মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫২ পি.এম
মিসরের অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ, যিনি লিভারপুলের সাবেক ফুটবলার, ইংল্যান্ডে ছয় মাসের জন্য গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছেন। চেশায়ারের উইল্মসলো এলাকায় তার রোলস-রয়েস গাড়ি নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করার কারণে এই শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, গত ২৭ মার্চ সালাহর বিলাসবহুল গাড়িটি ৩০ মাইল (প্রায় ৪৮ কিলোমিটার) গতিসীমার একটি সড়কে ঘণ্টায় ৩৬ মাইল (প্রায় ৫৮ কিলোমিটার) বেগে চলতে দেখা যায়। তবে ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলার পুলিশকে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন কে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি।
চেশায়ার পুলিশ এ ঘটনায় একটি নোটিশ পাঠালেও সালাহ তার জবাব দেননি। অভিযোগের বিষয়ে আদালতে কোনো বক্তব্য বা জবাবও জমা দেননি তিনি।
ওয়ারিংটন কম্বাইন্ড কোর্টে ‘সিঙ্গেল জাস্টিস প্রোসিডিউর’-এর আওতায় মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত তাকে চালকের পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য না দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে। একই সঙ্গে তাকে ছয় মাসের জন্য গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং ১ হাজার ৪৪ পাউন্ড জরিমানা করা হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গতিসীমা লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত গাড়িটি ছিল সালাহর নামে নিবন্ধিত একটি রোলস-রয়েস স্পেক্টর। বিলাসবহুল এই গাড়িটির মূল্য ৪ লাখ ৬৬ হাজার ইউরোরও বেশি (প্রায় ৫ লাখ ৪৪ হাজার ডলার)।
এছাড়া ইংল্যান্ডে তার প্রায় ৫০ লাখ ইউরো মূল্যের বাড়িতে পাঠানো দুটি নোটিশেরও কোনো জবাব দেননি বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটে লিভারপুল ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার মাত্র দুই দিন পর। গত ২৪ মার্চ লিভারপুল ক্লাব সালাহর বিদায়ের ঘোষণা দিয়ে জানায়, তিনি ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
লিভারপুলের হয়ে ৪৪২ ম্যাচে ২৫৭ গোল করে ক্লাব ছাড়েন সালাহ। ২০২৫-২৬ মৌসুম শেষে তিনি তুরস্কের ক্লাব ট্রাবজোনস্পরে যোগ দেন।
সম্প্রতি তুরস্কের লিগেও আলোচনায় ছিলেন মিসরীয় এই ফরোয়ার্ড। গালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ে হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। চলতি মৌসুমে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত। তুরস্কে পাড়ি জমানোর পর থেকে সালাহ ইংল্যান্ডের বাইরে অবস্থান করলেও চেশায়ারের এই মামলার কারণে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন।
এর আগে ইংল্যান্ডে মোটরযান-সংক্রান্ত আরও কয়েকটি ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল সালাহর। ২০২২ সালে ফেরারি এফ৮ ট্রিবুটো চালিয়ে গতিসীমা অতিক্রম করায় তাকে জরিমানা করা হয় এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সে তিনটি পেনাল্টি পয়েন্ট যোগ করা হয়।
এছাড়া ২০১৮ সালে অ্যানফিল্ডের কাছে গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল তাকে। তবে সে ঘটনায় অভিযোগ আনার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকায় পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
লিভারপুল অধ্যায়ের ইতি টেনে বর্তমানে তুরস্কে নতুন যাত্রা শুরু করেছেন সালাহ। তবে তার রোলস-রয়েসের চালকের পরিচয় না দেওয়ার ঘটনায় পাওয়া এই ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা আবারও তাকে ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: সামা টিভি অনলাইন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের তরুণ পেসার রাজাউল্লাহকে দেওয়া জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কিংবদন্তি সাবেক পেসার ওয়াসিম আকরাম।
রাজাউল্লাহর আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে। সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে পরাজয়ের পর পাকিস্তান দলে একাধিক পরিবর্তন এনে তাকে সুযোগ দেয়।
অভিষেক ম্যাচে তরুণ এই ক্রিকেটার দারুণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে তিনি চার উইকেট নেন এবং পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮১ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন। তার এই নৈপুণ্যে পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে সক্ষম হয়।
ম্যাচ শেষে দেশে ফেরার পর রাজাউল্লাহকে বীরের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল।
তবে ওয়াসিম আকরাম এমন আয়োজনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ম্যানচেস্টারে একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আকরাম বলেন, "রাজাউল্লাহ নিঃসন্দেহে প্রতিভাবান এবং অভিষেকে চমৎকার পারফরম্যান্স করেছেন। কিন্তু পাকিস্তান যখন সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে, তখন একজন খেলোয়াড়কে ঘিরে এত বড় উদযাপন কতটা যুক্তিযুক্ত, তা ভেবে দেখা দরকার।"
তিনি আরও বলেন, "ইংল্যান্ড শুধু পাকিস্তানকে হারায়নি, বরং পুরো সিরিজে আধিপত্য দেখিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন ক্রিকেটারকে ফুলের মালা পরিয়ে বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দেয়।"
ওয়াসিম আকরাম আরও যোগ করেন, "সিরিজে বড় ধরনের পরাজয়ের পর কোনো ব্যক্তিগত সাফল্যকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্কে ভুল বার্তা যেতে পারে। এতে এমন ধারণা তৈরি হতে পারে যে দলটি বড় অর্জনের বদলে ছোটখাটো সাফল্য নিয়েই সন্তুষ্ট হয়ে পড়ছে।"
তবে কঠিন এক সিরিজে রাজাউল্লাহর অভিষেক পাকিস্তানের জন্য উজ্জ্বল একটি মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। চার উইকেট ও ৮১ রানের ইনিংস ছিল পুরো সিরিজে পাকিস্তানের জন্য পাওয়া অল্প কয়েকটি ইতিবাচক দিকের অন্যতম।
সূত্র: সামা টিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের একটি বক্তব্যের ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে।
ফটোকার্ডে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তারেক রহমান যদি ভর্তুকি না দিতেন, তাহলে তেলের দাম লিটারপ্রতি ৭০০ টাকা হয়ে যেত। তবে নয়নের বক্তব্য হলো, ফটোকার্ডে থাকা তথ্যটি বর্তমান সময়ের নয়, বরং কয়েক বছর আগে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে দেওয়া বক্তব্যের অংশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন বিষয়টি নিজের ফেসবুক পোস্টে ব্যাখ্যা করেন।
নয়ন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, ওই পরিস্থিতিতে তারেক রহমান জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দিয়ে দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছিলেন।
নয়নের ভাষ্য, ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ভর্তুকি না দিলে দেশের বাজারে তেলের দাম লিটারপ্রতি ৭০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারত। তার মতে, সেই সময়ের বক্তব্যের ফটোকার্ডই বর্তমানে নতুন করে প্রচার করা হচ্ছে।
নিজের ফেসবুক পোস্টে নয়ন আরও দাবি করেন, একটি গোষ্ঠী অসৎ উদ্দেশ্যে পুরোনো বক্তব্যকে বর্তমান সময়ের বক্তব্য হিসেবে প্রচার করছে। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি কোথাও ওই বক্তব্য দেননি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
নয়ন আরও বলেন, কিছু গণমাধ্যমেও ফটোকার্ডের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তার দাবি, বক্তব্যটি বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নয়; বরং আগের একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয়, দেশের প্রথম শ্রেণির কিছু গণমাধ্যমের ‘গুপ্ত সাংবাদিক’ এটি নিয়ে সংবাদ প্রচার করেছে এবং নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে। গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ। যদি সেখানে এমন মিথ্যা ও ভুয়া ফটো কার্ড ভেসে ওঠে, তাহলে সেটি লজ্জাজনক। তিনি সকলকে এমন ভুয়া ফটো কার্ডের ব্যাপারে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, এটি পূর্বের প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে দেওয়া বক্তব্য এবং তিনি বর্তমানে কোথাও এই বক্তব্য দেননি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার জেমস গোল্ডম্যান জানিয়েছেন, এলডিসি থেকে উত্তোরণের পরবর্তী সময়ে ৩ বছর ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ব্রিটিশ বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার প্রদান করা হবে।
ট্রানজিশনাল পিরিয়ডের পরেও ব্রিটিশ বাজারে প্রায় ৯২ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ব্রিটিশ পণ্য, সেবা বা প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকার ২ বিলিয়ন পাউন্ডের একটি তহবিল গঠন করেছে। এই তহবিলের সহায়তায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ব্রিটেনে তাদের পণ্যের বাজারকে আরও সম্প্রসারিত করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এই তথ্য জানান। এ সময় ব্রিটিশ হাই কমিশন শীঘ্রই চিটাগাং চেম্বারে একটি কর্মশালা আয়োজন করবে, যেখানে যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশের জন্য বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ধারণা ও পদ্ধতি সম্পর্কে চেম্বার সদস্যদের অবহিত করা হবে।
চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক মন্তব্য করেন, চট্টগ্রামকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও বিমান বন্দরসহ সামগ্রিক লজিস্টিক খাতে অধিকতর বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। তিনি লালদিয়া টার্মিনালে বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি অন্যান্য বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য ব্রিটিশ বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন।
চট্টগ্রামের কৌশলগত সহায়ক ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের বাজারে প্রবেশের জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টিল, টেক্সটাইল, গ্রিন এনার্জিসহ অন্যান্য বৃহৎ শিল্পখাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।
সৌজন্য সাক্ষাতে চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ ও আমীর হুমায়ূন মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, হাই কমিশনের ডাইরেক্টর অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সাকিব এরশাদসহ চেম্বার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজুড়ে এবং উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে হৃদরোগের কারণে মৃত্যুর হার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতের মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা হৃদরোগের কারণে ৩১ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। উপমহাদেশের অন্যান্য দেশগুলিতেও হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে, যদি কেউ বাড়িতে একা থাকার সময় হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন, তাহলে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত, সে বিষয়ে জরুরি কিছু পরামর্শ প্রদান করেছেন আমেরিকার প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. জেরেমি লন্ডন।
ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে, ড. জেরেমি উল্লেখ করেছেন যে, বাড়িতে একা থাকাকালীন হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
অ্যাসপিরিনের ব্যবহার
জরুরি সেবা চাওয়ার পাশাপাশি, আরামে বিশ্রাম নেওয়া এবং পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে বিষয়টি জানিয়ে রাখা উচিত। সাহায্য আসার অপেক্ষায় থাকার সময়, একটি সাধারণ (নন-এন্টেরিক প্রলিপ্ত) অ্যাসপিরিন চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
তবে, অ্যাসপিরিন গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অ্যালার্জি না থাকলে, রক্তক্ষরণের সমস্যা না থাকলে এবং চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে এটি নিরাপদে গ্রহণ করা যেতে পারে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ