ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পঞ্চগড়ে দেড় লাখ টাকাসহ স্থানীয়দের হাতে আটক উপসহকারী প্রকৌশলী


পঞ্চগড়ে দেড় লাখ টাকাসহ স্থানীয়দের হাতে আটক উপসহকারী প্রকৌশলী

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় সড়কের কাজের তদারকির সময় নূরই আকরাম নামে একজন উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে দেড় লাখ টাকা পাওয়ার ঘটনায় অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সাকোয়া ইউনিয়নের গিদালপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

নূরই আকরাম বোদা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছেন।

আরও পড়ুন: কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার সাংবাদিক রুহেল ঢামেক আইসিইউতে

স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেছেন যে, সাকোয়া-নয়াদীঘি ভায়া বোয়ালমারী পাকা সড়কের নির্মাণ কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা বারবার অভিযোগ করলেও প্রকৌশলী তাতে গুরুত্ব দেননি। কাজের মান ও বরাদ্দ সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চাইলে প্রকৌশলী সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা তার পথ আটকে ব্যাগ তল্লাশি করতে চাইলে এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আটক উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে থাকা ব্যাগ নিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করছেন স্থানীয় কয়েকজন। একইসঙ্গে ব্যাগে টাকা থাকার দাবিও করা হয়। এ সময় উপসহকারী প্রকৌশলী দাবি করেন, তার কাছে পার্সোনাল প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও টাকা রয়েছে।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সঙ্গে থাকা মোট দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করে এবং তাকে হেফাজতে নেয়।

ঘটনার সময় প্রকৌশলী নূরই আকরাম দাবি করেন, টাকাগুলো তার ব্যক্তিগত এবং ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য সঙ্গে রেখেছিলেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন।

আরও পড়ুন: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর সোলায়মান পেল ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা সময় সংবাদকে জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। ঘটনার পর থেকে তাকে পুলিশের হেফাজতে থানায় রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে টাকার উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিষয়টি এলজিইডির জেলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) পঞ্চগড় জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম সময় সংবাদকে বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি গঠন করে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজে ৭ জাহাজে মাইন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৬ এম


হরমুজে ৭ জাহাজে মাইন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি: ইরান

ইরান দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে সাতটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়ে সেগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে, দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই জলপথে জাহাজ চলাচলে সহায়তা অব্যাহত রাখে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আলজাজিরার একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

আইআরজিসির দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বৃহস্পতিবার রাতভর হামলার শিকার হওয়া সাতটি জাহাজের মধ্যে চারটি জাহাজে তেল স্থানান্তরের কার্যক্রম চলছিল। হামলার পর সেগুলোর মধ্যে আগুন লেগে যায়। অন্যদিকে, তিনটি জাহাজ মাইন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেছে ইরান।

তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। হামলায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর কোন দেশের পতাকা ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে আইআরজিসি। তাদের বক্তব্য হলো, যদি ওয়াশিংটন প্রণালির অন্যান্য অংশ দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে সহায়তা করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সংঘাত এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতেও ছড়িয়ে পড়বে।’ এটিকে তারা গুরুতর সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই জলপথে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাগরিকদের জীবন রক্ষায় সরকার উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ: সিপিবি সাধারণ সম্পাদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৭ এম


নাগরিকদের জীবন রক্ষায় সরকার উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ: সিপিবি সাধারণ সম্পাদক

বিদেশে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তি এবং প্রতিটি মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন।

তিনি বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এসব মন্তব্য করেন।

মক্কায় দুই অভিবাসী বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া, তাদের জীবন রক্ষায় সরকারের উদ্যোগের অভাব এবং বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদে সিপিবি এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

সিপিবি সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, সৌদি আরবের মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া একটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ, বিচারপ্রক্রিয়া এবং রায়ের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ বাংলাদেশের সরকারের কাছে থাকা আবশ্যক হওয়া সত্ত্বেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছুই জানেনি বলে জানিয়েছে।

বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের বিচার, কারাবাস এবং মৃত্যুর মতো গুরুতর ঘটনাগুলোর জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের যে ভূমিকা থাকা দরকার, সে সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। নাগরিকদের জীবন রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নিতে সরকারের ব্যর্থতা এবং মৃত্যুর পর তাদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য প্রমাণ করে যে, রেমিটেন্সের অর্থে দেশের মন্ত্রী-এমপি ও আমলাদের বিলাসী জীবন নিশ্চিত হলেও প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য সরকারের কোনো মাথা ব্যথা নেই।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সরকারকে অবিলম্বে বিদেশে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তি এবং প্রতিটি মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যেসব প্রবাসী শ্রমিকের পাঠানো রেমিটেন্সে দেশের অর্থনীতি সচল থাকে, তাদের জীবন, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। বিদেশে কর্মরত এবং বসবাসরত বাংলাদেশিদের অধিকার রক্ষায় সরকারের কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ, আইনি সহায়তা এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি দাবি জানান, পৃথিবীব্যাপী কারাবন্দি বাংলাদেশি নাগরিকদের মুক্তির জন্য সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ইউক্রেনসহ সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে জোরপূর্বক সামরিক কাজে নিয়োজিত করা বাংলাদেশি নাগরিকদের উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগীব আহসান মুন্নার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহমান।

সমাবেশ পরিচালনা করেন সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মঈন।

বিক্ষোভে রাগীব আহসান মুন্না বলেন, বিদেশে আটক বাংলাদেশিদের তালিকা প্রণয়ন, রাষ্ট্রের খরচে আইনি সহায়তা, নিয়মিত কারাগার পরিদর্শন এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তির জন্য সরকারকে জরুরি কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে।

জলি তালুকদার বলেন, সরকারের অবহেলার প্রতিবাদে প্রবাসী শ্রমিকরা রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ করে দিলে, সেটি হবে আইনি সহায়তা বঞ্চিত কারাবন্দি মানুষ এবং নিজ দেশের সরকারের কাছ থেকে চরম বঞ্চনার শিকার অসহায় প্রবাসীদের জন্য একটি উপযুক্ত জবাব। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরাইল থানায় গিয়ে ওসির ওপর চটলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৭ এম


সরাইল থানায় গিয়ে ওসির ওপর চটলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

সরাইল থানার পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্গাপূজার সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বা সৌজন্যমূলক আচরণ না পাওয়ার কারণে থানার কক্ষে বসে ওসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

এই ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সরাইল থানার ওসির কক্ষে। এ সময় রুমিন ফারহানা ওসির বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করার অভিযোগ তুলেছেন।

সরাইল থানায় অবস্থানকালে, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপির পক্ষে এবং ওসির বিরুদ্ধে কয়েকশো লোক স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় পুরো এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

সরাইল থানার কক্ষে বসে রুমিন ফারহানাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কতবার রিকোয়েস্ট করেছি যে নিরাপত্তা দেয়া হোক। আমাকে বিজয়নগরে নিরাপত্তা দিয়েছে, আমাকে আশুগঞ্জে নিরাপত্তা দিয়েছে। আইন আছে যে নির্বাচিত এমপি নিরাপত্তা চাইলে লোকাল এরিয়াতে হবে। গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগের সময় একজন এমপি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর এবং উনি মারা যাওয়ার পর এই আইনটা হয়। উনি আমার লোকের ফোনই ধরেন না এবং বলেন, উনি নির্বাচিত এমপি, ওনার নিরাপত্তা মানুষ দেবে। তো এজন্যই মানুষ যা দেখছেন, বাইরে আরও ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ আছে। তো ওরা আমার নিরাপত্তা দিচ্ছে। আমার তো নিরাপত্তা লাগবে, তাই না? সো মানুষ আমার নিরাপত্তা দিচ্ছে। আর ওনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মাটি কাটার থেকে পয়সা নেয়া, আপনার বালু, ইটের ভাটার পয়সা নেয়া ইত্যাদি বিস্তর অভিযোগ। কোনো ঘটনা ঘটলে আপনারা জানেন যে এলাকাটা দাঙ্গাপ্রবণ। দাঙ্গা হওয়ার পরে যখন সব শান্ত হয়, তখন ওনারা ধীরে সুস্থে যান। এই বিষয়গুলো আমি আজকে জানতে এসেছিলাম। এবং উনি যে ব্যবহার আমার সঙ্গে করেছেন, সেটা একজন নির্বাচিত এমপির সঙ্গে করা যায় না।’

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, ‘সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এসেছিলেন। উনি এক দেড়শো লোক নিয়ে থানার মধ্যে হৈচৈ করে একটা অস্থিরতা ও মব তৈরি করেছেন। আমার অফিস কক্ষের মধ্যে কয়েকশো লোক ঢুকে এখানে একটা বিব্রতকর পরিস্থিতর সৃষ্টি করেছে। শুধু তাই নয়, উনি কিছু লোককে শিখিয়ে এনেছেন, যারা আমার বিরুদ্ধে আজেবাজে কথাবার্তা বলছেন, যা আমি প্র্যাকটিস করি না। উনি বলছেন, আমি নাকি কোনো এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গিয়ে ভাত খেয়ে এসেছি। আমি কখনও কারও দাওয়াতেই যাই না। বিয়ের দাওয়াতেও যাই না। রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রাম ছাড়া কোনো কোনো খাবার-দাবার, খানাপিনায় অ্যাটেন্ড করি না। শুধু সরকারি প্রোগ্রাম যেখানে ইউএনও মহোদয় থাকেন এবং আমি থাকি, ম্যাজিস্ট্রেট থাকেন, তখন আমি যাই। উনি আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’

ওসি বলেন, ‘উনি লোক সাজিয়ে নিয়ে এসেছেন। এক লোক বলেছেন, আমাকে নাকি মামলার আসামি ছাড়ার ব্যাপারে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন। লোকটাকে আমি কখনও দেখেছি বলে মনে পড়ে না। আসামিরা আসে, অফিসাররা আসামি ধরে হাজতে পাঠায়, আবার কোর্টে চলে যায়। আমার সঙ্গে ইন্টারোগেশনে কোনো প্রয়োজনই হয় না। সে নাকি আমাকেই ৩০ হাজার টাকা দিয়েছে! এটা তো ওনার শেখানো বিষয়। উনি বলছেন যে, আমার বিরুদ্ধে বলেছে যে আমি ব্রিকফিল্ড থেকে টাকা নিই। ব্রিকফিল্ড এখানে হাওড় অঞ্চল, সবগুলো পানির নিচে ডুবানো আছে। উনি এই অভিযোগ কোত্থেকে আনলেন? এতে আমি খুব দুঃখ পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘পূজার মধ্যে আমাদের কঠিন প্রোগ্রাম ছিল। আমরা সামগ্রিকভাবে পুরো থানা এলাকার পূজামণ্ডপকে নিরাপদে রেখেছি। উনি বলছেন, রেকর্ড আছে। তো রেকর্ড তো উনি দেখাতে পারেননি। আমি নিরাপত্তা দেই, অস্বীকার করব কেন? এই থানা এলাকার প্রত্যেকটায় আমরা সামগ্রিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি পূজামণ্ডপে। এখন ওনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান চাইতে হবে, সেটা আলাদা বিষয়। উনি এসপির কাছে চাইবেন, গানম্যান ইস্যু হলে, গানম্যান থাকবে। কিন্তু আমি তো একটা টিম ওনার সঙ্গে ওইভাবে এনগেজ করে রাখতে পারি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর মধ্যে ওনি লোকজন নিয়ে ওনার অনুসারীদের নিয়ে আমার কক্ষে এসে অবরুদ্ধ করেছেন, মব করেছেন। থানার বাহিরে মিছিল করেছেন। আমি জানি না এখানে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো লোকজন ছিল কি না। কারণ তিনি ওদের না ধরার জন্য আমাকে সব সময় প্রেশারাইজ করেন। এই যে আজকে যারা এসেছেন, আমি চিনিও না ওদেরকে সবাইকে। হয়তো পরবর্তীকালে জানতে পারবো। ওনারা থানার মধ্যে খুব বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। আমি নোট ডাউন করে রেখেছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ আফ্রিকায় বিক্ষোভের সময় বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৮ এম


দক্ষিণ আফ্রিকায় বিক্ষোভের সময় বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকার বন্দরনগরী ডারবানে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন জনতার হামলায় এক বিদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তির ওপর হামলা চালাতে প্রায় ৫০ জনের একটি দল জড়ো হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়, নিহত ব্যক্তি ডারবানের কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকার একটি সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এসময় তাকে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করে প্রায় ৫০ জনের একটি দল। পরে ঘটনাস্থলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

নিহত ব্যক্তির জাতীয়তা এখনও প্রকাশ করেনি পুলিশ। তবে তার বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস ধরে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ডারবান শহর এসব বিক্ষোভের একটি প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। দুই সপ্তাহ আগে সেখানে অভিবাসীবিরোধী মিছিলের পর লুটপাট ও সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছিল।

গত জুন মাস থেকে অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশ করা আফ্রিকান অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। এসব কর্মসূচির মধ্যে কিছু সহিংসতায় রূপ নেয়।

নাইজেরিয়া, মোজাম্বিক, মালাউইসহ কয়েকটি দেশের সরকার দক্ষিণ আফ্রিকায় তাদের নাগরিকদের মধ্যে বিদেশিবিদ্বেষী হামলায় নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কর্তৃপক্ষ এসব ঘটনার মধ্যে মৃত্যুর সঙ্গে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক থাকার কথা উল্লেখ করে কিছু দাবির বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছে।

সহিংসতা এড়াতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশটি থেকে বহু মানুষ দেশত্যাগ করেছেন, যা কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় ঘটনা। হাজার হাজার অভিবাসী দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে চলে গেছেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা কারণে অনেক বিদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

দক্ষিণ আফ্রিকা, আফ্রিকার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ, কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনের আশায় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বহু মানুষ এখানে পাড়ি জমান। তবে দেশের বিভিন্ন জনগণের অভিযোগ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত এবং সরকারি সেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা অভিবাসীবিরোধী সহিংসতার নিন্দা করেছেন। তিনি আরও স্বীকার করেছেন যে, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে অনথিভুক্ত অভিবাসীরা দেশটিতে প্রবেশ ও অবস্থান করতে পারছেন।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ২৪ লাখ বিদেশি নাগরিক বসবাস করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%