বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৩ পি.এম
১৮তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্যটি জানা যায়।
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) অধীনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষার পর তাদের সিভিল জজ পদে সুপারিশ করা হয়।
সুপারিশপ্রাপ্ত তিন শিক্ষার্থী হলেন, আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ৭ম ব্যাচের জান্নাতুল আইশা, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ৬ষ্ঠ ব্যাচের জয়ন্ত হালদার এবং ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ৪র্থ ব্যাচের মো. নাইম হোসাইন।
প্রকাশিত ফলাফলে জান্নাতুল আইশা ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। একই পরীক্ষায় মো. নাইম হোসাইনও সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে তিন শিক্ষার্থীর এই সাফল্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে জয়ন্ত হালদার বলেন, "দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, ধৈর্য ও একাগ্রতার পর এই সাফল্য অর্জন করতে পেরে তার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।" তিনি এই দীর্ঘ ও কঠিন যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবদান অপরিসীম উল্লেখ করে বলেন, "তাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন ছাড়া এ পথ অতিক্রম করা সম্ভব হতো না।"
তিনি আরও বলেন, "মেধা তালিকায় ৬৭তম স্থান অর্জন করেছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, যেন অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে পালন করতে পারি।"
এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কাইসার আহমেদ বলেন, "সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত আমাদের তিন কৃতী শিক্ষার্থী জান্নাতুল আইশা, নাইম হোসাইন ও জয়ন্ত হালদারকে আইন বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, "তারা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের মেধা, দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও বিচার বিভাগের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আইন বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে।"
তিনি আরও বলেন, "তাদের এই সাফল্য বিভাগের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।" ভবিষ্যতেও বিভাগের শিক্ষার্থীরা সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সরকার নতুন ভিসা বিধিনিষেধ নীতি ঘোষণা করেছে, যা জন্মসূত্রে সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ঠেকাতে কার্যকর হবে। এই পদক্ষেপটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, বিদেশি বাণিজ্যিক ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বা নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং তাদের সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে এই নীতি প্রয়োগ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও জানায়, সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে সন্তান জন্ম দিতে ভ্রমণ করা পর্যটন ভিসার অনুমোদিত উদ্দেশ্য নয়।
রুবিও বলেন, বিদেশি বাণিজ্যিক ‘বার্থ ট্যুরিজম’ নেটওয়ার্কগুলো মুনাফার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার করছে। এসব নেটওয়ার্ক বিদেশিদের কাছে বিজ্ঞাপন দেয় এবং ভিসার আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিতে উৎসাহিত বা পরামর্শ দেয়।
এছাড়া, এসব নেটওয়ার্ক শুধুমাত্র মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়ার ব্যবস্থা করে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত অর্থ সংগ্রহ করে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
রুবিও জানান, অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের ২১২(এ)(৩)(সি) ধারার আওতায় নতুন এই ভিসা বিধিনিষেধ নীতি কার্যকর করা হচ্ছে।
যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নতুন নীতিতে লক্ষ্য করা হয়েছে, যারা জেনেশুনে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বার্থ ট্যুরিজম’-এর সঙ্গে যুক্ত হন, আগে যুক্ত ছিলেন অথবা এতে সহায়তা করেন।
এর আওতায় থাকবেন—
১. বাণিজ্যিকভাবে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ সুবিধা দেওয়া নেটওয়ার্কের মালিক, পরিচালনাকারী ও ব্যবস্থাপক;
২. ভিসা দালাল, যারা আবেদনকারীদের জালিয়াতির কৌশল শেখায়;
৩. বিদেশি চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী, যারা জেনেশুনে এ ধরনের ভ্রমণে সহায়তা করেন;
৪. যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেড ব্যবস্থার জালিয়াতিমূলক ব্যবহারে সহায়তাকারী ব্যক্তিরা;
৫. বাণিজ্যিক ‘বার্থ ট্যুরিজম’-কে সমর্থন, সহায়তা বা পরিচালনায় ভূমিকা রাখা অন্য ব্যক্তিরা।
রুবিও বলেন, মার্কিন নাগরিকত্বের মর্যাদা রক্ষা, জনকল্যাণমূলক সুবিধা ও করদাতাদের শোষণ থেকে রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসন সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।
তিনি আরও বলেন, যারা এই জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত এবং এর মাধ্যমে মুনাফা করে, তাদের উভয় পক্ষের জন্য ভিসা দেওয়া সীমিত করে একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হচ্ছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু পরিবারের সদস্যও এই ভিসা বিধিনিষেধের আওতায় পড়তে পারেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সাল থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন ভিসার নিয়মে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে সন্তান জন্ম দিতে দেশটিতে ভ্রমণকে অনুমোদিত পর্যটন উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের নগরকান্দায় ছয় বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রী শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. মিরাজ শেখ (৩৮) নামের এক যুবককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। পাশাপাশি, তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মিরাজ শেখ নগরকান্দা উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা এবং শিশুটির প্রতিবেশী।
জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে শিশুটি মিরাজের বাড়িতে তার এক সহপাঠীর সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় মিরাজ শিশুটিকে জাম্বুরা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তার ঘরে নিয়ে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন। শিশুটি চিৎকার করলে মিরাজ তাকে ছেড়ে দেন। পরে বাড়ি ফিরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার কথা জানায়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ওইদিনই বাদী হয়ে মিরাজকে একমাত্র আসামি করে নগরকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করেন নগরকান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান। তিনি ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মিরাজকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, "একজন শিশুর সাথে যে ঘটনা ঘটেছে এটা অমার্জনীয়। এই অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ধারার সর্বোচ্চ রায়টা আদালত দিয়েছেন। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির আওতায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে জব্দ করা ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্ক চত্বরে রোড রোলার ব্যবহার করে ফেনসিডিলগুলো ধ্বংস করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধ্বংস করা ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩১ কোটি রুপি বলে জানা গেছে।
রাজ্য পুলিশ, বিএসএফ এবং পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স এসটিএফের বিভিন্ন অভিযানে এসব ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছিল। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের উদ্যোগে এই ধ্বংস কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। এটি পশ্চিমবঙ্গে ফেনসিডিল ধ্বংসের দ্বিতীয় বড় কর্মসূচি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, পশ্চিমবঙ্গে মাদকের অবৈধ উৎপাদন ও ব্যবসা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। তিনি মাদকাসক্তির কারণে পরিবার ও সমাজের ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানকে আরও জোরদারের কথা জানান।
মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বাংলার যুব সমাজকে মাদকের কবল থেকে রক্ষা করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি জানান, ড্রাগ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রায় ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়েছিল। ওই চালানের আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল ২০ কোটি রুপি। বালুরঘাটের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে বুলডোজার চালিয়ে ফেনসিডিল ধ্বংসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ মাদক কারবারের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশ মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য ১২টি নির্দেশনা প্রকাশ করেছে, যা সড়ক দুর্ঘটনা রোধ এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই নির্দেশনাগুলি প্রকাশ করা হয়।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, মোটরসাইকেল চালক এবং আরোহীদের হেলমেট ব্যবহার করা উচিত এবং গাড়ির চালক ও যাত্রীদের সিট বেল্ট পরিধান করতে হবে। মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বাধিক দুইজন চলাচল করতে পারবেন বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।
গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং অহেতুক হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ এবং ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বড় ও ভারী যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ সম্পর্কে সচেতন থাকার পাশাপাশি লেন পরিবর্তন বা মোড় নেওয়ার আগে ইন্ডিকেটর ব্যবহারের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। অন্য যানবাহনের সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালানোর জন্যও নির্দেশনা রয়েছে।
কুয়াশা, বৃষ্টি বা খারাপ আবহাওয়ার সময় গতি কমিয়ে সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক জ্যাম বা অন্য চালকের ভুলের কারণে ধৈর্য হারানো থেকে বিরত থাকতে এবং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যও চালকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় মাদক সেবন করে, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় বা উল্টো পথে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং না করে নির্ধারিত লেন মেনে চলার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ যানবাহনের সব হালনাগাদ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ চালকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, নিজেদের এবং পরিবারের সুরক্ষার জন্য এসব নির্দেশনা মেনে চলা উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ