প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
হিলি রেলওয়ে স্টেশনে নীলসাগর এক্সপ্রেস ও চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতির অনুমোদন লাভ করেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাসিন্দা এবং যাত্রীরা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তে অত্যন্ত খুশি। ট্রেন দুটি হিলি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করলে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের প্রক্রিয়া সহজতর হবে। এছাড়া, হিলি স্থলবন্দর এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ২৮ অক্টোবরের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের চাহিদা এবং রেলের রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বিবেচনা করে ট্রেন দুটি যাত্রাবিরতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান মন্তব্য করেন, "হিলি স্থলবন্দর এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের জন্য ট্রেন দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষ করে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সময় এবং ভোগান্তি কমবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, "হিলি স্টেশনে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদনের খবরটি সত্যিই আনন্দের।" তিনি জানান, এর আগে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল, কিন্তু তাতে কোনো সুফল মেলেনি। তবে, দীর্ঘদিন পর হলেও এমন খবর অত্যন্ত আনন্দের। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বর্তমান সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এলাকার মানুষকে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হিলি স্থলবন্দরের সড়ক সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে চলছে। এই পরিস্থিতিতে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ট্রেন দুটি নিয়মিত যাত্রাবিরতি শুরু করলে হিলি এবং আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে চাকরিপ্রত্যাশী এবং চিকিৎসাসেবা নিতে ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তিও অনেকটা কমবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন