প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে বর্তমান সময় ৩৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে।
বাণিজ্য ডেস্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতে, মে ও জুন মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৮৫ দশমিক ০৪ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। ফলে ৭ জুলাই পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৫১৯ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবের পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৮৭১ দশমিক ৪০ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
এদিকে, গত ৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৭ হাজার ৮৪৭ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন বা ৩৭.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩৩ হাজার ১৯৯ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন বা ৩৩.১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, নিট রিজার্ভ আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে গণনা করা হয়। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।
আকু কী? আত্মজিজ্ঞাসা করতে পারেন। আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করার ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়।
জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকুর প্রতিষ্ঠা হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে। আকুর সদস্যদেশগুলো হলো-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন