ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রথমবার অবসরের পর মেসিকে নিয়ে যা বলেছিলেন রোনালদো


প্রথমবার অবসরের পর মেসিকে নিয়ে যা বলেছিলেন রোনালদো

আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানিয়েছেন, যিনি বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার চেষ্টা করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। ফাইনালে পরাজয়ের কয়েক সপ্তাহ পরেই সাবেক বার্সেলোনা তারকা এই অবসরের ঘোষণা দেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) মেসি নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি আর কখনো আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়াবেন না।

এটি তার প্রথম অবসর নয়; এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলের আঙিনাকে বিদায় জানিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা ফাইনালে চিলির কাছে আর্জেন্টিনা পরাজিত হওয়ার পর মেসি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের কথা জানান, যা গোটা ফুটবল বিশ্বকে বিস্মিত করে। সেই সময় তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা ফাইনালে টাইব্রেকারে শট মিস করার পর মেসি জাতীয় দলের হয়ে আর কখনো না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। টানা ফাইনালে পরাজয়ের দুঃখে ভেঙে পড়ার কারণে তার এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনকে চরম ধাক্কা দিয়েছিল, বিশেষ করে তার বয়স মাত্র ২৯ বছর হওয়ায়।

রোনালদো তখন মুন্দো দেপোর্তিভোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেন, "মেসি একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং মানুষের তা বোঝা উচিত।" তিনি আরও বলেন, "সে হার বা হতাশা দেখতে অভ্যস্ত নয়, রানার্সআপ হওয়া তো দূরের কথা। একটি পেনাল্টি মিস করলেই কেউ খারাপ খেলোয়াড় হয়ে যায় না। মেসিকে কাঁদতে দেখাটা কষ্টদায়ক এবং আমি আশা করি সে তার জাতীয় দলে ফিরে যাবে, কারণ তার এটি প্রয়োজন।"

পরে মেসি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। অবসর ভেঙে জাতীয় দলের নীল-সাদা জার্সি গায়ে এই ক্ষুদে জাদুকর তার প্রত্যাবর্তন ঘটান এবং দেশের হয়ে ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ শিরোপা জেতেন।

যদিও এবারের ঘোষণার পর মেসির ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম, তবে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এখনো নিজের আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা দেননি।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

 

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যক্তিগত চ্যাট গোপন রাখতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


ব্যক্তিগত চ্যাট গোপন রাখতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার

ব্যক্তিগত কথোপকথনের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ‘চ্যাট লক’ নামে একটি নিরাপত্তা ফিচার চালু করেছে। এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট চ্যাটগুলোকে সাধারণ ইনবক্স থেকে সরিয়ে একটি আলাদা সুরক্ষিত ফোল্ডারে রাখতে পারেন। ফলে অন্য কেউ ফোনটি ব্যবহার করলেও সেই কথোপকথন সহজে দেখতে পারবে না।

হোয়াটসঅ্যাপে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণে ব্যক্তিগত বার্তা, ছবি, ভিডিও এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি আদান-প্রদান হয়ে থাকে। এই কারণে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চ্যাট লক সুবিধাটি চালু করেছে প্ল্যাটফর্মটি। লক করা চ্যাটে প্রবেশ করতে ফোনের পাসকোড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আইডি অথবা ব্যবহারকারীর নির্ধারিত সিক্রেট কোড প্রয়োজন হয়।

চ্যাট লক সক্ষম করতে প্রথমে যে ব্যক্তির কথোপকথন সুরক্ষিত রাখতে চান, সেই চ্যাটটি খুলতে হবে। এরপর চ্যাটের সেটিংস বা অপশন মেনু থেকে ‘চ্যাট লক’ নির্বাচন করলে কথোপকথনটি ‘লকড চ্যাটস’ ফোল্ডারে স্থানান্তরিত হবে। একবার লক করা হলে সেটি আর সাধারণ চ্যাট তালিকায় দেখা যাবে না। প্রয়োজন হলে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে পরে আনলকও করা যাবে।

এই ফিচারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, লক করা চ্যাটে নতুন বার্তা এলে নোটিফিকেশনে সাধারণত বার্তার বিস্তারিত তথ্য প্রদর্শিত হয় না। এর ফলে ফোনের স্ক্রিনে অন্য কারও সামনে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ পাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হোয়াটসঅ্যাপে ‘সিক্রেট কোড’ ব্যবহারের সুবিধাও রয়েছে। এই সুবিধা অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোন—দুই প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যায়। সিক্রেট কোড ব্যবহার করে শুধু চ্যাট নয়, ‘লকড চ্যাটস’ ফোল্ডারটিকেও আড়ালে রাখা সম্ভব। এতে অন্য কেউ সহজে বুঝতে পারবে না যে ফোনে কোনো লুকানো চ্যাট রয়েছে।

সিক্রেট কোড দিয়ে লুকানো চ্যাট দেখতে হলে হোয়াটসঅ্যাপের সার্চ বক্সে নির্ধারিত কোড লিখতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ধাপ অনুসরণ করলে লক করা চ্যাটগুলো দেখা যাবে।

তবে চ্যাট লক করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কল আসা বন্ধ হয় না। অর্থাৎ ওই ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপে কল করলে ব্যবহারকারী স্বাভাবিকভাবেই কল গ্রহণ করতে পারবেন। এই ফিচারটি মূলত কথোপকথনকে সাধারণ চ্যাট তালিকা থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ পুনরুদ্ধার (রিস্টোর) করলে পূর্বে লক করা চ্যাটগুলো সাধারণত লক অবস্থাতেই থাকে। ফলে ডিভাইস পরিবর্তনের পরও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চ্যাট লকের পাশাপাশি শক্তিশালী স্ক্রিন লক, বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা এবং হোয়াটসঅ্যাপের সর্বশেষ সুরক্ষা সুবিধা ব্যবহার করলে গোপনীয়তা আরও ভালোভাবে নিশ্চিত করা যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসির সঙ্গে বৈঠক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে শঙ্কায় জামায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


ইসির সঙ্গে বৈঠক  স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিয়ে শঙ্কায় জামায়াত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সচিবালয় ও নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ পুরো কমিশনকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ৯ দফা সুনির্দিষ্ট লিখিত দাবি পেশ করেছে। বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।

গোলাম পরওয়ার জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সর্বজনগ্রাহ্য করার লক্ষ্যে তারা এসব দাবি উত্থাপন করেছেন। তিনি কমিশনের কিছু বিষয়ে অসহায়ত্ব পরিলক্ষিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নির্বাচন কমিশন কি কোনো বিশেষ দলীয় সরকারের চাপের মুখে কাজ করছে কিনা, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।

জামায়াতের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করা। জামায়াতের এই নেতা জানান, দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের শিক্ষকরা প্রতিটি স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি রাজনীতি ও ভোটাধিকার প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে আসছেন। এমনকি সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করেছেন। এই অবস্থায় কেবল স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদে বর্ণিত নাগরিকদের সমানাধিকারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি এবং এটি একটি সুস্পষ্ট বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা। নির্বাচন কমিশনকে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার জন্য তারা জোর তাগিদ দিয়েছেন, অন্যথায় তা আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে জানান।

প্রতিনিধিদলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল, যেসব রাজনৈতিক দলের রাজনীতি ও যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, সেই দলের পদ-পদবিধারী নেতাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে না দেওয়ার। নিষিদ্ধ কোনো দলের পদধারী নেতা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাটা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে পড়ে এবং এটি জনগণের ধারণার পরিপন্থি। তাই স্বচ্ছতার স্বার্থে যেকোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানায় জামায়াত। তবে সাধারণ সমর্থকদের বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধের কথা তারা উল্লেখ করেননি।

বৈঠকে সম্প্রতি ইসি সচিবালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব শামসুল আলমের নিয়োগ নিয়েও তীব্র আপত্তি জানানো হয়। গোলাম পরওয়ার জানান, ওই কর্মকর্তা সরাসরি বিএনপির নির্বাচন বিষয়ক সাব-কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন, যা সম্পূর্ণ সংবিধান ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। গত বৈঠকেও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল উল্লেখ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, কমিশন তাদের উদ্বেগের সত্যতা স্বীকার করলেও নিজেদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ না হওয়ার অজুহাতে বিষয়টি কেবল সরকারকে জানানোর প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ রেখেছে। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের রাজনৈতিক নিয়োগ দ্রুত বাতিল করার জোর দাবি জানানো হয়।

উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোতে সম্প্রতি দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াত। দলটির অভিযোগ, সরকারি অর্থ, এডিপি বরাদ্দ ও অন্যান্য সুবিধা ব্যবহার করে আসন্ন নির্বাচনে দলীয় সুবিধা হাসিলের পথ তৈরি করতেই তাদের এই পদে বসানো হয়েছে। তাই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এসব পদে নিয়োজিত প্রশাসকদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ স্থায়ীভাবে রদ করার দাবি জানান তারা।

জামায়াত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এসব পদ থেকে পদত্যাগ করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেন এই নির্বাচনে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন, সেই নিয়ম বলবৎ করতে হবে। এছাড়া নির্বাচনে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যক্তিবর্গের যে কোনো ধরণের প্রচারণা বন্ধে কঠোর আচরণবিধি প্রণয়নেরও দাবি জানানো হয়।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার জানান, ইসি কিছু বিষয়ে একমত হলেও মূল জায়গায় তারা অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে। তবে তারা আশাবাদী যে জনদাবি ও সিভিল সোসাইটির পর্যালোচনার মুখে কমিশন এসব মেনে নিতে বাধ্য হবে। স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, স্থানীয় নির্বাচন যেহেতু দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না, তাই দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে না; বরং স্বতন্ত্র ভিত্তিতে যার যার জায়গা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

জাতীয় নির্বাচনের জন্য গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের কথা তুলে ধরে তিনি স্পষ্ট করেন, সেই ঐক্য কেবল জাতীয় নির্বাচনের জন্যই সীমাবদ্ধ, স্থানীয় নির্বাচনে দলগতভাবে যার যার মতো অংশগ্রহণে কোনো বাঁধা বা সমঝোতার শর্ত থাকছে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপিকে যারা শেষ করতে চেয়েছে তারাই ধ্বংস হয়ে গেছে: দুলু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


বিএনপিকে যারা শেষ করতে চেয়েছে তারাই ধ্বংস হয়ে গেছে: দুলু

জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, বিএনপিকে শেষ করে দেওয়ার এবং ভেঙে টুকরো টুকরো করার জন্য চক্রান্ত করা হয়েছে। ইতিহাসের সাক্ষ্য—যারাই বিএনপিকে শেষ করার চেষ্টা করেছে, তারা সকলেই ধ্বংস হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাটোর শহরের উপশহর মাঠে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

দুলু আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছর ধরে বিএনপিকে কোনো সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেয়নি। বিনা কারণে প্রতিটি কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করেছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করা হয়েছে। তাদের হত্যা, গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন সাধারণ বিএনপি কর্মীরাও।

তিনি উল্লেখ করেন, আজ সেই আওয়ামী লীগের বাংলার মাটিতে কোনো স্থান নেই। সারা দেশের নেতারা ভারতে পালিয়ে গেছেন। কেউ কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকায় আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা ১৭ বছরের কুকর্মের জন্য ভয়ে এলাকায় আসতে পারছেন না এবং বিভিন্ন বড় শহরে গোপনে বসবাস করছেন।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিষয়ে সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে দুলু বলেন, যে কোনো সময় তারা সুযোগ পেলেই দেশকে অশান্ত করতে এবং দেশের মানুষের শান্তি নষ্ট করতে নাশকতা ঘটাতে পারে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেশের কোথাও মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে শক্ত হাতে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিহত করতে হবে।

দুলু আরও বলেন, ৪৮ বছর আগে আজকের দিনে রমনার বটমূলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন এবং দেশে মুক্ত গণমাধ্যম ও বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বেগম খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেন। দেশের জনগণ তাকে ভোট দিয়ে তিনবার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন। তিনি বিশ্বে আপসহীন ও সফল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

তিনি বলেন, তার মৃত্যুর পর তার সন্তান তারেক রহমান বর্তমানে বিএনপির চেয়ারপারসন ও দেশের প্রধানমন্ত্রী। সুন্দর বাংলাদেশ গঠনে বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং সব সংকট কাটিয়ে দেশ তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবে।

সমাবেশে নাটোর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ সভাপতিত্ব করেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ।

এছাড়া বক্তব্য দেন দুলুর সহধর্মিণী ছাবিনা ইয়াসমিন ছবি, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান খান চৌধুরী বাবুল, মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, এমদাদুল হক আল মামুন এবং নাটোর জেলা যুবদলের সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিমসহ স্থানীয় নেতারা।

পরে হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নাটোর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক চাই: ভারতীয় হাইকমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক চাই: ভারতীয় হাইকমিশনার

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের এবং ভারতের জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণের বিষয়টি মাথায় রেখে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সাক্ষাৎ শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উপলক্ষে তিনি সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এদিনের সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সম্পর্কে ভারতীয় হাইকমিশনার মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চান না এবং এ বিষয়ে মন্তব্য করা উচিতও নয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচিত সরকারই জনগণের জন্য কোনটি ভালো, তা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝবে।

দীনেশ ত্রিবেদী জনগণের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আমরা সবসময় চাই। আমরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, তার প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সীমান্তের সঙ্গে স্বপ্নও শেয়ার করি। এ কারণে প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। আমরা সমান, কেউ বড় কিংবা ছোট নয়।’

বাংলাদেশ ও ভারতের সামনে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ থাকবেই। আমাদের দেখতে হবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ কী। বাংলাদেশেরও দেখতে হবে ভারতের কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ককে আরও উন্নত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপরও তিনি জোর দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%