ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অসুস্থ প্রবাসীকে রাস্তায় ফেলে পালিয়েছিল স্ত্রী ও সন্তান, পরে মৃত্যু


অসুস্থ প্রবাসীকে রাস্তায় ফেলে পালিয়েছিল স্ত্রী ও সন্তান, পরে মৃত্যু

টাঙ্গাইলের সখীপুরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রাখার ঘটনা নিয়ে আলোচনা ওঠা প্রবাসফেরত জামাল উদ্দিন (৫৫) মারা গেছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সোয়া তিনটার সময় সখীপুর উপজেলায় তাঁর নিজ ভাতিজি ইসমত আরার বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে।

এ ছাড়া গত ২ আগস্ট রাতে সখীপুর উপজেলার কালমেঘা এলাকায় অসুস্থ অবস্থায় জামাল উদ্দিনকে রাস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগ তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠে। পরদিন স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে ভাতিজির বাড়িতে নিয়ে যান। সংঘটিত এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পরে, ৬ আগস্ট স্থানীয়দের আর্থিক সহায়তায় জামাল উদ্দিনকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর, যখন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়, তখন চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে গত শুক্রবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিয়ে ভাতিজির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার বিকেলে সেখানে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জামাল উদ্দিন দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন এবং কয়েক মাস আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসার পর থেকে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছিলেন না।

এদিকে, রাস্তায় ফেলে যাওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পার হলেও তাঁর স্ত্রী বা সন্তানেরা তার কোনো খোঁজ নেননি বলে অভিযোগ করছে স্থানীয়রা। তবে জামালের স্ত্রী রিনা আক্তার বলেছেন যে, তিনি প্রায় আড়াই মাস আগে জামাল উদ্দিনকে তালাক দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির মেয়াদ এক বছর বাড়িয়েছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির মেয়াদ এক বছর বাড়িয়েছে সরকার

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে সরকার এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার একটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী ড. নাসিমুল গনি (পরিচিতি নম্বর-৩১০৭)-কে অন্য যেকোনো পেশা এবং সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এক বছরের মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে পূর্বের চুক্তির ধারাবাহিকতায় পুন:চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছে।

নিয়োগের অন্যান্য শর্ত আগের চুক্তির মতোই বহাল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ড. নাসিমুল গনি দেশের ২৬তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব। বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের এক দিন আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এর আগে, ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার তাকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বিভাগের জন্য সিনিয়র সচিব পদে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছিল। পরদিন ১৮ আগস্ট তিনি সেখানে যোগদান করেন। এরপর তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি হন।

২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন।

ড. নাসিমুল গনি বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। ওই ব্যাচের ১৪২ জনের মেধাতালিকায় তার অবস্থান ছিল চতুর্থ।

২০০৯ সালে, তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। প্রায় চার বছর ওএসডি থাকার পর ২০১৩ সালে তাকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

এফবিসিসিআই-এর মতিঝিল কার্যালয়ে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিটিআই) -এর একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও অনুষ্ঠিত এক সভায় এ আহ্বান জানান এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

সভায় এফবিসিসিআই প্রশাসক উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও চীন থেকে বিপুল পরিমাণে পণ্য আমদানি করে থাকে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থাকলেও, সেখানে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ থেকে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারেরও কম মূল্যের পণ্য চীনকে রপ্তানি করা হয়।

উভয় দেশের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যৌথ বাণিজ্যের সম্ভাবনাময় খাতসমূহ খতিয়ে দেখার আহ্বান করেন মো. ফজলুল হক। তিনি বলেন, চীনা বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের এই সফর কেবল বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে সম্প্রসারিত করবে না, বরং চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানির সম্ভাবনাও বৃদ্ধি করবে। এটি বিনিয়োগ বাড়াতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে।

এফবিসিসিআই প্রশাসক ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন যে, বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় চীনের উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে এফবিসিসিআই সক্রিয় থাকবে।

সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চীনের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মেডিকেল ডিভাইস ও অ্যাক্সেসরিজ, ওষুধ এবং এপিআই শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ নানা সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ।

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন চীনের হংহে অঞ্চলের ব্যুরো অব কমার্সের ডিরেক্টর জনাব হে তাও। তিনি বলেন, আমাদের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা এবং ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, প্রীতি চক্রবর্তী, ওবায়দুর রহমান, এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআই সেইফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শাহিদুল্লাহ, এফবিসিসিআই সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সিসিপিটিআই এর প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ের ৯ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধের অভাব: জরাজীর্ণ ভবন ও জনবল সংকটে ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


ধামরাইয়ের ৯ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধের অভাব: জরাজীর্ণ ভবন ও জনবল সংকটে ভোগান্তি

ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে দীর্ঘ দুই বছর ধরে সরকারি ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে চিকিৎসাসেবা ভেঙে পড়েছে। এর ফলে নরমাল ডেলিভারি, প্রসূতি সেবা ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় রোগীরা জরাজীর্ণ ভবন ও তীব্র জনবল সংকটে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া গেলেও, সরকারি কোনো ওষুধ পাওয়ার সুযোগ নেই। রোগীরা শূন্য হাতেই বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন। ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এখন নিজেই রোগী। যেসব কেন্দ্র গত দুই বছর ধরে নিয়মিত সরকারি ওষুধ সরবরাহ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। মাঝে মাঝে কিছু ওষুধ চলে এলেও, তা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শুধু ওষুধের অভাবই নয়, ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে চৌহাট, সানোড়া ও কুল্লা— এই তিনটি কেন্দ্রের অবস্থা এখন চরম জরাজীর্ণ। ছাদের একাংশ ভেঙে পড়েছে এবং দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতরে জমে থাকে পানি। এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ভেতরেই কোনোমতে চিকিৎসাসেবা চলমান রয়েছে। নতুন ভবনের নথিপত্র চূড়ান্ত হলেও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ এখনো মেলেনি। এছাড়া বেলিশ্বর মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রসহ নান্নার ও কুশুরা ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোও সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে।

জরাজীর্ণ ভবন আর ওষুধের সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালে জনবল সংকটও চেপে বসেছে। নিয়ম অনুযায়ী ১৫৫ জন স্টাফ থাকার কথা থাকলেও, সেখানে কর্মরত আছেন মাত্র ১২৭ জন। বিশেষ করে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পদের সংকট সবচেয়ে বেশি। ৯টি কেন্দ্রের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ৪ জন। সংকট যে চরমে, তা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারাও।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রহিমা বেগম নামে এক নারী জানিয়েছেন, তিনি বাচ্চাদের ঠান্ডা জ্বরের চিকিৎসার জন্য এসেছেন। তিনি প্রেশক্রিপশন পেয়েছেন কিন্তু কোনো ওষুধ পাননি। তিনি আরও বলেছেন, আমরা সরকারি ওষুধের জন্য এখানে আসি। সংসারের খরচের কারণে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হিমশিম খেতে হয়।

আসাদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, এখানে শুধু ওষুধের অভাব নেই; ডাক্তাররাও সময়মতো আসেন না, আবার আসলেও আগেই চলে যান। প্রায় দুই বছর ধরে আমি তো ওষুধ পাই না।

এদিকে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ রাসেল জানিয়েছেন, ওষুধের সংকটের পাশাপাশি আমাদের জনবল সংকটও রয়েছে। তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছেন এবং আশা করছেন খুব দ্রুতই বরাদ্দ সংকটের সমাধান হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


ঢাবিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধন

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং জাপান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংস্থা (জেএসটি) এর অর্থায়নে ‘হাওরের বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে গবেষণা প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন।

কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তোরু তেরাও-এর নেতৃত্বে জাপান থেকে আসা চার সদস্যের একটি গবেষক দল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল।

দলের অন্য সদস্যরা হলেন কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তাইচি হায়াশি, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কিগুচি মাসাশি এবং টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রেজোয়ানুল ইসলাম ফাহিম।

ঢাবি আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তার বাংলাদেশের পক্ষে এবং কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তোরু তেরাও জাপানের পক্ষে প্রধান গবেষক হিসেবে প্রকল্পটি যৌথভাবে পরিচালনা করছেন।

তাদের যৌথ নেতৃত্ব বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যকার শক্তিশালী অ্যাকাডেমিক অংশীদারিত্ব ও বাংলাদেশের বন্যা-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান তৈরির অভিন্ন অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

প্রকল্পটি তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত গবেষণায় যুক্ত হওয়া এবং বাংলাদেশ ও জাপানের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সহযোগিতা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চও তৈরি করবে।

এই আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা সক্ষমতা জোরদার করবে এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে জাতীয় অগ্রাধিকারগুলো মোকাবিলার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে অ্যাকাডেমিক মহলের পক্ষ থেকে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছিল। যদিও এটি গবেষণা-চালিত, এর প্রত্যাশিত প্রভাব অ্যাকাডেমিক জগতের বাইরেও সুদূরপ্রসারী।

এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো বৈজ্ঞানিক জ্ঞান তৈরি করা এবং সেটিকে বাস্তব ও কার্যকরী সরঞ্জামে রূপান্তরিত করে বাংলাদেশের বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং জনগোষ্ঠী, কৃষি, জীবিকা ও অবকাঠামোর উপর বন্যার প্রভাব হ্রাস করা।

বিশেষ করে, প্রকল্পটি বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের জন্য বন্যা পূর্বাভাস এবং পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নতির উপর মনোযোগ দেবে, যেখানে আকস্মিক বন্যা দ্রুত সৃষ্টি হতে পারে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।

উন্নত গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রকল্পটি জাতীয় পর্যায়ে আরও নির্ভরযোগ্য, কার্যকর এবং টেকসই বন্যা পূর্ব সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় অবদান রাখার লক্ষ্য রাখে।

প্রকল্পটি একটি শক্তিশালী বহুশাস্ত্রীয় এবং বহু-প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বকে একত্রিত করেছে। বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি), বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (ডিডিএম), স্পারসো, সার্ভে অফ বাংলাদেশ (এসওবি) এবং ইনস্টিটিউট অফ ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম)।

জাপানি অংশীদারিত্বের মধ্যে রয়েছে কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়, কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয় এবং কোচি বিশ্ববিদ্যালয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%