শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৭ এম
শরতের সকালে শিউলি ফুলের সুবাস এবং মাটিতে ঝরে থাকা সাদা-কমলা ফুলের দৃশ্য অনেকের মনকে আকৃষ্ট করে। ঋতুর এই পরিচিত ফুলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই শিউলির খোঁজে বের হয়েছেন ঢালিউডের অভিনেত্রী পরীমনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর একটি ছোট পোস্টের মাধ্যমে ভক্তদের মধ্যে চলছে মিষ্টি মন্তব্যের আদান-প্রদান।
সম্প্রতি পরীমনি তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘শিউলি ফুলের খোঁজে যাই…’। এই কথার সঙ্গে তিনি ফুল, পরী এবং ভালোবাসার ইমোজিও যুক্ত করেছেন। সংক্ষিপ্ত এই পোস্টে শিউলি ফুলের প্রতি তাঁর ভালো লাগা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ভক্তরাও তাঁদের ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ শিউলি ফুলের সঙ্গে অভিনেত্রীর তুলনা করেছেন, আবার কেউ মজার ছলে বলেছেন, শিউলি খুঁজতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ‘সে জানেও না যে সেও একটা শিউলি ফুল।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘কি দরকার? তুমি তো নিজেই শিউলিফুল।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ফুল ফুলকে খুঁজে।’
শরতের শিউলি ফুলকে কেন্দ্র করে পরীমনির এই ছোট পোস্টে ভক্তদের মন্তব্যগুলো একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ফুলের খোঁজে বের হওয়া অভিনেত্রীকে তাঁর অনুরাগীরা যেন তাঁদের ভালোবাসার কথাগুলো নতুন করে মনে করিয়ে দিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের দুটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে রাতের কারফিউ সোমবার (২৬ অক্টোবর) পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। স্থানীয় সময় রাত ১১টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ সহিংসতা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার পর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
প্যারিস পুলিশ প্রিফেকচার বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কারফিউয়ের মেয়াদ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে প্লাস দে লা রিপাবলিকের কেন্দ্রীয় চত্বর এবং লে আল এলাকার কিছু নির্দিষ্ট সড়ক ও সংলগ্ন অংশ। ২২ অক্টোবর রাত থেকে ২৬ অক্টোবর ভোর পর্যন্ত প্রতিদিন এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
কারফিউ প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সকলের জন্য প্রযোজ্য। তবে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা, কর্মস্থলে যাতায়াতকারী, ব্যবসায়ী এবং জরুরি সেবার কর্মীদের জন্য কিছু ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। তাঁরা প্রয়োজনের সপক্ষে প্রমাণ দেখিয়ে চলাচল করতে পারবেন।
গত ১৭ অক্টোবর জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। প্যারিসের পাশাপাশি লিয়ঁ ও মার্সেইসহ বিভিন্ন শহরে ওই কর্মসূচির কারণে সহিংসতা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এর পর ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সীমিত পরিসরে কারফিউ জারির নির্দেশ দেন।
এদিকে ২৪ ও ২৫ অক্টোবর নতুন বিক্ষোভের কর্মসূচি থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ পুলিশ ও জেন্ডারমেরি সদস্যদের উপস্থিতি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। সরকার লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে। ফ্রান্সের বাণিজ্যমন্ত্রী সের্ঝ পাপাঁর হিসাব অনুযায়ী, দেশজুড়ে অন্তত তিন হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লুটপাটের শিকার হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী রেলস্টেশনে দুই যাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০ হাজার ৬০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) এক সিপাহির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সিপাহির নাম আমিনুল ইসলাম পলাশ। ঘটনার পর লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর তিনি স্টেশন ছেড়ে লাপাত্তা হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার মুরাদনগর থানার সরকারপাড়া গ্রামের রুবেল (২৫) ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার চর চকপাড়া গ্রামের অলিউল্লাহ ‘সাগরদাঁড়ি’ ট্রেনে কুষ্টিয়া থেকে রাজশাহী আসেন। রাতের বেলা গন্তব্যে যাওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় তাঁরা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বসে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় আরএনবির সিপাহি আমিনুল ইসলাম পলাশ আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁদের থানায় নেওয়ার ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে জোরপূর্বক তাঁদের কাছ থেকে ১০ হাজার ৬০০ টাকা আদায় করে নিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর ওই রাতেই ভুক্তভোগী দুজন রাজশাহী রেলস্টেশনের আরএনবি চৌকির ইনচার্জের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত সিপাহি আমিনুল ইসলাম পলাশ অভিযোগকারীদের সঙ্গে বিষয়টি আপস করার চেষ্টা করেন। তবে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ প্রত্যাহারে রাজি না হওয়ায় তিনি গোপনে স্টেশন ছেড়ে কেটে পড়েন। সারাদিন তাঁকে স্টেশনে আর দেখা যায়নি। তা ছাড়া তাঁর মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তাঁর কোনো মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘটনার বিষয়ে রাজশাহী রেলস্টেশনের আরএনবি চৌকির ইনচার্জ শিহাবুল হাসান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সিপাহি আমিনুল ইসলাম পলাশ ও তাঁর দুই সহযোগী মিলে ওই দুই যাত্রীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আগামী রোববার অফিস খোলার পর রেলওয়ের পাকশী বিভাগের বিভাগীয় কমান্ড্যান্টের অনুমতি নিয়ে অভিযুক্ত সিপাহির বিরুদ্ধে বিভাগীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ লেবাননের একাধিক শহর ও জনপদের নিকটবর্তী এলাকায় দখলদার ইসরাইলি বাহিনী দফায় দফায় গোলাবর্ষণ করেছে। নাবাতিয়েহ জেলার মায়ফাদুন ও জাওতার আশ-শারকিয়াহ শহরের আশপাশে কামানের গোলা নিক্ষেপের পাশাপাশি বারাআচিট ও ওয়াদি আল-সালুকি এলাকার আশপাশেও হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
এনএনএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার মায়ফাদুন ও জাওতার আশ-শারকিয়াহ শহরের আশপাশে ইসরাইলি বাহিনী থেমে থেমে গোলাবর্ষণ করছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় বারাআচিট ও ওয়াদি আল-সালুকির আশপাশেও গোলা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে বারাআচিট ও হাদাথা শহরে হামলার খবরও জানিয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে, দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম শহরে ইসরাইলি বাহিনী তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সর্বশেষ এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পাওয়া যায়নি।
এর আগে, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরাইলি বিমান হামলা, কামানের গোলাবর্ষণ ও ড্রোনের তৎপরতার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নাবাতিয়েহ ও টায়ার জেলার বিভিন্ন এলাকায় হামলার পাশাপাশি জাওতার আশ-শারকিয়াহ, মায়ফাদুন, কাফার তিবনিত ও ওয়াদি জিবকিন এলাকায় গোলাবর্ষণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। বানি হাইয়ান এলাকায় বাড়িঘর লক্ষ্য করে একটি ড্রোন থেকে বিস্ফোরক নিক্ষেপের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
এসব হামলা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং দক্ষিণ লেবনন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। জুনে দুই পক্ষের মধ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতা হলেও দক্ষিণ লেবননে ইসরাইলি সামরিক অভিযান ও গোলাবর্ষণ বন্ধ হয়নি বলে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, গত ২ মার্চ থেকে ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে হাজার হাজার মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। চলমান হামলা ও সামরিক তৎপরতায় দক্ষিণ লেবাননের বহু এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
সূত্র: এনএনএ, আনাদোলু এজেন্সি, শাফাক নিউজ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটিশ গায়িকা ও গীতিকার রে ২০২৬ সালের মার্কারি পুরস্কার অর্জন করেছেন। এই সম্মানটি তিনি তাঁর দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘দিস মিউজিক মে কনটেইন হোপ’-এর জন্য লাভ করেছেন। যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের সংগীতশিল্পীদের সেরা অ্যালবামকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই পুরস্কার সংগীতজগতে বিশেষ মর্যাদা ধারণ করে।
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ইংল্যান্ডের নিউক্যাসলের ইউটিলিটা অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ী হিসেবে রের নাম ঘোষণা করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় তাঁর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন পল ম্যাককার্টনি, ডেভ, অলিভিয়া ডিন, ফ্লোরেন্স অ্যান্ড দ্য মেশিন, জেডসহ আরও অনেক সংগীতশিল্পী।
‘দিস মিউজিক মে কনটেইন হোপ’ অ্যালবামটিতে জ্যাজ, অর্কেস্ট্রার সংগীত, ফাঙ্ক ও পপধারার বিভিন্ন উপাদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রায় ৭৩ মিনিটের এই অ্যালবামে বিভিন্ন ধরনের সংগীতের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। বিচারকেরা অ্যালবামটির ব্যাপ্তি, সৃজনশীলতা ও অনুপ্রেরণামূলক দিকের প্রশংসা করেছেন।
পুরস্কার গ্রহণের পর রে সংগীতের গুরুত্ব এবং আশার বার্তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "মানুষের জীবনে আশা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, আর সংগীত সেই আশার অনুভূতি ছড়িয়ে দিতে পারে।"
১৯৯২ সালে চালু হওয়া মার্কারি পুরস্কার প্রতিবছর যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের উল্লেখযোগ্য অ্যালবামগুলোর মধ্যে থেকে সেরাটিকে বেছে নেয়। বিজয়ী শিল্পী একটি ট্রফি ও ২৫ হাজার পাউন্ড অর্থমূল্যের পুরস্কার লাভ করেন। রের এই অর্জন তাঁর সংগীতজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ