণ গুগল সার্চে পানি ব্যবহারের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক কম—বিভিন্ন হিসাবে তা শূন্য দশমিক ২ থেকে শূন্য দশমিক ৬ মিলিলিটারের মধ্যে।

আরও পড়ুন: ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করা ব্যবহারকারীরা

একটি ছবির ক্ষেত্রে এই পরিমাণ খুব বেশি মনে না হলেও, প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি এআই অনুরোধ করা হলে মোট পানির ব্যবহার বড় আকার ধারণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড এনার্জি স্টাডি ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, একটি মাঝারি আকারের ডেটা সেন্টারে বছরে প্রায় ১১ কোটি গ্যালন পানি প্রয়োজন হতে পারে। বড় ডেটা সেন্টারে দৈনিক পানির ব্যবহার ৫০ লাখ গ্যালন পর্যন্তও হতে পারে।

বিদ্যুতের সঙ্গে পানির সম্পর্ক

এআইয়ের পানি ব্যবহারের হিসাব শুধু সার্ভার ঠান্ড করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ডেটা সেন্টার চালাতে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। সেই বিদ্যুতের একটি অংশ তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে এলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কেন্দ্রের যন্ত্রপাতি ঠান্ডা করতেও পানি লাগে। ফলে এআইয়ের বিদ্যুৎ চাহিদা যত বাড়ে, পরোক্ষভাবে পানির ব্যবহারও বাড়তে পারে।

কোথা থেকে আসে এই পানি?

আরও পড়ুন: টিকটক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে

ডেটা সেন্টারগুলো সাধারণত স্থানীয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, নদী বা ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করে। অনেক ক্ষেত্রে এসব উৎসের মিঠাপানি ব্যবহারের ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষির জন্য পানির ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। গ্রীষ্মকালে পানির সংকটপ্রবণ এলাকায় এ চাপ আরও বাড়তে পারে।

এই পরিস্থিতিতে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বিকল্প পানির উৎস ব্যবহারের দিকে যাচ্ছে। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, ওয়াশিংটনের কুইন্সি, ক্যালিফোর্নিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো এলাকায় তারা পরিশোধিত বর্জ্যপানির ব্যবহার বাড়িয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সিঙ্গাপুরে তাদের ডেটা সেন্টারে প্রায় ৯৯ শতাংশ পানি অ-সুপেয় উৎস থেকে আসে।

অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসও জানিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২০টির বেশি ডেটা সেন্টারে পরিশোধিত বর্জ্যপানি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে এতে বছরে প্রায় ৫৩ কোটি গ্যালন সুপেয় পানি সাশ্রয় হতে পারে।

গুগল ও মাইক্রোসফট ২০৩০ সালের মধ্যে ‘ওয়াটার পজিটিভ’ হওয়ার লক্ষ্য জানিয়েছে। অর্থাৎ তারা যত পানি ব্যবহার করবে, তার চেয়ে বেশি পানি সংরক্ষণ বা পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। অ্যামাজনও একই ধরনের অঙ্গীকার করেছে।

আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে বিপাকে পড়তে পারেন পুরোনো ফোনের ব্যবহারকারীরা

সমুদ্রের তলদেশে ডেটা সেন্টার

পানি ও বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে সমুদ্রের তলদেশে ডেটা সেন্টার স্থাপনের ধারণাও সামনে এসেছে। সমুদ্রের পানি প্রাকৃতিকভাবেই ঠান্ডা হওয়ায় সার্ভার ঠান্ডা করতে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

২০১৮ সালে স্কটল্যান্ডের অর্কনি দ্বীপপুঞ্জের উপকূলে ‘প্রজেক্ট নেটিক’ নামে পরীক্ষামূলক একটি পানির নিচের ডেটা সেন্টার স্থাপন করেছিল মাইক্রোসফট। প্রায় দুই বছর পর সেটি তুলে পরীক্ষা করে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, একই সংখ্যক সার্ভারের স্থলভাগের ব্যবস্থার তুলনায় পানির নিচের সার্ভারগুলো আট গুণ কম নষ্ট হয়েছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের ব্যবহারিক জটিলতার কারণে প্রকল্পটি বাণিজ্যিকভাবে এগোয়নি।

চীনা প্রতিষ্ঠান হাইল্যান্ডার অবশ্য এই ধারণায় এগিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, হাইনান দ্বীপের উপকূলে বাণিজ্যিক পানির নিচের ডেটা সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ৩০০ টন ওজনের স্থাপনাটি সমুদ্রের ৩৫ মিটার গভীরে বসানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০০টি মডিউল স্থাপন করা গেলে স্থলভাগের একই ক্ষমতার ডেটা সেন্টারের তুলনায় বছরে প্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ এবং ১ লাখ ৫ হাজার টন সুপেয় পানি সাশ্রয় হতে পারে।

আরও পড়ুন: নিজের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্টিকার তৈরি করবেন যেভাবে

কেন পানি বারবার ব্যবহার করা যায় না?

ইভাপোরেটিভ কুলিং ব্যবস্থায় পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যাওয়ার পর অবশিষ্ট পানিতে লবণ, ক্যালসিয়াম, আয়রনসহ বিভিন্ন খনিজের ঘনত্ব বেড়ে যায়। এই পানি দীর্ঘ সময় পুনর্ব্যবহার করলে পাইপ ও যন্ত্রপাতিতে ‘স্কেল’ বা খনিজের আস্তরণ জমতে পারে। এতে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি যন্ত্রপাতির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।

এ কারণে নির্দিষ্ট সময় পর ওই ঘন পানি বের করে দিয়ে নতুন পানি যোগ করতে হয়।

বিকল্প হিসেবে ক্লোজড-লুপ ও ইমারশন কুলিং

আরও পড়ুন: ঘরে বসেই অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার সহজ পদ্ধতি

পানির অপচয় কমাতে এখন ‘ক্লোজড-লুপ’ ও ‘ইমারশন কুলিং’ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ হচ্ছে। ক্লোজড-লুপ ব্যবস্থায় পানি বা বিশেষ তরল একটি বদ্ধ পাইপের ভেতরে ঘুরতে থাকে। ফলে তা বাষ্প হয়ে হারিয়ে যায় না এবং বারবার ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে ইমারশন কুলিংয়ে পুরো সার্ভারকে বিদ্যুৎ-অপরিবাহী বিশেষ তরলের মধ্যে ডুবিয়ে রাখা হয়।

তবে এসব ব্যবস্থারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি থেকে তাপ সরানোর সুযোগ না থাকায় ব্যবহৃত তরল ঠান্ডা করতে শক্তিশালী চিলার, রেফ্রিজারেশন ব্যবস্থা বা বৈদ্যুতিক পাখার প্রয়োজন হতে পারে। এতে আবার বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে যায়। পাশাপাশি এসব প্রযুক্তি স্থাপনও ব্যয়বহুল।

ফলে এআই অবকাঠামোর ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে পানি ও বিদ্যুতের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। পানি কম ব্যবহার করতে গেলে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে পারে, আবার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কিছু কুলিং ব্যবস্থায় পানির ব্যবহার তুলনামূলক বেশি হতে পারে। এ কারণে এআইয়ের দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে কম পানি ও কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ডেটা সেন্টার পরিচালনার প্রযুক্তি খুঁজে বের করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: আইইইই স্পেকট্রাম

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘অর্থনীতিবিদ’ পদে চাকরির জন্য যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘অর্থনীতিবিদ’ পদে চাকরির জন্য যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রধান ‘অর্থনীতিবিদ’ পদে নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে চুক্তিভিত্তিক ভিত্তিতে। আবেদন করার শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১১ অক্টোবর।

চাকরির বিবরণ

পদের নাম: প্রধান অর্থনীতিবিদ

পদসংখ্যা: ১

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি থাকতে হবে। এছাড়া, প্রয়োগমূলক সামষ্টিক অর্থনীতিবিদ হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তা অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হবে।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুপক্ষীয় বা উন্নয়ন ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অথবা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক বিশ্লেষণ এবং নীতি প্রণয়নে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বেতন ও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে বাজারভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

নিয়োগের মেয়াদ: ৩ বছর

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠার একটি কভার লেটার এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্ম-অভিজ্ঞতা ও সংশ্লিষ্ট দক্ষতার বিস্তারিত উল্লেখ করে সিভি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

আবেদনের ঠিকানা: পরিচালক (এইচআরডি-১), মানবসম্পদ বিভাগ-১, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা-১০০০।

ই-মেইল: [email protected]

আবেদনের শেষ তারিখ: ১১ অক্টোবর ২০২৬

বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায় ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি পাসে ব্র্যাক এনজিওতে সপ্তাহে ৫ দিন চাকরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


এইচএসসি পাসে ব্র্যাক এনজিওতে সপ্তাহে ৫ দিন চাকরি

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: প্রজেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট

বিভাগ: ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচি, এইচসিএমপি

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাস

অন্যান্য যোগ্যতা: এনজিও এবং উন্নয়ন সংস্থায় কাজের দক্ষতা থাকতে হবে।

অভিজ্ঞতা: প্রার্থীদের জন্য কমপক্ষে ১ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন, তবে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

কর্মক্ষেত্র: অফিসে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই

কর্মস্থল: কক্সবাজার (টেকনাফ, উখিয়া)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অন্যান্য সুবিধা: মোবাইল বিল, সপ্তাহে ২ দিন ছুটি, উৎসবকালীন বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা, পিতৃত্বকালীন/মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্ত হবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একাদশে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জানাল শিক্ষা বোর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০০ পি.এম


একাদশে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জানাল শিক্ষা বোর্ড

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম ধাপে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজে আসন বরাদ্দ পেয়েছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশিত হয়।

আসন বরাদ্দ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়ন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করতে হবে। যদি তারা সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করেন, তাহলে তাদের নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। নিশ্চায়ন সম্পন্ন হলে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট কলেজে গিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

ভর্তির সময় যেসব কাগজপত্র লাগবে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিট ও সার্টিফিকেটের কপি, এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, দুই থেকে চার কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, অনলাইন আবেদন কনফার্মেশন পত্র, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মুঠোফোন নম্বর, এবং মার্কশিট ও সার্টিফিকেটের অনলাইন কপি গ্রহণযোগ্য হলে সেগুলোও রাখতে হবে।

চলতি বছরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৮৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। তাদের মধ্যে ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭১ জন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন। অর্থাৎ, মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর প্রায় ৮৪ শতাংশ একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। শিক্ষার্থীদের পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন কলেজে মোট ৫৬ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫টি আবেদন জমা পড়ে।

প্রথম ধাপের ফল অনুযায়ী, ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী কোনো না কোনো কলেজে আসন বরাদ্দ পেয়েছেন। অন্যদিকে, বোর্ডের দেওয়া তথ্যে ২৫ হাজার ৩৩ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে ভর্তির সুযোগ পাননি, তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন।

তবে বোর্ডের আরেক তথ্যে প্রথম ধাপে আবেদন করে আসন না পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৪১৫ জন বলা হয়েছে। ফলে আসন না পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যার বিষয়ে দুই ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

আসন বরাদ্দ পাওয়া শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। বোর্ড নির্ধারিত নিশ্চায়ন ফি মোবাইল ব্যাংকিংসহ অনুমোদিত যেকোনো মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

নিশ্চায়ন সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের আগামী ২০ সেপ্টেম্বর রোববার থেকে ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবারের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজে গিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সরাসরি ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আকিজ বশির গ্রুপে চাকরির সুযোগ, প্রভিডেন্ট ফান্ড-গ্র্যাচুইটিসহ রয়েছে নানান সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


আকিজ বশির গ্রুপে চাকরির সুযোগ, প্রভিডেন্ট ফান্ড-গ্র্যাচুইটিসহ রয়েছে নানান সুবিধা

আকিজ বশির গ্রুপ কর্তৃক জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ

বিভাগ: ব্র্যান্ড, মার্কেটিং

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: মার্কেটিংয়ে স্নাতকোত্তর বা এমবিএ

অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে ব্র্যান্ড মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে দক্ষতা থাকতে হবে।

অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের কমপক্ষে ১ থেকে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন, তবে অভিজ্ঞতা না থাকলেও আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন।

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: ২৪ থেকে ৩২ বছর

কর্মস্থল: ঢাকা (বনানী)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ড, ভ্রমণ ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, মোবাইল বিল, গ্র্যাচুইটি, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, এবং ছুটির যাতায়াত ভাতা।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%