ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মীর শাহে আলম: স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী বছরের প্রথম দিকে শুরু হবে


মীর শাহে আলম: স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী বছরের প্রথম দিকে শুরু হবে

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো আগামী ৬ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করতে চায়। তবে, নির্বাচনের শুরু এবং শেষের সময়সূচি সম্পর্কে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন এবং অফিসগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজান, এসএসসি পরীক্ষা এবং ডিসেম্বরের বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারে। ভোটকেন্দ্র হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

চলতি বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম জানান, ইসির দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী তার মনে হচ্ছে, নির্বাচন আগামী বছর শুরু হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইসিকেই নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এ মাসের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আবার বৈঠক হতে পারে। সেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন এবং ইসি নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষ থেকে চাওয়া হচ্ছে, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো শেষ করা হোক। তবে, নির্বাচনের শুরুটা কখন হবে, তা সরকার নির্ধারণ করবে না।

মীর শাহে আলম জানান, পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে ইসির প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রায় দুই হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং উপজেলা নির্বাচনে দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তুলনামূলক কম অর্থ প্রয়োজন হবে বলে তিনি জানান। তার ভাষ্য, সম্ভাব্য এ ব্যয়ের পরিমাণের কাছাকাছি অর্থ দেওয়ার প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে। তবে, চূড়ান্ত হিসাবের সঙ্গে এর কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পড়বে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা কঠিন। কারণ নির্বাচনের দিনক্ষণই এখনও ঠিক হয়নি।

সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জয়ের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে- প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ প্রশ্নটা ওনাকে করলেই ভালো হতো। যেহেতু উনি মনে করছেন, এ ব্যাপারে আমি উত্তর দেব না।

তিনি আরও বলেন, এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীও হননি। তাই প্রার্থীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে কি না, তা বলার সময় এখনও আসেনি। নির্বাচন হলে তখন মানুষের প্রতিক্রিয়া বোঝা যাবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে দোয়া চাইলেন ওসি মো. আজিজুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে দোয়া চাইলেন ওসি মো. আজিজুল ইসলাম

মাদক শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং এটি ধীরে ধীরে একটি পরিবার এবং সমাজকেও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সচেতনতা এবং নৈতিক পরিবর্তনও প্রয়োজন। এই চিন্তাভাবনা থেকেই চাঁদপুরের কচুয়া থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলাম আকাশ একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত শাহজালাল ও হেলাল নামের দুই ব্যক্তিকে বারবার মামলা ও আইনি প্রক্রিয়ার সম্মুখীন করার পরও যখন তারা জামিনে বের হয়ে একই কাজে ফিরে যাচ্ছিলেন, তখন তাদের সংশোধনের জন্য ভিন্ন পথ বেছে নেন ওসি আজিজুল ইসলাম।

এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের থানায় ডেকে এনে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার উদ্দেশ্যে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠানো হয়।

জানা যায়, কচুয়া উপজেলার আকানিয়া-নাছিরপুর গ্রামের ওই দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মাদক মামলা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু জামিনে মুক্ত হয়ে তারা আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ ছিল।

এ পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি তাদের জীবনধারায় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেন ওসি। তার উদ্যোগে ওই দুই ব্যক্তিকে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠানো হয়।

তিন দিনের তাবলিগ শেষে মঙ্গলবার জোহরের নামাজ আদায় করে তারা কচুয়া থানায় এসে ওসি আজিজুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে নতুনভাবে জীবন শুরু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারা প্রতিশ্রুতি দেন, এখন থেকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন, প্রতি মাসে তিন দিন তাবলিগে যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং আর কখনো মাদক ব্যবসা কিংবা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত হবেন না।

ওসি মো. আজিজুল ইসলাম আকাশ বলেন, "শুধু মামলা দিয়ে সব সময় মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। তাদের নৈতিকভাবে পরিবর্তন করতে হবে। আমরা চাই তারা সত্যিকারের ভালো মানুষ হয়ে সমাজে ফিরে আসুক।" দুজনের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

তার এই উদ্যোগে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি যারা ভুল পথে জড়িয়ে পড়েছে, তাদের সংশোধনের সুযোগ করে দেওয়া গেলে সমাজে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী ছয় মাসে ‘বিস্ময়কর’ গরমের আভাস, সাড়ে ৪ লাখ মৃত্যু শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


আগামী ছয় মাসে ‘বিস্ময়কর’ গরমের আভাস, সাড়ে ৪ লাখ মৃত্যু শঙ্কা

আগামী ছয় মাসে এল নিনোর কারণে ব্যাপক তীব্রতার ফলে বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে, এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন জলবায়ু বিজ্ঞানীরা।

জলবায়ু সংকটের কারণে ইতিমধ্যে বেড়ে যাওয়া তাপমাত্রার সঙ্গে যুক্ত হবে এই অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা। ইন্দোনেশিয়া, ভারত, নাইজেরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এর প্রভাব পড়বে। এল নিনোর সঙ্গে যুক্ত খরা, দাবানল এবং বন্যার কারণে আরও অনেক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গবেষকরা আঞ্চলিক পর্যায়ে এই তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যা নিরূপণ করেছেন। তাদের মতে, এই পূর্বাভাসের মাধ্যমে নির্ধারণ করা সম্ভব হবে কোথায় মানুষকে রক্ষা করার ব্যবস্থা নিলে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। এর মধ্যে উন্নত তাপ পূর্বাভাস ব্যবস্থা, শীতাতপ কেন্দ্র, চিকিৎসাকেন্দ্রে বাড়তি জনবল এবং বাইরে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

বর্তমানে এল নিনো বিশ্ব উষ্ণ করে তুলছে, যা সোমবার ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে, যা প্রত্যাশিত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগে ঘটেছে। আগের ঘটনাগুলোর তুলনায় এই তাপ এতটাই বেশি যে বিজ্ঞানীরা একে ‘বিস্ময়কর’ এবং ‘গডজিলা-স্তরের’ বলে অভিহিত করেছেন। যদিও এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু ঘটনা, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে এর তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

এই প্রতিবেদনের সহলেখক এবং শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের সহপ্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মাইকেল গ্রিনস্টোন মন্তব্য করেন, ‘চার লাখ ৫১ হাজার মানুষের এই সংখ্যা এতটাই বড় যে এটা অনুভূতিশূন্য মনে হতে পারে। তবে এর মধ্যে আছেন বাবা-মা এবং সন্তানেরা, দাদা-দাদি এবং প্রতিবেশীরা, কর্মস্থলে যাওয়া মানুষ, পরিবারের যত্ন নেওয়া মানুষ, নিজেদের জীবনযাপন করা মানুষেরা।’

এই মৃত্যুর পূর্বাভাস সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের জন্য দেওয়া হয়েছে, যেখানে বর্তমান তাপমাত্রার পূর্বাভাস শেষ হচ্ছে। তবে ২০২৭ সালের জুন বা জুলাই পর্যন্ত তাপজনিত মৃত্যুর উচ্চ হার অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

আগামী ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশগুলো, যেমন নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সুদান, ভারত এবং ব্রাজিল। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ২০টি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে, যেখানে অতিরিক্ত ৩ হাজার ৫০০ তাপজনিত মৃত্যুর পূর্বাভাস রয়েছে। আফ্রিকার সাহেল অঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

গবেষকরা জানান, এল নিনো একটি ‘ভবিষ্যতের পোস্টকার্ড’ হিসেবেও কাজ করছে। কারণ এটি তাপমাত্রাকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে, যা জলবায়ু সংকট আগামী বিশ বছরে দেখাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্কলে শাখার এই প্রতিবেদনের আরেক সহলেখক ড. তাম্মা কার্লেটন বলেন, ‘জরুরি প্রতিক্রিয়া বাড়ানো এবং আমাদের প্রচেষ্টাকে আরও সঠিকভাবে লক্ষ্যবস্তু করতে পারলে এই বছর অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। তবে বিশ বছর পর, যখন আজকের চরম তাপমাত্রাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে, তখন আমরা যেন ক্রমাগত জরুরি অবস্থায় না থাকি। ভবিষ্যতে প্রাণ বাঁচাতে পারে এমন সরঞ্জাম নকশা, স্থাপন এবং মূল্যায়নের জন্য আমাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।’

বিশ্বের ২৪ হাজার ৩৭৮টি অঞ্চলে তাপমাত্রা এবং অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর মধ্যে মাস-ভিত্তিক সম্পর্ক অনুসরণকারী পর্যালোচিত পদ্ধতি ব্যবহার করে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে আগামী মাসগুলোতে এল নিনোর কারণে আরও তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস। ১৯৯৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত গড় মাসিক তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যাকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে।

গ্রিনস্টোন বলেন, ‘ফসলে কখন আঘাত আসতে পারে, তার পূর্বাভাস দেওয়া এবং আগাম সতর্কতা জানানো মানুষ আগে থেকেই করে আসছে। এই নতুন প্রতিবেদন আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে একই কাজ করার পথ খুলে দিচ্ছে, আমি বলবো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আর সেটা হলো মৃত্যু।’ তিনি জানান, এই প্রতিবেদনটি একটি পর্যালোচিত জার্নালে জমা দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতির জরুরি অবস্থার কথা বিবেচনায় এটি চেপে রাখা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা হবে।

এল নিনোর প্রভাবে খাদ্য সরবরাহও ব্যাহত হবে। আগস্টে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করে জানিয়েছিল, এর প্রভাবে প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ তীব্র ক্ষুধার মুখে পড়তে পারে এবং খাদ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে। ১৮৭৭-৭৮ সালের একটি বড় এল নিনোর কারণে খরা এবং দুর্ভিক্ষে পাঁচ কোটিরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যেখানে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারত, ব্রাজিল এবং চীন।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ফ্রেডেরিকে অটো সোমবার গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘বর্তমান এই এল নিনো ঘটনাটি জলবায়ু ব্যবস্থায় শক্তির এক বিশাল পুনর্বণ্টন এবং এটি বিপজ্জনক। কারণ এটি ঘটছে এমন এক জলবায়ু ব্যবস্থার ওপর, যা মানুষের প্রভাবে ইতিমধ্যেই অনেক বেশি উষ্ণ হয়ে উঠেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাই বিশ্বের অনেক জায়গায় আমরা এমন সব তাপ চরম অবস্থা দেখবো, যা আগে কখনো দেখা যায়নি, স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পানির সংকটের ওপর যার সবরকম প্রভাব পড়বে। এল নিনো আসে এবং যায়, তবে যতদিন আমরা জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়াতে থাকবো, ততদিন এটি ক্রমশ উষ্ণতর একটি ভিত্তির ওপর ঘটতে থাকবে, যা কমিউনিটিগুলোর জন্য এর প্রভাব সামাল দেওয়া আরও কঠিন করে তুলবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জাতিসংঘে ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ডে দুটি বড় সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


গ্রিনল্যান্ডে দুটি বড় সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্কের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তির আওতায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে দুটি বিশাল সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে জানিয়েছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাকাপোক্ত বা ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠিত হবে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে নিউইয়র্কে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা দ্রুতই উপযুক্ত জায়গায় বড় সামরিক উপস্থিতি গড়ে তোলার কাজ শুরু করব। সেখানে দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে।’

এই চুক্তির ফলে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সব বিষয়ের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি আরও বলেন, এর মাধ্যমে শুধু আমেরিকা মহাদেশ নয়, বরং ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল রক্ষায় যা করা দরকার, তা করার পূর্ণ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে চলে আসবে।

ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শত্রু দেশ আর কখনো গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাটি তৈরি করতে পারবে না। এমনকি আমাদের লিখিত অনুমতি ছাড়া সেখানে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা সংবেদনশীল বিনিয়োগও করা যাবে না।’

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রচুর খনিজ সম্পদের কারণে বরাবরই আমেরিকার নজর কেড়েছে। বিশেষ করে ওই এলাকায় চীন ও রাশিয়ার তৎপরতা বাড়ায়, গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইচ্ছা ট্রাম্প এর আগেও বেশ কয়েকবার প্রকাশ করেছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রী: বাজেটে শিক্ষা খাতের বরাদ্দ ধাপে ধাপে বাড়বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রী: বাজেটে শিক্ষা খাতের বরাদ্দ ধাপে ধাপে বাড়বে

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের উন্নয়নের জন্য শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার জন্য শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট মিলনায়তনে মার্কেটিং বিভাগ অ্যালামনাই আয়োজিত বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য শুধুমাত্র সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। দেশের বৃহৎ উদ্যোক্তাদেরও শিক্ষা ও শিল্পের যৌথ অংশীদারিত্বে এগিয়ে আসতে হবে। তবে বর্তমানে দেশের বড় উদ্যোক্তারা শিক্ষা ও শিল্পের মধ্যে যৌথ অংশীদারিত্বের বিষয়ে যথেষ্ট মনোযোগী নন।

তিনি বেসরকারি খাতের বড় উদ্যোক্তাদের শিক্ষা খাতে আরও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মতো ভিসির পদ ছেড়ে রাজনৈতিক সংগঠনের সভাপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে বর্তমান সরকার প্রশ্রয় দেবে না।

আওয়ামী লীগ শাসনামলের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে অত্যাচারিত ও নিপীড়িত পরিবার হলো শহিদ জিয়ার পরিবার।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও মেধা বিকাশে বৃত্তির গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের ৯০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার টাকা করে মোট ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা খাতে সরকারি বরাদ্দ ধাপে ধাপে বাড়ানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং আগামীর বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%