শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪২ পি.এম
ফিফার প্রথম নারী ক্লাব বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৮ সালের ৫ থেকে ৩০ জানুয়ারি। এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে বিশ্বের সেরা ১৯টি নারী ক্লাব।
যুক্তরাষ্ট্র ফিফার প্রথম নারী ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে। ফিফা জানিয়েছে, ২০২৮ সালের ৫ থেকে ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্টের প্রথম আসর। তবে, ম্যাচ আয়োজনের জন্য নির্ধারিত শহরগুলোর নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
প্রথম আসরে অংশগ্রহণ করবে বিশ্বের সেরা ১৯টি নারী ক্লাব। ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই নারী ক্লাব বিশ্বকাপ প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হবে।
এখন পর্যন্ত সাতটি ক্লাব টুর্নামেন্টে জায়গা নিশ্চিত করেছে। এই ক্লাবগুলো হলো ইংল্যান্ডের আর্সেনাল, স্পেনের বার্সেলোনা, মেক্সিকোর আমেরিকা, যুক্তরাষ্ট্রের গোথাম এফসি, ব্রাজিলের করিন্থিয়ান্স, চীনের উহান জিয়াংদা এবং উত্তর কোরিয়ার নেগোহ্যাং এফসি।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রসারিত ফরম্যাটে পুরুষদের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। এছাড়া, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপও কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথ আয়োজনে দেশটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বড় আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের অভিজ্ঞতা এবং উন্নত ক্রীড়া অবকাঠামোর কারণে ফিফা নারী ক্লাব বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে নির্বাচন করেছে।
ফিফার নারী ফুটবলবিষয়ক প্রধান সারাই বারেম্যান মন্তব্য করেছেন, "ফিফার শীর্ষস্থানীয় টুর্নামেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সাফল্য, দেশটিতে নারী ফুটবলের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ এবং উন্নত ক্রীড়া অবকাঠামো সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এই প্রতিযোগিতার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত আয়োজক হিসেবে গড়ে তুলেছে।"
নারী ক্লাব বিশ্বকাপের প্রথম আসরকে বিশ্বজুড়ে নারী ফুটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি এবং ক্লাব পর্যায়ে প্রতিযোগিতার পরিসর আরও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিজয় দেবরাকোন্ডা এবং রাশমিকা মন্দানা অভিনীত ঐতিহাসিক ড্রামা সিনেমা ‘রণবালি’ মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। স্যাকনিল্ক-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম সপ্তাহে ভারতে সিনেমাটির নেট কালেকশন ৪৫ কোটি ২০ লাখ রুপি হয়েছে। বিশ্বব্যাপী মোট আয় ৬৩ কোটি ৬৫ লাখ রুপি পৌঁছেছে।
ভারতের বাজারে সিনেমাটির মোট ব্যবসা ৫২ কোটি ৫৫ লাখ রুপি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ১১ কোটি ১০ লাখ রুপি, ফলে প্রথম সাত দিনে বিশ্বব্যাপী মোট আয় ৬৩ কোটি ৬৫ লাখ রুপি দাঁড়িয়েছে।
রাহুল সংকৃতায়ন পরিচালিত এই ঐতিহাসিক ড্রামা সিনেমাটি গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মুক্তির সপ্তম দিনে ভারতে ৩ কোটি ১৫ লাখ রুপি নেট আয় করেছে। ওই দিন দেশজুড়ে মোট ২,১২৩টি শোয়ে সিনেমাটি প্রদর্শিত হয় এবং সার্বিক দর্শক উপস্থিতি ছিল প্রায় ৩১ শতাংশ।
বুধবারের ৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয়ের তুলনায় বৃহস্পতিবার আয় কমেছে প্রায় ৪২.৭ শতাংশ। বুধবারের ২,২৩২টি শো থেকে কমিয়ে বৃহস্পতিবার শোর সংখ্যা কিছুটা নামিয়ে আনা হয়েছে।
সপ্তম দিনে ছবিটির আনুমানিক ২,৭১,৫৬৩টি টিকিট বিক্রি হয়েছে, ফলে প্রথম সপ্তাহে মোট টিকিট বিক্রির সংখ্যা ৩৫,৮৪,০৬৭টিতে পৌঁছেছে।
গত ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির দিনেই সিনেমাটি ২,৫১৫টি শো এবং ৫৭ শতাংশ দর্শক উপস্থিতি নিয়ে ৯ কোটি ২৫ লাখ রুপির শক্তিশালী ওপেনিং করেছিল। এরপর প্রথম শনিবার ৭ কোটি ৩০ লাখ এবং রোববার ৭ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করে গতি ধরে রাখে। তবে সাপ্তাহিক ছুটির পর আয়ে কিছুটা পতন দেখা দেয়।
সোমবার ৫ কোটি ৪০ লাখ রুপি আয়ের পর মঙ্গলবার কিছুটা বেড়ে ৭ কোটি ১০ লাখ রুপিতে পৌঁছায়, কিন্তু বুধবার ৫ কোটি ৫০ লাখ এবং বৃহস্পতিবার ৩ কোটি ১৫ লাখ আয় করে সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহ শেষ করে।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রায় ৩৫ লাখ রুপি আয় করতে সক্ষম হয়েছে ‘রণবালি’।
১৮৭৬-১৮৭৮ সালের মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের আমলের রায়লসীমা অঞ্চল নিয়ে সিনেমার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে। রাহুল সংকৃতায়নের পরিচালনায় এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানা।
গল্পে দেখা যায় এক অশ্বারোহীকে, যিনি ব্রিটিশদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময় নিজ দেশের মানুষকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়েই প্রেক্ষাগৃহে পথচলা অব্যাহত রেখেছে ‘রণবালি’।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামে চলমান একটি দৃষ্টিনন্দন মেগা প্রকল্পের কাজ ও গুণগত মান পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক কউসার আজিজ। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন।
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সুন্দরবনে জলদস্যুদের কার্যকলাপ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা, সুপেয় পানি এবং শিক্ষাব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জামান কনক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর শরীফ ফাহাদ, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ মাছুদুল আলম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ মাছুদুল আলম, মাস্টার আবু তালেব সাগর, আমজিয়াদ হোসেন এবং ইকবাল হোসেন মন্টু সুন্দরবন ও উপকূলীয় জনপদের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
তারা গাবুরার চলমান মেগা প্রকল্পের রাস্তার সঙ্গে সংযোগ সড়ক নির্মাণ, সড়কের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান নিশ্চিত করার দাবি জানান। প্রকল্পের কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন, নিয়মিত তদারকি এবং নির্মাণকাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় সুপেয় পানি সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসাসুবিধা বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, খেলার মাঠ সংরক্ষণ, ভূমিহীনদের বসতির ব্যবস্থা এবং দৃষ্টিনন্দন এলাকার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। অসমাপ্ত খাল খনন এবং মেগা প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের গুণগত মান নিয়েও আলোচনা হয়।
জেলা প্রশাসক কউসার আজিজ এ সময় সুন্দরবনে জলদস্যু দমনে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন। তিনি গাবুরার সুপেয় পানির সংকট নিরসন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং এলাকায় পর্যাপ্ত স্কুল না থাকায় নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন।
এছাড়া চলমান মেগা প্রকল্পের সড়ক নির্মাণ কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও গুণগত মান বজায় রাখার বিষয়েও আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ড. দীপু মনিকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে সিআইডি সদস্যরা তাকে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ১৫ মিনিটের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ড. দীপু মনির প্রাথমিক মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার পর সিআইডির সদস্যরা তাকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে চলে যান।
এ বিষয়ে পুলিশের ইন্সপেক্টর রিদওয়ানুল হক যুগান্তরকে জানান, দীপু মনির রিমান্ড ছিল। সেই রিমান্ডের পর আদালতের নির্দেশ ছিল তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আবার কারাগারে নিয়ে যেতে। এজন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা কারাগারের উদ্দেশে যাচ্ছি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে চমক দেখাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, তৃণমূল পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি— এসব পদক্ষেপই বাংলাদেশের এই অভূতপূর্ব সাফল্যের ভিত্তি গড়ে তুলেছে। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স-২৬ (জিএইচআই) প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশের ক্ষুধা সূচকের স্কোর ১৯ দশমিক ২।
এই স্কোরের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ মাঝারি মাত্রার ক্ষুধার পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের স্কোর ২৪ দশমিক ১ এবং পাকিস্তানের স্কোর ২৫ দশমিক ৫। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান তুলনামূলকভাবে ভালো, তবে শ্রীলংকা ও নেপাল বাংলাদেশের চেয়ে উন্নত অবস্থানে রয়েছে।
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক চারটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়। এই সূচকগুলো হলো— জনসংখ্যার মধ্যে অপুষ্টির হার, শিশুমৃত্যুর হার, বয়সের তুলনায় শিশুদের উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় শিশুদের ওজন কম হওয়া। জার্মানির বনভিত্তিক ক্ষুধা মোকাবিলায় কাজ করা সংস্থা ওয়েলথাঙ্গারহিলফে, সুইজারল্যান্ডের জুরিখভিত্তিক সহায়তা সংস্থা হেলভেটাস এবং জার্মানির রুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সশস্ত্র সংঘাতবিষয়ক আন্তর্জাতিক আইন ইনস্টিটিউট যৌথভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে স্কোর শূন্য থেকে ১০০-এর মধ্যে নির্ধারণ করা হয়। স্কোর ১০-এর কম হলে ক্ষুধার মাত্রা কম, ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯ হলে মাঝারি, ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ হলে গুরুতর, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ হলে আশঙ্কাজনক এবং ৫০ বা তার বেশি হলে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হিসেবে গণ্য করা হয়। এই হিসাবে বাংলাদেশের ১৯ দশমিক ২ স্কোর মাঝারি মাত্রার ক্ষুধার পরিস্থিতি নির্দেশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের স্কোর ২৪ দশমিক ১, যা গুরুতর ক্ষুধার পরিস্থিতির নির্দেশ করে। পাকিস্তানের স্কোর ২৫ দশমিক ৫, যা খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, শিশুদের অপুষ্টি, নারীদের কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগের কারণে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ