প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ভূঁইয়াদিঘী রাস্তার মাথা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় তিনটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং দুটি দোকান আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন যে, অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শনিবার সকালে, প্রায় ১০টার দিকে নোয়াখালী-ফেনী চার লেন মহাসড়কের পাশে ভূঁইয়াদিঘী রাস্তার মাথা এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, একটি দোকানে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর সঙ্গে সঙ্গে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত আগুন আশপাশের কয়েকটি দোকানে ছড়িয়ে যায়। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন, কিন্তু আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। পরে খবর পেয়ে সেনবাগ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে তিনটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং দুটি দোকান আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ফারুকের হোটেল, হানিফের বিসমিল্লাহ স্টোর এবং মফিজের মদিনা বেডিং। এছাড়া, মানিকের টায়ারের দোকান ও একটি চায়ের দোকান আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেনবাগ ফায়ার স্টেশনের ফায়ার ফাইটার হাসান মণ্ডল অগ্নিকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সফল হন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ তদন্ত শেষে নির্ধারণ করা হবে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, তাদের প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল ও ব্যবসায়িক সম্পদ আগুনে পুড়ে গেছে। ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন