বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪২ পি.এম
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : চীন ও রাশিয়া ইউরেশিয়ায় ‘বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপের’ বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।
রাশিয়ায় সফররত চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন এবং প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের উপস্থিতিতে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া দ্বারা প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘দুই পক্ষের মধ্যে একমত, বর্তমানে ইউরেশিয়া মহাদেশজুড়ে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রধান কারণ হচ্ছে বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপ।’
এ খবর বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ইউরেশীয় সংহতির প্রক্রিয়া ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বহিরাগত চাপ সৃষ্টির যেকোনো পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানায় দুই পক্ষ।’
এতে আরও বলা হয়, ‘একাধিক মূল স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে উভয় পক্ষ সব সময় একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাশিয়ার নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, জাতীয় ঐক্য, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় রাশিয়াকে সমর্থন করে চীন। পাশাপাশি, রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে চীন।’
তবে, বিবৃতিতে পুতিনের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য আসন্ন বৈঠকের বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।
ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ বুধবার সাংবাদিকদের জানান, ‘চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য একটি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।’
তিনি আরও জানান, আগামী মাসে চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সম্মেলনের কর্মসূচিতে বৈঠকটি অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়টি তার নজরে আসার পর তিনি নিজেই ছবিটি ফেসবুকে পুনরায় পোস্ট করে সবাইকে সতর্ক করেছেন।
তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, ‘নিচের ছবিটি কেউ একজন তৈরি করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে বিভাজন আর ঘৃণা উসকে দিতে।’
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করার পাশাপাশি ধর্ম ও মানুষের আচরণ নিয়ে ২২টি বচনও তুলে ধরেছেন।
এই সংসদ সদস্য পোস্টের শেষে ধর্মীয় সহনশীলতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
১. বলাৎকারে ধর্ম যায় না
২. ঘুষ খেলে ধর্ম যায় না
৩. শিশু ধর্ষন বা নির্যাতনে ধর্ম যায় না
৪. মানুষ খুনে ধর্ম যায় না
৫. নারীর উপর সহিংসতায় ধর্ম যায় না
৬. নারীকে কুৎসিত অপবাদ দিলে ধর্ম যায় না
৭. অন্যের সম্পদ লুট করলে ধর্ম যায় না
৮. প্রতারণা আর মানুষ ঠকালে ধর্ম যায় না
৯. সারাবেলা মিথ্যার চাষে ধর্ম যায় না
১০. নোংরামি করে ধরা পড়ে মুতা বিয়া বললে ধর্ম যায় না
১১. মুনাফেকিকে জীবনের মূল মন্ত্র বানালে ধর্ম যায় না
১২. ধর্মকে ব্যবসা বানালে ধর্ম যায় না
১৩. বোনের হিস্যা ভাই মারলে ধর্ম যায় না
১৪. বাবা মাকে বৃদ্ধ বয়সে ভাগাড়ে ফেললে ধর্ম যায় না
১৫. অন্যের হক মেরে খেলে ধর্ম যায় না
১৬. মিথ্যার বেসাতিতে ধর্ম যায় না
১৭. ধর্মকে ঢাল বানিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হলে ধর্ম যায় না
১৮. ওজন বা মাপে কম দিলে ধর্ম যায় না
১৯. খাদ্যে ভেজাল এমন কি বিষ মেশালেও ধর্ম যায় না
২০.ব্যাভিচারে ধর্ম যায় না
২১. দুর্বলের উপর অত্যাচারে ধর্ম যায় না
২২. দুষ্টের লালন পালনে ধর্ম মজবুত হয়
ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে।
বি:দ্র: মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার লিকেজের কারণে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী ও স্ত্রী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দম্পতির মৃত্যু ঘটে। তাদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে বর্তমানে হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার কুড়িপাড়া এলাকার মান্নাছ আলীর ছেলে লাল চান মিয়া (৬০) এবং তার স্ত্রী নাসিমা (৫০), যিনি একই এলাকার ইয়াকুব আলীর মেয়ে। তারা পরিবারসহ টঙ্গী পশ্চিম থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মুদাফা এলাকার মাস্টার বাড়ির কাছে ফখরুল হাসানের বাসায় ভাড়া থাকতেন।
ঘটনার বিস্তারিত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৭টার দিকে মুদাফা এলাকার ওই ভাড়া বাসায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের গ্যাসের পাইপ লিকেজ হয়ে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং স্বামী লাল চান মিয়া, স্ত্রী নাসিমা ও তাদের মেয়ে তানিশা গুরুতর দগ্ধ হন।
প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে দম্পতির মৃত্যু ঘটে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মেয়ে এখনো হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। নিহতদের মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এর সাংগঠনিক কাঠামোর খসড়া তৈরি করে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাঠানোর জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বর্তমানে প্রস্তাবটি নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
সম্প্রতি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত ১০ লাখের বেশি ধর্মীয় ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে কার্যালয় ও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো গড়ে তোলা হবে।
আরো পড়ুন
জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে অধিদপ্তরের সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে গত ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত সেলের সপ্তম সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনবল কাঠামোসহ কার্যালয় স্থাপনের জন্য খসড়া সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করতে হবে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় চেকলিস্টসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।
অধিদপ্তরে রূপান্তর হলে বর্তমানে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বোর্ড অব গভর্নরসের বর্তমান কাঠামো বিলুপ্ত হবে। এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের উদ্যোগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘৪০তম জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ।’ এবারের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে ৮৮টি দলের (জেলা, বিভাগ, শিক্ষাবোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থা) রেকর্ড ৬১৬ শাটলার।
পুরুষ প্রতিযোগীদের মধ্যে ৫৩৫ জন এবং নারী শাটলারের সংখ্যা ৮১ জন। পল্টনস্থ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ছয় দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে আগামী ২৮ অক্টোবর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান খাঁন এবং এনএসসির পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ জাহেদ পারভেজ চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) টুর্নামেন্টের ভেন্যুতে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান শাকিল এই তথ্য জানান। এ সময় ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে এবারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক পিএইচপি ফ্যামিলি এবং সহযোগী হিসেবে রয়েছে জেডএসআরএম, নোহা, আইপিডিসি, ব্র্যাক ব্যাংক, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি ও পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। টুর্নামেন্টের বেভারেজ পার্টনার টার্বো ইলেকট্রোলাইট স্পোর্টস ড্রিংক এবং কানেক্টিভিটি পার্টনার ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশন লিমিটেড।
দেশের ব্যাডমিন্টনে নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের প্রতিভা তুলে ধরা এবং জাতীয় পর্যায়ে খেলাটির প্রতিযোগিতামূলক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার উদ্দেশ্যে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান। ১০ লাখ টাকার প্রাইজমানির টুর্নামেন্টে পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার, রানার আপ পাবেন ১ লাখ টাকা। নারী এককে চ্যাম্পিয়ন ১ লাখ এবং রানার আপের জন্য থাকছে ৬০ হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার। এছাড়া পুরুষ দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন ১ লাখ ৪০ হাজার, রানার্স আপ ১ লাখ টাকা, নারী দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন ১ লাখ, রানার্স আপ ৬০ হাজার এবং মিশ্র দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন পাবেন ১ লাখ এবং রানার্স আপের জন্য থাকছে ৬০ হাজার টাকা। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের জন্য বিশেষ পুরস্কার হিসেবে থাকবে একটি ইলেকট্রিক বাইক।
ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় গত আসরের পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আনসারের খন্দকার আবদুস সোয়াদ এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন না। তবে রানার আপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আল আমিন জুমার অংশগ্রহণ নিশ্চিত। এছাড়া নারী এককে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নাসিমা খাতুন এবং রানার আপ উর্মি আক্তার (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) সহ অন্যান্য শীর্ষ খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ