বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:২৩ পি.এম
ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানিয়েছে তুরস্ককে এফ-থার্টি ফাইভ যুদ্ধবিমান না দিতে। এ ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে যে, কেন তেল আবিব বাধা দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি আঙ্কারা মার্কিন এই যুদ্ধবিমান পায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে। ফলে, দীর্ঘসময় ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসা ইসরাইলের ক্ষমতা সেখানে কমতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে আঙ্কারার কাছে এফ থার্টি ফাইভ যুদ্ধবিমান বিক্রির ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্ককে যুদ্ধবিমান না দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছেন। এখানে প্রশ্ন উঠছে, ইসরাইলের সমস্যা কোথায়, যদি তুরস্ককে এফ থার্টি ফাইভ দেওয়া হয়?
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কেবল যুদ্ধবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি, আকাশসীমা এবং আঞ্চলিক নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা। তাহলে, যদি তুরুক মার্কিন এই যুদ্ধবিমান পায়, তবে পুরো অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তিত হবে।
ইসরাইলের সামরিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো আকাশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা। সিরিয়া, লেবানন অথবা পূর্ব ভূমধ্যসাগরে যেকোনো অভিযান পরিচালনার জন্য তেল আবিব এই সক্ষমতার উপর নির্ভর করে। আর তুরস্ক যদি এফ-থার্টি ফাইভ পায়, তাহলে তাদের বিমানবাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে, ওই অঞ্চলে ইসরাইলের কৌশলগত স্বাধীনতা এবং আকাশ প্রতিরক্ষায় শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
আঙ্কারাকে যুদ্ধবিমান না দেওয়ার পেছনে বাণিজ্যিক কারণও বিদ্যমান। ভারত, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপকে যুক্ত করতে আই.এম.ই.সি করিডোর তৈরি হচ্ছে। এটি ভারত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং ইসরাইল হয়ে ইউরোপে পৌঁছাবে। ভারতের জন্য এটি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোডের বিকল্প এবং ইসরাইলের জন্য এটি ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত লাইফলাইন।
তবে, তুরস্ক এই করিডোরের বাইরেই আছে। ফলে, আঙ্কারা ইরাক হয়ে নিজেদের উন্নয়ন রোড করিডোর তৈরি করতে চায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুরস্ক এবং তেল আবিব কেবল নিরাপত্তা নয় বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ পথ নিয়েও প্রতিযোগিতায় রয়েছে।
জ্বালানির রাজনীতির সৃষ্টি হয়েছে। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ইসরাইলের লেভিয়াথন, তামারা এবং সাইপ্রাসের আফ্রোদিতি গ্যাসক্ষেত্র ইউরোপের ভবিষ্যত জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই অঞ্চলের সমুদ্রসীমা বিষয়ে তুরস্ক, গ্রিস এবং সাইপ্রাসের মধ্যে বহুদিনের বিরোধ বিদ্যমান। তাই, যদি তুরস্ক শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তাহলে ইসরাইলের জন্য এই গ্যাস রুট এবং জ্বালানি প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হবে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত এক দশকে ভারত ও ইসরাইলের সম্পর্ক প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং আইএমইসিকে কেন্দ্র করে আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে। অপরদিকে, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক অবস্থান করছে। কাশ্মীর ইস্যুতে তুরস্ক প্রায়ই পাকিস্তানের অবস্থান সমর্থন করে থাকে, আর ইসলামাবাদও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে তুরস্কের পাশে থাকে। যদি তুরস্ক এফ থার্টি যুদ্ধবিমান পায়, তাহলে তারা আরও শক্তিশালী হবে এবং এ অঞ্চলে তাদের প্রভাব বাড়বে। উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তান এর মধ্যে বরাবরই বৈরী সম্পর্ক বিদ্যমান।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র চায় একদিকে ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তুরস্ককে তাদের কৌশলগত বলয়ে রাখতে, অপরদিকে ইসরাইলের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখাও ওয়াশিংটনের একটি দীর্ঘদিনের নীতি। তাই, এফ-থার্টি ফাইভ ইস্যুটি তেল আবিবের অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ শক্তির ভারসাম্য, বাণিজ্য করিডোর, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতির একটি পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকার কারণে রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাবার বিতরণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. দীপেন দেওয়ান।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত লোকজনের খোঁজখবর নেন এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনকালে দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, ২০১৭ সালের ভয়াবহ পাহাড়ধসের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে দুর্যোগ মোকাবিলায় রাঙামাটিতে স্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান।
তিনি আরও বলেন, পাহাড়ধসের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে।
আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি তবলছড়ি এডিসি হিল জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তারেক সেকান্দারসহ বিএনপির সহ-সভাপতি আলী বাবর, যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড. সাইফুল ইসলাম পনির, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মো. মুজিবুল হক প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জে একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় নিহত হয়েছেন অটোভ্যানের আরোহী মা এবং তাঁর তিন বছর বয়সী শিশুসন্তান। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও আহত হয়েছেন দুজন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল বেলায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল মোড়ে ঘটে এই দুর্ঘটনা।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কামারখন্দ থানার নুরনগর গ্রামের বিপ্লব হোসেনের স্ত্রী নীলা বেগম (২৫) এবং তাঁর তিন বছর বয়সী ছেলে। তবে, আহতদের নাম এবং পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, বগুড়া থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস হাটিকুমরুল মোড়ে আসার পর অটোভ্যানটিকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এই ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলেই অটোভ্যানের আরোহী মা ও ছেলের মৃত্যু ঘটে এবং আরও দুজন আহত হন।
তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেইসাথে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনার পাইকগাছায় ছেলে কারাগারে যাওয়ার খবর জানার পর এক বৃদ্ধার মৃত্যু হার্ট অ্যাটাকে হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার সময় তিনি নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত বৃদ্ধা উপজেলার কালিদাসপুর গ্রামের মৃত আনার সরদারের পত্নী।
নিহতের দেবর মজিদ সরদার জানান, ৭ জুন তার ভাইপো হাসান সরদারকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় হাসানের বাবা বাদী হয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার কাউন্টার ধারায় তারা নিজেদের ঘর পুড়িয়ে, নিহত হাসানের পরিবারের সদস্যসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ১৪ জুন দুটি মামলা দায়ের করেন। যার বাদী, হত্যার প্রধান আসামির ভাই মিলন এবং ২নং আসামি কুদ্দুসের স্ত্রী পারভীন আক্তার।
এ মামলায় গত ২ জুলাই মৃত বৃদ্ধার ছেলে সালামসহ অন্যরা জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠান। সালাম সরদার হাজতে এই খবর জানার পর, বুধবার সন্ধ্যায় তার মা স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সহায়তার পরিবর্তে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে অনাথ শিশুদের স্বনির্ভর করে তুলতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্ম ‘আলোর ক্যানভাস’ একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কুমিল্লার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমের শিশুদের নিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের আওতায় নিয়মিত আর্ট ও পেইন্টিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীলতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে আয় মুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ‘আলোর ক্যানভাস’ প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমে নিযুক্ত রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ কাউছার, সামিউল ইসলাম সজীব, নুসরাত তাহসিন, সামিয়া খান ও আরমান আরিফ এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের একই বিভাগের হোসাইন ঠাকুর।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতে এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হচ্ছে। সাময়িক সহানুভূতির পরিবর্তে, দীর্ঘমেয়াদি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে শিশুদের স্বনির্ভর করে তোলার উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগটি চালানো হচ্ছে।
এ লক্ষ্যে পেশাদার শিল্পীদের মাধ্যমে নিয়মিত আর্ট ও পেইন্টিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শিশুদের আঁকা ছবিগুলো পরিমার্জন করে প্রদর্শনী ও বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফ্রেম, ওয়াল আর্ট এবং বিভিন্ন ক্রাফট পণ্যে রূপ দিয়ে সেগুলো বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ শিশুদের উন্নয়ন ও আশ্রমের কল্যাণে ব্যয় করা হবে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।
প্রশিক্ষণের শুরু থেকেই শিশুদের সৃজনশীলতা প্রশিক্ষকদের মুগ্ধ করেছে, যেখানে তারা রঙ ও তুলির আঁচড়ে প্রকৃতি, স্বপ্ন, পরিবার এবং নিজেদের অনুভূতি ফুটিয়ে তুলছে। অনেকের ছবিতে দেখা যাচ্ছে পাহাড়, নদী, পাখি, গ্রামবাংলা ও সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন।
সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন যে, আর্থিক সংকট অথবা পারিবারিক অভাব কোনও শিশুর প্রতিভা বিকাশের পথে বাধা হওয়ার উচিত নয়। সঠিক প্রশিক্ষণ, দিকনির্দেশনা ও সুযোগ পেলে শিশুরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংগঠনটির কো-ফাউন্ডার ফরহাদ কাউছার বলেন, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষা এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে আমরা ‘আলোর ক্যানভাস’ নামে একটি তরুণ-নির্ভর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছি। আমাদের প্রথম উদ্যোগ শুরু হয়েছে কুমিল্লার একটি বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমের শিশুদের নিয়ে। আমরা এই প্রতিভাগুলিকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বনির্ভর করে তুলতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে তারা নিজেদের দক্ষতাকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাতে পারে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মাধ্যমে শিশুদের আর্ট ও পেইন্টিং শেখানো হচ্ছে। পরবর্তীতে তাদের আঁকা ছবিগুলো ফ্রেম, ওয়াল আর্ট ও অন্যান্য ক্রাফট পণ্যে পরিণত করে বাজারজাত করা হবে। এসব থেকে অর্জিত সমস্ত মুনাফা শিশুদের উন্নয়ন ও আশ্রমের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি, তাদের স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত শিক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতেও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ