প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ইরান দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে সাতটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়ে সেগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে, দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই জলপথে জাহাজ চলাচলে সহায়তা অব্যাহত রাখে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আলজাজিরার একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইআরজিসির দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বৃহস্পতিবার রাতভর হামলার শিকার হওয়া সাতটি জাহাজের মধ্যে চারটি জাহাজে তেল স্থানান্তরের কার্যক্রম চলছিল। হামলার পর সেগুলোর মধ্যে আগুন লেগে যায়। অন্যদিকে, তিনটি জাহাজ মাইন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেছে ইরান।
তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। হামলায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর কোন দেশের পতাকা ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে আইআরজিসি। তাদের বক্তব্য হলো, যদি ওয়াশিংটন প্রণালির অন্যান্য অংশ দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে সহায়তা করে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সংঘাত এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতেও ছড়িয়ে পড়বে।’ এটিকে তারা গুরুতর সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই জলপথে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন