বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৩১ এম
চলতি বছরের জগন্নাথদেবের রথযাত্রা আজ আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে শুরু হয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে নয় দিনব্যাপী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকাস্থ ইসকন স্বামীবাগ মন্দিরে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণসহকারে অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে রথযাত্রা উৎসবের শুভ সূচনা হয় বিশ্বশান্তি কামনায়। দুপুরে, বিকেল ৩টায় মন্দির থেকে সজ্জিত শোভাযাত্রা সহকারে বের হবে জগন্নাথদেবের রথ, যা সন্ধ্যা ৭টায় শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গনে পৌঁছাবে।
রথযাত্রার এই আয়োজনের শুরু স্বামীবাগ থেকে হবে এবং এটি জয়কালী মন্দির, ইত্তেফাক মোড়, শাপলা চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেস ক্লাব, হাইকোর্ট, দোয়েল চত্বর, শহীদ মিনার ও পলাশীর মোড় হয়ে চলে যাবে শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে।
এক সপ্তাহ অবস্থান করার পর আগামী ২৪ জুলাই শ্রীশ্রী জগন্নাথদেব শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে একই পথে স্বামীবাগ মন্দিরে ফিরে আসবে। এই যাত্রাকে সনাতন ধর্মে 'উল্টো রথযাত্রা' বলা হয়।
বাংলাদেশে চলতি বছরের ইসকনের আয়োজনে মোট ১২৮টি রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের পুরী রথযাত্রার পর ঢাকার এই রথযাত্রা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রথযাত্রা।
প্রেম-পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীচৈতন্যদেবের প্রেমধর্মে দীক্ষিত ভারতীয় সন্ন্যাসী, ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ এই রথযাত্রার বিশ্বায়ন ঘটিয়েছেন। ১৯৬৭ সালে ইসকনের উদ্যোগে আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকো শহরে সর্বপ্রথম শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসবের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো এটি সামাজিক মেলবন্ধন সৃষ্টি করে। বর্তমানে ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, রাশিয়া, চীন, সিঙ্গাপুর, পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশের বৃহৎ শহরে রথযাত্রা উদ্যাপিত হচ্ছে।
ইসকন বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে, এই ধরনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করবে।
মতবিনিময় সভায় রথযাত্রার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকল দেশবাসীর প্রতি বিশেষ করে বর্তমান সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিদ্যুৎ বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, সংবাদমাধ্যম, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের প্রতি আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মো. রাশেদ (৩০) নামে এক যুবককে ১৬টি দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার ফতুল্লার দেওভোগ নুর মসজিদসংলগ্ন এলাকায় অস্ত্রসহ ওই যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করে। জব্দ করা ১৬টি অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে বড় আকৃতির ১০টি রাম দা এবং ৬টি অত্যাধুনিক চাইনিজ চাপাতি।
গ্রেফতার রাশেদ দেওভোগ নুর মসজিদ এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক দেশীয় অস্ত্রসহ ছিনতাইকারী রাশেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার রাশেদ পেশাদার ছিনতাইকারী বলেও দাবি করেছেন তিনি। তার ব্যাপারে যাচাই করে একাধিক ছিনতাই মামলা পাওয়া গেছে। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে এবং রাসেলের সহযোগীদের চিহ্নিত করতে জেলা পুলিশের একাধিক দল তদন্ত করছে।
গ্রেফতার করা ছিনতাইকারী রাশেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মোবাইল ফটোগ্রাফি ও স্মার্ট ডিভাইসে নতুন চমক প্রদর্শন করেছে হুয়াওয়ে।
একটি অনুষ্ঠানে কুয়ালালামপুরের মালয়েশিয়াতে পুরা নাইনটিজ সিরিজ উন্মোচন করা হয়েছে। এই উন্মোচনে শিল্পের প্রথম ২০০ মেগাপিক্সেল টেলিফটো ক্যামেরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর সঙ্গে সাথে রয়েছে ফ্রিক্লিপ টু এস ইয়ারবাড এবং ম্যাটপ্যাড ট্যাবলেটও।
এই ফ্ল্যাগশিপ পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানটি কুয়ালালামপুরে আয়োজিত হয়, যেখানে হুয়াওয়ের পুরা নাইনটিজ সিরিজের মূল আকর্ষণ ছিল। এই নতুন প্রজন্মের ফ্ল্যাগশিপ ফটোগ্রাফি স্মার্টফোন হিসাবে পরিচিত। বিশেষ করে, প্রো-ম্যাক্স সংস্করণে যুক্ত করা হয়েছে শিল্পের প্রথম ২০০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-লার্জ সেন্সর টেলিফটো ক্যামেরা। এই ক্যামেরা দূর থেকে বস্তুর ছবি অধিক বিস্তারিত এবং উজ্জ্বলভাবে ধারণ করার ক্ষমতা রাখে।
নতুন সিরিজের বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, উপস্থিত হুয়াওয়ের প্রতিনিধিরা বলেন যে, এতে True-to-Colour Camera প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির কারণে আগের প্রজন্মের তুলনায় রঙের নির্ভুলতা ৪৩ শতাংশ এবং কালার গ্যামাট প্রসেসিং ৩৪ শতাংশ পর্যন্ত উন্নতি হয়েছে। হুয়াওয়ের দাবি, এতে বাস্তব জীবনের রঙের সাথে ছবির রঙের অতি বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। উপরন্তু, কোম্পানিটি ফটোগ্রাফিকে আরও সহজ এবং সব মানুষের জন্য সহজলভ্য করার লক্ষ্য রাখছে।
হুয়াওয়ের ইউরোপ কনজ্যুমার প্রোডাক্ট প্রধান আন্দ্রেয়াস জিমার বলেন, তারা এখানে ফিজিক্যাল অ্যাপারচারের উপর বিশেষ মনোযোগ দিয়েছেন। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে স্মার্টফোনে পেশাদার ফটোগ্রাফি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে আসা। এটি তাদের পণ্যকে অন্য পণ্যের থেকে স্বতন্ত্র করে তুলছে।
স্মার্টফোনের পাশাপাশি, হুয়াওয়ে ফ্রিক্লিপ টু এস ওপেন-ইয়ার ওয়্যারলেস ইয়ারবাডও উন্মোচন করেছে। এই ইয়ারবাডটি ১০ হাজারের বেশি মানুষের কানের গঠন বিশ্লেষণ করে নির্মিত হয়েছে। প্রযুক্তির ফলে ব্যবহারকারী যেকোনো ইয়ারবাড যেকোনো কানে পরলে ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাম-ডান অডিও চ্যানেল শনাক্ত করে নেয়। প্রতিটি ইয়ারবাডের ওজন মাত্র ৫ দশমিক ১ গ্রাম। ত্বকবান্ধব লিকুইড সিলিকন এবং এআই-নির্ভর অডিও প্রসেসিং প্রযুক্তিও এতে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এই একই অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে নতুন ম্যাটপ্যাড এয়ারের সংস্করণও উন্মোচন করেছে। এর সঙ্গে আয়োজিত প্রোডাক্ট এক্সপেরিয়েন্স এরিয়াতে অতিথিরা নতুন ডিভাইসগুলো হাতে-কলমে ব্যবহার করে ক্যামেরা, অডিও এবং সফটওয়্যার ফিচার পরীক্ষা করার সুযোগ পান। হুয়াওয়ের বক্তব্য হলো, গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রে ধারাবাহিক বিনিয়োগের ফলেই এই নতুন প্রযুক্তিগুলো উদ্ভাবিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বন্যার পানি নেমে গেছে, তবে কৃষকের চোখের জল শুকানোর নাম নিচ্ছে না। কক্সবাজারে প্রায় ৪৩ হাজার কৃষকের কাছে এবারের বন্যা শুধু ফসলই নষ্ট করে যায়নি, এটি তাদের জীবিকার প্রধান ভরসা কেড়ে নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা বলছেন, ত্রাণ নয়; জরুরি ভিত্তিতে কৃষি পুনর্বাসন প্রয়োজন। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বীজ ও চারা সহায়তা দিয়ে কৃষকদের দ্রুত আবার চাষাবাদে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
কক্সবাজারের চাঁন্দেরপাড়া এলাকার কৃষক ইসমাঈল মোহাম্মদ বলেছিলেন, তার এক বছরের স্বপ্ন ছিল। চার কানি জমিতে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পুঁইশাক, পাটশাক ও করলা সহ তিন ধরনের সবজি চাষ করেছিলেন। কিন্তু কয়েক দিনের বন্যায় সবকিছু ভেসে গেছে। পানি নেমে গেলেও জমিতে কোমরসমান কাদামাটি রয়ে গেছে। ফলে নতুন করে চাষ শুরু করাও এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইসমাঈল মোহাম্মদ তার হতাশার কথা জানিয়ে বলেন, চার কানি জমিতে সবজি চাষ করতে প্রায় ৮ লাখ টাকা খরচ করেছিলাম। কিন্তু বন্যার জন্য পুরো ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এখন কাদামাটি জমে থাকার কারণে বুঝতে পারছি না আগে কাদা সরানো শুরু করব, নাকি নতুন করে চাষ শুরু করব। নতুন চাষের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কোথা থেকে পাব, সেটিও আমার জানি না।
ইসমাঈলের মতোই একই সমস্যায় পড়েছেন কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরী, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার হাজারো কৃষক। সবজি উৎপাদনের জন্য পরিচিত রামু, চকরিয়া, মাতামুহুরী অঞ্চলের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি টানা বৃষ্টির কারণে এবং পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায়। নয় দিন পর পানি নেমে গেছে, কিন্তু মাঠজুড়ে এখন নষ্ট ফসল আর অনিশ্চয়তার চিত্র রয়েছে।
চকরিয়ার কৃষক আবছার উদ্দিন বলেন, টানা বৃষ্টিতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকার বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। একই সঙ্গে মাছের ঘের থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে। ফলে আমি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
মাতামুহুরী এলাকার কৃষক রুহুল কাদের জানান, বন্যায় তার বীজতলা নষ্ট হয়েছে এবং ঘরে মজুত প্রায় ১০ মণ ধানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি তার সবজির ক্ষেতও পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন তিনি কীভাবে ধার-দেনা পরিশোধ করবেন এবং সংসার চালাবেন, তা নিয়ে খুবই চিন্তিত।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, মাঠে এখনো কৃষি কর্মকর্তাদের দেখা মেলেনি। তাদের দাবি, ত্রাণ নয়; দ্রুত কৃষি পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। সরকার যেন ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
রামুর মুক্তারকুল এলাকার কৃষক মফিজুর রহমান বলেন, এখনো কোনো কৃষি কর্মকর্তাকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা উচিত।
আরেক কৃষক ফরিদুল আলম বলেন, আমি ত্রাণ চাই না। সরকার যদি বীজ, সার, কৃষিঋণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দেয়, তাহলে আমি আবার উৎপাদনে ফিরতে পারব। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ভোগ এড়াতে কার্যকর উদ্যোগও নিতে হবে।
তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে, ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং কৃষকদের বীজ ও চারা সহায়তা দিয়ে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামানিক জানান, গত সাত থেকে আট দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে জেলায় প্রায় ৪ হাজার ২১১ হেক্টর কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যায়। গত দুই দিনের মধ্যে পানি নেমে যাওয়ার পর মাঠপর্যায়ে প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করা হয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে দেখা গেছে, প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আমন ধানের বীজতলা, আউশ ধান, গ্রীষ্মকালীন সবজি এবং কিছু পানের বরজ।
ড. প্রামানিক আরও জানান, প্রাথমিকভাবে কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ ৮০ কোটিরও বেশি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখনও আমন মৌসুমের সময় চলমান থাকায় কৃষকদের দ্রুত নতুন ধরনের বীজতলা তৈরির পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাদের আশ্বাস অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বীজ সহায়তা দেয়া হবে।
এছাড়া যাদের নিজস্বভাবে বীজতলা তৈরির সুযোগ নেই, তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কমিউনিটি ভিত্তিক বীজতলা তৈরি করে সেখান থেকে চারা সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে বলেও জানান ড. বিমল কুমার প্রামানিক। তার মতে, এবারের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে কক্সবাজার জেলায় প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৪৩ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর চারঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় এক জেলের জালে মাছের পরিবর্তে একটি বোমা উঠে আসে। প্রথমে সেটিকে একটি মূল্যবান লোহার বস্তু হিসেবে মনে করে বাড়িতে নিয়ে গেলেও পরে তার সন্দেহ হলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হয়। এরপর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাওথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, জেলে সাইদার রহমান যখন পদ্মা নদীতে মাছ ধরছিলেন, তখন জাল তোলার পর তিনি একটি ভারী লোহার মতো বস্তু পান। এটি মূল্যবান কিছু হতে পারে ধারণা করে তিনি সেটি বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু বস্তুটি পরিষ্কার করার সময় তার ছেলে সাব্বির রহমানের সন্দেহ হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বস্তুটি উদ্ধার করে নিরাপদে রাখে। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেটি নিষ্ক্রিয় করেন।
জেলে সাইদার রহমান এসব বলতে গিয়ে জানান, "জাল তোলার পর লোহার মতো একটি বস্তু পাই। প্রথমে ভেবেছিলাম মূল্যবান কিছু হবে। পরে ছেলের সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দিই। এরপর বোম্ব ডিসপোজাল টিম এসে সেটি নিষ্ক্রিয় করে।"
চারঘাট মডেল থানার ওসি আব্দুল মালেক বলেন, "খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাটি উদ্ধার করে নিরাপদে সংরক্ষণ করে। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে সফলভাবে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে।"
এই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরামর্শ দিয়েছে, অচেনা বা সন্দেহজনক কোনো বস্তু দেখা গেলে তা স্পর্শ বা স্থানান্তর না করে দ্রুত পুলিশ বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ জানাতে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ