প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
এফবিসিসিআই-এর মতিঝিল কার্যালয়ে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিটিআই) -এর একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও অনুষ্ঠিত এক সভায় এ আহ্বান জানান এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক।
সভায় এফবিসিসিআই প্রশাসক উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও চীন থেকে বিপুল পরিমাণে পণ্য আমদানি করে থাকে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থাকলেও, সেখানে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ থেকে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারেরও কম মূল্যের পণ্য চীনকে রপ্তানি করা হয়।
উভয় দেশের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যৌথ বাণিজ্যের সম্ভাবনাময় খাতসমূহ খতিয়ে দেখার আহ্বান করেন মো. ফজলুল হক। তিনি বলেন, চীনা বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের এই সফর কেবল বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে সম্প্রসারিত করবে না, বরং চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানির সম্ভাবনাও বৃদ্ধি করবে। এটি বিনিয়োগ বাড়াতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে।
এফবিসিসিআই প্রশাসক ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন যে, বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় চীনের উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে এফবিসিসিআই সক্রিয় থাকবে।
সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চীনের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মেডিকেল ডিভাইস ও অ্যাক্সেসরিজ, ওষুধ এবং এপিআই শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ নানা সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ।
বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন চীনের হংহে অঞ্চলের ব্যুরো অব কমার্সের ডিরেক্টর জনাব হে তাও। তিনি বলেন, আমাদের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা এবং ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করা।
সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, প্রীতি চক্রবর্তী, ওবায়দুর রহমান, এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআই সেইফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শাহিদুল্লাহ, এফবিসিসিআই সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, সিসিপিটিআই এর প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন