ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রংপুরে হত্যাকাণ্ডে দুই আসামির ডিএনএ খেজুরের বিচি, শসা ও গামছায় মিলেছে


রংপুরে হত্যাকাণ্ডে দুই আসামির ডিএনএ খেজুরের বিচি, শসা ও গামছায় মিলেছে

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন আলামতে মিলেছে। খেজুরের বিচিতে মুগ্ধ দাসের, শসার টুকরায় সিদ্ধার্থ দাসের এবং বিড়ির শেষাংশে উভয়েরই ডিএনএ পাওয়া গেছে। নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর গলায় প্যাঁচানো গামছায় শুধুমাত্র মুগ্ধ দাসের ডিএনএ শনাক্ত হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক জিন্নাত আলী এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ঢাকার অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা শেষে গত বৃহস্পতিবার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এর আগে ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত ৩১ ধরনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এসব নমুনার মধ্যে ছিল খেজুরের বিচি, শসার অংশবিশেষ, ফল কাটার ছুরি, ইয়াবা সেবনের ফয়েল, সিগারেটের শেষাংশ, বেসিনের দাগ এবং দুই আসামির রক্তের নমুনা।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন, উদ্ধার হওয়া আলামত, আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং সাক্ষীদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে নিহত চারজন ও এই দুই আসামি ছাড়া অন্য কারও উপস্থিতির প্রমাণ ডিএনএ পরীক্ষায় মেলেনি।

আরও পড়ুন: বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিলের চূড়ান্ত শুনানি ৮ ডিসেম্বর

জিন্নাত আলী জানান, গণপতি চক্রবর্তীকে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দুজন মিলে হত্যা করেন। তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তীকে হত্যা করেন মুগ্ধ দাস। তাদের কলেজপড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তীকে হত্যা করেন সিদ্ধার্থ দাস। আর ১২ বছর বয়সী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীকে হত্যা করেন দুই আসামি মিলে।

তিনি আরও জানান, চার হত্যাকাণ্ডের পর গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী ও মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হতে মা-মেয়ের ভ্যাজাইনাল সোয়াবের নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তবে পরীক্ষার প্রতিবেদনে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে জিন্নাত আলী বলেন, আসামিরা খবর পেয়েছিলেন যে, অবসরের পর পাওয়া ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে তুলে বাড়িতে রেখেছেন গণপতি চক্রবর্তী। এছাড়া বাড়িতে অনেক স্বর্ণালংকার রয়েছে বলেও তাদের ধারণা ছিল। মূলত চুরির উদ্দেশ্যে বাড়ির ছাদ দিয়ে প্রবেশ করে তারা পরিবারের সদস্যদের একে একে হত্যা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন এলাকার শান্ত দাস, সীমান্ত দাস, দুলাল শর্মা ও কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের কেয়ারটেকার বিদ্যুৎ দাস। এ ছাড়া পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন ৫৬ জন। আদালতে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসহ এসব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে প্রত্যেকের ভূমিকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সার ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

তিনি বলেন, মামলাটির তদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

এর আগে গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং তাদের দুই সন্তান আগামী ও আয়ুশের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ২৩ আগস্ট নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর নগরের কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ গণপতি চক্রবর্তীর প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তারা।

মামলাটি প্রথমে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ তদন্ত করলেও পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় মহানগর ডিবি পুলিশকে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে মামলা, আসামি তানভীর ও সুমন

গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন। তার মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছিলেন। ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারটি নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় বসবাস করত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনা চুরির অপবাদে ভাঙা সংসার, ১২ বছর পর উদ্ধার হলো গহনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


সোনা চুরির অপবাদে ভাঙা সংসার, ১২ বছর পর উদ্ধার হলো গহনা

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় ১২ বছর আগে ঘর থেকে চুরি হওয়া সোনার গহনা চট্টগ্রামের একটি জুয়েলার্স থেকে উদ্ধার ও বন্ধক রাখার একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে লংগদু থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে বাঘাইছড়ি উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের খেদারমারা এলাকার চান মিয়ার মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে লংগদুর মাইনীমুখ এলাকার বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বেপারীর ছেলে মো. রমজানের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় দেনমোহরসহ মোট ৪ ভরি ৪ আনা ১ রতি সোনা সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রদান করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১২ সালে তাদের ঘর থেকে ওই সোনার গহনাগুলো চুরি হয়ে যায়। সে সময় অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সোনার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

দীর্ঘ সময় পর ২০২৪ সালে সাবিনা ইয়াসমিন জানতে পারেন যে, তার স্বামীর বড় ভাই আবু হানিফ (যিনি মাইনীমুখ বাজারের ‘ঢাকা বীজ ভাণ্ডার’-এর মালিক এবং গাউসপুরের বাসিন্দা) ও তার পরিবারের সদস্যরা ওই চুরি হওয়া সোনা চট্টগ্রামের একটি জুয়েলার্সে বন্ধক রেখেছেন।

চট্টগ্রামের ‘উমা জুয়েলার্স’-এর মালিক অমল বাবু জানান, ২০১২ সালের ১৫ মে এক ভরি তেরো আনা তিন রতি সোনা বিক্রির জন্য আনা হয়েছিল। দোকানের ক্রয়কৃত মেমো না থাকার কারণে সেটি বন্ধক রাখা হয় এবং ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। সে সময় দোকানে আবু হানিফ, রাবেয়া ও মেহরাজ উপস্থিত ছিলেন। তবে মেহরাজের নামে সোনাটি এন্ট্রি করা হয় এবং খাতায় তার স্বাক্ষর রয়েছে। বাকী সোনা কোথায় বিক্রি করা হয়েছে সে বিষয়ে জুয়েলার্স মালিক কিছু বলতে পারেননি।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত আবু হানিফের সঙ্গে সোনার বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি তা অস্বীকার করেন।

স্বামী রমজান জানান, তাদের বিবাহিত জীবনে স্ত্রীকে দেওয়া সোনা তার ভাই ঘর থেকে চুরি করেছিলেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন পারিবারিক অসন্তোষ চলতে থাকে এবং একপর্যায়ে ২০২৪ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। পরবর্তীতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর চট্টগ্রামের উমা জুয়েলার্সে ১ ভরি তেরো আনা তিন রতি সোনা বন্ধক দেওয়ার সন্ধান পান তারা। বাকি সোনা কোথায় বিক্রি করা হয়েছে তা তার জানা নেই।

চুরি হওয়া সোনা ও এর সঙ্গে জড়িতদের সন্ধান পাওয়ার পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে লংগদু থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

লংগদু থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে পুলিশ জানায়, অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাণেতে হোটেলে দেহব্যবসার অভিযোগে উদ্ধার টেলিভিশন অভিনেত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


ঠাণেতে হোটেলে দেহব্যবসার অভিযোগে উদ্ধার টেলিভিশন অভিনেত্রী

ভারতের মহারাষ্ট্রের ঠাণেতে মানব পাচার ও দেহব্যবসার অভিযোগে একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫ বছর বয়সী এক টেলিভিশন অভিনেত্রীকে। পুলিশের দাবি, বিনোদনজগতের সঙ্গে যুক্ত নারীদের জোরপূর্বক দেহব্যবসায় বাধ্য করার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের কার্যক্রম এটি।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর ঠাণের মীরা-ভয়ন্দর রোডের একটি হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানের জন্য একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়। অভিযানে তবস্সুম ওরফে সোনিয়া উমর কুরেশি (৩৯) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশের একজন সদস্য ক্রেতার ছদ্মবেশে ওই হোটেলে প্রবেশ করেন। পরে অর্থ লেনদেনের সময় অভিযান চালিয়ে তবস্সুমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া অভিনেত্রী হিন্দি টেলিভিশন ধারাবাহিক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেন। উদ্ধারের পর তাকে মুম্বাইয়ের রেসকিউ ফাউন্ডেশনে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। তবে তার নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ তার পরিচয় প্রকাশ করেনি। কীভাবে তিনি ওই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

পুলিশের অভিযোগ, তবস্সুম ও তার এক পুরুষ সহযোগী বিনোদনজগতের নারীদের লক্ষ্য করতেন। টেলিভিশন ধারাবাহিক, ওয়েব সিরিজ ও ফটোশুটে কাজ করা নারীদের জোর করে দেহব্যবসায় নামানোর সঙ্গে তারা জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুরুষ সহযোগী পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ছত্তিশগড়ের সুরগুজা জেলার বাসিন্দা তবস্সুম মুম্বাইয়ের যোগেশ্বরী এলাকায় বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৪৩ ধারা এবং অনৈতিক পাচার (প্রতিরোধ) আইনের একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিলেন স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


গাজীপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিলেন স্বামী

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের কারণে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে (২৫) হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী উদ্ভব দাসের বিরুদ্ধে। সীমাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর উদ্ভব দাস জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনার খবর দেন। পুলিশ পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এই নির্মম ঘটনা ঘটে। নিহত সীমা রানী দাস একই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। অভিযুক্ত স্বামী উদ্ভব দাস ওই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক জানান, স্ত্রীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর উদ্ভব নিজেই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সীমা রানীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল এবং ঘরের বিভিন্ন স্থানে রক্তের ছাপ দেখা গেছে। ঘরের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে সেখানে ধস্তাধস্তি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পারিবারিক কলহের কারণে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্ত্রীকে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি আরও জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। তার গলায় ও মাথায়ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে চার টুকরো করে ব্যাগে ভরে রাখার অভিযোগে স্বামী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


স্ত্রীকে চার টুকরো করে ব্যাগে ভরে রাখার অভিযোগে স্বামী আটক

রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি বাড়ি থেকে পুলিশ শিরিন বেগম নামে এক নারীর চার টুকরা মরদেহ উদ্ধার করেছে।

রোববার (১২ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে একটি ব্যাগে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সন্দেহের কারণে ঝগড়ার এক পর্যায়ে শিরিন বেগমের স্বামী দুলাল হাওলাদার তাকে হত্যা করে এবং পরে লাশটি চার টুকরা করে। এরপর তিনি লাশের টুকরোগুলো একটি ব্যাগে রাখেন।

এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুলাল হাওলাদারকে আটক করেছে। জানা গেছে, দুলাল পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক।

যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এস এম মঈন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক কলহের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশের একটি সূত্র জানায়, শিরিন দীর্ঘদিন মধ্যপ্রাচ্যে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি স্বামীর সঙ্গে দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। শিরিনের মোবাইলে অন্য কারও সঙ্গে নিয়মিত কথা বলার কারণে তার স্বামী সন্দেহ করতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দুই দিন ধরে ঝগড়া চলছিল। রোববার গভীর রাতে বাড়ির মালিক ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পরে পুলিশ গিয়ে শিরিনের মরদেহ উদ্ধার করে।

জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের সূত্র জানায়, দুলাল রোববার শিরিনকে হত্যা করেন। পরে তিনি লাশটি চার টুকরা করে একটি ব্যাগে ভরে রাখেন। পুলিশ ব্যাগে শিরিনের মাথা, গলা ও দুই পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পায়।

যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%