ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রুহুল কবির রিজভী: বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালাচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি


রুহুল কবির রিজভী: বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালাচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশে সূক্ষ্ম ও পরিকল্পিতভাবে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চলছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির এই চক্রান্তের মাধ্যমে ভাষার মৌলিক রূপ পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে যতই চক্রান্ত হোক, দেশের মানুষের মধ্যে যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধের ক্ষমতা বিদ্যমান।

আজ রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার হলে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ঐক্যের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট : স্বরূপ সন্ধান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সংবাদ প্রকাশের জেরে সম্পাদককে হত্যাচেষ্টা ও ব্ল্যাকমেইল: শনিরআখড়ার পপুলার হাসপাতালের আড়ালে অপরাধের সাম্রাজ্য

রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে পরিকল্পিতভাবে কিছু নতুন শব্দ প্রবেশ করানো হচ্ছে। দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহৃত শব্দগুলোকে বাদ দিয়ে নতুন নতুন রূপ চাপিয়ে দেওয়াটা সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতার অংশ। খুন, রক্ত কিংবা লাশের মতো প্রতিষ্ঠিত শব্দগুলোর পরিবর্তে অন্য শব্দ বসানোর সূক্ষ্ম প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এই জাতির সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে, ভাষার জন্য রক্ত দেওয়ার ইতিহাস রয়েছে। তাই যেকোনো সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য একটি অদৃশ্য অভ্যন্তরীণ শক্তি এই জনগণের রক্তে নিহিত।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও জাতীয়তাবাদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, উনিশ শতকের তথাকথিত ‘বেঙ্গল রেনেসাঁ’ আসলে কোনো পূর্ণাঙ্গ রেনেসাঁ ছিল না। এটি মূলত হিন্দু পুনরুত্থানবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যেখানে তৎকালীন সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম কৃষক সমাজের শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের বিষয়টি সম্পূর্ণ উপেক্ষিত ছিল। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার প্রবাহ এবং ৪৭ ও ৭১-এর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক আত্মপরিচয় বা ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ গড়ে উঠেছে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ইতিহাসের প্রতিটি সংকটকালে কিছু বুদ্ধিজীবী ফ্যাসিবাদের তোষামোদি করেছেন। অতীতে হিটলারের পেছনে যেমন অনেক নামজাদা বুদ্ধিজীবী ছিলেন, আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদের সময়ে তাও দেখা গেছে। তারা নিখোঁজ, গুম বা ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেননি। অথচ দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীরা সবসময় মাটির মানুষের পাশে থাকেন এবং সত্য কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ, বাজার মূল্য তিন লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের একত্র হয়ে দেশীয় সংস্কৃতি, জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা করা একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় সংস্কৃতির চর্চা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুবউল্লাহ।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ঐক্যের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, একুশে পদকপ্রাপ্ত ছড়াকার আবু সালেহ এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আব্দুল লতিফ মাসুম।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষক ড. মুস্তাফা মজিদ।

আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমান অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি সরকারের: এমপি রোকন

এছাড়া আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, চিত্রনায়ক হেলাল খান, বরেণ্য সাংবাদিক গাজীউল হাসান খান, সংগীত পরিচালক ইথুন বাবু, মো. আবু হোরায়রা ও পারভীন সুলতানা রাব্বী।

সেমিনারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, লেখক, গবেষক, চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগস্টে ইইউতে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ১২.৭১% বেড়ে ১৩৪.০৮ মিলিয়ন ইউরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


আগস্টে ইইউতে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ১২.৭১% বেড়ে ১৩৪.০৮ মিলিয়ন ইউরো

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : চলতি বছরের আগস্টে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে ১৩৪ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। গত বছরের আগস্টে এই রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১১৮ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ইউরো।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুসারে, আগস্ট মাসে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানির প্রবৃদ্ধি সামগ্রিক বাজারের প্রবৃদ্ধির তুলনায় বেশি ছিল। এ মাসে বিশ্ববাজার থেকে ইইউর ডেনিম আমদানি ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে ৪৩০ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ইইউর মোট ডেনিম আমদানিতে গত বছরের আগস্টের ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে চলতি বছরের আগস্টে ৩১ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে।

তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ইইউতে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ৮৬৯ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এ রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৯২৩ দশমিক ১১ মিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ, এই সময়ে রপ্তানি প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ইউরো কমেছে।

একই সময়ে, বিশ্ববাজার থেকে ইইউর ডেনিম আমদানি ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ কমে ২ হাজার ৯৫৬ দশমিক ২১ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে, আট মাসের হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের অংশ ২৯ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমে ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে।

তবুও, ইইউর ডেনিম সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ইউরো বেশি।

ইইউর দ্বিতীয় বৃহত্তম ডেনিম সরবরাহকারী দেশ পাকিস্তানের রপ্তানি আগস্টে ১৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়ে ৮৭ দমনিক ৭১ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছালেও জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে দেশটির রপ্তানি ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ৫২৫ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন ইউরোতে নেমেছে। যা মোট বাজারের ১৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

তৃতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী তুরস্ক সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। দেশটির রপ্তানি আগস্টে ১৩ দশমিক ২৬ শতাংশ কমে ৫৮ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে এবং আট মাসের হিসাবে রপ্তানি ২১ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ৪৩৮ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা মোট রপ্তানির ১৪ দশমিক ৮২ শতাংশ।

এছাড়া জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে তিউনিসিয়ার ডেনিম রপ্তানি ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে ২১৯ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে। কম্বোডিয়ার রপ্তানি ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ কমে ১৪৪ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে এবং মরক্কোর রপ্তানি ১৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে ৬৩ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে।

মিশর এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সাফল্য অর্জন করেছে। আগস্ট মাসে তাদের রপ্তানি ৫৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়ে ৩০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে এবং আট মাসের হিসাবে ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেড়ে ১৮৮ দশমিক ১৪ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ। চীনের আট মাসের রপ্তানি ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ বেড়ে ১৯৭ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তুলনামূলকভাবে ছোট সরবরাহকারী হলেও ভিয়েতনাম ও ভারত ভালো প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। আট মাসে ভিয়েতনামের ডেনিম রপ্তানি ৪৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ৫৩ দশমিক ৯৮ ইউরো হয়েছে। একই সময়ে ভারতের রপ্তানি বেড়েছে ১৮ দশমিক ৬২ শতাংশ বেড়ে ৩১ দশমিক ৪০ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তান, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, কম্বোডিয়া ও মরক্কোর তুলনায় বাংলাদেশের আট মাসের রপ্তানি হ্রাসের হার ছিল অনেক কম।

এ বিষয়ে বাসসের সঙ্গে আলাপকালে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল মন্তব্য করেন, পোশাক আমদানিতে সামগ্রিকভাবে নিম্নমুখী প্রবণতা থাকা সত্ত্বেও সুপ্রতিষ্ঠিত সরবরাহব্যবস্থা, দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেনিম বাজারে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ ডেনিম উৎপাদনে শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে। এর ফলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।

মহিউদ্দিন রুবেল আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে, যা বহু বছর ধরে গড়ে উঠেছে। আমরা প্রযুক্তিবিদ, প্রযুক্তি এবং উৎপাদনের অন্যান্য ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছি।’

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু বিপুল পরিমাণ পণ্য উৎপাদনের ওপর নির্ভর না করে উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন, স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারে।

বাংলাদেশে তুলা উৎপাদিত না হলেও দেশে কাপড় তৈরির শক্তিশালী সক্ষমতা ও সুপ্রতিষ্ঠিত শিল্পভিত্তি রয়েছে। এসব সুবিধা কাজে লাগিয়ে ডেনিম পণ্যের মান ও মূল্য বাড়ানোর পাশাপাশি রপ্তানি আয় বৃদ্ধির উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে বলে তিনি জানান।

রুবেল জানান, ইউরোপের পোশাক বাজারে বর্তমান মন্দা বিভিন্ন দেশের রপ্তানিকারকদের ওপর প্রভাব ফেলেছে; যার মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আমদানি হ্রাস এবং জ্বালানি-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ।

কঠিন বাজার পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইইউর ডেনিম বাজারে বাংলাদেশ শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবর্তিত বাণিজ্য বিধি, জেনারালাইজড স্কিম অব প্রেফারেন্সেস (জিএসপি)-এর শর্তাবলি এবং ‘ইউরোপিয়ান গ্রিন ডিল’-এর মতো বিষয়গুলোর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক ডেনিম শিল্পে দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যের পণ্য, প্রযুক্তির আধুনিকায়ন, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত নতুন শর্তাবলি পরিপালনের ওপর মনোযোগ দিতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও তথ্য উপস্থাপন নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


ধর্মমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও তথ্য উপস্থাপন নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপির বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও তথ্য উপস্থাপন নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

আজ প্রকাশিত এক প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু প্রতিবেদনের শিরোনাম এবং উপস্থাপনায় মন্ত্রীর বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত কিছু শিরোনাম এবং বক্তব্যের উপস্থাপন পাঠকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ধর্মমন্ত্রীর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নজরে আসলে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে বলেন যে, দেশের সামগ্রিক যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দুঃখজনক এবং লজ্জাকর। তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রীর বক্তব্যের যথাযথ অর্থ ও তাৎপর্য বোঝার জন্য এর সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তব্যের কোনো অংশ বিচ্ছিন্নভাবে উপস্থাপন করা হলে মূল বক্তব্য সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা বা বিভ্রান্তিকর ধারণা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদন ও শিরোনাম পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে এবং বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও যথাযথ তথ্য উপস্থাপনের জন্য অনুরোধ করেছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল গণমাধ্যমের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ ১১ বছর পর মাঠে ফিরছেন রোনালদিনহো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


দীর্ঘ ১১ বছর পর মাঠে ফিরছেন রোনালদিনহো

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ : পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার এক দশকেরও বেশি সময় পর, আগামী মাসে ইতালির তৃতীয় বিভাগের একটি ম্যাচে আবারও বুট পায়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদিনহো।

গত জুনে রাভেন্নার সঙ্গে একটি চমকপ্রদ চুক্তি স্বাক্ষর করেন ৪৬ বছর বয়সী রোনালদিনহো। তবে, তিনি এখনো সিরি ‘সি’-এর দলটির হয়ে কোনো ম্যাচ খেলেননি।

শুক্রবার, রাভেন্না ঘোষণা করেছে যে, আগামী ১৫ নভেম্বর স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী ফরলির বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ডার্বি ম্যাচে রোনালদিনহোর অভিষেক হবে। ২০১৫ সালে ফ্লামিনেন্সের হয়ে তিনি সর্বশেষ পেশাদার ফুটবল খেলেছিলেন।

রাভেন্না এক বিবৃতিতে জানায়, “এই আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের নজর চলে আসবে স্তাদিও ব্রুনো বেনেল্লির দিকে।

বিশ্ব ফুটবল সম্প্রদায় ভেবেছিল, এটি সত্যি হওয়ার মতো নয়। কিন্তু এখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে পারি যে, এক মহা প্রত্যাবর্তন ঘটতে যাচ্ছে- জাদু, হাসি এবং এমন এক প্রতিভার ফিরে আসা, যিনি দলীয় সমর্থন কিংবা ফুটবলের প্রতি আনুগত্য নির্বিশেষে প্রজন্মের পর প্রজন্মের ভক্তদের মুগ্ধ করেছেন।”

রেস্তোরা ব্র্যান্ড সিপ্রিয়ানির মালিক ইগ্নাজিও সিপ্রিয়ানি রাভেন্না ক্লাবটি পরিচালনা করেন। তিনি জানিয়েছেন, ব্রাজিলিয়ান এই তারকা যেন ক্লাবটির হয়ে নিজের ক্যারিয়ারের শেষ গোলটি করেন, সেটিই তাঁর স্বপ্ন।

মৌসুম শুরুর কিছুদিন আগে, গত আগস্টে সমুদ্রসৈকতে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমর্থকদের সামনে রোনালদিনহোকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

রাভেন্না বিবৃতিতে আরও জানায়, “মিয়ামিতে ঘোষণার পর থেকে শুরু করে মারিনা দি রাভেন্নার সৈকতে সমর্থকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা- সবকিছু মিলিয়ে প্রত্যাশা বেড়েছে। উত্তেজনা, কৌতূহল এবং অবিশ্বাসের মিশেলে সেই অপেক্ষা আরও তীব্র হয়েছে।

“ক্লাব সভাপতি সিপ্রিয়ানির যে স্বপ্ন সমর্থকদের কল্পনায় আলোড়ন তুলেছে এবং ইতালির সীমানা ছাড়িয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, এবার তার বাস্তব রূপ পাওয়ার নির্দিষ্ট তারিখ এসেছে। রোনালদিনহো বেনেল্লি স্টেডিয়ামে খেলবেন, শুরু হবে এমন এক গল্পের নতুন অধ্যায়, যা বারবার সবাইকে বিস্মিত করে চলেছে।”

২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত এসি মিলানের হয়ে খেলার পর, এবার দ্বিতীয়বারের মতো ইতালিতে ফিরছেন রোনালদিনহো। তাঁর বর্ণাঢ্য, শিরোপাসমৃদ্ধ ক্যারিয়ারে পিএসজি ও বার্সেলোনার হয়ে খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে। ২০০২ সালে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ২০০৫ সালে ব্যালন ডি’অরও জিতেছিলেন তিনি।

রাভেন্না বিবৃতিতে বলেছে, “কিছু ফুটবলার তাঁদের জয়ের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকেন। আবার কেউ কেউ স্মরণীয় হন তাঁরা মানুষকে কেমন অনুভূতি দিয়েছেন, তার জন্যও। রোনালদিনহো সেই বিরল প্রজাতির চ্যাম্পিয়নদের একজন, যাঁরা ফুটবলকে নির্মল আনন্দে পরিণত করতে পারেন- অপ্রত্যাশিত কোনো কৌশল, সৃজনশীলতার ঝলক কিংবা এমন এক হাসির মাধ্যমে, যা স্টেডিয়াম ও প্রজন্মের ব্যবধান ঘুচিয়ে দেয়।”

ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে তিনটি গ্রুপে বিভক্ত সিরি ‘সি’-তে বর্তমানে নিজেদের গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাভেন্না।

দীর্ঘ বিবৃতির শেষে ক্লাবটি লিখেছে, “অপেক্ষার অবসান প্রায়। জাদু আবারও মাঠে ফিরছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়াউর রহমানের পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা চিরস্মরণীয়: ওয়াদুদ ভূঁইয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


জিয়াউর রহমানের পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা চিরস্মরণীয়: ওয়াদুদ ভূঁইয়া

রাঙামাটি, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি মন্তব্য করেছেন যে, পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পাহাড়ের অশান্ত পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কাজ শুরু করেছিলেন।

দেশের দায়িত্ব গ্রহণের পর, তিনি বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে সফর করেছিলেন। পার্বত্য অঞ্চলের সমস্যাগুলোর সমাধানে তিনি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

সেই কঠিন সময়ে, যেসব নেতা ও গুণীজন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়নে কাজ করেছিলেন, তাদের মধ্যে প্রয়াত সুবিমল দেওয়ান অন্যতম ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। পাহাড়ের সমস্যা সমাধানে সকল মতভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

আজ শনিবার বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাইনী হলরুমে শিশু-কিশোরদের নিয়ে রচনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মৈত্রী চাকমা। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা দীপেন দেওয়ান এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক-এসপিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, সদর জোন কমান্ডার মো. একরামুল রাহাত- পিএসসি, এবং পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব-পিপিএম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রয়াত সুবিমল দেওয়ানকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে ও প্রাক্তণ প্রধান শিক্ষক সনৎ কুমার বড়ুয়া।

আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি আরো বলেন, সম্প্রতি সাজেক নিয়ে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, তা সমাধানের জন্য সকলের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম হচ্ছে ট্যুরিস্ট জোন, এখানে পর্যটন ব্যবসা বন্ধ থাকলে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আলোচনার মাধ্যমে সাজেক সমস্যা সমাধানে সন্তু লারমা, ইউপিডিএফ নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভা শেষে কৃতী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়।

পরে সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত শিশু-কিশোরদের নিয়ে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%