ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশের পর গাজায় ইসরাইলের ব্যাপক হামলা


ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশের পর গাজায় ইসরাইলের ব্যাপক হামলা

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও অব্যাহত আছে ইসরাইলি আগ্রাসন গাজার ওপর। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মধ্য গাজার চারটি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, এরপর ব্যাপক বিমান হামলা চালায় দখলদার বাহিনী। এদিন গাজার দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের ঘটনা বাড়ছে।

যুদ্ধবিরতির আশায় যে বহু ফিলিস্তিনি ঘরে ফিরেছিলেন, তাদের জন্য সেই ঘর আবার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মধ্য গাজার বুরেইজ, মাগাজি, দেইর আল-বালাহ ও নুসেইরাত এলাকায় ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়ে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় তাদের ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, দক্ষিণ গাজায় নতুন করে হামলার খবর এসেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ইসরাইলি হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামলা চালানো হয়েছে দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি, খান ইউনিস ও গাজা সিটিতে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে।

শুধু গাজা নয়, উত্তেজনা ছড়িয়েছে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও। হেবরনের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তা এলাকায় ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের সূত্রে। একই এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের কৃষিজমিতে আগুন দেয়ার এবং যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে।

পশ্চিম তীরে নতুন উত্তেজনা বেড়ে গেছে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে। ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ জানিয়েছেন, পশ্চিম তীরে নতুন ৩৪টি বসতি স্থাপনে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা প্রায় ৪৩ কোটি ডলারের বাজেট অনুমোদন করেছে। অপরদিকে, হামাসের কর্মকর্তা আবদুল রহমান শাদিদ ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা যুদ্ধের পাশাপাশি পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটকে আরও জটিল করছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৩০ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক ও টরন্টো রুট চালুর পরিকল্পনায় ইউএস-বাংলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


২০৩০ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক ও টরন্টো রুট চালুর পরিকল্পনায় ইউএস-বাংলা

বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ১২ বছর ধরে সফলতার সঙ্গে যাত্রী পরিবহন করে ১৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউএস-বাংলা ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই একটি ড্যাশ-৮ কিউ৪০০ উড়োজাহাজ চালু করে ঢাকা থেকে যশোর রুটে উড়ান শুরু করে। বর্তমানে এই সংস্থাটি ২৫টি উড়োজাহাজের বহর নিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ২০টি গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে।

বর্তমান ইউএস-বাংলার বহরে তিনটি এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০, ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ সহ মোট ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে। যাত্রা শুরুর পর এই প্রতিষ্ঠানটি ৯০ শতাংশের বেশি অন-টাইম ফ্লাইট পরিচালনার রেকর্ডে আস্থাশীল রয়েছে। দেশের পাঁচটি অভ্যন্তরীণ রুট ছাড়াও ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এবং চীনের বিভিন্ন গন্তব্যে তারা ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

সংস্থাটি জানায়, ২০২৭ সালের মধ্যে আসন্ন ২১টি বোয়িং উড়োজাহাজ তাদের বহরে যুক্ত হবে। একই সঙ্গে কাঠমান্ডুর রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাহরাইন, কুয়েত, মদিনা, দাম্মাম, কলম্বো, জহুর বারু, পেনাং এবং হংকংসহ নতুন কিছু আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনারও পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৮ সালের মধ্য দিয়ে লন্ডন, রোমসহ ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা এবং ২০৩০ সালে নিউইয়র্ক ও টরন্টো এবং অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ফ্লাইট পরিচালনার উদ্দেশ্যে এগিয়ে চলছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

ইউএস-বাংলা আরও জানায়, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর ‘বেস্ট ডমেস্টিক এয়ারলাইন্স’ পুরস্কার অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশে এবং বিদেশে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি করছেন এবং তারা যাত্রীসেবার পাশাপাশি কার্গো পরিবহনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার তাগিদ, বিদায়ী মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে শেহবাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার তাগিদ, বিদায়ী মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে শেহবাজ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-কে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর। বুধবার (১৫ জুলাই) ইসলামাবাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বিদায়ী বৈঠকে সফররত বিদায়ী সার্ক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ারের সাথে তিনি এই তাগিদ প্রদান করেন। বৈঠকে তিনি বিদায়ী মহাসচিবের নিষ্ঠাপূর্ণ সেবা ও নেতৃত্বের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেন।

শেহবাজ শরিফ এই বৈঠকে সার্ক সনদের প্রতি পাকিস্তানের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াতে এই আঞ্চলিক ফোরামটিকে আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগের দিন, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-ও বিদায়ী সার্ক মহাসচিবের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সংস্থাটিকে গতিশীল করার জন্য জোরালো আহ্বান জানান। বৈঠকে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং সার্কের মূল লক্ষ্য অর্জনে পাকিস্তানের দৃঢ় ও ধারাবাহিক সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

আলাপচারিতায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সার্কের মূল সনদ মেনে চলার জন্য আবেদন জানান, যা এই অঞ্চলের জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও সুদৃঢ় আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যকরী হবে।

বিদায়ী সেক্রেটারি জেনারেল রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার তার মেয়াদকালে আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নিতে পাকিস্তানের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা এই বৈঠকগুলোকে দক্ষিণ এশিয়ার স্থবির হয়ে থাকা সহযোগিতা প্রক্রিয়াকে পুনরায় সক্রিয় করার জন্য একটি ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরবরাহ বাড়ায় মিরকাদিমে ইলিশের দাম কমেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


সরবরাহ বাড়ায় মিরকাদিমে ইলিশের দাম কমেছে

সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার ফলে মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে ইলিশের দাম কমেছে। এ কারণে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে ক্রেতাদের মাঝে।

শ্রাবণের সকালে মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীর তীরের মিরকাদিম মৎস্য আড়তের চেহারা রুপালি ইলিশের ঝিলিকে ভরে গেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মিরকাদিম মৎস্য আড়ত পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের ইলিশে এ আড়ত পূর্ণ হয়ে আছে।

কিছু সপ্তাহের তুলনায় এখানে সরবরাহ বেড়ে গেছে। এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে দামে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ইলিশের দাম কমেছে প্রায় ২০০ টাকা। বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল প্রায় ২ হাজার ৬০০ টাকা।

এক কেজির বেশি ওজনের বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা কেজি দরে। ছোট ইলিশের দাম ৪০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং মাঝারি আকারের ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দামের কিছুটা কমাতে খুশি ক্রেতারা মনে করছেন। আড়তে মাছ কিনতে আসা আব্দুল হালিম জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় আজকের ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। যদিও এখনও সস্তা বলা যাবে না, তবে অন্তত কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আশা করেন, সামনে যদি সরবরাহ আরও বাড়ে, তাহলে দাম আরও কমবে।

আরেক ক্রেতা রেজাউল করিম বলছেন, বর্ষাকালে ইলিশের জন্য অপেক্ষা করছেন। আজ তিনি কিছু শর্তে কিছু শ’ টাকা কমে একটি বড় মাছ কিনতে পেরেছেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে আরও সরবরাহ বাড়াতে হবে।

আড়তদারদের মতে, জেলেদের জালে এখন আগের তুলনায় আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়ছে। ফলে আড়তে মাছের সরবরাহেরও বৃদ্ধি ঘটেছে। জাটকা সংরক্ষণে ৩০ জুন আট মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর থেকেই ইলিশের সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়ছে। আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে বাজারে আরও বেশি মাছ আসতে পারে।

মুন্সীগঞ্জ মিরকাদিম মৎস্য আড়ত সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হওয়ার পরে জেলেরা নিয়মিত নদীতে মাছ শিকারে নামছেন। তাই বাজারে ইলিশের সরবরাহ বেড়ে চলছে। তিনি আশা করেন, তবে নদী দূষণের কারণে মিঠা পানির মাছ আগের মতো পাওয়া যাচ্ছে না, এটাও একটি বড় সমস্যা।

ইলিশ ছাড়াও আড়তে নদী-নালা ও খাল-বিলের বিভিন্ন ধরনের মাছের ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। আড়ত সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিদিন মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টার বেচাকেনায় মিরকাদিমের ঐতিহ্যবাহী মাছের আড়তে প্রায় এক কোটি টাকা মাছ বিক্রি হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুমার দিনে সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ আমল কোনটি ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৭ এম


জুমার দিনে সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ আমল কোনটি ?

জুমার দিন মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন হিসেবে পরিচিত। এই বিশেষ দিনে আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত বর্ষিত হয়। কোরআনে এবং হাদিসে জুমার দিনের ফজিলত এবং এ দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "সমস্ত দিনের নেতা হলো জুমার দিন। আল্লাহর কাছে এ দিন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন থেকেও অধিক মর্যাদাপূর্ণ।"

— (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১০৮৪)

একটি অন্য হাদিসে তিনি বলেছেন, "যেসব দিনের ওপর সূর্য উদিত হয়, তাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম দিন হলো জুমার দিন। এ দিনেই আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে। কিয়ামতও সংঘটিত হবে জুমার দিন।"

— (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৫৪)

জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল

জুমার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গুরুত্বের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করা।

মহান আল্লাহ বলেন,

"হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।"

— সুরা জুমুআহ, আয়াত: ৯

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুন্নত অনুযায়ী গোসল করবে, পরিষ্কার পোশাক পরবে, সকালেই মসজিদে যাবে, পায়ে হেঁটে যাবে, ইমামের কাছে গুরুত্ব সহকারে বসে খুতবা শুনবে এবং অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকবে, তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছর নফল রোজা ও এক বছর নফল নামাজের সওয়াব লেখা হবে।

— (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৪৫)

জুমার দিনের তিনটি আরো গুরুত্বপূর্ণ আমল

১. সুরা কাহাফ তিলাওয়াত

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত নূর জ্বলতে থাকবে।"

— (সুনানে বাইহাকি, হাদিস: ৬২০৯)

২. আসরের পর বেশি বেশি দোয়া করা

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলমান আল্লাহর কাছে কল্যাণের জন্য দোয়া করলে তিনি তা কবুল করেন। সেই সময়টি আসরের পর দিনের শেষ মুহূর্তে অনুসন্ধান করো।"

— (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৮)

৩. বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা

নবীজি (সা.) বলেছেন, "তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ, এ দিনের দরুদ আমার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।"

— (আস-সুনানুল কুবরা, বাইহাকি, ৩/২৪৯)

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, জুমার দিনে গোসল করা, পরিষ্কার পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, দ্রুত মসজিদে যাওয়া, গুরুত্ব সহকারে খুতবা শোনা, সুরা কাহাফ তিলাওয়াত, অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করা এবং আসরের পর আন্তরিকতার সঙ্গে দোয়া করার মাধ্যমেই একজন মুমিনের জন্য এই আমলসমূহ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%