বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪০ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি কাছাকাছি। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, কারণ এক মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি ওয়াশিংটন থেকে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান নিয়ে ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমার মনে হচ্ছে, আমরা সমাধানের আরও কাছাকাছি পৌঁছেছি।
এমনকি, হয়তো এখনই আমরা এ পর্যন্ত সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছি।’
ট্রাম্প এর আগে একই ধরনের দাবি করেছেন।
তবে, কয়েক দফা আলোচনা এবং গত বছর আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক করেও ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানো সম্ভব হয়নি।
মস্কো তার সর্বোচ্চ দাবিগুলো থেকে সরে আসেনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘নিরাপদ মাতৃত্ব, সুস্থ শিশু—আমাদের অঙ্গীকার’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজেদা মা ও শিশু হাসপাতাল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে যাত্রা শুরু করেছে।
হাসপাতালটির উদ্বোধন বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য জেড এম রেজওয়ানুল হক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন গোলাম রসুল রাখি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ, সাবেক পৌর মেয়র এ জেড এম মেনহাজুল হক এবং ইসলাম ক্লিনিক ও ডায়াবেটিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোফাক্ষারুল ইসলাম।
আরো পড়ুন
কলেজে ভর্তির সুযোগ চান এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীরা।
আজেদা মা ও শিশু হাসপাতালের চেয়ারম্যান তাহসিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. কামরুন নাহার কল্পনা অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, আজেদা মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পার্বতীপুর এবং আশপাশের এলাকার মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ প্রসব এবং শিশুর যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে হাসপাতালটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডনাল্ড ট্রাম্প যদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হতেন, তবে তিনি ইউক্রেনের যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য দ্রুত এবং সহজ কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন — তার ভাষায়, হয়তো ‘মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই’ তা সম্ভব হতো। ট্রাম্পের মতে, এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার প্রয়োজন নেই।
এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পঞ্চম বছরে পদার্পণ করা অবস্থায়, ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের অবসান কেবল হাজার হাজার ‘তরুণ, সুন্দর শিশু-কিশোর’-এর মৃত্যুর ঘটনাকে থামাবে না, বরং এটি লাভজনকও হবে — যা এই যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
সিএনএন জানাচ্ছে, মস্কোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি লাভজনক বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো সম্পাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে, ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নন। সেই পদে আছেন ভ্লাদিমির পুতিন। ক্রেমলিনের এই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তির ইউক্রেনে নিজের ঘোষিত যুদ্ধলক্ষ্য থেকে সরে আসার কোনো আগ্রহ নেই — তা সে রুশ ও ইউক্রেনীয়দের জীবন বাঁচানোর জন্য হোক, কিংবা নিজের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার যুক্ত করার সুযোগের জন্য।
এটি একটি মৌলিক ভুল ধারণা, যা লড়াই থামানোর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের নিষ্ফল প্রচেষ্টাকে পরিচালিত করেছে। সেন্ট পিটার্সবার্গে ট্রাম্পের ব্যবসায়িক বন্ধু স্টিভ উইটকফ এবং স্বয়ং পুতিনের মধ্যে সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই ভুল ধারণার বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
আলোচনার টেবিলে পুতিন উইটকফকে জানান, আগের দিন নরওয়েতে অনুষ্ঠিত বৈঠকের ফলাফল সম্পর্কে তিনি ‘কৌতূহলী’। ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ন্যাটোর কর্মকর্তারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে মিলিত হয়ে শান্তির নতুন সম্ভাব্য প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন, যার মধ্যে মস্কোর জন্য বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রণোদনার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
পরবর্তীতে, ক্রেমলিনের একজন শীর্ষ সহযোগী নিশ্চিত করেন, ট্রাম্পের দূত রুশ নেতাকে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। তবে তিনি স্বভাবতই যোগ করেন যে, ‘সত্যি বলতে, ইউক্রেন সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে এগুলোর মধ্যে কার্যকর বা মূল্যবান তেমন কিছুই ছিল না।’
এটি ক্রেমলিনের দিক থেকে একটি সম্পূর্ণ প্রত্যাশিত ফলাফল ছিল। কারণ তারা তাদের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসতে বরাবরই অস্বীকৃতি জানিয়ে এসেছে, যার মধ্যে পূর্ব ইউক্রেনের পুরো দনবাস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করা এবং কিয়েভের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা প্রভাব নিশ্চিত করার বিষয়টিও রয়েছে।
তবুও, হোয়াইট হাউস সম্ভবত আন্তরিকভাবে আশা করেছিল, ক্রেমলিন সমঝোতার ক্ষেত্রে আরও বেশি সদিচ্ছা দেখাবে, বিশেষ করে গত সপ্তাহে ট্রাম্প যখন রাশিয়ার ডিজেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম কমানোর লক্ষ্যে এটি ছিল একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ, তবে একই সঙ্গে তা মস্কোর জন্য একটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধাও বয়ে এনেছে।
পরবর্তীতে, ট্রাম্প একটি জ্বালানি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা ইউক্রেনকে রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোর ওপর ড্রোন হামলা বন্ধ করতে বাধ্য করত। তবে সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।
পাল্টা অভিযোগের এই পর্যায়ে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, ট্রাম্প ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের পরিবর্তনেরও আহ্বান জানান, যা স্বাভাবিকভাবেই ক্রেমলিনের জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দদায়ক এক বার্তা।
তবে, মস্কোর কাছে এসব চুক্তি, প্রণোদনা, এমনকি কিয়েভের প্রতি অভিন্ন অবজ্ঞার বিষয়টিও নমনীয় হওয়ার বা পিছু হটার ইঙ্গিত হিসেবে গণ্য হচ্ছে না। বরং এগুলোকে এমন একটি লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে তাদের কৌশল সুফল বয়ে আনছে।
ওয়াশিংটনের কৌশলের বিপরীতে রাশিয়ার এই কৌশল অত্যন্ত সুচিন্তিত। কারণ পুতিন ভালোভাবেই বোঝেন যে ট্রাম্পকে কী বিষয় অনুপ্রাণিত করে। তিনি হোয়াইট হাউসে থাকা নিজের এই খামখেয়ালি প্রতিপক্ষকে বিশাল সব অর্থনৈতিক চুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনায়াসেই বিভ্রান্ত করে রাখেন।
সেন্ট পিটার্সবার্গে উইটকফের সাথে আয়োজিত বৈঠকে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এমন আরও কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সেখানে পুতিন বিতর্কিত ডিজেল চুক্তির প্রশংসা করেন এবং এরপর ইঙ্গিত দেন যে, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ সারের রফতানিও বাড়াতে পারে। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়।
তিন ঘণ্টা স্থায়ী আলোচনা শেষে, রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্রেমলিনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেন, ‘আমরা ডেটা সেন্টার, জ্বালানি খাতের বিভিন্ন প্রকল্প এবং জ্বালানি সহযোগিতার মতো নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি।’
ক্রেমলিন যে কেবল অর্থনৈতিক প্রলোভন দেখিয়ে অন্যদের খুশি ও মুগ্ধ করে, অথবা হোয়াইট হাউসে নিজেদের প্রতি সহানুভূতিশীল কাউকে পাশে রাখে তা কিন্তু নয়। সেন্ট পিটার্সবার্গে বৈঠকের আগে, ২০২২ সালে মস্কোর পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের শুরুতে ইউক্রেনে আটক হওয়া ৭৪ বছর বয়সি মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে রাশিয়ার মুক্তি দেওয়ার ঘটনাটিকে, পুতিনের ‘মানবতাবাদী’ কাজ হিসেবে অভিহিত করেছেন তোষামোদকারী উইটকফ।
মূলত মিশিগানের বাসিন্দা হাবার্ড রাশিয়ায় দীর্ঘ চার বছর বন্দি থাকার সময় গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগেছিলেন বলে জানা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত তার মুক্তি পাওয়ার ঘটনাটিকে হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের চুক্তি সম্পাদনের দক্ষতা এবং পুতিনের নমনীয়তার নিদর্শন হিসেবে প্রশংসা করেছে।
ট্রাম্পের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি সম্মানের নিদর্শন হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্রের এর বিনিময়ে (হাবার্ডের মুক্তির) অন্য কিছু দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, যা রাশিয়ার জন্য এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি।’
তবে ক্রেমলিনে থাকা কঠোর স্বভাবের সাবেক কেজিবি কর্মকর্তা (পুতিন) বিষয়টিকে যে সেভাবে দেখেন, এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কমই।
সূত্র: সিএনএন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : চীন ও রাশিয়া ইউরেশিয়ায় ‘বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপের’ বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।
রাশিয়ায় সফররত চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন এবং প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের উপস্থিতিতে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া দ্বারা প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘দুই পক্ষের মধ্যে একমত, বর্তমানে ইউরেশিয়া মহাদেশজুড়ে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রধান কারণ হচ্ছে বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপ।’
এ খবর বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ইউরেশীয় সংহতির প্রক্রিয়া ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বহিরাগত চাপ সৃষ্টির যেকোনো পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানায় দুই পক্ষ।’
এতে আরও বলা হয়, ‘একাধিক মূল স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে উভয় পক্ষ সব সময় একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাশিয়ার নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, জাতীয় ঐক্য, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় রাশিয়াকে সমর্থন করে চীন। পাশাপাশি, রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে চীন।’
তবে, বিবৃতিতে পুতিনের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য আসন্ন বৈঠকের বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।
ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ বুধবার সাংবাদিকদের জানান, ‘চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য একটি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।’
তিনি আরও জানান, আগামী মাসে চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সম্মেলনের কর্মসূচিতে বৈঠকটি অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়টি তার নজরে আসার পর তিনি নিজেই ছবিটি ফেসবুকে পুনরায় পোস্ট করে সবাইকে সতর্ক করেছেন।
তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, ‘নিচের ছবিটি কেউ একজন তৈরি করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে বিভাজন আর ঘৃণা উসকে দিতে।’
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করার পাশাপাশি ধর্ম ও মানুষের আচরণ নিয়ে ২২টি বচনও তুলে ধরেছেন।
এই সংসদ সদস্য পোস্টের শেষে ধর্মীয় সহনশীলতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
১. বলাৎকারে ধর্ম যায় না
২. ঘুষ খেলে ধর্ম যায় না
৩. শিশু ধর্ষন বা নির্যাতনে ধর্ম যায় না
৪. মানুষ খুনে ধর্ম যায় না
৫. নারীর উপর সহিংসতায় ধর্ম যায় না
৬. নারীকে কুৎসিত অপবাদ দিলে ধর্ম যায় না
৭. অন্যের সম্পদ লুট করলে ধর্ম যায় না
৮. প্রতারণা আর মানুষ ঠকালে ধর্ম যায় না
৯. সারাবেলা মিথ্যার চাষে ধর্ম যায় না
১০. নোংরামি করে ধরা পড়ে মুতা বিয়া বললে ধর্ম যায় না
১১. মুনাফেকিকে জীবনের মূল মন্ত্র বানালে ধর্ম যায় না
১২. ধর্মকে ব্যবসা বানালে ধর্ম যায় না
১৩. বোনের হিস্যা ভাই মারলে ধর্ম যায় না
১৪. বাবা মাকে বৃদ্ধ বয়সে ভাগাড়ে ফেললে ধর্ম যায় না
১৫. অন্যের হক মেরে খেলে ধর্ম যায় না
১৬. মিথ্যার বেসাতিতে ধর্ম যায় না
১৭. ধর্মকে ঢাল বানিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হলে ধর্ম যায় না
১৮. ওজন বা মাপে কম দিলে ধর্ম যায় না
১৯. খাদ্যে ভেজাল এমন কি বিষ মেশালেও ধর্ম যায় না
২০.ব্যাভিচারে ধর্ম যায় না
২১. দুর্বলের উপর অত্যাচারে ধর্ম যায় না
২২. দুষ্টের লালন পালনে ধর্ম মজবুত হয়
ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে।
বি:দ্র: মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ