মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৩ পি.এম
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে দ্বিতীয় ধাপে মনোনীত শিক্ষার্থীদের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইনে ভর্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একটি চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। দেশের সব সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষককে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ওয়েবসাইটের প্যানেলে (কলেজের ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে) লগ-ইন করে কলেজে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই সাপেক্ষে অনলাইন ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ভর্তির ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে ক্লিক করুন এখানে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বয়স ৭৪ বছর। তবুও তারুণ্যের উদ্যম ও দৌড়ের গতিতে যেন কোনো প্রতিযোগিতার প্রয়োজন পড়ে না। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আঞ্চলিক সড়ক ধরে ৪২ কিলোমিটার দৌড়াচ্ছেন খবির উদ্দিন খান। তার পেছনে বিভিন্ন বয়সের মানুষ ছুটছেন। কেউ তাকে ডাকছেন ‘দাদু’, আবার কেউ করতালি দিয়ে উৎসাহ জানাচ্ছেন। সড়কের দুই পাশে নারী, পুরুষ ও শিশুরা তাকে একনজর দেখার জন্য ভিড় করছেন। এভাবে সৃষ্টি হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রায়পুরা ম্যারাথনে এমন একটি ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা যায়। ৭৪ বছর বয়সেও ৪২ কিলোমিটার পথ দৌড়ে পাড়ি দিয়ে তিনি অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এটি ছিল তার টানা তৃতীয়বারের মতো রায়পুরা ম্যারাথনে অংশগ্রহণ।
খবির উদ্দিন খানের কাছে বয়স যেন একটি সংখ্যা মাত্র। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে। ব্যবসার ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি শরীরচর্চার অংশ হিসেবে নিয়মিত দৌড়ান এবং বিভিন্ন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে তিনি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ব্যবসার পাশাপাশি শরীর ও মন ভালো রাখতে নিয়মিত দৌড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন এই প্রবীণ দৌড়বিদ।
খবির উদ্দিন খান বলেন, "সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে নিয়মিত দৌড়ানোর বিকল্প নেই।"
শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টায় রায়পুরা উপজেলা গেট থেকে ম্যারাথন শুরু হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বকুল উদ্বোধন করেন।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা শহর থেকে আসা এক হাজার দৌড়বিদ এতে অংশ নেন। উপজেলা গেট থেকে দৌড় শুরু করে নরসিংদী-রায়পুরা আঞ্চলিক সড়ক ধরে হাসনাবাদ ১০ নম্বর সেতু পর্যন্ত যান তারা। সেখান থেকে ফিরে আবার উপজেলা গেটে এসে দৌড় শেষ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
রায়পুরা উপজেলা প্রশাসন ও রায়পুরা রানার্স কমিউনিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই ম্যারাথনে চারটি ক্যাটাগরি ছিল। এর মধ্যে ৪২ কিলোমিটার ফুল ম্যারাথনে অংশ নেন ২৭০ জন, ২৫ কিলোমিটার দৌড়ে ২০০ জন, ১০ কিলোমিটার দৌড়ে ৪০০ জন এবং শিশুদের এক কিলোমিটার দৌড়ে অংশ নেয় ১৩০ জন।
প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, "খবির উদ্দিন খান রায়পুরা ম্যারাথনের প্রাণ। তিনি পরপর তিনটি ম্যারাথনে অংশ নিয়েছেন। তার এই বয়সেও দৌড়ানোর উদ্যম অন্য সব দৌড়বিদের জন্য অনুপ্রেরণা।"
নিয়মিত দৌড় ও শরীরচর্চা মানুষকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণেও নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" সুস্থ জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে এবং শারীরিক চর্চায় আগ্রহী হয়ে উঠতে যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ম্যারাথনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা, সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা-বেলাব সার্কেল) বায়েজিদ বিন মনসুর, ওয়াটসন গ্রুপের চেয়ারম্যান জান্নাতুল হক শাপলা, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান এবং রায়পুরা রানার্স কমিউনিটির পরিচালক সবুজ শিকদার ও সাদেক হোসেন খোকা।
দৌড় শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ও রানার্সআপদের হাতে মেডেল, সনদপত্র ও প্রাইজমানি তুলে দেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) ৭৩৩ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও সোনারবার এবং একটি আইফোন জব্দ করেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) এই অভিযানগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত সোনা ও আইফোনের শুল্ককরসহ আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ১৬৭ টাকা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে আসা একটি ফ্লাইটের যাত্রী ফাতেমা তুজ জোহরার ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও একটি আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স উদ্ধার করা হয়। এগুলো জব্দ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটে দুই যাত্রীর কাছ থেকে ৪৩৪ গ্রাম সোনা জব্দ করা হয়েছে।
অধিদপ্তর জানায়, চট্টগ্রামে আসা ফ্লাইটের যাত্রী তানবীর হাসানের জুতার ভেতরে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। তার দেহ তল্লাশি করে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। একই ফ্লাইটে আসা অপর যাত্রী মো. হাবিবুর রহমানের ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করে ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার ও ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। এগুলোও জব্দ করা হয়।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিমানবন্দরগুলোতে স্বর্ণ ও উচ্চমূল্যের পণ্যের অবৈধ প্রবেশ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি, ঝুঁকিভিত্তিক যাত্রী শনাক্তকরণ এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রাজস্ব সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রোমানিয়ায় একটি ব্যতিক্রমী বিনোদনকেন্দ্র রয়েছে, যেখানে মাটির প্রায় ৪০০ ফুট গভীরে নাগরদোলা, মিনি-গলফ, বোলিং এবং ভূগর্ভস্থ হ্রদে নৌকাবিহার করা সম্ভব। এই কেন্দ্রটির নাম স্যালিনা তুরদা। একসময় যেখানে লবণ উত্তোলনের কাজ চলত, সেই স্থান এখন পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
ট্রান্সিলভানিয়া অঞ্চলে অবস্থিত স্যালিনা তুরদা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন লবণ খনি হিসেবে পরিচিত। দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই খনি থেকে লবণ উত্তোলন করা হয়েছে। খননকাজের ফলে মাটির গভীরে বিশাল গুহা তৈরি হয়েছে, যা পরবর্তীতে আধুনিক বিনোদনকেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে।
খনির ভেতরে প্রবেশ করার সাথে সাথে দর্শনার্থীরা বিশাল লবণের দেয়াল এবং বিস্তৃত ভূগর্ভস্থ স্থান দেখতে পান। চারপাশের ব্যতিক্রমী পরিবেশ দর্শকদের একটি ভিন্ন জগতের অনুভূতি প্রদান করে। এই বিনোদনকেন্দ্রতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণ, যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত।
এখানে দর্শকদের জন্য ফেরিস হুইল বা নাগরদোলা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি, মিনি-গলফ এবং বোলিং খেলার সুযোগও রয়েছে। ভূগর্ভস্থ হ্রদে নৌকায় চড়ে ঘুরে দেখার সুযোগও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। ফলে ইতিহাস এবং প্রাকৃতিক ভূগর্ভস্থ পরিবেশের সঙ্গে বিনোদনের বিভিন্ন আয়োজন উপভোগ করতে পারেন তারা।
স্যালিনা তুরদায় পৌঁছাতে লিফট ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। দর্শনার্থীরা সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার সুযোগও পান। খনির বিশাল গুহা, লবণের দেয়াল এবং ভূগর্ভস্থ হ্রদ মিলিয়ে পুরো স্থানটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।
একসময় শ্রমিকদের ঘামঝরা পরিশ্রমে মুখর থাকা এই লবণ খনি এখন পর্যটনশিল্পের অন্যতম আকর্ষণ। পরিত্যক্ত শিল্পস্থাপনাকে কীভাবে নতুনভাবে ব্যবহার করে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, স্যালিনা তুরদা তার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। ইতিহাস, প্রকৃতি এবং আধুনিক বিনোদনের সমন্বয়ে রোমানিয়ার এই ভূগর্ভস্থ থিম পার্ক প্রতিনিয়ত ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করছে।
সূত্র: রিপলিস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক নূরুল হককে ‘সার্ক–ফোসওয়াল আজীবন সম্মাননা পুরস্কার ২০২৬’ (SAARC–FOSWAL Lifetime Achievement Award 2026) প্রদান করা হয়েছে, যা কবিতা, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বর ‘ফাউন্ডেশন অফ সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার’ (FOSWAL)-এর উদ্যোগে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সার্ক সাহিত্য উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা নূরুল হকের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্য ও সংস্কৃতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করার জন্য নির্বাচিত ছয়জন বিশিষ্ট সাহিত্যিকের মধ্যে নূরুল হক অন্যতম। অন্যান্য সম্মানিত সাহিত্যিকদের মধ্যে রয়েছেন— ভুটানের কুঞ্জাং চোডেন; ভারতের আলোক ভল্লা, অমরেন্দ্র খাটুয়া ও সুরেশ গোয়েল এবং নেপালের কেশব সিগদেল। এই পুরস্কার তাদের নিরলস প্রচেষ্টাকে সম্মানিত করে, যা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ও শৈল্পিক সম্পর্ক জোরদারে সহায়ক।
এ পুরস্কারের জন্য আরও মনোনীত হয়েছেন— ভারতের দেও প্রকাশ চৌধুরী, শেহপার রসুল, রাওয়েল সিং, কবিতা সিঙ্ঘল, অনামিকা ও বনিতা; শ্রীলঙ্কার কুমার হেত্তিআরাচ্চি এবং নেপালের রাম দয়াল রাকেশ।
১৯৬৫ সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণকারী নূরুল হক তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই তিনি লেখালেখি করেন। তার লেখায় মানবতা, শান্তি, প্রেম, প্রকৃতি, আধ্যাত্মিকতা এবং মানুষের অস্তিত্বের জটিল সমীকরণ ফুটে উঠেছে। কবিতার শক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতিকে একত্রিত করার চেষ্টা তার সাহিত্যজীবনের মূল প্রতিপাদ্য।
তার উল্লেখযোগ্য বাংলা কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— ঝরা পাতার শোকগাথা, নিশীথের পদাবলী এবং দগ্ধবতী জলের নদী। আন্তর্জাতিক পাঠকদের জন্য ইংরেজিতে প্রকাশিত তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— পেইন অব ইনোসেন্স (Pain of Innocence), হোয়াট ডু ইউ নিড (What Do You Need) এবং অ্যান এলিজি অব ফলেন লিভস (An Elegy of Fallen Leaves)। এই রচনাগুলোর মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন।
নূরুল হক আন্তর্জাতিক সাহিত্য বিনিময়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন দেশের কবিদের নিয়ে আন্তর্জাতিক সাহিত্য সাময়িকী ও সংকলন সম্পাদনায় তার অবদান উল্লেখযোগ্য। ২০২০ সালে তিনি ‘ওডিসি ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্থলজি অব ওয়ার্ল্ড পোয়েটস’ সম্পাদনা করেন, যা বিশ্ব সাহিত্যের বৈচিত্র্যময় কণ্ঠস্বরগুলোকে একত্রিত করে। ‘ওডিসি এশিয়া’-র সম্পাদক হিসেবে তিনি বাংলাদেশ ও বিদেশের লেখকদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সাহিত্যভিত্তিক আলোচনা প্রসারে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একাধিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। ২০১৮ সালে কাজাখস্তানের ‘ওয়ার্ল্ড নেশনস রাইটার্স ইউনিয়ন’ তাকে ‘ওয়ার্ল্ড লরিয়েট ইন লিটারেচার’ হিসেবে ভূষিত করে, যা তার সাহিত্য যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
সার্ক–ফোসওয়াল আজীবন সম্মাননা পুরস্কার ২০২৬ নূরুল হকের দীর্ঘ সাহিত্য চর্চা ও সাংস্কৃতিক পরিক্রমার একটি উজ্জ্বল স্বীকৃতি। এই অর্জন বাংলাদেশের সাহিত্য সমাজের জন্য গৌরব বয়ে আনার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধ সাহিত্য ঐতিহ্যে বাংলাদেশের শক্তিশালী উপস্থিতি আবারও প্রমাণ করে। কবি নূরুল হকের আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও সাধনা সীমান্ত ও ভাষার বাধা পেরিয়ে সাহিত্যকে সেতু হিসেবে ব্যবহার করার একটি অনন্য উদাহরণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ