শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩২ পি.এম
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপকের ছেলে অপ্রতীম হত্যার ক্লু শনাক্ত করার পাশাপাশি প্রকৃত হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত এ ঘটনার তদন্তে ননস্টপ কাজ করে যাবেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, কিছু তথ্যপ্রযুক্তিগত বিষয়সহ তদন্তের জন্য প্রয়োজন কিছুটা সময়। তিনি বলেন, "ঘটনাটি সবাইকে কাঁদিয়েছে। ছোট্ট নিষ্পাপ একটি শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, ঘটনার মোটিভসহ সবকিছু খুব শিগগিরই তদন্ত করে জানানো হবে।"
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আটক একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তির মোবাইল, প্রযুক্তিগত তথ্য, লোকেশন এবং অপ্রতীমের অবস্থান—সবকিছু মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। যাকে আটক করা হয়েছে, তিনি নির্দোষও হতে পারেন, আবার জড়িতও হতে পারেন। তাই তদন্তের এ পর্যায়ে মূল হত্যাকারীরা যেন কোনো তথ্য পেয়ে আত্মগোপনে যেতে না পারে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই কাজ করা হচ্ছে।
এর আগে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। এদিন বিকেল ৩টার দিকে তদন্তের স্বার্থে তুহিন নামের এক সন্দেহভাজন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় নির্ধারিত ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের সম্মিলিতভাবে মোট ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থীর কলেজে ভর্তি-নির্বাচন নিশ্চিত হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে নতুন আসন বরাদ্দের পাশাপাশি, পূর্ববর্তী ধাপে নির্বাচিত ৫৬ হাজার ৮০৪ জন শিক্ষার্থী মাইগ্রেশনের মাধ্যমে তাদের পছন্দের কলেজে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে মোট ৮ লাখ ৮৬ হাজার ২১৫টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে, আবেদন করার পরও ১৪ হাজার ১৪ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি। তাদের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থীও রয়েছে।
ভর্তি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, কলেজ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় পছন্দক্রম, নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আবেদনের চাপ এবং আসনসংখ্যার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের কলেজে সুযোগ পাননি। বিশেষ করে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের একটি অংশ পছন্দের প্রতিষ্ঠানে আসন না পাওয়ার কারণে পরবর্তী ধাপের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।
এদিকে, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৯৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৮ জন। অর্থাৎ, পাস করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ একাদশে ভর্তির প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করলেও তারা অনলাইনে আবেদন করেননি।
দেশের ৮ হাজার ১৮১টি কলেজ ও মাদরাসায় একাদশ শ্রেণিতে মোট আসন রয়েছে ২৬ লাখ ১ হাজার ৭৭৯টি। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের সম্মিলিত ফলাফলের ভিত্তিতে ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চিত হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, মোট আসনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের মতো আসনে শিক্ষার্থী নিশ্চিত হলেও বিপুলসংখ্যক আসন এখনো খালি রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের নেতাকর্মীরা, যা পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে জেলা শহরের চালাপাড়া পাইলিং রোডে ঝটিকা মশাল মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী ৩০ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী মশাল হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে বানিয়া বাজার ব্রিজপাড় এলাকার দিক থেকে চালাপাড়া এলাকা হয়ে ফৌজদারি মোড়ের দিকে আসতে থাকে।
মিছিলের সামনে একটি ব্যানার দেখা যায়, যেখানে লেখা ছিল, অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল। আয়োজনে জামালপুর জেলা যুবলীগ।
মিছিলে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। রাত দেড়টার দিকে মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিকভাবে মিছিলে অংশগ্রহণকারী কারও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
মিছিলের পর পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলে জানা গেছে। এর আগেও ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা কয়েকবার বিক্ষোভ মিছিল বের করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিয়ের আগে বর-কনের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। সাজসজ্জা এবং পোশাকের জন্য খরচ করা হয় বিপুল পরিমাণ অর্থ। যদিও এসব বিষয়ে অধিক মনোযোগ দেওয়া হয়, তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে অনেকেই উদাসীন থাকেন। সেটি হলো বিয়ের পূর্বে বর-কনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা।
চিকিৎসকরা উল্লেখ করেছেন, থ্যালাসেমিয়া, বর্ণান্ধতা, সিক্ল সেল অ্যানিমিয়া, এবং এরিথ্রোব্লাস্টোসিস ফেটালিসের মতো রোগগুলি এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে সঞ্চারিত হতে পারে। এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিয়ের আগে বর-কনের রক্তপরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।
১. হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফোরেসিস
রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় বর বা কনে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত কি না, অথবা তারা এই রোগের বাহক কি না। যদি বর ও কনে উভয়েই এই রোগের বাহক হন, তবে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ার মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই অনাগত সন্তানের স্বার্থে থ্যালাসেমিয়া বাহকের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়।
২. ব্লাড গ্রুপিং এবং আরএইচ টাইপিং
হবু বর-কনের রক্তের গ্রুপ যদি একই হয়, তবে সন্তান ধারণে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু রক্তের গ্রুপের রেসাস বা আরএইচ ফ্যাক্টর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থাৎ, রক্তের গ্রুপ পজিটিভ নাকি নেগেটিভ তা জানা প্রয়োজন। কারণ, যদি মা আরএইচ নেগেটিভ হন এবং বাবা আরএইচ পজিটিভ হন, তবে অনাগত সন্তান গর্ভাবস্থায় ইরাইথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস নামে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে, যদি মা আরএইচ নেগেটিভ এবং বাবা আরএইচ পজিটিভ হন, তাহলে প্রথমবার গর্ভধারণের সময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ করলে সুস্থ সন্তানের জন্ম দেওয়া সম্ভব।
৩. যৌনবাহিত রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা
এইডস, সিফিলিস, গনোরিয়া, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি ইত্যাদি মারাত্মক রোগগুলো স্বামী-স্ত্রীর যৌন মিলনের মাধ্যমে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিয়ের আগে এসব রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসা হবু বর-কনেকে নিরাপদ ও আত্মবিশ্বাসী রাখতে সাহায্য করে এবং পরবর্তীতে সন্তানের মধ্যে এসব রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
৪. প্রজনন ক্ষমতা সংক্রান্ত পরীক্ষা
এই পরীক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে স্ট্রেস এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণে ইনফার্টিলিটির সমস্যা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এই শারীরিক সমস্যা বিবাহিত জীবনে মানসিক ও সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করে। শূন্যতা অনুভূত হয়। তাই আগে থেকেই দুজনের ফার্টিলিটি পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।
৫. হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা
বিয়ের পূর্বে রক্তে ভিটামিন ডি-এর মান এবং হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। যদি কারও রিকেট, হাড়ের গঠনগত সমস্যা বা অস্টিওপোরোসিস থাকে, তাহলে তা অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
৬. মানসিক রোগ
অনেকে মনে করেন, বিয়ে করলেই মানসিক রোগ সেরে যাবে, যা একেবারেই সঠিক নয়। সিজোফ্রেনিয়া, ডিপ্রেশন, বাইপোলার মুড ডিজঅর্ডার ইত্যাদি মানসিক রোগ বিয়ের আগেই শনাক্ত করে চিকিৎসা করানো উচিত এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে তাঁদের বিয়ে দেওয়া উচিত।
৭. ক্রনিক রোগ স্ক্রিনিং
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা ইত্যাদি রোগের পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে পাত্র-পাত্রী দুজনেরই জানা উচিত, কেউ এসব রোগে ভুগছেন কি না এবং অপরকে জানানো উচিত।
৮. ক্রনিক রোগ স্ক্রিনিং
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা ইত্যাদি রোগের পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে পাত্র-পাত্রী দুজনেরই জানা উচিত, কেউ এসব রোগে ভুগছেন কি না এবং অপরকে জানানো উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার কুন্ডুপাড়া এলাকায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন কুমারখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা টিভির কুমারখালী প্রতিনিধি এম এ উল্লাস।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুন্ডুপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুন্ডুপাড়ায় পৌর সড়কের নির্মাণকাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহের জন্য যান সাংবাদিক উল্লাস। সংবাদ সংগ্রহের একপর্যায়ে কুষ্টিয়া-৪ আসনের জামায়াতের এমপি আফজাল হোসেনের ছেলে শোভন ও এমপির চাচাতো ভাই আনোয়ারের নেতৃত্বে একদল লোক সাংবাদিককের ওপর হামলা চালায়।
আহত সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাসের অভিযোগ, কুন্ডুপাড়ায় একটি সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায়ে এমপি আফজাল হোসেনের ভাই ও ভাতিজাদের নেতৃত্বে একদল লোক তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে। পরে সহকর্মী সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি কে এম আর সাহিন বলেন, আমরা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা না হলে থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার কর্মসূচি দেওয়া হবে। আমরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এ বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারজানা আখতার বলেন, পৌর সড়কের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ বন্ধ রাখতে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এরপরও কাজ চলতে থাকায় তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি চলে আসার পরপরই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, সংবাদ সংগ্রহের সময় বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করে। তবে পুলিশের সদস্যসংখ্যা কম থাকায় তা পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়ার সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি এর নেপথ্যে কেউ থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ