প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রোমানিয়ায় একটি ব্যতিক্রমী বিনোদনকেন্দ্র রয়েছে, যেখানে মাটির প্রায় ৪০০ ফুট গভীরে নাগরদোলা, মিনি-গলফ, বোলিং এবং ভূগর্ভস্থ হ্রদে নৌকাবিহার করা সম্ভব। এই কেন্দ্রটির নাম স্যালিনা তুরদা। একসময় যেখানে লবণ উত্তোলনের কাজ চলত, সেই স্থান এখন পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
ট্রান্সিলভানিয়া অঞ্চলে অবস্থিত স্যালিনা তুরদা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন লবণ খনি হিসেবে পরিচিত। দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই খনি থেকে লবণ উত্তোলন করা হয়েছে। খননকাজের ফলে মাটির গভীরে বিশাল গুহা তৈরি হয়েছে, যা পরবর্তীতে আধুনিক বিনোদনকেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে।
খনির ভেতরে প্রবেশ করার সাথে সাথে দর্শনার্থীরা বিশাল লবণের দেয়াল এবং বিস্তৃত ভূগর্ভস্থ স্থান দেখতে পান। চারপাশের ব্যতিক্রমী পরিবেশ দর্শকদের একটি ভিন্ন জগতের অনুভূতি প্রদান করে। এই বিনোদনকেন্দ্রতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণ, যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত।
এখানে দর্শকদের জন্য ফেরিস হুইল বা নাগরদোলা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি, মিনি-গলফ এবং বোলিং খেলার সুযোগও রয়েছে। ভূগর্ভস্থ হ্রদে নৌকায় চড়ে ঘুরে দেখার সুযোগও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। ফলে ইতিহাস এবং প্রাকৃতিক ভূগর্ভস্থ পরিবেশের সঙ্গে বিনোদনের বিভিন্ন আয়োজন উপভোগ করতে পারেন তারা।
স্যালিনা তুরদায় পৌঁছাতে লিফট ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। দর্শনার্থীরা সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার সুযোগও পান। খনির বিশাল গুহা, লবণের দেয়াল এবং ভূগর্ভস্থ হ্রদ মিলিয়ে পুরো স্থানটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।
একসময় শ্রমিকদের ঘামঝরা পরিশ্রমে মুখর থাকা এই লবণ খনি এখন পর্যটনশিল্পের অন্যতম আকর্ষণ। পরিত্যক্ত শিল্পস্থাপনাকে কীভাবে নতুনভাবে ব্যবহার করে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, স্যালিনা তুরদা তার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। ইতিহাস, প্রকৃতি এবং আধুনিক বিনোদনের সমন্বয়ে রোমানিয়ার এই ভূগর্ভস্থ থিম পার্ক প্রতিনিয়ত ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করছে।
সূত্র: রিপলিস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন