ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টানা ভারী বর্ষণ-পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত তিন পার্বত্য জেলা


টানা ভারী বর্ষণ-পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত তিন পার্বত্য জেলা

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে তিনটি পার্বত্য জেলা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি আজও বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) পাহাড় ধসে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। পানিবন্দি মানুষের মধ্যে খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষেরা জীবিকা হারিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। তবে দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও প্রশাসনের ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি যেহেতু বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে, বান্দরবানের বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল এখনো পানির নিচে রয়েছে। এর ফলে বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

দিনমজুর, কৃষক ও জুমচাষিরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। লক্ষাধিক পানি বন্দি মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছেন। প্রশাসন ও সেনাবাহিনী, বিজিবি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করছে।

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে পাহাড়ের মাটি ধসে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে খাগড়াছড়ি, দীঘিনালা হয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সেইসঙ্গে রাঙ্গামাটির সঙ্গে খাগড়াছড়ি, মহালছড়ি, লংগদু, বাঘাইছড়ি এবং রাঙ্গামাটি-রাজস্থলী-বান্দরবান সড়কও বন্ধ হয়ে গেছে।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা, সড়ক, হাটবাজার জলমগ্ন থাকার ফলে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে ভুগছেন।

অন্যদিকে, সাজেকে আটকে থাকা পাঁচ শতাধিক পর্যটককে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার খবর জানিয়েছে সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ভ্রমণকেন্দ্রগুলোয় যাওয়া থেকে বিরত থাকতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে ৭ শিয়াল রান্না করে রুটি দিয়ে খাওয়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


বরিশালে ৭ শিয়াল রান্না করে রুটি দিয়ে খাওয়ার অভিযোগ

বরিশাল নগরে সাতটি শিয়াল হত্যার পর সেগুলো রান্না করে রুটির সঙ্গে খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ঘটনায় জবাই করা শিয়ালের ছবি ব্যবহার করে মাংস বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে, পশুপ্রেমী ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দান খোলা এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি সাতটি শিয়াল হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে সেগুলো রান্না করে রুটির সঙ্গে খাওয়াও হয়।

এদিকে, ‘নাইম রাজ’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জবাই করা শিয়ালের ছবিসহ মাংস বিক্রির একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পোস্টটি খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, নেটিজেন, পশুপ্রেমী ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

পরিবেশবাদীদের দাবি হলো, বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন লঙ্ঘন করে শিয়াল হত্যা এবং মাংস বিক্রির প্রচারণার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা উচিত। তারা এই ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন।

বরিশাল বিভাগের বন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি আমি জেনেছি। লোক পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দর্শকের হাতে যাওয়া বল ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ পি.এম


দর্শকের হাতে যাওয়া বল ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ জানুন

ফুটবল ম্যাচ চলাকালে খেলোয়াড়দের শক্তিশালী শট বা ক্লিয়ারেন্স প্রায়ই গ্যালারিতে গিয়ে পড়ে। যখন বলটি সমর্থকের হাতে আসে, তখন তিনি কিছু সময় উল্লাস করেন, ছবি তোলেন কিংবা স্মরণীয় মুহূর্তটি উপভোগ করেন। তবে সবশেষে বলটি মাঠে ফিরিয়ে দিতেই হয়। প্রশ্ন হলো, দর্শক সেই বল স্মারক হিসেবে কেন নিজের কাছে রাখতে পারেন না?

এর পেছনে ফুটবলের দীর্ঘ সময়ের প্রথা এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত বাস্তবতা রয়েছে। অতীতে একটি ম্যাচে একটিমাত্র বলই ব্যবহৃত হত। সেক্ষেত্রে বল গ্যালারিতে চলে গেলে যদি সেটি ফিরিয়ে না আসত, তখন খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকত। এজন্য দর্শকদের বল মাঠে ফিরিয়ে দেওয়ার একটি অলিখিত নিয়ম গড়ে উঠেছিল, যা আজও অনুসরণ করা হয়।

বর্তমানে একই ম্যাচে একাধিক বল ব্যবহার করা হলেও সেই প্রথা অক্ষুণ্ন রয়েছে। ম্যাচের বল দর্শকদের ব্যক্তিগত স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না।

অন্য একটি কারণ হলো প্রযুক্তি। আধুনিক আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্যবহৃত বলের মধ্যে উন্নত প্রযুক্তির সংযোজন করা হয়েছে। বলের ভেতরে বিশেষ চিপ ও মোশন সেন্সর থাকে, যা ম্যাচ চলাকালে বলের গতি, অবস্থান এবং স্পর্শসহ বিভিন্ন তথ্য রিয়েল-টাইমে সংগ্রহ করে। এই তথ্য মাঠে থাকা ট্র্যাকিং ক্যামেরা ও ভিডিও প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবহৃত হয়।

এই উন্নত প্রযুক্তির কারণে প্রতিটি ম্যাচের বল তৈরির খরচও অনেক বেড়ে যায়। তাই বল হারিয়ে যাওয়া কিংবা দর্শকদের কাছে থেকে যাওয়া আয়োজকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যদিও এ বিষয়ে ফিফার কোনো প্রকাশ্য নির্দেশিকা নেই, তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দীর্ঘ দিন ধরে প্রচলিত নিয়ম ও ম্যাচ পরিচালনার স্বার্থে গ্যালারিতে চলে যাওয়া বল দ্রুত মাঠে ফিরিয়ে দেওয়াই স্বীকৃত রীতি। এই কারণে ম্যাচে ব্যবহৃত বল দর্শকরা স্মারক হিসেবে নিজের কাছে রাখতে পারেন না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার দুর্ভোগে রাঙামাটি, আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন ৪ হাজারের বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


বন্যার দুর্ভোগে রাঙামাটি, আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন ৪ হাজারের বেশি মানুষ

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় টানা ভারী বর্ষণের পরিমাণ কিছুটা কমে আসলেও জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। গতকাল থেকে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় প্লাবিত গ্রামগুলোর পানি কমেনি, তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। বড় স্বস্তির খবর হচ্ছে, সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে আটকে পড়া বাকি সব পর্যটকদের শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদ স্থানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

রাঙ্গামাটি আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাঙ্গামাটিতে ৯২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাত কমলেও, পাহাড় ধসের ঝুঁকি এবং বন্যা পরিস্থিতির কারণে এখনো জেলার একটি বিশাল জনগোষ্ঠী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় অতিবর্ষণের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৩৯২ জন মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। পুরো জেলায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে তদারকি জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া লোকজনদের খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান এমপি নানিয়ারচর উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্রে লোকজনদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। এছাড়াও দুবাইয়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে পাঁচ শতাধিক লোকের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। বাঘাইছড়ি পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাঘাইছড়িতে বর্তমানে ১২৯টি পরিবার সম্পূর্ণ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। তাদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে।

তথ্যমতে, বাঘাইছড়ি উপজেলায় মোট ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ৫১৮ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। নিউ লাল্যঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে এককভাবে ১ হাজার ১০০ জন মানুষ অবস্থান করছেন। এদিকে জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। রাঙ্গামাটি পৌরসভার ৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪০৯ জন এবং রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে ৪০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া, কাউখালী উপজেলার আরটিএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬০ জন, কাপ্তাই উপজেলার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৯৮ জন, বিলাইছড়ি উপজেলার ৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১২২ জন, বরকল উপজেলার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১১৮ জন, রাজস্থলী উপজেলার তাইতং পাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৮ জন, নানিয়ারচর উপজেলার ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসায় ৩৩ জন এবং জুরাছড়ি উপজেলার জামুড়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

দুর্যোগের কারণে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড় ধসের ঘটনাও ঘটেছে। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলায় মোট পাহাড় ধসের সংখ্যা ১০৪ টি। এর মধ্যে বিলাইছড়িতে ৩৭টি, কাউখালীতে ৩০টি, কাপ্তাইয়ে ৩টি, বাঘাইছড়িতে ১৫টি, রাঙ্গামাটি সদরে ১৩টি, নানিয়ারচরে ২টি এবং লংগদুতে ৪টি পাহাড় ধসের ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ হয়েছে।

বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত সকল লোকজনকে প্রতিদিন ৩ বেলা খাবারসহ প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন ও সুপেয় পানি প্রদান করা হচ্ছে। একই সাথে বন্যা এবং দুর্যোগ কবলিত এলাকার পানিবন্দি সাধারণ মানুষকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সরবরাহ করা হচ্ছে। পাহাড়ের পাদদেশে বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে থাকা নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে বা নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং ও সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাইয়ের চেতনার বিরোধিতা গ্রহণযোগ্য নয়: ফয়জুল করীম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


জুলাইয়ের চেতনার বিরোধিতা গ্রহণযোগ্য নয়: ফয়জুল করীম

সরকারের জুলাইবিরোধী কোনো অবস্থান গৃহীত হবে না, এ বিষয়ে হুঁশিয়ারি দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরের সময় তিনি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং জুলাই সনদ বাস্তবতায়নের দাবিতে আয়োজিত গণমিছিল ও সমাবেশে এই বক্তব্য তুলে ধরেন।

ফয়জুল করীম বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে সরকার যদি প্রতারণা করে, তাহলে তার পরিণতি ভালো হবে না।

তিনি গাইবান্ধায় রামমুর্তি নির্মাণের চেষ্টা ভারতের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলেও উল্লেখ করেন।

এ সময় দলের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, যদিও নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, তবুও দেশে কোনো মৌলিক পরিবর্তন ঘটেনি।

গাজী আতাউর রহমান আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, জুলাই সনদ বাস্তবতায়ন না করলে আবারও রাজপথ উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%