বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:১০ পি.এম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে হবিগঞ্জে আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি ও নজরুল সঙ্গীতের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টায় হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে স্থানীয় সুরবিতানে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এই আলোচনা সভাটি সভাপতিত্ব করেছেন হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের সভাপতি তাহমিনা বেগম গিনি, এবং এর বিস্তারিত কার্যক্রম পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহিদ। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক।
এছাড়া, বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার গোলাম মোস্তফা রফিক, জেলা কালচারার অফিসার অসীত বরন দাশ গুপ্ত।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ইলিয়াস বখত চৌধুরী জালাল, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও কবি জাহানারা আফসর, সিনিয়র সাংবাদিক মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. জমির আলীসহ আরও অনেকেই। পরে শিল্পীরা কবিতা আবৃত্তি ও নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
জেলায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সমিতির নেতারা জানান, আগামী এক মাস মাদক ও জুয়া মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কোনো আসামির পক্ষে আদালতে জামিন আবেদন বা আইনি সহায়তা প্রদান করবেন না জেলার আইনজীবীরা।
আজ সকালে জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে নেতারা এ সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর ঘোষিত 'আলোকিত লালমনিরহাট' কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
মাদক ও জুয়ার বিস্তার রোধ এবং যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হলো।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট কে. এম. হুমায়ুন কবীর স্বপন বলেন, ‘মাদক ও জুয়া শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে নয়, এটি একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকেও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। এ অবস্থায় সামাজিক প্রতিরোধ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে আইনজীবী সমাজও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।’
সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, ‘এটি একটি সামাজিক বার্তা।
মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য যে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর নেতৃত্বে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে গত ৪ জুলাই থেকে জেলায় মাদক, জুয়া, বাল্যবিবাহ ও যৌতুকসহ চারটি সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক আন্দোলন শুরু হয়েছে। সেই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে লালমনিরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি এ কর্মসূচি ঘোষণা করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে ভবিষ্যতে শুধুমাত্র সিটি বাসের টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে এমনটি জানিয়েছেন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। অন্যদিকে, আন্তঃজেলা বাসগুলোর পর্যায়ক্রমে কাঁচপুরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে এবং উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি গুলিস্তানের বাস টার্মিনালও নদীর ওপারে স্থানান্তরের পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা করেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, সায়েদাবাদ একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল হওয়া সত্ত্বেও এটি দীর্ঘ সময় ধরে নির্ধারিত উদ্দেশ্যের জন্য ব্যবহার করা হয়নি। যাত্রীদের ওঠানামার কেন্দ্র হওয়ার পরিবর্তে এটি কেবল বাসের গ্যারেজ ও ডাম্পিং স্টেশনে রূপান্তরিত হয়েছে। একটি টার্মিনালের মূল উদ্দেশ্য হলো দূরপাল্লার যাত্রীদের ওঠানামার সুবিধা দেওয়া।
তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, টার্মিনালটি পরিষ্কার ও সুশৃঙ্খল রাখতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়ে গেছে। বর্তমানে প্রতিটি পরিবহন কোম্পানি সর্বোচ্চ একটি বা দুটি বাস টার্মিনালের ভেতরে অপেক্ষা করার অনুমতি পাবে। তার চেয়ে বেশি বাস রাখা যাবে না। যান চলাচল আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য টার্মিনালে তিনটি প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের একান্ত অনুরোধে চলতি মাসের ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এরপর নির্ধারিত টার্মিনাল ছাড়া অন্য কোথাও বাস থামিয়ে যাত্রীদের ওঠানামা করতে দেওয়া হবে না।
আবদুস সালাম আরও বলেন, রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ছাড়া পরিচ্ছন্ন এবং বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এই লক্ষ্য পূরণে পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠক করা হয়েছে এবং তারা সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
তিনি জানান, টার্মিনালের বিভিন্ন সুবিধা উন্নত করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসের জন্য একটি পৃথক স্থান নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
টার্মিনালের ভেতরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করার কথাও উল্লেখ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, প্রথমে সব দোকান সরিয়ে নিতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে নিয়মের মধ্যে হকার ও ভেন্ডরদের জন্য নির্ধারিত স্থান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত অভিযানে কাউকে জরিমানা করা হয়নি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টার্মিনাল পুরোপুরি শৃঙ্খলায় না এলে মোবাইল কোর্টের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবদুস সালাম বলেন, এবারের মতো আর অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না। সায়েদাবাদ টার্মিনালকে পুরোপুরি শৃঙ্খলের আওতায় আনা হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সায়েদাবাদকে শুধু সিটি বাসের টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহার, আন্তঃজেলা বাস কাঁচপুরে স্থানান্তর এবং গুলিস্তানের বাস টার্মিনাল নদীর ওপারে স্থাপন করা হলে রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টানা ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড় ধসে চট্টগ্রামের ৪ জেলায় মোট ৩০ জনের মৃত্যু ঘটেছে, এ তথ্য জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ ধারায় একটি বিবৃতিতে মন্ত্রী এই তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, কক্সবাজারে ১৯ জন, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে ৫ জন করে এবং রাঙ্গামাটিতে একজন প্রাণ হারিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, উপদ্রুত অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য ইতোমধ্যে যথেষ্ট পরিমানে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং সরকার দুর্গতদের পাশে সব ধরনের সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছে।
ত্রাণমন্ত্রী জানান, দুর্গত জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে মাইকিং অব্যাহত আছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য এবং তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ত্রাণমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও প্রত্যেক দুর্গত জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি পাহাড়ধসে বারবার প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের জন্য সরকার প্রস্তুত রয়েছে। খাসজমি ও অন্যান্য সরকারি জমিতে তাদের জন্য বাড়ি নির্মাণ করা হবে।
মন্ত্রী আসাদুল হাবিব জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে সরকার গত ৭ জুলাই ক্ষতিগ্রস্ত ৫ জেলার প্রতিটির জন্য জিআর কর্মসূচির আওতায় নগদ ১০ লাখ টাকা এবং ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছে।
চলমান ত্রাণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে আজ বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও জানিয়েছেন, নতুন বরাদ্দ অনুযায়ী চট্টগ্রামে ২৫ লাখ টাকা এবং কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। সরকার চট্টগ্রাম জেলার জন্য ৩০০ মেট্রিকটন, কক্সবাজারের জন্য ২৫০ মেট্রিকটন এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ২০০ মেট্রিকটন করে অতিরিক্ত চাল বরাদ্দ করেছে।
মন্ত্রী দুলু জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর প্রতিটির জন্য ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। প্রয়োজন হলে আরও জরুরি সহায়তা বরাদ্দ করা হবে।
পাহাড় ধসে বারবার প্রাণহানির বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, খাস জমি ও অন্যান্য সরকারি জমিতে বাড়ি তৈরি করে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করতে সরকার প্রস্তুত। ভবিষ্যতে পাহাড়ধসে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানান্তর উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কাগজ দিয়ে দ্রুততম সময়ে স্নো-ফ্লেক বা তুষারকণা তৈরি করে এ বছর তৃতীয়বারের মতো গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন বরিশালের কলেজ রোডের বাসিন্দা নুসরাত জাহান নিপা। নিপাই বাংলাদেশের প্রথম নারী, যার নাম তিনবার উঠেছে বিশ্বরেকর্ডের খাতায়।
এর আগে দ্বিতীয়বার নিপা কয়েন দিয়ে দ্রুততম সময়ে টাওয়ার বানিয়ে নাম লিখিয়েছিলেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে। পরের বার চপস্টিক দিয়ে ভাত খাওয়ার রেকর্ডও যায় তার দখলে।
তবে এখানেই শেষ নয়। বাসসের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে চতুর্থবার গিনেস বুকে নাম লেখাবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন এই ছাত্রী।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দ্রুততম সময়ে ‘কাগজের স্নো-ফ্লেক’ বা তুষারকণা তৈরি করে রেকর্ডটি করেন তিনি। এর আগে ‘কাগজের স্নো-ফ্লেক তৈরিতে রেকর্ডটি ২৩ দশমিক ১৬ সেকেন্ডে চীনের দখলে ছিল।
নিপা বলেন, আমি ২১ দশমিক ৮৪ সেকেন্ডে শেষ করে রেকর্ডটি বাংলাদেশে এনেছি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই রেকর্ড করা হলেও কিছুদিন আগে সার্টিফিকেট পেয়েছি। কাগজ বিভিন্নভাবে কেটে, ভাঁজ করে তুষারকণার মতো তৈরি করে এ রেকর্ড গড়েছেন বলে তিনি জানান।
২০২১ সালে মহামারি করোনার সময় এক হাতে এক মিনিটে ৭১টি কয়েন দিয়ে টাওয়ার তৈরি করেছিলেন নিপা। ইতালির সিলভিও সাব্বারের গড়া রেকর্ড ভেঙে তিনি প্রথমবার নাম লেখান গিনেস বুকে। পরে ২০২৪ সালে চপস্টিক দিয়ে এক মিনিটে ২৭টি ভাতের দানা মুখে তুলে গড়েছিলেন দ্বিতীয় রেকর্ড।
বেসরকারি কলেজের শিক্ষক নিপা বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সবকিছু অর্জন করা সম্ভব। আমার খেলাধুলার শখ থাকলেও বরিশালে মেয়েদের জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ঘরে বসেই দেশ ও আমার শহর বরিশালকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে এ রেকর্ড করেছি। ভবিষ্যতেও আমার এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে’।
পরের বারের রেকর্ড কী নিয়ে করবেন? জানতে চাইলে রহস্যময় কণ্ঠে তার উত্তর-‘দেখা যাক!’
নিপার বাবা দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু বাসসকে বলেন, ‘আমার একমাত্র মেয়ে নিপা। সে ছোটোবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী। তার এ সাফল্য শুধু বরিশালবাসীর নয়, সারা বাংলাদেশের জন্য। আগামীতে সে আরো ভালো কিছু করবে বলে আশা করি।’
বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর শাহ সাজেদা বাসসকে বলেন, মেয়েটি একবার নয়, তিন তিনবার গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছে। যা সত্যিকার অর্থেই আমাদের বরিশালের জন্য গর্বের। আমাদের সমাজে মেয়েরা বেশিরভাগ সময়ই পিছিয়ে থাকে। নিপা সেই রেকর্ডও ভেঙেছে।
তিনি বলেন, নানান প্রতিকূলতা কাটিয়ে নিপা যে গৌরব অর্জন করেছে, সেটি আমাদের জন্য গর্বের। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে সমাজের নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে মেয়েরাও এগিয়ে যাচ্ছে। আমি মনে করি, সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে তাদের জন্য সহযোগিতা করা প্রয়োজন। এ ধরনের সফলতার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের উচিত হবে তাদের সহযোগিতা ও সম্মানিত করা।
এতে সমাজের অন্য মেয়েরাও বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে এগিয়ে যেতে উৎসাহ পাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ