ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৮ বছরের জঞ্জাল ৫ মাসে পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব নয়: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী


১৮ বছরের জঞ্জাল ৫ মাসে পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব নয়: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, ১৮ বছরের জঞ্জাল পাঁচ মাসে তো নয়ই, এমনকি ১৮ মাসেও পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। শনিবার (১৫ আগস্ট) তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেছেন। মন্ত্রী আহমেদ আযম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা সংকট সমাধানে সরকারকে আরও সময় দিতে হবে। তিনি এও বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন করে স্বীকৃতি দেওয়া এবং প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের গেজেটভুক্ত করার সুযোগও দেওয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, এই দেশটাকে নিয়েও অনেক ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে বারবার ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের ওপর আর ছিনিমিনি খেলার সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ১৮ বছরের জঞ্জাল পাঁচ মাসে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। এমনকি ১৮ মাসেও তা পরিষ্কার করা সম্ভব হবে না। এতো দীর্ঘ সময়ের সমস্যা সমাধানে আরও সময় প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার এক মুহূর্তের জন্যও বসে নেই। দেশ পুনর্গঠন ও সংস্কারের কাজ চলছে। বিরোধী দলের সমালোচনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে বিরোধী দলটি সরকারকে ব্যর্থ বলছে। তার প্রশ্ন হলো, ১৮ বছরের জঞ্জাল কি পাঁচ মাসে শেষ করা সম্ভব? এটি সম্ভব নয়। দেশের স্বার্থে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে এবং ধৈর্য ধরতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গত ১৮ বছরের ফ্যাসিবাদী সময়ে রাজনৈতিক কারণে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর বহু অ্যাপ্লিকেশন পেয়েছেন তিনি। যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের আবারও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, তারা যাচাই-বাছাইয়ে টিকে যাবেন। তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ফ্যাসিবাদী শক্তি যাদের বঞ্চিত করেছে, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, আগের সরকার বিদায়ের সময় তাড়াহুড়ো করে কিছু জুলাই যোদ্ধাকে গেজেটভুক্ত করে বিষয়টি বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেক জুলাই যোদ্ধা জানিয়েছেন, তারা আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন অথচ গেজেটভুক্ত হননি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানালেন, প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির প্রক্রিয়া আবারও উন্মুক্ত করা হয়েছে। যারা প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা, তারা নতুন করে আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তাদের মূল্যায়ন করে গেজেটভুক্ত করার ব্যবস্থা করা হবে। বিগত ১৮ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হত্যা, নির্যাতন ও নিপীড়নের সুযোগ নিয়ে তিনি বলেন, এই সময়ে অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, অনেকে পঙ্গু হয়েছেন এবং বহু পরিবারের বুক খালি হয়েছে। এসব নির্যাতিত মানুষেরও মূল্যায়ন করা হবে। তিনি জানান, ১৮ বছরে হত্যা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হওয়া মানুষ এবং তাদের পরিবারের মূল্যায়নের জন্য নতুন একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্যাতিতরা আবেদন করলে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, লবিং, গ্রুপিং ও দলাদলি ভুলে যেতে হবে। মতভেদ হলে নিজেদের মধ্যে বসে আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই ক্ষতি করতে পারবে না। সভায় সংগঠনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা, সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা নিশীতা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলনসহ সংগঠনের নেতাগণ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেপ্টেম্বরে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে পাওয়া যাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


সেপ্টেম্বরে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে পাওয়া যাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। এই লক্ষ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রে এখন জোরেসোরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সব প্রক্রিয়া ঠিকঠাক থাকলে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিটটি পূর্ণ ক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে সক্ষম হবে।

দেশের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে চলমান সংকটের কারণে গ্রাহকপর্যায়ে লোডশেডিং বেড়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প বিদ্যুৎ উৎস হিসেবে এই পারমাণবিক কেন্দ্রটির দিকে তাকিয়ে রয়েছে পুরো দেশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে এরই মধ্যে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোড করা হয়েছে এবং দুই ধাপে সফলভাবে শতাধিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শেষ মুহূর্তের জটিল ও সংবেদনশীল পরীক্ষাগুলোও পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ধাপ বিস্তারিতভাবে যাচাই শেষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) কর্তৃক অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।

একবার পূর্ণ উৎপাদনে গেলে কেন্দ্রটি থেকে ২৪ ঘণ্টাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবে। একবার জ্বালানি লোড করার পর টানা ১৮ মাস নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এর পর পুনরায় রিফুয়েলিং এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজের জন্য একটি ইউনিট সর্বোচ্চ ২ মাস বন্ধ রাখা হতে পারে।

সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ জানান, নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পাওয়া বিদ্যুৎ অন্য উৎসগুলোর চেয়ে অনেক বেশি নির্ভেজাল এবং স্থিতিশীল গ্রিডের মাধ্যমে চালনা করা প্রয়োজন। তাই গ্রিডের অবকাঠামোগত সক্ষমতা যথেষ্ট শক্তিশালী হতে হবে। গ্রিডে সামান্য ত্রুটিও তৈরি না হওয়ার জন্য এবং সংবহনে বাধা না আসার উদ্দেশ্যে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) এবং পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পিডিবি) সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ হচ্ছে।

রূপপুর থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে বাঘাবাড়ী ২৩০০ কেভি, বগুড়া ৪০০ কেভি এবং গোপালগঞ্জের ৪০০ কেভি সঞ্চালন কাঠামোর কমিশন প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ পৌঁছাতে সঞ্চালন কাঠামোর আরও নিবিড় প্রস্তুতি প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, নিউক্লিয়ার বিদ্যুতের দ্রুতগতির উৎপাদনের সঙ্গে জাতীয় গ্রিডের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি খাপ খাওয়ানোর জন্য নিয়মিত আপগ্রেডেশন প্রয়োজন। এই সমন্বয় ঠিকমতো না হলে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ হঠাৎ ভেঙে পড়ার ঝুঁকি থেকে যায়। সেই ঝুঁকি এড়াতে আন্তর্জাতিক পরমাণু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে প্রয়োজনীয় আপগ্রেড ও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

তবে রূপপুর থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের চূড়ান্ত দাম এখনো নির্ধারণ হয়নি। পরীক্ষামূলক উৎপাদনের পর পিডিবির সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) সই হবে। প্রাথমিক খসড়ায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩ থেকে ৪ টাকার মধ্যে থাকার কথা হলেও সামগ্রিক প্রকল্প ব্যয় বাড়ানোর ফলে বিদ্যুতের চূড়ান্ত মূল্যে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, রাশিয়া এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে রূপপুর প্রকল্পের কিছু বড় আর্থিক লেনদেনে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিকল্প চ্যানেলগুলো নিশ্চিত করতে না পারার কারণে আন্তর্জাতিক পরিশোধপ্রক্রিয়ায় কিছু সীমাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে, যার প্রভাব প্রকল্পের স্বাভাবিক গতিতে পড়ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেটা মামলায় হারলে বদলে যেতে পারে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


মেটা মামলায় হারলে বদলে যেতে পারে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক!

যুক্তরাষ্ট্রে তরুণ ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগের কারণে আইনি চাপে রয়েছে মেটা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শুরু হতে যাচ্ছে ৩০টি অঙ্গরাজ্যের করা একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার জুরি ট্রায়াল। যদি মেটা হেরে যায় তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুকের বেশ কিছু জনপ্রিয় ফিচার ও অ্যালগরিদমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হতে পারে।

২০২৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। এ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি শিশু-কিশোরদের গোপনীয়তা ও সুরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্যের আইন ভেঙেছে। অঙ্গরাজ্যগুলো মেটার কাছে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।

এই মামলায় শুধু আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের কিছু মৌলিক ফিচার পরিবর্তনের দাবিও উঠেছে। দাবির মধ্যে রয়েছে, লাইক সংখ্যা প্রদর্শন বন্ধ করা, ‘ইনফিনিট স্ক্রল’ ব্যবস্থা সীমিত বা বন্ধ করা, এবং কিশোর ব্যবহারকারীদের জন্য অভিভাবক যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালু করা।

এছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখতে সহায়ক অ্যালগরিদমের পরিবর্তন, কিছু পরিবর্তনকারী ইমেজ ফিল্টার সরানো, ভিডিওর অটোপ্লে বন্ধ করার দাবি, একজন ব্যবহারকারীর একাধিক অ্যাকাউন্ট তৈরির সুযোগ সীমিত করা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়া পোস্টের সুবিধা বন্ধ করার বিষয়গুলোও যুক্ত হয়েছে।

মামলায় অঙ্গরাজ্যগুলোর অভিযোগ, এসব ফিচার এইভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে শিশু-কিশোরসহ ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে অবস্থান করেন এবং বারবার ফিরে আসেন। এ ছাড়া ঘন ঘন নোটিফিকেশন পাঠিয়ে ব্যবহারকারীদের অ্যাপে ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

মেটা অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করছে। প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেছেন, তারা অভিযোগগুলোর সঙ্গে দৃঢ়ভাবে দ্বিমত পোষণ করেন। তরুণদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে মেটার দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে এবং আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণেও সেটি উঠে আসবে বলে তাদের আত্মবিশ্বাস রয়েছে।

মামলাটির শুনানি ক্যালিফোর্নিয়ার প্রধান ফেডারেল বিচারক ইভন গনজালেজ রজার্সের আদালতে অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ইলন মাস্ক ও স্যাম অল্টম্যানের মধ্যকার বহুল আলোচিত মামলাটিও তার আদালতে হয়েছে।

এদিকে নিউ মেক্সিকোতে মেটার বিরুদ্ধে এক পৃথক মামলায় ইতোমধ্যে বড় রায় এসেছে। সেখানে বিচারক ব্রায়ান বিডশেইড মেটাকে ৯৪ কোটি ২০ লাখ ডলার জরিমানা এবং প্ল্যাটফর্মে বেশ কিছু পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য লাইক সংখ্যা প্রদর্শন বন্ধ করা, কিশোরদের মাধ্যমে নগ্ন ছবি পাঠানো বা গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা, এবং নির্দিষ্ট সময়ে পুশ নোটিফিকেশন সীমিত করার নির্দেশ।

মেটা ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০টি অঙ্গরাজ্যের মামলার গুরুত্ব বিশেষভাবে বাড়ছে। কারণ সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যগুলোর মোট জনসংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। তাই মেটার বিরুদ্ধে রায় গেলে নিউ মেক্সিকোর মতো শুধু একটি অঙ্গরাজ্যে নয়, গোটা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

মামলায় মেটার অভ্যন্তরীণ গবেষণার তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণায় দেখা যায়, লাইক সংখ্যা ব্যবহারকারীদের মধ্যে সামাজিক তুলনার প্রবণতা বাড়াতে পারে। অন্যের ছবি বা জীবনযাপনের সঙ্গে নিজের অবস্থান তুলনা করার এই প্রবণতার একাকিত্ব, নিজের শরীর নিয়ে নেতিবাচক ধারণা এবং নেতিবাচক আবেগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে।

মেটা জানিয়েছে, তারা এর মধ্যে ২০ লাখেরও বেশি নথি আদালতে জমা দিয়েছে।

যদি মামলায় মেটা হেরে যায় তবে বিপুল অঙ্কের আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুকের দীর্ঘদিনের পরিচিত ফিচার ও নোটিফিকেশন ব্যবস্থা এবং সুপারিশ অ্যালগরিদমেও পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তরুণদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অভিজ্ঞতাই বদলে যেতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন: বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪০ পি.এম


জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন: বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা

সংশ্লিষ্টদের দাবি, ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফলতা অর্জন হয়েছে। এই পরীক্ষামূলক সফলতার পেক্ষাপটে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি পূর্ণাঙ্গ প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন করছে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)।

তারা যে দাবি করছেন, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও প্রযোজনা সহায়তা পেলে তুলনামূলক কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি দেশের জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হতে পারে।

আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে এরুলিয়ার বামদিঘী এলাকায় পরীক্ষামূলক ফ্লাইহুইল বিদ্যুৎ উৎপাদন প্ল্যান্টের সরেজমিন পরিদর্শন করেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা এবং আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।

পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মোটর চালু করে কর্মসূচির কার্যক্রম প্রদর্শন করা হচ্ছে। এই সময় দুইটি পাম্প ও একটি ওয়েল্ডিং মেশিন চালিয়ে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা তুলে ধরা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আরও কিছু প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি যুক্ত করা হলে পরীক্ষামূলকভাবে চলমান ব্যবস্থাটি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন ব্যবস্থায় রূপায়ণ করা সম্ভব হবে।

আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক বলেন, ২০০৪ সাল থেকে তারা এ প্রযুক্তি নিয়েই কাজ করছেন। ২০১০ সালের পর এই গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা উঠে আসে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে, যেমন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন, ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির ব্যবহার চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলছেন, বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বৈধ জ্বালানির ব্যবহার না করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার চিন্তা থেকেই তারা ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির গবেষণা করছেন। পরীক্ষামূলকভাবে ৫০০ কিলোওয়াট ক্ষমতার দুটি মোটর চালু করে তারা বিভিন্ন কার্যক্রমও দেখছেন।

ড. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক আরও জানান, প্রাথমিক হিসাবে ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি প্রতিটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হতে পারে প্রায় ১ টাকা ৫০ পয়সা। তারা ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছেন।

আরও তিনি বলেন, ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে তাদের। অন্যদিকে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ সৌরবিদ্যুৎ দ্বারা সার্বক্ষণিক উৎপাদন করতে গেলে খরচ ১০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে। এই প্রযুক্তির একটি মূল সুবিধা হচ্ছে এটি আবহাওয়া বা সূর্যালোকের ওপর নির্ভরশীল নয়।

এরপর তিনি বলেন, প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পরিবেশবান্ধব এ প্রযুক্তির প্রকল্পটি জলবায়ু ট্রাস্টেও জমা দেওয়া হয়েছে।

আরডিএর উপপরিচালক কৃষিবিদ ইঞ্জিনিয়ার ড. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, পরীক্ষামূলকভাবে তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল হয়েছেন। তবে উৎপাদন প্রক্রিয়াকে প্রমাণের জন্য আরও কিছু যন্ত্রপাতি প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করে বলেন, ২০১৪ সাল থেকে তারা এ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছেন। এছাড়া, গবেষণার বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থ ব্যয় হওয়ায় কাজ কিছুটা থেমে যায়। পরে আরডিএর সহযোগিতা ও উৎসাহের কারণে আবারও কাজ শুরু করেছেন। যদি প্রয়োজনীয় অর্থ ও যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়, তাহলে এটি পূর্ণাঙ্গ আকারে নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সাল থেকে প্রযুক্তিটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যদি প্রযুক্তিটি পূর্ণাঙ্গভাবে দাঁড় করাতে পারেন, তাহলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ প্রায় ১ টাকা ৫০ পয়সায় সরবরাহ করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, তারা এখানে এসে পরিদর্শন করে পুরো বিষয়টি দেখেছেন। যে উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে, তাতে তুলনামূলক কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। মেশিন চালু করে তারা এর কার্যকারিতা দেখিয়েছেন। বিষয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত ভালো ও সম্ভাবনাময় দেখাচ্ছে। এই উদ্যোগকে কীভাবে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া যাবে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করার জন্য তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, যদি প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির এ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এতে বগুড়ার মেশিনারি শিল্পে নতুন সম্ভাবনা ও দেশের বিদ্যুৎ খাতে তুলনামূলক কম ব্যয়ের বিকল্প প্রযুক্তির দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য আসছে নতুন আইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য আসছে নতুন আইন

রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য নতুন একটি আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। আইনটিতে রেজিস্ট্রেশনের জন্য একটি বাধ্যবাধকতা থাকবে। আর এই রেজিস্ট্রেশনের জন্য একটি নির্ধারিত শর্তের তালিকা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে একটি পর্যালোচনা সভায় এই তথ্য তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সভাটি সরকারি দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নানান দিক নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনার জন্য আয়োজন করা হয়েছিল। এখানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

প্রতিমন্ত্রী প্রকাশ করেন, ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে। তবে সৌর বিদ্যুতের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে ব্যাটারি রিচার্জ করা হলে, সেই রিকশাকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না।

তিনি উল্লেখ করেন, যেভাবে রিচার্জ হবে, তা অবশ্যই সৌরবিদ্যুতে হতে হবে এবং এ বিষয়ে নিশ্চিত করবে সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভাগুলো। আমরা বিধিমালা তৈরির জন্য একটি মিটিং করেছি, বিধিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো আমাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভার আওতায় রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হবে। সেখানে কিছু শর্ত সম্প্রসারণ করা হবে। সৌরবিদ্যুতের বাইরে রিচার্জ করলে এই ব্যাটারিচালিত বা ই-রিকশাকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না, এবং নবায়নও করা হবে না।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে এদের রেজিস্ট্রেশন বিআরটিএ-র মাধ্যমে হবে না; বরং সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে হবে এবং জাতীয় সংসদে এর জন্য আইন পাস করা হয়েছে। সেই আইনটির আলোকে আমরা বিধিমালা তৈরি করছি। রেজিস্ট্রেশন ফি এবং নবায়ন ফির পরিমাণ কতো হবে? রেজিস্ট্রেশন এবং নবায়নের পূর্বশর্ত হিসেবে বুয়েট সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি এবং জেলা পর্যায়ের আমাদের যে ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটগুলো রয়েছে, সেখানকার অটোমোবাইল শাখা থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে। এই ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি ফি পাবে।

তিনি কিছু পরিস্কার করে উল্লেখ করেন, এই ফিও আমরা নির্ধারণ করে দেবো এবং সেই ফির মাধ্যমে তারা ফিটনেস সার্টিফিকেটটি পাবেন। এই সার্টিফিকেট নিয়ে এসে সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভাকে দিলে, আমরা একটি নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করে দেবো; সেই ফি নিয়ে তারা তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করবেন। এক বছর পর আবার নবায়ন করতে গেলে, তখনও ফিটনেস দেখাতে হবে এবং নতুন করে নবায়ন করতে হবে।

শাহে আলম আরও জানান, ঢাকাকে আরো সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য আটটি জোনে বিভক্ত করা হবে। দক্ষিণ ও উত্তরে চার করে মোট আটটি জোন হবে। এই আটটি জোনের রিকশাগুলোকে আমরা ই-রিকশা বন্দে পরিচয় করবো। আইনে এভাবেই ই-রিকশা বলা আছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব রিকশার আটটি জোন থাকবে এবং প্রতিটি জোনের জন্য আলাদা আলাদা রং থাকবে। একটি জোনের ই-রিকশা বা ইলেকট্রিক রিকশা অন্য জোনে যেতে পারবে না; এজন্য আলাদা আলাদা রং রাখা হবে। এগুলোকে ‘ইফেন্সিং’-এর মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হবে। জিও ফেন্সিংয়ের আওতায় এগুলোকে আনা হবে। এর জন্য ইতোমধ্যেই ট্রাফিক পুলিশ ও আমাদের সিটি কর্পোরেশন মিটিং করেছে। আমাদের বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। বিধিমালাটি অনুমোদন হলেই বিস্তারিত জানানো হবে।

মীর শাহে আলম বলেন, নতুন আইন কার্যকর করার জন্য সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথ চেষ্টা করবে। কোন রুটে কে পারবে বা পারবে না, এটাও বিধিমালায় থাকবে। সৌর বিদ্যুতের বাইরে অন্য বিদ্যুৎ চার্জে রিচার্জ করার ক্ষেত্রে জরিমানা আইনে উল্লেখ থাকবে। এই সব বিষয় নিয়েই আমাদের বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহে আমরা এটি উপস্থাপন করতে পারবো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%