১০:৩৩ পি.এম
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “কৃষি কার্ডের কারণে সারা দেশের কৃষকদের একটি ডেটাবেস তৈরি হবে। এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো কোন অঞ্চলে কী ফসল উৎপাদন হয়। যখন কোনো এলাকায় আলু বেশি উৎপাদন হবে, তখন আমরা তাদের চাহিদা জানাতে পারবো। কৃষকেরা তখন তাদের উৎপাদন চাহিদার অনুযায়ী করতে পারবে। যোগান এবং চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য থাকলে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা করতে পারবে না।”
মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেন, “একেক মৌসুমে একেক সবজি বেশি উৎপাদন হয়। ফলে বেশি উৎপাদনের কারণে সেই সবজির দাম অনেক সময় কম হয়। মাঝে মাঝে দেখা যায় কৃষকের খেতে টমেটো রয়েছে, কিন্তু দাম না পাওয়ায় কৃষক তা তুলে না। কারণ ক্ষেত থেকে নিয়ে বাজারে নিতে যে খরচ সেটি পাওয়াও সম্ভব হয় না। এর ফলে কৃষকেরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হন।”
এজন্য সরকার ইউনিয়নে মিনি কোল্ডস্টোরেজ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী যে কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করছেন, তার আওতায় ইউনিয়নে কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণ করা হবে এবং এটি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে চালিত হবে। এর ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।”
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
তিনি আরও বলেন, “দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হলে কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের অর্থনৈতিক অগ্রগতি জরুরি। সরকার কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যারা হতদরিদ্র কৃষক এবং যারা কৃষি ঋণে জর্জরিত, তাদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।”
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন