বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৭ পি.এম
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার লচনা এলাকায় সাতগাঁও হাইওয়ে থানার সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। তিনি হলেন—শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভৈরবগঞ্জ বাজারের মাজদিহি এলাকার অমৃত সিংয়ের ছেলে জয় সিং (২৩)। অন্য দুই পুরুষের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের মিরপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ‘আলম এশিয়া’ পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাস এবং একটি অটোরিকশা লচনা এলাকায় পৌঁছালে বাসটি অটোরিকশাটিকে সজোরে চাপা দেয়। এই ঘটনায় সিএনজির ভেতরে থাকা তিনজন যাত্রী চাপা পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাভীদ রাইয়ান বিন শহিদ জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল সাতগাঁও হাইওয়ে থানার ওসি মামুনুর রহমান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অন্য দুজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
বর্তমানে লাশগুলো শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে, আজকের দিনের তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এই সংস্থা।
বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য এই পূর্বাভাস প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঘি বা পরিশোধিত মাখন রান্নাঘরে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উৎসবের মিষ্টিতে, পায়েসে কিংবা মুখরোচক বিরিয়ানি রান্নায় স্বাদটা আরও ভালো করার জন্য এক চামচ ঘিয়ের তুলনা নেই।
যখন কোনো খাবার নিরাপদ এবং সুস্বাদু মনে হয়, তখন সাধারণত মানুষ সেটির পরিমাণ সম্পর্কে চিন্তা করে না। এই চিন্তার অভাব থেকেই স্বাস্থ্যগত উদ্বেগ সৃষ্টি হতে পারে।
ঘি কেন এত নিরাপদ মনে হয়
আয়ুর্বেদের প্রাচীন শাস্ত্রে ঘিকে শুধুমাত্র রান্নার তেল বা চর্বি হিসেবে নয়, বরং স্বাস্থ্য ও সুস্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে। ঘিতে প্রায় ৬২ শতাংশ স্যাচুরেটেড ফ্যাট বিদ্যমান এবং ১০০ গ্রাম ঘিতে প্রায় ৮৮৩ কিলো ক্যালরি শক্তি মজুত থাকে। অর্থাৎ, খুব অল্প পরিমাণের একটি খাবারে যথেষ্ট শক্তি লুকিয়ে থাকে, যা আমরা অনেক সময় অজান্তেই গ্রহণ করে ফেলি।
ডালে ফোড়ন দেওয়ার সময় এক চামচ, ভাতে আরেকটু, রুটির সঙ্গে আরও এক চামচ এইভাবে ঘি ব্যবহার করলে স্বাদ অনেক উন্নত হয়। প্রতিবারের জন্য পরিমাণটা সামান্য এবং নিরীহ মনে হয়। কিন্তু দিনের পর দিন বা সপ্তাহজুড়ে এই পরিমাণগুলো মিলিয়ে মোট পরিমাণটি অনেকের কাছে বিস্ময়কর হতে পারে।
অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট আসলে কীভাবে প্রভাব ফেলে তা জানা জরুরি।
যখন স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি হয়, তখন রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল শরীর থেকে স্বাভাবিকভাবেই অদৃশ্য হয়ে যায় না। সময়ের সঙ্গে এটি ধমনির দেয়ালে জমতে পারে এবং ধীরে ধীরে রক্ত চলাচলের পথ সংকুচিত করে, যা হৃদযন্ত্রের জন্য ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রতিদিন কতটা ঘি খাওয়া ঠিক?
ঘি ভালো না খারাপ এই বিতর্কের মধ্যে মূল বিষয় প্রায়শই আড়ালে চলে যায়। আসলে বিষয়টি পরিমাণের সঙ্গে সম্পর্কিত। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্করা দৈনিক মোট রান্নার চর্বির অংশ হিসেবে প্রায় ১–২ চা চামচ ঘি গ্রহণ করতে পারেন। তবে তেল, ঘি ও মাখন মিলিয়ে দৈনিক মোট চর্বির পরিমাণ ব্যক্তির শারীরিক কার্যকলাপ ও ক্যালরির চাহিদার ওপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে এটি প্রায় ২০–৫০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে।
স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণও সীমিত রাখা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক স্বাস্থ্য নির্দেশিকায় দৈনিক মোট ক্যালরির ১০ শতাংশের কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়; কিছু ক্ষেত্রে আরও কম পরিমাণ লক্ষ্য করা হয়।
যাদের ইতোমধ্যে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস বা উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে, তাদের খাদ্যাভ্যাস ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ঠিক করা উচিত। চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ঘির পরিমাণ কমিয়ে সরিষা, চিনাবাদাম বা তিলের মতো উদ্ভিজ্জ তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।
ঘিকে ক্ষতিকারক ভাবার প্রয়োজন নেই। বরং বেশি ব্যবহারের পরিবর্তে পরিমাপ অনুযায়ী রান্নায় ব্যবহার করাই যথেষ্ট। পরিমাণটা ঠিক রাখতে পারলে এটি শরীরের জন্য উপকারী।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ক্যারিয়ারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য একটি রেকর্ড উদযাপন করে মাত্র পাঁচ দিন আগে ছিলেন অভিষেক শর্মা। পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পাঁচ দিন পর, জাপানের বিপক্ষে একটি ভিন্ন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে নতুন একটি টি-টোয়েন্টি রেকর্ড গড়লেন।
মঙ্গলবার সানোতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে গোল্ডেন ডাক মেরে আউট হন এই ভারতীয় ওপেনার। মাত্র একটি বল মোকাবিলা করে চার্লি হারা হিঞ্জের বলে টপ এজ হয়ে শোমা সুগায়া স্লেটারের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি ছিল তার দশম শূন্য। কোনো একক পঞ্জিকাবর্ষে এটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। আফগানিস্তানের রশিদ খানকে পেছনে ফেলে তিনি এই তালিকায় প্রথম স্থান দখল করেছেন, যিনি ২০১৯ সালে নয় বার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। পাকিস্তানের শাদাব খানও ২০২৪ সালে নয়টি শূন্যের রেকর্ড গড়েছিলেন।
এই বৈসাদৃশ্য সত্যিই বিস্ময়কর। এর পাঁচ দিন আগে, নয়াদিল্লিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ৩৪ বলে ১০৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন অভিষেক। মাত্র ৩০ বলে পূর্ণ করেছিলেন নিজের সেঞ্চুরি।
এটি ছিল কোনো ভারতীয় ব্যাটারের দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। রোহিত শর্মার আগের রেকর্ড ৩৫ বল ভেঙে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন। পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে এটি ছিল তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি।
মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে ৩০ বলে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি থেকে প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হয়ে, অভিষেকের জন্য এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড। ২৬ বছর বয়সী এই তারকা নিশ্চয়ই এমন একটি রেকর্ড চাননি।
তার আউট হওয়ার ঘটনাটি যেন ইঙ্গিত দিচ্ছিল, ভারতের জন্য দিনটি হতে যাচ্ছে বিস্ময়করভাবে কঠিন। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি পাঁচ ওভারে নামিয়ে আনা হয়।
পাঁচ ওভারে ভারত মাত্র ৩০ রান তুলতে সক্ষম হয় এবং হারায় চার উইকেট। এরপর ঐতিহাসিক এক অঘটনের কাছাকাছি পৌঁছে যায় জাপান। তারা তিন উইকেট হারিয়ে ৩০ রানে থেমে যায় এবং মাত্র দুই রানের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত। শেষ ওভারে একটি ওয়াইড বল নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
অভিষেকের জন্য ২০২৬ সাল নিঃসন্দেহে চরম উত্থান-পতনের একটি বছর হয়ে থাকলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গালে ও থুতনিতে কালচে ছোপ পড়া মূলত লিভারের সমস্যা অথবা হরমোনের ভারসাম্যের অভাবের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে। তবে এটি সরাসরি কোনো রোগ নয়, বরং শরীরের ভেতরের কোনো সমস্যার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে। কারণ, লিভারের অসুখের কিছু লক্ষণ মুখের ওপরও ফুটে ওঠে। ব্রণও হতে পারে। সেগুলো সাধারণভাবে এড়িয়ে গেলে বিপদ ঘটতে পারে।
লিভারের রোগের লক্ষণ সাধারণত আগে থেকে বোঝা যায় না। অনেকেই মনে করেন, লিভারের অসুখ মানে জন্ডিস বা পেট ভার কিংবা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দেবে। ঘন ঘন অম্বলও ভোগাবে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে তা নাও হতে পারে।
লিভারের রোগের এমন কিছু উপসর্গ রয়েছে, যা মুখে ফুটে ওঠে। সেসব লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, লিভার মোটেও ভালো নেই। যদি লিভারে মেদ জমে ফ্যাটি লিভার হয়ে থাকে, তাহলেও এর উপসর্গ ত্বক, চোখ ও মুখে দেখা দিতে থাকে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, লিভারের রোগের যে লক্ষণ মুখে ফুটে ওঠে—
চোখ ও ত্বক হলদে ভাব দেখা দেওয়া। লিভারের সমস্যা হলে মুখে যে লক্ষণটি সবচেয়ে আগে ফুটে ওঠে, তা হলো চোখ ও মুখের ত্বকে হলদেটে ছোপ দেখা যায়। অনেক সময়ে ত্বকের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যেতে পারে। লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তে থাকা বিলিরুবিন নামক এক ধরনের হলুদ রঞ্জকের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই বিলিরুবিন রক্তের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে চোখের সাদা অংশ, মুখের ত্বকে। তখন রঙে এমন বদল ঘটে।
স্পাইডার অ্যানজিওমা
গাল ও নাকের পাশে কিংবা থুতনিতে সূক্ষ্ম লাল শিরার মতো ফুটে ওঠে। লিভার সঠিকভাবে কাজ না করলে আপনার শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। আর রক্তে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে গেলে মুখের ত্বকের ঠিক নিচে থাকা ছোট রক্তনালিগুলো প্রসারিত ও স্ফীত হয়ে যায়। তখন দেখতে লাগে মাকড়সার জালের মতো। সে জন্য চিকিৎসকরা এ রোগকে স্পাইডার অ্যানজিওমা বলে থাকেন।
গালে কালচে দাগ
লিভার যখন রক্ত থেকে টক্সিন কিংবা বিষাক্ত উপাদান বের করতে পারে না, ঠিক তখন আপনার শরীরের বিপাকক্রিয়ায় ত্রুটি দেখা দেয়। এর প্রভাবে ত্বকের মেলানোসাইট কোষগুলো অতিরিক্ত মেলানিন রঞ্জক তৈরি করতে থাকে। ফলে গালে ও থুতনিতে কালচে ছোপ পড়ে যায়।
থুতনি ও চোয়ালে ব্রণ
লিভার দুর্বল হলে অ্যান্ড্রোজেন ও ইস্ট্রোজেন হরমোন বেড়ে যায়, যা মুখের সিবেসিয়াস গ্রন্থিকে অতিরিক্ত তেল নিঃসরণে বাধ্য করে। ফলে গাল, থুতনি ও চোয়ালে ব্রণ বের হয় এবং তা সারতে চায় না। অনেক সময়ে মেছতার দাগও দেখা দিয়ে থাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ