ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্প যেখানে চুক্তি দেখেন, পুতিনের চোখে তা রাশিয়ার জয়


ট্রাম্প যেখানে চুক্তি দেখেন, পুতিনের চোখে তা রাশিয়ার জয়

ডনাল্ড ট্রাম্প যদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হতেন, তবে তিনি ইউক্রেনের যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য দ্রুত এবং সহজ কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন — তার ভাষায়, হয়তো ‘মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই’ তা সম্ভব হতো। ট্রাম্পের মতে, এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার প্রয়োজন নেই।

এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পঞ্চম বছরে পদার্পণ করা অবস্থায়, ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের অবসান কেবল হাজার হাজার ‘তরুণ, সুন্দর শিশু-কিশোর’-এর মৃত্যুর ঘটনাকে থামাবে না, বরং এটি লাভজনকও হবে — যা এই যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

সিএনএন জানাচ্ছে, মস্কোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি লাভজনক বাণিজ্যিক চুক্তিগুলো সম্পাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: টাইফুন চাম্পির আঘাতের আশঙ্কায় তাইওয়ানে প্রায় ১ হাজার ফ্লাইট বাতিল

তবে, ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নন। সেই পদে আছেন ভ্লাদিমির পুতিন। ক্রেমলিনের এই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তির ইউক্রেনে নিজের ঘোষিত যুদ্ধলক্ষ্য থেকে সরে আসার কোনো আগ্রহ নেই — তা সে রুশ ও ইউক্রেনীয়দের জীবন বাঁচানোর জন্য হোক, কিংবা নিজের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে আরও কয়েক বিলিয়ন ডলার যুক্ত করার সুযোগের জন্য।

এটি একটি মৌলিক ভুল ধারণা, যা লড়াই থামানোর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের নিষ্ফল প্রচেষ্টাকে পরিচালিত করেছে। সেন্ট পিটার্সবার্গে ট্রাম্পের ব্যবসায়িক বন্ধু স্টিভ উইটকফ এবং স্বয়ং পুতিনের মধ্যে সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই ভুল ধারণার বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আলোচনার টেবিলে পুতিন উইটকফকে জানান, আগের দিন নরওয়েতে অনুষ্ঠিত বৈঠকের ফলাফল সম্পর্কে তিনি ‘কৌতূহলী’। ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ন্যাটোর কর্মকর্তারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে মিলিত হয়ে শান্তির নতুন সম্ভাব্য প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন, যার মধ্যে মস্কোর জন্য বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রণোদনার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে, ক্রেমলিনের একজন শীর্ষ সহযোগী নিশ্চিত করেন, ট্রাম্পের দূত রুশ নেতাকে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। তবে তিনি স্বভাবতই যোগ করেন যে, ‘সত্যি বলতে, ইউক্রেন সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে এগুলোর মধ্যে কার্যকর বা মূল্যবান তেমন কিছুই ছিল না।’

আরও পড়ুন: ট্যাংকার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমুদ্রসৈকত বন্ধ ঘোষণা

এটি ক্রেমলিনের দিক থেকে একটি সম্পূর্ণ প্রত্যাশিত ফলাফল ছিল। কারণ তারা তাদের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসতে বরাবরই অস্বীকৃতি জানিয়ে এসেছে, যার মধ্যে পূর্ব ইউক্রেনের পুরো দনবাস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করা এবং কিয়েভের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা প্রভাব নিশ্চিত করার বিষয়টিও রয়েছে।

তবুও, হোয়াইট হাউস সম্ভবত আন্তরিকভাবে আশা করেছিল, ক্রেমলিন সমঝোতার ক্ষেত্রে আরও বেশি সদিচ্ছা দেখাবে, বিশেষ করে গত সপ্তাহে ট্রাম্প যখন রাশিয়ার ডিজেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম কমানোর লক্ষ্যে এটি ছিল একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ, তবে একই সঙ্গে তা মস্কোর জন্য একটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধাও বয়ে এনেছে।

পরবর্তীতে, ট্রাম্প একটি জ্বালানি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা ইউক্রেনকে রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোর ওপর ড্রোন হামলা বন্ধ করতে বাধ্য করত। তবে সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।

পাল্টা অভিযোগের এই পর্যায়ে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, ট্রাম্প ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের পরিবর্তনেরও আহ্বান জানান, যা স্বাভাবিকভাবেই ক্রেমলিনের জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দদায়ক এক বার্তা।

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে হামলার পর লিকুদ পার্টির সব রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

তবে, মস্কোর কাছে এসব চুক্তি, প্রণোদনা, এমনকি কিয়েভের প্রতি অভিন্ন অবজ্ঞার বিষয়টিও নমনীয় হওয়ার বা পিছু হটার ইঙ্গিত হিসেবে গণ্য হচ্ছে না। বরং এগুলোকে এমন একটি লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে তাদের কৌশল সুফল বয়ে আনছে।

ওয়াশিংটনের কৌশলের বিপরীতে রাশিয়ার এই কৌশল অত্যন্ত সুচিন্তিত। কারণ পুতিন ভালোভাবেই বোঝেন যে ট্রাম্পকে কী বিষয় অনুপ্রাণিত করে। তিনি হোয়াইট হাউসে থাকা নিজের এই খামখেয়ালি প্রতিপক্ষকে বিশাল সব অর্থনৈতিক চুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনায়াসেই বিভ্রান্ত করে রাখেন।

সেন্ট পিটার্সবার্গে উইটকফের সাথে আয়োজিত বৈঠকে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এমন আরও কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সেখানে পুতিন বিতর্কিত ডিজেল চুক্তির প্রশংসা করেন এবং এরপর ইঙ্গিত দেন যে, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ সারের রফতানিও বাড়াতে পারে। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়।

তিন ঘণ্টা স্থায়ী আলোচনা শেষে, রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্রেমলিনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেন, ‘আমরা ডেটা সেন্টার, জ্বালানি খাতের বিভিন্ন প্রকল্প এবং জ্বালানি সহযোগিতার মতো নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি।’

আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় চাম্পির তাণ্ডবে পূর্ব এশিয়ায় বিপর্যয়, বাতিল শত শত ফ্লাইট

ক্রেমলিন যে কেবল অর্থনৈতিক প্রলোভন দেখিয়ে অন্যদের খুশি ও মুগ্ধ করে, অথবা হোয়াইট হাউসে নিজেদের প্রতি সহানুভূতিশীল কাউকে পাশে রাখে তা কিন্তু নয়। সেন্ট পিটার্সবার্গে বৈঠকের আগে, ২০২২ সালে মস্কোর পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের শুরুতে ইউক্রেনে আটক হওয়া ৭৪ বছর বয়সি মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে রাশিয়ার মুক্তি দেওয়ার ঘটনাটিকে, পুতিনের ‘মানবতাবাদী’ কাজ হিসেবে অভিহিত করেছেন তোষামোদকারী উইটকফ।

মূলত মিশিগানের বাসিন্দা হাবার্ড রাশিয়ায় দীর্ঘ চার বছর বন্দি থাকার সময় গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগেছিলেন বলে জানা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত তার মুক্তি পাওয়ার ঘটনাটিকে হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের চুক্তি সম্পাদনের দক্ষতা এবং পুতিনের নমনীয়তার নিদর্শন হিসেবে প্রশংসা করেছে।

ট্রাম্পের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি সম্মানের নিদর্শন হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্রের এর বিনিময়ে (হাবার্ডের মুক্তির) অন্য কিছু দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, যা রাশিয়ার জন্য এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি।’

তবে ক্রেমলিনে থাকা কঠোর স্বভাবের সাবেক কেজিবি কর্মকর্তা (পুতিন) বিষয়টিকে যে সেভাবে দেখেন, এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কমই।

আরও পড়ুন: সীমান্ত নিয়ে আলোচনায় বসতে উত্তর কোরিয়াকে প্রস্তাব দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া

সূত্র: সিএনএন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরেশিয়ায় ‘বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপের’ নিন্দা জানালো চীন ও রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


ইউরেশিয়ায় ‘বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপের’ নিন্দা জানালো চীন ও রাশিয়া

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : চীন ও রাশিয়া ইউরেশিয়ায় ‘বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপের’ বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।

রাশিয়ায় সফররত চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন এবং প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের উপস্থিতিতে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া দ্বারা প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘দুই পক্ষের মধ্যে একমত, বর্তমানে ইউরেশিয়া মহাদেশজুড়ে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রধান কারণ হচ্ছে বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপ।’

এ খবর বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ইউরেশীয় সংহতির প্রক্রিয়া ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বহিরাগত চাপ সৃষ্টির যেকোনো পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানায় দুই পক্ষ।’

এতে আরও বলা হয়, ‘একাধিক মূল স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে উভয় পক্ষ সব সময় একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাশিয়ার নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, জাতীয় ঐক্য, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় রাশিয়াকে সমর্থন করে চীন। পাশাপাশি, রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে চীন।’

তবে, বিবৃতিতে পুতিনের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য আসন্ন বৈঠকের বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।

ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ বুধবার সাংবাদিকদের জানান, ‘চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য একটি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।’

তিনি আরও জানান, আগামী মাসে চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সম্মেলনের কর্মসূচিতে বৈঠকটি অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গার সাজে রুমিন ফারহানার ‘সম্পাদিত ছবি’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


দুর্গার সাজে রুমিন ফারহানার ‘সম্পাদিত ছবি’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়টি তার নজরে আসার পর তিনি নিজেই ছবিটি ফেসবুকে পুনরায় পোস্ট করে সবাইকে সতর্ক করেছেন।

তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, ‘নিচের ছবিটি কেউ একজন তৈরি করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে বিভাজন আর ঘৃণা উসকে দিতে।’

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করার পাশাপাশি ধর্ম ও মানুষের আচরণ নিয়ে ২২টি বচনও তুলে ধরেছেন।

এই সংসদ সদস্য পোস্টের শেষে ধর্মীয় সহনশীলতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

১. বলাৎকারে ধর্ম যায় না

২. ঘুষ খেলে ধর্ম যায় না

৩. শিশু ধর্ষন বা নির্যাতনে ধর্ম যায় না

৪. মানুষ খুনে ধর্ম যায় না

৫. নারীর উপর সহিংসতায় ধর্ম যায় না

৬. নারীকে কুৎসিত অপবাদ দিলে ধর্ম যায় না

৭. অন্যের সম্পদ লুট করলে ধর্ম যায় না

৮. প্রতারণা আর মানুষ ঠকালে ধর্ম যায় না

৯. সারাবেলা মিথ্যার চাষে ধর্ম যায় না

১০. নোংরামি করে ধরা পড়ে মুতা বিয়া বললে ধর্ম যায় না

১১. মুনাফেকিকে জীবনের মূল মন্ত্র বানালে ধর্ম যায় না

১২. ধর্মকে ব্যবসা বানালে ধর্ম যায় না

১৩. বোনের হিস্যা ভাই মারলে ধর্ম যায় না

১৪. বাবা মাকে বৃদ্ধ বয়সে ভাগাড়ে ফেললে ধর্ম যায় না

১৫. অন্যের হক মেরে খেলে ধর্ম যায় না

১৬. মিথ্যার বেসাতিতে ধর্ম যায় না

১৭. ধর্মকে ঢাল বানিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হলে ধর্ম যায় না

১৮. ওজন বা মাপে কম দিলে ধর্ম যায় না

১৯. খাদ্যে ভেজাল এমন কি বিষ মেশালেও ধর্ম যায় না

২০.ব্যাভিচারে ধর্ম যায় না

২১. দুর্বলের উপর অত্যাচারে ধর্ম যায় না

২২. দুষ্টের লালন পালনে ধর্ম মজবুত হয়

ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে।

বি:দ্র: মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, ১৬ বছরের মেয়ে সংকটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


টঙ্গীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, ১৬ বছরের মেয়ে সংকটে

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার লিকেজের কারণে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী ও স্ত্রী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দম্পতির মৃত্যু ঘটে। তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে বর্তমানে হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার কুড়িপাড়া এলাকার মান্নাছ আলীর ছেলে লাল চান মিয়া (৬০) এবং তার স্ত্রী নাসিমা (৫০), যিনি একই এলাকার ইয়াকুব আলীর মেয়ে। তারা পরিবারসহ টঙ্গী পশ্চিম থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মুদাফা এলাকার মাস্টার বাড়ির কাছে ফখরুল হাসানের বাসায় ভাড়া থাকতেন।

ঘটনার বিস্তারিত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৭টার দিকে মুদাফা এলাকার ওই ভাড়া বাসায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের গ্যাসের পাইপ লিকেজ হয়ে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং স্বামী লাল চান মিয়া, স্ত্রী নাসিমা ও তাদের মেয়ে তানিশা গুরুতর দগ্ধ হন।

প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে দম্পতির মৃত্যু ঘটে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মেয়ে এখনো হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। নিহতদের মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছে

সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এর সাংগঠনিক কাঠামোর খসড়া তৈরি করে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাঠানোর জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বর্তমানে প্রস্তাবটি নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

সম্প্রতি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত ১০ লাখের বেশি ধর্মীয় ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে কার্যালয় ও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

আরো পড়ুন

জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে অধিদপ্তরের সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে গত ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত সেলের সপ্তম সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনবল কাঠামোসহ কার্যালয় স্থাপনের জন্য খসড়া সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করতে হবে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় চেকলিস্টসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।

অধিদপ্তরে রূপান্তর হলে বর্তমানে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বোর্ড অব গভর্নরসের বর্তমান কাঠামো বিলুপ্ত হবে। এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%