বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৪ এম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন যে, এবারের দুর্গাপূজায় বিএনপি সরকার প্রত্যাশা অনুযায়ী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
তিনি বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও বিসর্জনস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দিরে পূজারিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এবারের দুর্গাপূজায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল। মানুষ আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্যে নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করেছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এ বছর দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সরকারি অনুদানের পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি কথা বলেন- ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা বাস্তবায়ন করেন। এবারের দুর্গাপূজায় সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তার প্রতিফলন ঘটেছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনেকেই নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি তাদের আস্থা ও প্রত্যাশা রয়েছে। বিগত নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিয়ে তারা যে প্রত্যাশা করেছিলেন, সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে টাঙ্গাইল থেকে মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা দূর করতে কাজ করে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ভালো সাড়া পেয়েছি। সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই। মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে আমাদের কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার করা হবে।
মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া, কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দিরের সভাপতি স্বপন ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জীসহ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের উইন্ডসর ক্যাসেলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সফরের উপলক্ষে এক নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। এই অনুষ্ঠানে রানী ক্যামিলাসহ দুই দেশের বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। রাজা চার্লস ওমানের সুলতানকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বিখ্যাত হাদিস উদ্ধৃত করেন এবং ওমানের জনগণের স্বভাব ও শান্তির প্রতি তাদের অনুরাগের প্রশংসা করেন।
রাজা চার্লস তার বক্তব্যে ওমানি জনগণের চমৎকার আচরণের কথা উল্লেখ করে মহানবীর বাণী তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘যদি তোমরা ওমানের মানুষের কাছে যেতে, তারা তোমাদের কখনোই গালি দিত না কিংবা আঘাত করত না।’ এই মহানবীর বাণীর উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, যুগ যুগ ধরে ওমানের মানুষ তাদের শান্তিকামী স্বভাব ধরে রেখেছে, যা পুরো বিশ্বের জন্য একটি দারুণ দৃষ্টান্ত।
রাজা চার্লস যুক্তরাজ্য ও ওমানের শত বছরের পুরনো বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের এই সময়ে ওমান সবসময় আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে সমুদ্রপথে বিশ্ববাণিজ্য নিরাপদ রাখতে ওমানের প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। দুই দেশের এই শক্ত সম্পর্কের কারণে বিশ্ব যেমন অনেক নিরাপদ থাকে, তেমনই ভবিষ্যতেও ওমান যুক্তরাজ্যের এক বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সূত্র: ওমান অবজারভার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে গিয়ে মার্কিন নাগরিকদের গ্রেফতার করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইসরাইলি বাহিনীর এই ধরনের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নীরবতার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
সিনেটরের মতে, শীর্ষ পর্যায়ের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ না করার ফলেই ইসরাইল ক্রমাগতভাবে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং একের পর এক অন্যায় কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
এই ঘটনা ঘটে অধিকৃত পশ্চিম তীরে, যেখানে স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা জলপাই সংগ্রহ করছিলেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাহায্য করতে গিয়ে সেখানে উপস্থিত হন মার্কিন প্রতিনিধিদের একটি দল। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্র্যাড ল্যান্ডার, যিনি আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী। কিন্তু ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ তাদের সবাইকে গ্রেফতার করে। পরে ব্র্যাড ল্যান্ডারকে মুক্তি দেওয়া হলেও, তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য মার্কিন আন্দোলনকারী এবং কয়েকজন ধর্মযাজক এখনও বন্দি রয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে সিনেটর ভ্যান হোলেন স্পষ্ট করে জানান, একজনকে মুক্তি দিলেই সব কিছু মিটে যায় না, ইসরাইল সরকারের উচিত বাকিদেরও অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যদি ইসরাইল আমেরিকানদের সঙ্গেও এমন আচরণ করতে পারে, তবে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর তারা কতটা নির্যাতন চালাচ্ছে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।"
সূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ