বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫৬ পি.এম
ইরাক থেকে শেষ মার্কিন সেনা চলে গেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সামরিক উপস্থিতির সমাপ্তি ঘটলো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঘোষণা করেন, ইরাক থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে।
ট্রাম্প এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদির প্রশংসা করে বলেন, এই নেতার ভূমিকা ইরাকের পরবর্তী অধ্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, তিনি শুরু থেকেই আলী আল-জায়েদিকে সমর্থন করেছেন। তার দাবি, প্রত্যাশা না থাকা সত্ত্বেও আলী আল-জায়েদি নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।
এদিন পেন্টাগন জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পরিচালিত ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। মার্কিন ও জোটের সেনা এবং সামরিক সরঞ্জাম উত্তর ইরাকের এরবিল বিমানঘাঁটি থেকে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়।
ট্রাম্প বলেন, দীর্ঘদিনের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে জড়িয়ে পড়েছিল। এখন সেই অধ্যায় ইতিহাসের অংশ হতে যাচ্ছে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র গিয়েছিল খিলাফত প্রতিষ্ঠাকারী জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে। সেই খিলাফত আর নেই, তাই যুক্তরাষ্ট্র দেশে ফিরছে।
তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তানের মতো ইরাকে কোনো সামরিক সরঞ্জাম ফেলে আসা হয়নি। প্রত্যাহারের সময় সব সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং এরবিল বিমানঘাঁটি থেকে জোটের বাহিনী ও সরঞ্জাম সুশৃঙ্খলভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা ২০২৪ সালের চুক্তির অংশ ছিল। ওই চুক্তির আওতায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযান শেষ করে ইরাকের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেশটির নিজস্ব বাহিনীর হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারিত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের তুরস্কে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ও সিরিয়া-ইরাকবিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাক এই প্রত্যাহারকে ইরাকের জন্য নতুন সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, মার্কিন সেনা চলে যাওয়ার পর ইরাকের সব সশস্ত্র বাহিনীকে একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও একক কমান্ডের অধীনে আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
যদিও মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ইসলামিক স্টেটের অবশিষ্ট সদস্য এবং ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরাককে প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে সীমিতভাবে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর দেশটিতে দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা উপস্থিতি ছিল। ২০১১ সালে সেনা প্রত্যাহারের পর ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আবার মার্কিন সেনা ইরাকে মোতায়েন করা হয়। এবার সেই সামরিক অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিকতা দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর পর সমাপ্ত হলো।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মী, যারা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, জানান যে, সকাল ৮টার পর থেকেই দলীয় নেতাকর্মীরা মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোলপ্লাজার বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হতে শুরু করেছেন। তাদের মূল লক্ষ্য হলো প্রিয় নেতাকে একঝলক দেখা।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী প্রথমে পরশুরাম যাবেন। সেখানে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন করবেন। এই সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করবেন।
পরে ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া, ফুলগাজী জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিকেলে ফুলগাজী পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, মন্দিরের পুরোহিতসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ং জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সেলস অ্যাসোসিয়েট
লোকবল নিয়োগ: ১০০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে।
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
চাকরির ধরন: পার্ট টাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩২ বছর
কর্মস্থল: নরসিংদী আউটলেট
বেতন: ১০,০০০-১২,০০০ টাকা (মাসিক)
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার ফয়লা গ্রামে স্ত্রীকে অচেতন করে হত্যার চেষ্টা করার অভিযোগে মনজুর হোসেন অপুকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ফয়লা গ্রামে তার নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মনজুর হোসেন অপু, যিনি ফয়লা গ্রামের মৃত পল্লী চিকিৎসক আজিজুলের ছেলে, স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিলেন। তার বাবা ‘হ্যারিকেন ডাক্তার’ নামে পরিচিত ছিলেন।
প্রতিবেশীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের বেলায় ওই নারীর চিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তারা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। পরে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী এই বিষয়ে বলেন, "মনজুর হোসেন অপু নামে একজনকে ফয়লা গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারণে এবং কীভাবে ওই নারী অচেতন হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পুলিশি তদন্তের পর জানা যাবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় একটি বিরল ঘটনা ঘটান ক্রিস্টা গেইল পাইক। তাকে দুই ডোজ বিষাক্ত ওষুধ দেওয়ার পরও তিনি মারা যাননি। বরং কারাগারে জোরে নাক ডাকতে শোনা যায় তাকে। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগার থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।
৫০ বছর বয়সী পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় নির্ধারিত ছিল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায়। ১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। পাইক ওই হত্যাকাণ্ডে ১৮ বছর বয়সে জড়িত হন।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রায় এক ঘণ্টা আগে একটি আপিল আদালত তা স্থগিত করে। তবে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত সেই স্থগিতাদেশ বাতিল করে দেয়। এরপর রাতে কারা কর্তৃপক্ষ পাইককে দুই ডোজ পেন্টোবারবিটাল দেয় বলে তার আইনজীবীরা আদালতে জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী সংবাদকর্মীরা জানান, রাত ৭টা ২৭ মিনিটে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কক্ষের পর্দা সরানো হলে পাইককে একটি শয্যায় বেঁধে রাখা অবস্থায় দেখা যায়। তিনি তখনও জেগে ছিলেন। একপর্যায়ে নিজের মাথা তুলে কারা কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান, তার হাতের এমন অনুভূতি হওয়ার কথা কি না।
রাত ৮টা ২৬ মিনিটে দ্বিতীয় ডোজ ওষুধ দেওয়ার কথা জানা যায়। এরপরও বন্ধ পর্দার আড়াল থেকে পাইকের নাক ডাকার শব্দ শোনা যায়। রাত ৮টা ৫৩ মিনিটে মাইক্রোফোন বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সংবাদকর্মীদের সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়।
পাইকের আইনজীবীরা জানান, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও তিনি জীবিত ছিলেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ বা আইনজীবীরা পরে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি। মৃত্যুদণ্ডবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রবিন মাহের এই ঘটনাটিকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগে সাতজন বন্দি শিরায় ওষুধ প্রবেশ করাতে ব্যর্থতার কারণে মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন। তবে মৃত্যুদণ্ডের ওষুধ দেওয়ার পরও কেউ জীবিত থাকার ঘটনা আগে ঘটেনি।
পাইক ও তার প্রেমিক ১৯৯৫ সালে টেনেসির নক্সভিলে তাদের সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যা করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, পাইক স্লেমারকে একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত ও পাথরের বড় টুকরা দিয়ে মারধর করা হয়। পরে পাইকের প্রেমিক তার শরীরে শয়তান উপাসনার সঙ্গে যুক্ত একটি তারকাচিহ্ন খোদাই করেছিলেন বলে স্বীকার করেন। ঘটনাটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
অন্যদিকে, পাইকের আইনজীবীরা তার বয়স, মানসিক অসুস্থতা এবং শৈশবে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সামনে এনে মৃত্যুদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, মৃত্যুদণ্ডের সময় এসব বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। পাইকের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার দাবি জানান এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে জরুরি আবেদন করেন।
এ বছর টেনেসিতে এটি দ্বিতীয় ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। এর আগে মে মাসে টনি ক্যারুথার্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এক ঘণ্টারও বেশি সময় চেষ্টা করেও তার শরীরে শিরার মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়নি।
টেনেসিতে ২০২৪ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়। আগে তিন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হলেও পরে এক ধরনের ওষুধ পেন্টোবারবিটাল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে ওষুধ যথাযথভাবে পরীক্ষা না করার কারণে আরেকটি মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল।
সূত্র: এপি, সিএনএন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ