ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আকুর দায় শোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ


আকুর দায় শোধের পর কমলো দেশের রিজার্ভ

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে বর্তমান সময় ৩৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে।

বাণিজ্য ডেস্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য দিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতে, মে ও জুন মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৮৫ দশমিক ০৪ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। ফলে ৭ জুলাই পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৫১৯ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবের পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৮৭১ দশমিক ৪০ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

এদিকে, গত ৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৭ হাজার ৮৪৭ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন বা ৩৭.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩৩ হাজার ১৯৯ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন বা ৩৩.১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, নিট রিজার্ভ আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে গণনা করা হয়। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।

আকু কী? আত্মজিজ্ঞাসা করতে পারেন। আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করার ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকুর প্রতিষ্ঠা হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে। আকুর সদস্যদেশগুলো হলো-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাজমহল ভেঙে মন্দির? খারিজ হওয়া মামলার ফাইল ফের হাইকোর্টে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২১ এম


তাজমহল ভেঙে মন্দির? খারিজ হওয়া মামলার ফাইল ফের হাইকোর্টে

তাজমহল, যা ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য এবং ভারতের প্রধান পর্যটন আকর্ষণ, আসলে কী—এটি কি মোগল সম্রাট শাহজাহানের নির্মিত স্মৃতিসৌধ, নাকি একটি প্রাচীন হিন্দু মন্দির ‘তেজো মহালয়া’? এই আইনি বিতর্ক নতুন করে আবার সামনে আনা হয়েছে।

সম্প্রতি, আগ্রা আদালতের খারিজ হওয়া দুটি আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিভিশন পিটিশনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে এলাহাবাদ হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকার এবং আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (এএসআই) মতামত জানতে চাইতে নোটিশ জারি করেছে।

আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈনের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি রোহিতরঞ্জন আগরওয়ালের বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকার ও এএসআই-এর কাছে জানতে চেয়েছেন, কেন এই সৌধের জরিপ করা যাবে না বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য।

ঐতিহাসিক দাবি অনুসারে, ১১৫৫-৫৬ খ্রিস্টাব্দে রাজা পরমর্দি দেব ‘তেজো মহালয়’ নামে একটি মন্দির নির্মাণ করেছিলেন, যা বর্তমান তাজমহলের অবস্থানে ছিল। ওই মন্দিরে দেবতা আগ্রেশ্বর মহাদেব বিরাজ করছেন। সেই সূত্রে মামলায় এই হিন্দু দেবতাকে মূল পক্ষ করা হয়েছে এবং তার পক্ষ থেকে আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন ও অন্য ভক্তরা পিটিশনটি দাখিল করেছেন।

আবেদনকারীদের দাবি রয়েছে যে, সময়ের সাথে সাথে এই সম্পত্তি রাজা মানসিংহের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং ১৭ শতকে জয়পুরের রাজা জয়সিংহ এই স্থানে অভিষিক্ত হন। এরপর মোগল শাসক শাহজাহান রাজা জয়সিংহের কাছ থেকে এই প্রাসাদটি জোরপূর্বক দখল করেন এবং এটি নিজের স্ত্রী মমতাজ মহলের স্মৃতিসৌধে রূপান্তরিত করেন।

আরও দাবি করা হয় যে, এই রূপান্তরের জন্য ইসলামি বৈশিষ্ট্য যুক্ত করতে সৌধের কিছু অংশ পরিবর্তন করা হয় এবং অন্তত ১০৯টি প্রত্নতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা প্রমাণ করে এটি একটি হিন্দু মন্দির। তাই ভারতের সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সৌধের ভেতরে ‘দর্শন’ ও ‘পূজা’ করার মৌলিক অধিকার হিন্দুদের রয়েছে বলে দাবি জানানো হয়েছে।

তবে বাদীপক্ষের এই দাবির বিপরীতে প্রচলিত ইতিহাস এবং সরকারি নথিতে ভিন্ন বিবরণ উঠে আসে। ইতিহাসবিদদের মতে, তাজমহল বানানোর কাজ শুরু হয় ১৬৩১ খ্রিষ্টাব্দে এবং শেষ হয় ১৬৫৩ সালের দিকে।

বর্তমানে ৫ হাজার কোটি ডলারের বেশি বাজার মূল্যের এই স্মৃতিসৌধটি ভারতের মুখ্য পর্যটন কেন্দ্র। এমনকি ভারত সরকারের পর্যটন-বিষয়ক ওয়েবসাইট এবং ইউনেস্কোর নথিতে স্পষ্ট বলা রয়েছে যে, এটি মোগল সম্রাট শাহজাহান তার পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিতেই তৈরি করেছিলেন।

এই সৌধ নিয়ে মূলত আইনি লড়াইয়ের উৎস ঘটেছিল ২০১৫ ও ২০১৯ সালে, যখন তাজমহল জরিপের উদ্দেশ্যে এবং এর ভেতরের স্থিরচিত্র ও ভিডিওগ্রাফির জন্য ‘অ্যাডভোকেট-কমিশনার’ নিয়োগের আবেদন করা হয়। কিন্তু আগ্রার অতিরিক্ত দেওয়ানি বিচারক এবং পরবর্তীতে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে আগ্রার অতিরিক্ত জেলা জজ এই আবেদনটিকে রক্ষণাবেক্ষণের অযোগ্য বলে খারিজ করে দেন।

আদালত যুক্তি প্রদর্শন করে যে, বাদীপক্ষ তাজমহলের সুনির্দিষ্ট জায়গা নিশ্চিত করার জন্য কোনো রাজস্ব নথি বা খতিয়ান দাখিল করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের বর্ণিত সম্পত্তির সীমানা ও আয়তন সরকারি নথির সঙ্গে মেলেনি। নিম্ন আদালতের এই দুটি আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বাদীপক্ষ এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে।

বর্তমানে মামলার নতুন আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এএসআই বেআইনিভাবে গত শুক্রবার তাজমহলে মুসলিমদের নামাজ পড়ার অনুমতি দিয়েছে, যার ফলে দর্শনার্থীদের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভবনের বেশ几个 তলা তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

যেহেতু সৌধের ভেতরের শারীরিক ও কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য কেবল মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা সম্ভব নয়, তাই আবেদনকারীরা হাইকোর্টের কাছে দাবি জানিয়েছেন যেন আগ্রা আদালতের আগের আদেশ বাতিল করে ট্রায়াল কোর্টকে গুণাগুণের ভিত্তিতে অ্যাডভোকেট-কমিশনার নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

একই সাথে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ হিসেবে এএসআই-এর পরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হোক যাতে আবেদনকারীদের উপস্থিতিতে ভবনের ভেতর ও বাইরের ছবি তুলে তা আদালতে দাখিল করা হয়।

আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, তিন দশক আগে বাবরি মসজিদকে কেন্দ্র করে ভারতে যেভাবে আইনি ও সামাজিক বিতর্কের সূচনা হয়েছিল, ঠিক তেমনই, ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে রামমন্দির হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার সাথে সাথে, তাজমহল নিয়ে শুরু হওয়া এই আইনি প্রক্রিয়া ভারতে নতুন বিতর্কের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ প্রদান করেছে।

এর আগে আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈনের ছেলে বিষ্ণুশঙ্কর জৈনও এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছিলেন, যে সকল সৌধের নিচে হিন্দুদের কথিত পবিত্র স্থান রয়েছে, তেমন একটি দীর্ঘ তালিকা তারা প্রস্তুত করেছেন এবং হিন্দু মহাসভার সঙ্গে যুক্ত হয়ে এগুলো বেছে বেছে বের করে মামলা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিআইএস অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে জোর দিচ্ছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২২ এম


সিআইএস অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে জোর দিচ্ছে সরকার

পূর্ব ইউরোপ ও সিআইএসভুক্ত (কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেনডেন্ট স্টেটস) দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদারে কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার। এটি একটি সম্ভাবনাময়, তবে এখনও অনাবিষ্কৃত অঞ্চল। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সিআইএস-বিসিসিআই-এর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়ेद ইসলাম এই তথ্য জানান। বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (সিআইএস-বিসিসিআই)-এর পরিচালনা পর্ষদের একটি প্রতিনিধিদল যখন প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসে, তখন এ আলোচনা হয়। বৈঠকে, বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ এবং বাংলাদেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া, বেলারুশ, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, কিরগিজস্তান, মলদোভা, তাজিকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানের মতো সিআইএস অঞ্চলের দেশগুলো বাংলাদেশের বহুমুখী রফতানি পণ্যের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বাজার। উভয় দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের কাছে তিনি পারস্পরিক সফর বাড়ানোর তাগিদ দেন এবং ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানভিত্তিক (বিটুবি) সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।

এছাড়া, তৈরি পোশাক, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, সিরামিক, চিংড়ি, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের পণ্য রফতানি বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান শামা ওবায়েদ ইসলাম। বৈঠকে সিআইএস অঞ্চলের দেশগুলোতে বাংলাদেশি পণ্যের ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত বিষয়গুলো উঠে আসে। পাশাপাশি সরাসরি বিমান যোগাযোগ না থাকা, বহু দেশে আবাসিক কূটনৈতিক মিশন (দূতাবাস) না থাকা এবং ব্যাংকিং খাতে লেনদেনের জটিলতা সহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের বিষয়গুলোও আলোচনা হয়। ব্যবসায়ীদের এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোবোসাবে অংশ নিতে যাওয়া রেসিডেনসিয়াল শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৫ এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোবোসাবে অংশ নিতে যাওয়া রেসিডেনসিয়াল শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ

যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত রোবোসাব ২০২৬-এ অংশ নিতে যাওয়া ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি প্রজেক্ট প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন এবং তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেন।

প্রধানমন্ত্রী তরুণদের গবেষণা ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবনী কাজে আরও মনোযোগী হতে উৎসাহিত করেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী শিক্ষার্থী হিসেবে তাদের এই গৌরবোজ্জ্বল অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান।

শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক উদ্যোগই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার অন্যতম চালিকাশক্তি। এ ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের প্রকল্পের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্য বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে। পরে প্রধানমন্ত্রী তার নিজের লেখা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বইটি উপহার হিসেবে তাদের হাতে তুলে দেন।

মতবিনিময়কালে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাবের হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের নতুন বই দিতে চায় সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

প্রসঙ্গত, আগামী ১১ থেকে ১৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় রোবোসাব ২০২৬ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাংলাদেশের হয়ে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেও একই প্রতিষ্ঠানের একজন গর্বিত সাবেক শিক্ষার্থী (অ্যালামনাই)।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্ণফুলীতে তীব্র স্রোত, চন্দ্রঘোনা ফেরি চলাচল বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৭ এম


কর্ণফুলীতে তীব্র স্রোত, চন্দ্রঘোনা ফেরি চলাচল বন্ধ

কর্ণফুলী নদীতে স্রোতের তীব্রতার কারণে রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন ওই রুটে যাতায়াতকারী যাত্রী এবং পরিবহন শ্রমিকরা।

 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায়, মানুষের জানমালের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়।

রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, নদীতে স্রোতের তীব্রতা কমলে আগামীকাল ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হবে। সাময়িক এই অসুবিধার সময়ে যাতায়াতকারী যাত্রী এবং যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহারের জন্য নির্দেশনা দেন তিনি।

এছাড়া, একইসঙ্গে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায় সড়কে পানি উঠে গিয়ে ওই রুটেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে বলেও জানিয়েছেন প্রকৌশলী। তিনি বলেন, ‘রাতের মধ্যে সড়ক থেকে পানি নেমে গেলে সকালে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।’

অন্যদিকে, চলমান ভারী বর্ষণের কারণে সড়কে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলে দ্রুত অপসারণের জন্য কর্তৃপক্ষের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%