বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:০৬ পি.এম
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সালিশি বৈঠকের সময় সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
এটি ঘটে বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের বড়মৌকুড়ি গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ অক্টোবর বড়মৌকুড়ি গ্রামের শাওন হোসেনকে মাদকসেবী সন্দেহে পুলিশ আটক করে। পরে ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের বিষয়টি নেগেটিভ আসায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। পরবর্তী দিন ৬ তারিখে শামীম হোসেন নামে অপর একজনকে আটক করা হলে তারও ডোপ টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসে।
শাওনের অভিযোগ, একই গ্রামের শামীম হোসেন শত্রুতার কারণে তাকে মাদকসেবী হিসেবে উল্লেখ করে পুলিশের কাছে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে বুধবার রাতে গ্রামে সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিশ চলাকালে শাওন ও শামীমের পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের মধ্যে ৫ জনকে উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
শৈলকূপা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কাশেম জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলে লিওনেল মেসির দীর্ঘ পথচলার শেষ অধ্যায় শুরু হয়েছে। আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলার পর মেসির বিদায়ী পোস্টে মন্তব্য করে তাকে সম্মান জানালেন তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
বছরের পর বছর ধরে আর্জেন্টিনার হয়ে ইতিহাস গড়েছেন মেসি। অন্যদিকে, পর্তুগালের জার্সিতে নিজের অমর অধ্যায় রচনা করেছেন রোনালদো। মাঠের লড়াইয়ে দুজনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল তীব্র। তবে মাঠের বাইরের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একে অপরের প্রতি বরাবরই ছিল গভীর সম্মান।
মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচের পরদিন, তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মন্তব্য করেন রোনালদো। সেখানে পর্তুগিজ তারকা লেখেন, "লিও, এত বছর তোমার দেশের হয়ে লড়াই করেছ এবং এমন একটি গল্প লিখেছ, যা চিরকাল থেকে যাবে। আর্জেন্টিনার হয়ে তুমি যা অর্জন করেছ, তার প্রতি আমার পূর্ণ সম্মান। আলিঙ্গন।"
রোনালদোর এই মন্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্ট করার ১০ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে মন্তব্যটিতে পড়ে যায় ১০ হাজারের বেশি লাইক। পাশাপাশি জমতে থাকে অসংখ্য প্রতিক্রিয়া।
৩৯ বছর বয়সী মেসি মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। পূর্ণ গ্যালারির সামনে বিদায়ী ম্যাচটিও তিনি স্মরণীয় করে রাখেন। একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন দুটি গোল।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করার সময় একাধিক রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা ও অ্যাসিস্টদাতা হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তার দখলে রয়েছে।
এদিকে, মেসির বিদায়ের সময়ে রোনালদোর আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। পর্তুগালের ক্যাম্প ছাড়ার পর তার অবসর নিয়ে জল্পনা শুরু হলেও পরে রোনালদো স্পষ্ট করেন, তিনি এখনই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলছেন না।
বরং পর্তুগালের জার্সিতে সামনে ‘এক বা একাধিক বিদায়ী ম্যাচ’ খেলার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন পর্তুগিজ মহাতারকা।
ফুটবলের দুই মহাতারকার আন্তর্জাতিক অধ্যায় এখন শেষের পথে। একজন বিদায় নিয়েছেন, অন্যজনও ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এগিয়ে যাচ্ছেন। তবে মেসি-রোনালদোর দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বিতা, অসংখ্য রেকর্ড এবং পারস্পরিক সম্মানের গল্প ফুটবল ইতিহাসে বেঁচে থাকবে আরও বহু বছর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত একটি বিক্ষোভ মিছিল নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ ও শুধু দেখা করার উদ্দেশ্যে নারীদের ডেকে আনা হয়েছিল কর্মসূচির আয়োজকদের দ্বারা। কিন্তু, অংশগ্রহণকারী নারীরা অভিযোগ করেছেন যে, তাদের মিছিলে অংশ নিতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কৌশলে বাধ্য করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করার পর পাঁচ রাস্তার মোড়ে আয়োজিত এই কর্মসূচির বেশ কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
মিছিলে অংশ নেওয়া কিছু নারী জানান, তাদের প্রশিক্ষণের জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভায় নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে তারা বিক্ষোভ মিছিল দেখে অবাক হন। অন্য একজন নারী জানান, তাকে শুধুমাত্র পৌরসভায় আসতে বলা হয়েছিল, কিন্তু কেন আসতে হবে বা কী কর্মসূচি, তা তিনি জানতেন না। পরবর্তীতে তাদের এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এদিকে, এনসিপি কুষ্টিয়া জেলা শাখার নেতারা দাবি করেছেন, এটি এনসিপির কোনো বিক্ষোভ নয়। বরং, এটি এনসিপির অঙ্গসংগঠন কর্তৃক আয়োজন করা হয়েছিল।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়া পৌরসভার বিজয় উল্লাস চত্বর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদে জাতীয় ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি, শ্রমিকশক্তি ও নারীশক্তির ব্যানারে আয়োজিত এই মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাঁচ রাস্তার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিল শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর এলাকার সাহারা খাতুন বলেন, "আমারে নিয়ে আইছে ট্রেনিংয়ের জন্য, আমরা নতুন আইছি। ওইটা জানি না, আমারে ইতি বলেছিল আসতে। ট্রেনিংয়ের জন্য নিয়ে আইছে, এখন দেখছি মিছিল।"
সাহারা খাতুনের বক্তব্য অনুযায়ী, তাকে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা বলে সেখানে নিয়ে আসা হলেও পৌরসভা চত্বরে এসে তিনি জানতে পারেন সেখানে বিক্ষোভ মিছিল হবে।
এ সময় আরেক নারীকে কর্মসূচিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমারে বলেছে পৌরসভায় আসা লাগবি। আমরা কি জানি নাকি কিসের জন্য আসতে বলেছে। আমারে পৌরসভায় আসতে কইছে তাই আইছি।"
বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর দুই নারীর এসব বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টে ভিডিও দুটি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য দেখা যায়। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আগে থেকে কর্মসূচির বিষয়ে জানানো হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাবেক সদস্য রাসেল পারভেজের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এনসিপি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য সচিব সুলতান মারুফ তালহা বলেন, "এটা এনসিপির কোনো বিক্ষোভ না। এটা এনসিপির অঙ্গসংগঠন আয়োজন করেছিল। তবে আমরা এই রাজনীতি বিশ্বাস করি না। আমাদের যে কয়েকজন কর্মী আছে, আমরা তাদের নিয়েই রাজনীতি করি। এ বিষয়ে আমাদের কেন্দ্রের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখবে।"
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে জাতীয় নাগরিক কমিটির কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাবেক সদস্য রাসেল পারভেজ, সাবেক যুগ্ম সমন্বয়ক মো. তাছের, যুবশক্তি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য সচিব সুরুজ হোসেন সম্রাট, ছাত্রশক্তি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য সচিব মখলেচুর রহমান আয়াসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
"আমি জানি না, কাল আমি বেঁচে থাকব কি না। জীবনের শেষ প্রান্তে সবাইকে পৌঁছাতেই হবে। তবে তার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত যা করতে চেয়েছিলাম, তা কি করতে পেরেছি?"
এমন আবেগঘন মন্তব্য করেছিলেন ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার, মৃত্যুর মাত্র চার দিন আগে। বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৫ বছর বয়সী এই অভিনেতার মৃত্যু ঘটে, যা তার সেই আশঙ্কা ও উপলব্ধির সত্যতা প্রমাণ করে।
গত ৪ অক্টোবর, মৃত্যুর চার দিন আগে, গোয়ার ডোনা পাউলায় ‘সম্রাট ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল’-এর একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন নানা পাটেকার। সাদা কুর্তা ও স্কার্ফ পরিহিত অবস্থায় তার দেওয়া শেষ বক্তব্যটি এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
অনুষ্ঠানে প্রয়াত বন্ধু ও গোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পার্রিকরকে স্মরণ করে তিনি জীবনের নশ্বরতা, সমাজের প্রতি দায়িত্ব এবং মতপ্রকাশের শালীনতা নিয়ে আলোচনা করেন।
নিজের জীবনের উপলব্ধি তুলে ধরে নানা পাটেকার বলেন, "আমাদের সবার জগত যদি শুধু স্ত্রী, সন্তান আর পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে এই জীবনের অর্থ কী? সমাজকে কিছু তো ফিরিয়ে দিয়ে যেতে হবে, তাই না?"
মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনসম্মুখে শালীনতার গুরুত্বও তিনি তুলে ধরেন। নরেন্দ্র মোদির প্রসঙ্গ টেনে নানা বলেন, "তার কিছু আদর্শ আমার পছন্দ, আবার কিছু একদম পছন্দ নয়। সেটা স্পষ্ট করে বলার সাহস থাকতে হবে। তিনি যা করেন, সবই যে ভুল, তা নয়। কোনো কিছু অপছন্দ হলে প্রতিবাদ করা জরুরি, তবে সেই প্রতিবাদের ভাষাও শালীন হওয়া চাই।"
তিনি আরও বলেন, "ব্যক্তিগত পরিসরে মানুষ একে অপরকে নানা কথা বলতে পারে, কিন্তু জনসম্মুখে কথা বলার সময় ন্যূনতম শালীনতা বজায় রাখা জরুরি। তা না হলে বক্তব্যের গুরুত্ব কমে যায়।"
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নানা পাটেকারকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দিয়ে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তার মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাবার মৃত্যুর সময় নানা পাটেকারের ছেলে মালহার পাটেকার পুনেতে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি গোয়ার উদ্দেশে রওনা হন বলে জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের নবনিযুক্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ফিলিপ অং বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় সিঙ্গাপুরের ট্রেডট্রাস্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের জারিকৃত সার্কুলারের আলোকে স্থানীয় ব্যাংকগুলোর আগ্রহ এবং ইতোমধ্যে কয়েকটি ব্যাংকের অংশগ্রহণের জন্য সিঙ্গাপুরের প্রতিনিধিরা প্রশংসা করেন।
বৈঠকে বৈদেশিক বাণিজ্যের ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিঙ্গাপুরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও ভারসাম্যপূর্ণ এবং বহুমুখী করার আহ্বান জানান।
সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে দেশটির মিনিস্ট্রি অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ওয়াং চু সিন এবং এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুরের বেঞ্জামিন চু-সহ একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাতে অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, মো. সরোয়ার হোসেন, নির্বাহী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশিদ এবং পরিচালক আবু ছালেহ মুহাম্মদ সাহাব উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ