০৭:৪৭ পি.এম
রাঙামাটি, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি মন্তব্য করেছেন যে, পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পাহাড়ের অশান্ত পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কাজ শুরু করেছিলেন।
দেশের দায়িত্ব গ্রহণের পর, তিনি বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারাদেশে সফর করেছিলেন। পার্বত্য অঞ্চলের সমস্যাগুলোর সমাধানে তিনি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
আরও পড়ুন: সংবাদ প্রকাশের জেরে সম্পাদককে হত্যাচেষ্টা ও ব্ল্যাকমেইল: শনিরআখড়ার পপুলার হাসপাতালের আড়ালে অপরাধের সাম্রাজ্য
সেই কঠিন সময়ে, যেসব নেতা ও গুণীজন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়নে কাজ করেছিলেন, তাদের মধ্যে প্রয়াত সুবিমল দেওয়ান অন্যতম ছিলেন।
তিনি আরো বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। পাহাড়ের সমস্যা সমাধানে সকল মতভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আজ শনিবার বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাইনী হলরুমে শিশু-কিশোরদের নিয়ে রচনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ, বাজার মূল্য তিন লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা
সভায় সভাপতিত্ব করেন সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মৈত্রী চাকমা। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা দীপেন দেওয়ান এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক-এসপিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, সদর জোন কমান্ডার মো. একরামুল রাহাত- পিএসসি, এবং পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব-পিপিএম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রয়াত সুবিমল দেওয়ানকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে ও প্রাক্তণ প্রধান শিক্ষক সনৎ কুমার বড়ুয়া।
আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি আরো বলেন, সম্প্রতি সাজেক নিয়ে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, তা সমাধানের জন্য সকলের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমান অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি সরকারের: এমপি রোকন
তিনি উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম হচ্ছে ট্যুরিস্ট জোন, এখানে পর্যটন ব্যবসা বন্ধ থাকলে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আলোচনার মাধ্যমে সাজেক সমস্যা সমাধানে সন্তু লারমা, ইউপিডিএফ নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে কৃতী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়।
পরে সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত শিশু-কিশোরদের নিয়ে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
আরও পড়ুন: ধর্মমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও তথ্য উপস্থাপন নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন