ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুমিল্লায় বোন-ভাতিজা হত্যায় ট্রেন থেকে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার


কুমিল্লায় বোন-ভাতিজা হত্যায় ট্রেন থেকে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে বোন ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়া, তার স্ত্রী হনুফা বেগম এবং পালিত মেয়ে ইতিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কুমিল্লায়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নিহত খালেদা আক্তার ও তার ভাই মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়ার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর ফলস্বরূপ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খালেদা আক্তার এবং তার ভাতিজা মনজুরুল আলম তুতুর ওপর হামলা চালান আবু মিয়া। এক পর্যায়ে দা দিয়ে কুপিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে আবু মিয়ার স্ত্রী হনুফা বেগম ও পালিত মেয়ে ইতিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় একটি ট্রেন থেকে মামলার মূল আসামি মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তার তিনজনকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যানসারে মারা গেলেন জাপানি-কোরিয়ান অভিনেত্রী নাকামুরা ইউরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


ক্যানসারে মারা গেলেন জাপানি-কোরিয়ান অভিনেত্রী নাকামুরা ইউরি

মলাশয়ের ক্যানসারে (রেকটাল ক্যানসার) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন জাপানি-কোরিয়ান অভিনেত্রী নাকামুরা ইউরি। তিনি ৪৪ বছর বয়সে গত ১ সেপ্টেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অভিনেত্রীর এজেন্সি আলফা ১৪ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ১৩ বছর আগে নাকামুরা ইউরির শরীরে ক্যানসার শনাক্ত হয়। তখন তিনি এবং তার এজেন্সির প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত নেন, কর্মক্ষেত্রে তার অসুস্থতার বিষয়টি প্রকাশ করা হবে না। কারণ, এতে সহকর্মীরা অপ্রয়োজনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়তে পারেন।

পরবর্তীতে চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে আসে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নাকামুরা ইউরি অভিনয় অব্যাহত রাখেন। তবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আবারও তার শরীরে ক্যানসার শনাক্ত হয়। অস্ত্রোপচারের পর পরীক্ষায় জানা যায়, রোগটি শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়েছে।

পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব নয় বুঝতে পেরে, তখন ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে রাখার দিকে মনোযোগ দেন অভিনেত্রী। এজেন্সির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি আরও দীর্ঘ ও প্রাণবন্ত জীবনযাপনের লক্ষ্য স্থির করেছিলেন। চিকিৎসকের উৎসাহে অসুস্থতার মধ্যেও কাজ চালিয়ে যান তিনি।

তবে চলতি বছরের আগস্টে অন্ত্রে বাধা সৃষ্টি হলে নাকামুরা ইউরি জানতে পারেন যে, তার জীবনের শেষ সময় ঘনিয়ে এসেছে। এজেন্সি জানিয়েছে, খবরটি তিনি অত্যন্ত শান্তভাবে গ্রহণ করেছিলেন। জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় তার মুখে ছিল সুন্দর ও স্নিগ্ধ হাসি।

এজেন্সির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নাকামুরা ইউরির ৩০ ও ৪০-এর দশকের বড় একটি সময় ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে কেটেছে। তবে সেই সময়টিই একই সঙ্গে অসংখ্য চমৎকার মানুষের সঙ্গে পরিচয়, আনন্দ ও পরিপূর্ণতায় ভরা ছিল।

জাপানের ওসাকা প্রিফেকচারের নেয়াগাওয়া শহরে জন্মগ্রহণ করেন নাকামুরা ইউরি। তিনি ছিলেন মিশ্র বংশোদ্ভূত। তার বাবা ছিলেন তৃতীয় প্রজন্মের জাইনিচি কোরিয়ান, অর্থাৎ জাপানে বসবাসকারী কোরিয়ান বংশোদ্ভূত ব্যক্তি। তার মা ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান দুই দেশের নাগরিক।

অভিনয়ে আসার আগে সংগীতের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন নাকামুরা ইউরি। ১৯৯৬ সালে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘আছায়ান’-এ গান গাওয়ার অডিশনে উত্তীর্ণ হন তিনি। পরে বান্ধবী মারি ইজাওয়ার সঙ্গে ‘ইউরিমারি’ নামে সংগীতজুটি গড়ে তোলেন। ১৯৯৮ সালে জুটিটির অভিষেক হলেও এক বছর পরই তা ভেঙে যায়। এরপর অভিনয়ে মনোযোগ দেন নাকামুরা ইউরি।

২০০০ ও ২০১০ এর দশকে উৎসবমুখী সিনেমার পাশাপাশি মূলধারার বিভিন্ন চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পান তিনি। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘আফটার দ্য স্টর্ম’ (২০১৬), দুর্যোগভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ফুকুশিমা ৫০’ (২০২০) এবং সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‘আর্ক’ (২০২১)।

এ ছাড়া নেটফ্লিক্সের ‘বিয়ন্ড গুডবাই’ (২০২৪) এবং ‘রোমান্টিকস অ্যানোনিমাস’ (২০২৫) সিরিজেও অভিনয় করেছেন নাকামুরা ইউরি। অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণে তার মৃত্যুতে জাপানি বিনোদন অঙ্গনে শোক নেমে এসেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুকে সাঁতার শেখানোর আগে জানা প্রয়োজন ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২১ পি.এম


শিশুকে সাঁতার শেখানোর আগে জানা প্রয়োজন ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

শিশুদের জন্য পানিতে ডুবে মৃত্যু একটি বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ১ থেকে ৪ বছর বয়সী শিশুদের জন্য এটি মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। তাই শিশুদের ছোটবেলা থেকেই পানির সঙ্গে পরিচিত করা এবং সাঁতার শেখানোর গুরুত্ব অপরিসীম। তবে, সাঁতার জানলেই যে শিশু সম্পূর্ণ নিরাপদ, এমন ধারণা করা উচিত নয়।

সাঁতার শেখানোর মূল উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিভিন্ন কৌশলে সাঁতার কাটা নয়। বরং, পানিতে পড়ে গেলে কীভাবে পানির ওপর ভেসে থাকতে হবে, কীভাবে পানির উপরিভাগে উঠে আসতে হবে এবং কীভাবে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছাতে হবে—এসব মৌলিক দক্ষতা শিশুর জীবন রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

অতএব, শিশুকে সাঁতার শেখানোর পূর্বে অভিভাবকদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা প্রয়োজন।

১. সাধারণত ৪ বছর বয়সের দিকে শেখার সক্ষমতা বাড়ে

শিশুরা সাধারণত ৪ বছর বয়সের দিকে নির্দেশনা শুনে তা অনুসরণ করা এবং শেখা বিষয় মনে রাখার মতো মানসিক সক্ষমতা অর্জন করে। তবে কিছু শিশু এর আগেই সাঁতার শেখার জন্য প্রস্তুত হয়ে যেতে পারে।

২. ১ থেকে ৪ বছর বয়সেও সাঁতার শেখানো উপকারী

অল্প বয়সী কিছু শিশুও সাঁতারের প্রাথমিক দক্ষতা শিখতে পারে। বিশেষ করে পানিতে পড়ে গেলে কীভাবে পানির কিনারায় ফিরে আসতে হবে, সে ধরনের দক্ষতা তাদের জন্য কাজে লাগতে পারে।

তবে এই বয়সে শিশুকে শেখানোর ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে এগোনো এবং নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

৩. সাঁতার শেখানোর জায়গা নিরাপদ কি না দেখুন

শুধু সাঁতার শেখানোর ব্যবস্থা থাকলেই হবে না, পুকুর, সুইমিং পুল বা সমুদ্রসৈকতের পরিবেশও নিরাপদ হতে হবে।

জায়গাটি পরিষ্কার ও ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে কি না, তা দেখুন। প্রশিক্ষকের পাশাপাশি আলাদা উদ্ধারকর্মী থাকা জরুরি। কারণ প্রশিক্ষক একই সময়ে সব শিশুর দিকে নজর রাখতে পারেন না।

গভীর পানির জায়গা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত থাকা এবং ছোট শিশুদের গভীর পানিতে চলে যাওয়া ঠেকানোর ব্যবস্থা থাকা দরকার। কাছাকাছি জীবন রক্ষার সরঞ্জাম ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং পানিতে চলাচলের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নিয়মও থাকা উচিত।

৪. প্রশিক্ষক প্রশিক্ষিত কি না নিশ্চিত করুন

শিশুকে সাঁতার শেখানোর আগে প্রশিক্ষকের যোগ্যতা সম্পর্কে খোঁজ নিন। তিনি কীভাবে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন এবং তার কাজ কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়, তা জানতে পারেন।

স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা বা প্রশিক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, সেটিও যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

৫. একজন প্রশিক্ষকের কাছে বেশি শিশু নয়

বিশেষ করে ছোট শিশু ও নতুন সাঁতার শেখা শিশুদের ক্ষেত্রে একজন প্রশিক্ষকের কাছে যত কম শিশু থাকে, তত ভালোভাবে নজর রাখা সম্ভব।

প্রশিক্ষকের এমনভাবে শিশুদের পর্যবেক্ষণ করতে পারা উচিত, যাতে প্রয়োজনে হাত বাড়িয়ে দ্রুত তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেন। শিশুদের দক্ষতা বাড়লে দলের আকার কিছুটা বড় হতে পারে। তবে যতজন শিশুকে নিরাপদে নজরদারি করা সম্ভব, তার চেয়ে বেশি শিশু একসঙ্গে রাখা উচিত নয়।

৬. ধাপে ধাপে শেখানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে

সাঁতার শেখানোর একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা জরুরি। সাধারণত প্রথমে শিশুকে পানির সঙ্গে পরিচিত করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে পানিতে ভেসে থাকা, চলাফেরা এবং বিভিন্ন ধরনের সাঁতারের কৌশল শেখানো হয়।

শিশুর বর্তমান দক্ষতা যাচাই করে তাকে উপযুক্ত স্তরে রাখা এবং দক্ষতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী ধাপে নেওয়ার ব্যবস্থা থাকা উচিত।

৭. অভিভাবকদের অন্তত কিছু সময় দেখতে দিন

শিশু কীভাবে সাঁতার শিখছে, তা অভিভাবকদের অন্তত কিছু সময় দেখার সুযোগ থাকা ভালো।

পুরো সময় অভিভাবক পাশে থাকলে কখনো কখনো শিশুর মনোযোগ নষ্ট হতে পারে। তবে ক্লাসের শুরু বা শেষের কিছু অংশ দেখার সুযোগ থাকা উচিত। অনেক সাঁতার শেখানোর জায়গায় এ জন্য পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকে।

৮. ভাসমান সরঞ্জাম ব্যবহারে সতর্কতা

শিশুকে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে বিভিন্ন ভাসমান সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়। শুরুতে এগুলো শিশুকে নিরাপদ রাখতে এবং সঠিকভাবে শরীরের অবস্থান ও সাঁতারের কৌশল শেখাতে সহায়ক হতে পারে।

তবে এসব সরঞ্জামের ওপর শিশুর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমানো উচিত। প্রশিক্ষণের এমন ব্যবস্থা থাকা দরকার, যাতে সময়ের সঙ্গে শিশু নিজে পানিতে ভেসে থাকার দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

৯. পানিকে ভয় পেলেও সাঁতার শেখানো বন্ধ করবেন না

অনেক শিশিই পানিকে ভয় পায়। এটি অস্বাভাবিক নয়। কোনো শিশুকে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে পানিতে নামানো ঠিক নয়। তবে শুধু পানির ভয় পাওয়ার কারণে সাঁতার শেখানো পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়াও ভালো নয়।

ধীরে ধীরে শিশুকে পানির সঙ্গে পরিচিত করাতে হবে। ছোট ছোট ধাপে এগিয়ে ইতিবাচকভাবে উৎসাহ দিতে হবে। প্রশিক্ষকেরও শিশুর ভয় বুঝে তাকে সহযোগিতা করার মানসিকতা থাকা প্রয়োজন।

১০. সাঁতার জানলেও শিশুকে একা ছাড়বেন না

শিশু সাঁতার শিখে ফেলেছে মানেই সে পানিতে পুরোপুরি নিরাপদ—এমন ধারণা বিপজ্জনক। ভালো সাঁতারুরাও পানিতে বিপদে পড়তে পারে।

শিশু পানিতে ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে, আহত হতে পারে, কোথাও আটকে যেতে পারে কিংবা পানির নিচে কোনো কিছুর সঙ্গে জড়িয়ে যেতে পারে। আবার পানিতে দিক হারিয়েও বিপদে পড়তে পারে।

তাহলে শিশু সাঁতার জানলেও পানির আশপাশে তাকে কখনো একা রাখা উচিত নয়। নৌকায় ওঠা বা পানিতে অন্য ধরনের খেলাধুলার সময় অবশ্যই উপযুক্ত জীবন রক্ষাকারী জ্যাকেট পরাতে হবে।

সাঁতার শেখার পাশাপাশি নজরদারিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

শিশুকে সাঁতার শেখানো পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর পাশাপাশি পানির কাছে সবসময় শিশুর ওপর নজর রাখা জরুরি।

অভিভাবকদের নিজেদেরও পানিতে নিরাপত্তার নিয়ম সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। শিশুদের জন্য নিরাপদ সাঁতার শেখানোর ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার সময় প্রশিক্ষক, পরিবেশ, নিরাপত্তা সরঞ্জাম এবং শিশুদের প্রতি নজরদারির বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

সাঁতার শেখার মূল লক্ষ্য প্রতিযোগিতায় ভালো করা নয়; বরং পানিতে বিপদে পড়লে নিজেকে সামলে নেওয়া এবং নিরাপদ জায়গায় পৌঁছানোর মতো মৌলিক দক্ষতা অর্জন করা। সঠিক প্রশিক্ষণ ও অভিভাবকের নিয়মিত নজরদারি একসঙ্গে থাকলেই শিশুর পানিতে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো সম্ভব।

সূত্র: হার্ভার্ড

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাস না পেয়ে প্রাইভেটকারে উঠে যুবককে মারধর করে টাকা ও মুঠোফোন ছিনতাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২১ পি.এম


বাস না পেয়ে প্রাইভেটকারে উঠে যুবককে মারধর করে টাকা ও মুঠোফোন ছিনতাই

ঢাকার ধামরাইয়ে এক ব্যক্তির হাত-পা ও চোখ বেঁধে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হত্যার হুমকি দিয়ে টাকা এবং মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন যে, পরে তার মুঠোফোনে থাকা ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে দুটি ব্যাংক হিসাব থেকে দেড় লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ধামরাই থানায় অজ্ঞাতনামা চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মো. আসিফ আহমেদ (৩২), যিনি ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের বাসিন্দা।

অভিযোগে আসিফ আহমেদ উল্লেখ করেছেন, মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে জয়পুরা থেকে মানিকগঞ্জ যাওয়ার জন্য তিনি কোনো বাস না পেয়ে একটি ভাড়ায় চালিত সাদা রঙের প্রাইভেটকারে ওঠেন। পাল সিএনজি ও কালামপুরের মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছানোর পর গাড়িতে থাকা অজ্ঞাতনামা চার ব্যক্তি চলন্ত অবস্থায় তার ওপর হামলা করেন। এরপর তার হাত-পা ও চোখ বেঁধে মারধর করা হয় এবং অস্ত্রের মুখে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, এক পর্যায়ে হামলাকারীরা তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মুঠোফোন নিয়ে নেয়। মুঠোফোনে ইসলামী ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকের ব্যাংকিং অ্যাপ চালু ছিল। পরে ওই অ্যাপ ব্যবহার করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং উত্তরা ব্যাংক থেকে ১ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রথমে ব্যাংক হিসাব থেকে আসিফের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানো হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দোকান থেকে ওই টাকা তুলে নেওয়া হয়। তার মুঠোফোনে থাকা নগদ হিসাবেও টাকা পাঠানো হয় এবং সেখান থেকেও টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের ব্যবহৃত একটি বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের দুটি এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের তথ্যও উল্লেখ করেছেন আসিফ। এর মধ্যে একটি বুথের টার্মিনাল আইডি ‘Dhaka BD-10367419’ এবং ট্রেস নম্বর ৬৩৯০৬৫; আরআরএন (RRN) ৬২৫৮০১৬৩৯০৬৫। অপর বুথের টার্মিনাল আইডি ‘Dhaka BD-10369556’, ট্রেস নম্বর ১৫৩০২২ এবং আরআরএন ৬২৫৮০১১৫৩০২২।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক, প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭-২ গোলের জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২২ পি.এম


রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক, প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭-২ গোলের জয়

চলতি মৌসুমে দীর্ঘ ১৪ বছর পর লা লিগায় ফিরে আসা রেসিং স্যান্টান্ডারকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। হ্যান্সি ফ্লিকের দল ন্যু ক্যাম্পে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে ৭-২ গোলের বিশাল জয় অর্জন করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করেছে বার্সেলোনা। তারা রেসিংকে চাপে রেখে দ্রুত এগিয়ে যায়। অষ্টম মিনিটে জোয়াও ক্যান্সেলোর ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া জোরালো শট ক্রসবারে লেগে জালে প্রবেশ করে এবং বার্সেলোনাকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেয়।

এরপরও কাতালানদের আক্রমণের ধার কমেনি। ১৯ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও করিম আদেয়েমি ব্যবধান দ্বিগুণ করতে ব্যর্থ হন। তবে তিন মিনিট পর রাফিনিয়াকে ডি-বক্সে ফাউল করা হলে বার্সেলোনা পেনাল্টি পায়। স্পট কিক থেকে গোল করে রাফিনিয়া দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

ম্যাচের ৩০ মিনিটে রেসিং একটি গোল শোধ করে। ডি-বক্সের ভেতর থেকে কোনাকুনি শটে গোল করেন মাগুয়েত গেয়ি। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ছয় মিনিট পর ক্যান্সেলোর জোরালো শট রেসিংয়ের এক ফুটবলারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে। আত্মঘাতী গোলে বার্সেলোনা ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

বিরতির ঠিক আগে ব্যবধান আরও বাড়ান রাফিনিয়া। ৪২ মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ফলে ৪-১ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় বার্সেলোনা।

বিরতির আগে বার্সেলোনা আরও একটি গোলের সুযোগ পেয়েছিল। করিম আদেয়েমি ফাউলের শিকার হলে স্বাগতিকরা পেনাল্টি পায়। তবে লামিনে ইয়ামালের নিচু শট ঠেকিয়ে দেন রেসিং গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ চালিয়ে যায় বার্সেলোনা। ইয়ামালের একটি শট পোস্টে আঘাত করলেও গোলের দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৬৫ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনির ভুলে রেসিংয়ের ইয়াসির জাবিরি গোল করে ব্যবধান কমান। প্রতিপক্ষের চাপে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে পিছলে পড়েন সেজনি, সুযোগ কাজে লাগিয়ে টোকায় বল জালে পাঠান জাবিরি।

তবে এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি রেসিং। বার্সেলোনার আক্রমণের মুখে একের পর এক গোল হজম করে তারা। শেষ পর্যন্ত ৭-২ গোলের বিশাল জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালান জায়ান্টরা। রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি বার্সেলোনার হয়ে গোলের তালিকায় নাম লেখান ক্যান্সেলো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও লামিনে ইয়ামাল। আর একটি গোল আসে রেসিংয়ের আত্মঘাতী প্রচেষ্টায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%