বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৪ এম
যুক্তরাজ্যের উইন্ডসর ক্যাসেলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সফরের উপলক্ষে এক নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। এই অনুষ্ঠানে রানী ক্যামিলাসহ দুই দেশের বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। রাজা চার্লস ওমানের সুলতানকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বিখ্যাত হাদিস উদ্ধৃত করেন এবং ওমানের জনগণের স্বভাব ও শান্তির প্রতি তাদের অনুরাগের প্রশংসা করেন।
রাজা চার্লস তার বক্তব্যে ওমানি জনগণের চমৎকার আচরণের কথা উল্লেখ করে মহানবীর বাণী তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘যদি তোমরা ওমানের মানুষের কাছে যেতে, তারা তোমাদের কখনোই গালি দিত না কিংবা আঘাত করত না।’ এই মহানবীর বাণীর উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, যুগ যুগ ধরে ওমানের মানুষ তাদের শান্তিকামী স্বভাব ধরে রেখেছে, যা পুরো বিশ্বের জন্য একটি দারুণ দৃষ্টান্ত।
রাজা চার্লস যুক্তরাজ্য ও ওমানের শত বছরের পুরনো বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের এই সময়ে ওমান সবসময় আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে সমুদ্রপথে বিশ্ববাণিজ্য নিরাপদ রাখতে ওমানের প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। দুই দেশের এই শক্ত সম্পর্কের কারণে বিশ্ব যেমন অনেক নিরাপদ থাকে, তেমনই ভবিষ্যতেও ওমান যুক্তরাজ্যের এক বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সূত্র: ওমান অবজারভার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে গিয়ে মার্কিন নাগরিকদের গ্রেফতার করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইসরাইলি বাহিনীর এই ধরনের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নীরবতার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
সিনেটরের মতে, শীর্ষ পর্যায়ের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ না করার ফলেই ইসরাইল ক্রমাগতভাবে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং একের পর এক অন্যায় কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
এই ঘটনা ঘটে অধিকৃত পশ্চিম তীরে, যেখানে স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা জলপাই সংগ্রহ করছিলেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাহায্য করতে গিয়ে সেখানে উপস্থিত হন মার্কিন প্রতিনিধিদের একটি দল। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্র্যাড ল্যান্ডার, যিনি আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী। কিন্তু ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ তাদের সবাইকে গ্রেফতার করে। পরে ব্র্যাড ল্যান্ডারকে মুক্তি দেওয়া হলেও, তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য মার্কিন আন্দোলনকারী এবং কয়েকজন ধর্মযাজক এখনও বন্দি রয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে সিনেটর ভ্যান হোলেন স্পষ্ট করে জানান, একজনকে মুক্তি দিলেই সব কিছু মিটে যায় না, ইসরাইল সরকারের উচিত বাকিদেরও অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যদি ইসরাইল আমেরিকানদের সঙ্গেও এমন আচরণ করতে পারে, তবে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর তারা কতটা নির্যাতন চালাচ্ছে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।"
সূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ