ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবার কি গোল্ডেন বুট জিতবেন মেসি, যা বলছে হিসাব


এবার কি গোল্ডেন বুট জিতবেন মেসি, যা বলছে হিসাব

বর্তমান ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ কঠিন সময়ে বারবার অধিনায়ক লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনাকে উদ্ধার করেছেন। শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর তিনি একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলকে জয়ের পথে ফেরান। এছাড়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের শেষ পাঁচ মিনিটে তিনি দুটি গোলের সুযোগ তৈরি করে নাটকীয়ভাবে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে নিয়ে যান।

এবারের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি অ্যাসিস্টের মাধ্যমে মেসির গোলসংখ্যা বেড়ে ৮টি হয়েছে এবং অ্যাসিস্ট ৪টিও হয়েছে।

এই জন্য গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তিনি ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পিছনে ফেলে দিয়েছেন। এমবাপ্পের গোল সংখ্যা ৮টি, কিন্তু তার অ্যাসিস্ট ৩টি। সমান গোল হলে বেশি অ্যাসিস্ট থাকার কারণে বর্তমানে মেসি এগিয়ে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তবে, ফাইনালে ওঠার পরেও আর্জেন্টাইন অধিনায়ক গোল্ডেন বুট নিশ্চিত করেনি। যদি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এমবাপ্পে অন্তত একটি গোল করেন এবং স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসি গোল করতে ব্যর্থ হন, তাহলে ৯ গোল নিয়ে এমবাপ্পে গোল্ডেন বুট জিতে যাবেন।

আরেকটি সম্ভাবনাও রয়েছে। স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবাল বর্তমানে ৫ গোল করেছেন। যদি ফাইনালে তিনি চারটি গোল করতে সক্ষম হন এবং একই সময়ে মেসি ও এমবাপ্পে কোন গোল না করেন, তাহলে তিনি ৯ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের মালিক হবেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের শেষ পাঁচ মিনিটে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। ৮৫তম মিনিটে এনসো ফার্নান্ডেজের সমতাসূচক গোলে মেসি অ্যাসিস্ট প্রদান করেন। তারপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে বদলি খেলোয়াড় লাউতারো মার্তিনেজকে নিখুঁত পাস দিয়ে জয়সূচক গোলের সুযোগ তৈরি করেন তিনি।

২-১ গোলের নাটকীয় জয়ের পর, আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হা ম লা, শান্তি আলোচনা অনিবার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


রাশিয়া-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হা ম লা, শান্তি আলোচনা অনিবার্য

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে আবারও সংঘাতের তীব্রতা বাড়ছে। ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়ায় রুশ গাইডেড বোমা হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় একাধিক বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে এবং আশপাশের স্থাপনাগুলোরও ক্ষতি হয়েছে। ইউক্রেনের স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে ধ্বংসস্তূপের নিচে একজন এখনও আটকা পড়ে থাকতে পারেন।

কিয়েভ কর্তৃপক্ষ পাল্টা জবাবে জানাচ্ছে, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার শ্যাডো ফ্লিটের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলার দাবি করেছেন তারা। উক্ত নিরাপত্তা সংস্থা, এসজিআর, জানিয়েছে যে, লুইস-ওয়ান ও বান্দা নামের জাহাজ দুটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহার হচ্ছে।

রুশ অর্থনীতিতে জ্বালানি রফতানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন বারবার তেল শোধনাগারগুলোকে এবং রুশ সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করে তাদের হামলা চালানোর ঘটনা ঘটিয়েছে।

এদিকে, যুদ্ধের প্রায় সাড়ে চার বছর পর কূটনৈতিক উদ্যোগগুলি স্থবির হয়ে পড়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন যে, তুরস্ক মধ্যস্থতায় আগ্রহী হলেও বর্তমানে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর কোনো সম্ভাবনা নেই।

উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতির মধ্যে, বিদায়ী সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কিয়েভ পৌঁছেছেন। তিনি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন যেখানে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই, পশ্চিমা সামরিক সহায়তার অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পূর্বে দুই নেতা কিয়েভে নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুরান ঢাকা পুনর্গঠন: ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেই মহাপরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০১ এম


পুরান ঢাকা পুনর্গঠন: ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেই মহাপরিকল্পনা

সরকার পুরান ঢাকাকে ‘আরবান রি-জেনারেশন’ ধারণায় সাংহাই মডেলে পুনর্গঠনের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ করার লক্ষ্য রাখার মাধ্যমে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) আগামী তিন মাসের ভিতরেই কাজ শুরু করবে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া এমন বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তারা পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা তৈরির পরামর্শও দিয়েছেন।

বুড়িগঙ্গার তীরে গড়ে ওঠা পুরান ঢাকা এবং চীনের হুয়াংপু নদীর তীরে গড়ে ওঠা সাংহাই; এই দুটি শহরের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। কিন্তু আধুনিক, পরিকল্পিত সাংহাইয়ের তুলনায় পুরান ঢাকা নানা সমস্যায় ভুগছে। ‘৫২ বাজার ৫৩ গলি’ এলাকার অন্তর্ভুক্ত শতবর্ষী ভবন, সরু রাস্তা, অতিরিক্ত জনঘনত্ব, অগ্নিঝুঁকি ও তীব্র যানজট রয়েছে।

জরুরি মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স সময়মতো পৌঁছানো ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত নগরায়ণের পরিণামে পুরান ঢাকা এখন ঝুঁকিপূর্ণ ও বসবাসের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অনেক স্থানে পানি জমে থাকে, এবং সঠিকভাবে নিষ্কাশন হয় না। রাস্তার অবস্থা খারাপ। কোথাও আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে পারে না এবং অ্যাম্বুলেন্সের চলাচলও প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা অনেক বেশি।

এই বর্তমান বাস্তবতা পরিবর্তনের লক্ষ্যে সরকার পুরান ঢাকার জন্য একটি বিশাল মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সাংহাই মডেল অনুসরণ করে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে এলাকাটিকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরে রূপান্তর করতে চায় সরকার। এই লক্ষ্যে প্রকল্পের খসড়াও ইতিমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজউক। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, অনুমোদন মিললেই প্লটভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।

রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, হংকং, সাংহাই ও টোকিওর মতো শহরগুলো সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পুরান ঢাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেই আধুনিক নগরজীবন গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মৃতপ্রায় নগরজীবনে নতুন প্রাণ ফিরিয়ে আনাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরান ঢাকার ‘আরবান রি-জেনারেশন’ উদ্যোগটি ইতিবাচক। তবে সরাসরি বড় পরিসরে কাজ শুরু না করে আগে ব্লকভিত্তিক পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করে জনগণকে সম্পৃক্ত করা উচিত। একইসঙ্গে মেগা প্রকল্প সফল করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নগরবিদ ও পরিবেশকর্মী স্থপতি ইকবাল হাবিব জানিয়েছেন, সরকার, বেসরকারি খাত এবং জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন ধারণা বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ বা রাজউকের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে চার-পাঁচটি বড় প্রকল্প হাতে নেয়া যায়, তাহলে আগামী তিন বছরের মধ্যেই পুরান ঢাকায় দৃশ্যমান পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।

পুরান ঢাকার এই পুনর্গঠন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, তাহলে আগামী তিন মাসের মধ্যেই প্রাথমিক কাজ শুরু হতে পারে। পুরান ঢাকার বাসিন্দারা আধুনিক নগরের স্বপ্ন দেখছেন, তবে তাদের প্রত্যাশা, উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি যেন অক্ষুণ্ন রাখা হয়। তাদের বিশ্বাস, এতে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার একটি সুন্দর সমন্বয় গড়ে উঠবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের নির্দেশ পেলেই কি ‘অ্যাকশনে’ নামবে হুতিরা? চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৪ এম


ইরানের নির্দেশ পেলেই কি ‘অ্যাকশনে’ নামবে হুতিরা? চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

হরমুজ প্রণালীর পর এবার লোহিত সাগরেও জ্বালানি সরবরাহে বড় সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলা চালায়, তাহলে হুতিদের তেহরানের নির্দেশে বাব এল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স একাধিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে।

হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাব এল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুমকিও সামনে এসেছে। তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলা চালায়, তবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীকে এই জলপথ বন্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছে তেহরান।

সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের স্তরে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সেই বার্তাটি ইতোমধ্যে গোষ্ঠীটির কাছে পৌঁছে গেছে। তবে, এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা হুতি মুখপাত্র এখনো কোনো মন্তব্য করেননি।

গোষ্ঠীটির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি করছে, হুতিরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে, হোদেইদা উপকূল, এডেন উপসাগর ও বাব এল-মান্দেব প্রণালীর আশপাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোতায়েন করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী। তারা বর্তমানে শুধু চূড়ান্ত নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে।

জানা যাচ্ছে, প্রণালি বন্ধের সিদ্ধান্তে সরাসরি ভূমিকা রাখবেন ইয়েমেনে অবস্থিত ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-আইআরজিসির প্রতিনিধিরা।

এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হুতি নেতা আবদুল মালিক আল-হুতি। টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি জানিয়েছেন, সৌদি আরব যদি সংঘাতে আরও জড়িয়ে পড়ে, তাহলে দেশটির তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হয়ে যাবে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী এর মধ্যেই অচল হয়ে গেছে, এবং যদি বাব এল-মান্দেবেও অস্থিরতা তৈরি হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ একই সাথে ঝুঁকিতে পড়বে। লোহিত সাগরের এই রুট দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে, মান্দেবে হামলা বা জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে, তেলের বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা আসতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশের পর গাজায় ইসরাইলের ব্যাপক হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশের পর গাজায় ইসরাইলের ব্যাপক হামলা

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও অব্যাহত আছে ইসরাইলি আগ্রাসন গাজার ওপর। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মধ্য গাজার চারটি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, এরপর ব্যাপক বিমান হামলা চালায় দখলদার বাহিনী। এদিন গাজার দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের ঘটনা বাড়ছে।

যুদ্ধবিরতির আশায় যে বহু ফিলিস্তিনি ঘরে ফিরেছিলেন, তাদের জন্য সেই ঘর আবার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মধ্য গাজার বুরেইজ, মাগাজি, দেইর আল-বালাহ ও নুসেইরাত এলাকায় ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়ে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় তাদের ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, দক্ষিণ গাজায় নতুন করে হামলার খবর এসেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ইসরাইলি হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামলা চালানো হয়েছে দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি, খান ইউনিস ও গাজা সিটিতে।

গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে।

শুধু গাজা নয়, উত্তেজনা ছড়িয়েছে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও। হেবরনের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তা এলাকায় ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের সূত্রে। একই এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের কৃষিজমিতে আগুন দেয়ার এবং যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে।

পশ্চিম তীরে নতুন উত্তেজনা বেড়ে গেছে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে। ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ জানিয়েছেন, পশ্চিম তীরে নতুন ৩৪টি বসতি স্থাপনে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা প্রায় ৪৩ কোটি ডলারের বাজেট অনুমোদন করেছে। অপরদিকে, হামাসের কর্মকর্তা আবদুল রহমান শাদিদ ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধের পাশাপাশি পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটকে আরও জটিল করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%