প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চলতি মৌসুমে দীর্ঘ ১৪ বছর পর লা লিগায় ফিরে আসা রেসিং স্যান্টান্ডারকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। হ্যান্সি ফ্লিকের দল ন্যু ক্যাম্পে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফরোয়ার্ড রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে ৭-২ গোলের বিশাল জয় অর্জন করেছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করেছে বার্সেলোনা। তারা রেসিংকে চাপে রেখে দ্রুত এগিয়ে যায়। অষ্টম মিনিটে জোয়াও ক্যান্সেলোর ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া জোরালো শট ক্রসবারে লেগে জালে প্রবেশ করে এবং বার্সেলোনাকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেয়।
এরপরও কাতালানদের আক্রমণের ধার কমেনি। ১৯ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও করিম আদেয়েমি ব্যবধান দ্বিগুণ করতে ব্যর্থ হন। তবে তিন মিনিট পর রাফিনিয়াকে ডি-বক্সে ফাউল করা হলে বার্সেলোনা পেনাল্টি পায়। স্পট কিক থেকে গোল করে রাফিনিয়া দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
ম্যাচের ৩০ মিনিটে রেসিং একটি গোল শোধ করে। ডি-বক্সের ভেতর থেকে কোনাকুনি শটে গোল করেন মাগুয়েত গেয়ি। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ছয় মিনিট পর ক্যান্সেলোর জোরালো শট রেসিংয়ের এক ফুটবলারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে। আত্মঘাতী গোলে বার্সেলোনা ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
বিরতির ঠিক আগে ব্যবধান আরও বাড়ান রাফিনিয়া। ৪২ মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ফলে ৪-১ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় বার্সেলোনা।
বিরতির আগে বার্সেলোনা আরও একটি গোলের সুযোগ পেয়েছিল। করিম আদেয়েমি ফাউলের শিকার হলে স্বাগতিকরা পেনাল্টি পায়। তবে লামিনে ইয়ামালের নিচু শট ঠেকিয়ে দেন রেসিং গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ চালিয়ে যায় বার্সেলোনা। ইয়ামালের একটি শট পোস্টে আঘাত করলেও গোলের দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৬৫ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনির ভুলে রেসিংয়ের ইয়াসির জাবিরি গোল করে ব্যবধান কমান। প্রতিপক্ষের চাপে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে পিছলে পড়েন সেজনি, সুযোগ কাজে লাগিয়ে টোকায় বল জালে পাঠান জাবিরি।
তবে এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি রেসিং। বার্সেলোনার আক্রমণের মুখে একের পর এক গোল হজম করে তারা। শেষ পর্যন্ত ৭-২ গোলের বিশাল জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালান জায়ান্টরা। রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি বার্সেলোনার হয়ে গোলের তালিকায় নাম লেখান ক্যান্সেলো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও লামিনে ইয়ামাল। আর একটি গোল আসে রেসিংয়ের আত্মঘাতী প্রচেষ্টায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন