বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৯ পি.এম
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সিএনএনের সাংবাদিক কেটলান কলিন্সের উপস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এ বিষয়ে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়।
ট্রাম্প প্রশাসন পূর্বে সিএনএনসহ আরও দুটি প্রধান সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশ এবং ব্রিফিংয়ে অংশগ্রহণের অনুমতি বাতিল করে।
ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে ট্রাম্প কেটলান কলিন্সকে ‘তৃতীয় শ্রেণির প্রতিবেদক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সংবাদকক্ষে সাংবাদিকেরা তার উপস্থিতি নিয়ে এত সমালোচনা করছেন।
এর আগে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ট্রাম্পকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সমাপ্তি সম্পর্কে জানতে চান কলিন্স। ট্রাম্পের জবাব ছিল, "আপনার এখানে থেকে আমাকে কভার করা উচিত নয়। আপনি বলেছিলেন, আমাকে কভার করবেন না।"
কলিন্স তার জবাবে বলেন, জাতিসংঘ স্বাধীনভাবে তাকে এবং সিএনএনকে ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের বিতর্কের খবর সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছে।
পরে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেকটি পোস্টে বলেন, সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে তার প্রেসিডেন্ট হওয়ার বিষয়টি নিয়ে একটি ‘আসক্তি’ রয়েছে। তিনি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ‘অসুস্থ, বিশ্বাসঘাতক ও বিকৃত’ বলেও মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের প্রেস অ্যাক্সেস বাতিলের সিদ্ধান্তের আওতায় সিএনএনের পাশাপাশি পলিটিকো ও এমএস নাওয়ের সাংবাদিকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সে কাজ করার এবং ব্রিফিংয়ে অংশ নেওয়ার অনুমতি বাতিল করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমগুলো আদালতে মামলা করেছে। নির্বাহী ক্ষমতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে ওয়াশিংটনে এ আইনি লড়াই এখনও চলছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সেতু রয়েছে, কিন্তু সেতুতে ওঠার জন্য কোনো রাস্তা নেই! কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বালাটারী গ্রামে মরা তিস্তা খালের ওপর ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৩০ মিটার দীর্ঘ সেতুর চিত্র এমনই।
কিছু বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু, দুপাশে সংযোগ সড়ক না থাকার কারণে স্থানীয়রা সেতুটি ব্যবহার করতে পারছেন না। সরকারি অর্থে নির্মিত এই সেতুটি বর্তমানে অনেকটা অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
ফলস্বরূপ, সেতু দিয়ে খাল পার হওয়ার সুযোগ থাকলেও সংযোগ সড়ক না থাকার কারণে চাকিরপশার ও নাজিমখান ইউনিয়নের অন্তত আটটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে বিকল্প পথে প্রায় ৩ কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে তাদের সময় ও ভোগান্তি দুটিই বাড়ছে।
রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বালাটারী গ্রামে মরা তিস্তা খালের ওপর ৩০ মিটার সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৭৮ লাখ টাকা। কাজটি বাস্তবায়নের জন্য কুড়িগ্রামের মেসার্স শীতল কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মোকছেদুল হকের সঙ্গে চুক্তি হয়।
নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রথমে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং পরে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। এর মধ্যে মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, সেতুটি নির্মাণের আগে মরা তিস্তা খাল পারাপারে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ছিল। সেতু নির্মাণের পর সেই দুর্ভোগ দূর হওয়ার আশা করেছিলেন তারা। কিন্তু, সংযোগ সড়ক না থাকায় তাদের সেই আশা হতাশায় পরিণত হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, নির্মাণকাজের সময় কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ থাকলেও সে সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কারণে কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারেননি বলে দাবি স্থানীয়দের। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে দেখা হবে।
কাজটির মূল ঠিকাদার মোকছেদুল হক বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানান, খুব দ্রুতই সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। সাব-ঠিকাদার রাকিবুজ্জামান রাকিব বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঠিকাদারকে এখনো সম্পূর্ণ বিল দেওয়া হয়নি। চলতি মাসে সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ না হলে চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কাজের মান নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—যে সেতু মানুষের চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে, সংযোগ সড়ক ছাড়া সেই সেতু কবে মানুষের কাজে আসবে? তারা দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি ব্যবহার উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাপানের পূর্বাঞ্চলে চলতি সপ্তাহের শুরুতে আঘাত হানা টাইফুন দুজুয়ানে ভূমিধস ও বন্যার ফলে মৃতের সংখ্যা ৯ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় এখনো চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করে।
কানাগাওয়া প্রিফেকচারে এক নারীর এবং টোকিওর পূর্বে চিবা প্রিফেকচারে পানিতে ডুবে থাকা একটি গাড়ি থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে যায়।
ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক এলাকায় ভারি বৃষ্টি ও বন্যা দেখা দেয়। নিহত ৯ জনের মধ্যে চিবা প্রিফেকচারে ৬ জন এবং রাজধানী টোকিওর দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত কানাগাওয়া প্রিফেকচারে ৩ জন মারা গেছেন।
মৌসুমের ২৫তম টাইফুন দুজুয়ান বুধবার পর্যন্ত চলা পাঁচ দিনের ‘সিলভার উইক’ ছুটির মধ্যে জাপানে আঘাত হানে। ঝড়ের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চিবা এলাকা। এর আগে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের শুরুতেও সেখানে ভারি বৃষ্টি ও বন্যা হয়েছিল।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে জাপানের পূর্বদিকে অবস্থান করার সময় দুজুয়ান দুর্বল হয়ে টাইফুন থেকে সাধারণ ঝড়ে পরিণত হয়।
সূত্র: জাপান টুডে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো আগামী ৬ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করতে চায়। তবে, নির্বাচনের শুরু এবং শেষের সময়সূচি সম্পর্কে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন এবং অফিসগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজান, এসএসসি পরীক্ষা এবং ডিসেম্বরের বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারে। ভোটকেন্দ্র হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
চলতি বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম জানান, ইসির দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী তার মনে হচ্ছে, নির্বাচন আগামী বছর শুরু হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইসিকেই নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এ মাসের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আবার বৈঠক হতে পারে। সেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন এবং ইসি নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষ থেকে চাওয়া হচ্ছে, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো শেষ করা হোক। তবে, নির্বাচনের শুরুটা কখন হবে, তা সরকার নির্ধারণ করবে না।
মীর শাহে আলম জানান, পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে ইসির প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রায় দুই হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং উপজেলা নির্বাচনে দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।
পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তুলনামূলক কম অর্থ প্রয়োজন হবে বলে তিনি জানান। তার ভাষ্য, সম্ভাব্য এ ব্যয়ের পরিমাণের কাছাকাছি অর্থ দেওয়ার প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে। তবে, চূড়ান্ত হিসাবের সঙ্গে এর কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পড়বে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা কঠিন। কারণ নির্বাচনের দিনক্ষণই এখনও ঠিক হয়নি।
সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জয়ের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে- প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ প্রশ্নটা ওনাকে করলেই ভালো হতো। যেহেতু উনি মনে করছেন, এ ব্যাপারে আমি উত্তর দেব না।
তিনি আরও বলেন, এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীও হননি। তাই প্রার্থীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে কি না, তা বলার সময় এখনও আসেনি। নির্বাচন হলে তখন মানুষের প্রতিক্রিয়া বোঝা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাদক শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং এটি ধীরে ধীরে একটি পরিবার এবং সমাজকেও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সচেতনতা এবং নৈতিক পরিবর্তনও প্রয়োজন। এই চিন্তাভাবনা থেকেই চাঁদপুরের কচুয়া থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলাম আকাশ একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত শাহজালাল ও হেলাল নামের দুই ব্যক্তিকে বারবার মামলা ও আইনি প্রক্রিয়ার সম্মুখীন করার পরও যখন তারা জামিনে বের হয়ে একই কাজে ফিরে যাচ্ছিলেন, তখন তাদের সংশোধনের জন্য ভিন্ন পথ বেছে নেন ওসি আজিজুল ইসলাম।
এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের থানায় ডেকে এনে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার উদ্দেশ্যে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠানো হয়।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার আকানিয়া-নাছিরপুর গ্রামের ওই দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মাদক মামলা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু জামিনে মুক্ত হয়ে তারা আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ ছিল।
এ পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি তাদের জীবনধারায় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেন ওসি। তার উদ্যোগে ওই দুই ব্যক্তিকে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠানো হয়।
তিন দিনের তাবলিগ শেষে মঙ্গলবার জোহরের নামাজ আদায় করে তারা কচুয়া থানায় এসে ওসি আজিজুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে নতুনভাবে জীবন শুরু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তারা প্রতিশ্রুতি দেন, এখন থেকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন, প্রতি মাসে তিন দিন তাবলিগে যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং আর কখনো মাদক ব্যবসা কিংবা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত হবেন না।
ওসি মো. আজিজুল ইসলাম আকাশ বলেন, "শুধু মামলা দিয়ে সব সময় মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। তাদের নৈতিকভাবে পরিবর্তন করতে হবে। আমরা চাই তারা সত্যিকারের ভালো মানুষ হয়ে সমাজে ফিরে আসুক।" দুজনের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
তার এই উদ্যোগে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি যারা ভুল পথে জড়িয়ে পড়েছে, তাদের সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া গেলে সমাজে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ