প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে তিনটি পার্বত্য জেলা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি আজও বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) পাহাড় ধসে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। পানিবন্দি মানুষের মধ্যে খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষেরা জীবিকা হারিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। তবে দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও প্রশাসনের ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি যেহেতু বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে, বান্দরবানের বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল এখনো পানির নিচে রয়েছে। এর ফলে বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ।
দিনমজুর, কৃষক ও জুমচাষিরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। লক্ষাধিক পানি বন্দি মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছেন। প্রশাসন ও সেনাবাহিনী, বিজিবি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করছে।
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে পাহাড়ের মাটি ধসে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে খাগড়াছড়ি, দীঘিনালা হয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সেইসঙ্গে রাঙ্গামাটির সঙ্গে খাগড়াছড়ি, মহালছড়ি, লংগদু, বাঘাইছড়ি এবং রাঙ্গামাটি-রাজস্থলী-বান্দরবান সড়কও বন্ধ হয়ে গেছে।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা, সড়ক, হাটবাজার জলমগ্ন থাকার ফলে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে ভুগছেন।
অন্যদিকে, সাজেকে আটকে থাকা পাঁচ শতাধিক পর্যটককে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার খবর জানিয়েছে সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ভ্রমণকেন্দ্রগুলোয় যাওয়া থেকে বিরত থাকতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন