রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৯ পি.এম
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার চন্দ্রেরবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় লাইফ এইড হাসপাতালে সন্তান প্রসব করেছেন এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। এই সংবাদ শোনার পর লৌহজং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা ববি মিতু তাৎক্ষণিকভাবে অসহায় মা ও নবজাতকের পাশে এসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। শুক্রবার (১১ আগস্ট) সকালে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই নারী বেশ কিছুদিন ধরে চন্দ্রেরবাড়ি বাসস্ট্যান্ড, বাজার ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার সকালে হঠাৎ প্রসব বেদনা উঠলে স্থানীয় লোকজন তাকে নিকটস্থ লাইফ এইড হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি সন্তান প্রসব করেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তিনি পাগলী মেয়েটিকে এদিকে ঘোরাঘুরি করতে দেখছিলেন এবং মেয়েটি যে গর্ভবতী, এই বিষয়টি প্রথমে তার নজরে আসে। পরে তিনি স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি নজরদারি করতে জানিয়ে রাখেন। শুক্রবার সকালে মেয়েটি বাচ্চা প্রসব করলে বিষয়টি পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি, উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেসময় তার সাথে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে বাচ্চাটির জন্য গুড়ো দুধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র সরবরাহ করা হয়।
পরে মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর স্থানীয় লাইফ এইড হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে রাখা হয় এবং ব্যবসায়ী আবদুল মান্নানের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়। বর্তমানে মা ও বাচ্চা সুস্থ রয়েছে।
ইউএনও ফারজানা ববি মিতু বলেন, "স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মা ও নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মেয়েটির অভিভাবকদের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে শিশুর সর্বোত্তম কল্যাণে যেভাবে হস্তান্তর করা হবে, সেভাবে হস্তান্তর করা হবে।"
স্থানীয়রা জানান, অসহায় ওই নারী ও নবজাতকের চিকিৎসা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে মানবিকতার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়। তারা মা ও নবজাতকের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সার্বিক সহায়তা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ৫০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, গুলি, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য প্রকাশ করেন। ডিএমপির বিভিন্ন বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই গ্রেপ্তার ও উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মিরপুর বিভাগে ২০৩ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৯৫ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬৮ জন, ওয়ারী বিভাগে ৬৫ জন, গুলশান বিভাগে ৫৫ জন, উত্তরা বিভাগে ৪৯ জন, লালবাগ বিভাগে ৪২ জন এবং রমনা বিভাগে ৪০ জন রয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকের মধ্যে ৭ কেজি ৯৬৫ গ্রাম গাঁজা, ২১১ পিস ইয়াবা ও ১০৬ গ্রাম হেরোইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া, উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি শর্টগান, একটি এয়ারগান, এক রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন, একটি গুলির খোসা এবং ৩২টি রেডবল কার্তুজ রয়েছে।
পুলিশ আরও ৫৫টি মোবাইল ফোন, সাতটি ফয়েল পেপার, তিনটি গ্যাস লাইট, একটি সাদা বোতলের অ্যালকোহল, একটি সিএনজি, তিনটি মোটরসাইকেল, চারটি চাকু, দুটি স্টিলের ব্লেড, একটি চাপাতি এবং নগদ ১৮ হাজার ২২০ টাকা উদ্ধার করেছে।
ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে তাদের কর্মসূচি শেষ করে সরে যায়। উভয় পক্ষের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পুনরায় অবস্থান কর্মসূচিতে নামার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকপাড়ায় উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রোববার সকাল ১০টা থেকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে সচেতন গ্রাহক ফোরাম এবং ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবস্থান নেয়। পাল্টাপাল্টি অবস্থান ও স্লোগানের কারণে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা ইসলামী ব্যাংককে এস আলম গ্রুপের প্রভাবমুক্ত রাখার, ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত করার এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার দাবি জানান। অন্যদিকে, চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশীদ বলেন, "যেকোনো আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে করার জন্য উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, কর্মসূচি পালনের জন্য এমন জায়গায় আহ্বান জানানো হচ্ছে, যেখানে মানুষের চলাচল কম এবং জনদুর্ভোগের আশঙ্কা কম থাকে।
ডিসি হারুন জানান, ইসলামী ব্যাংককে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের কর্মসূচি চলছে। চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করেছে। তারা স্মারকলিপি দিয়ে বেরিয়ে এলে রোববারের জমায়েত শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "বিপুলসংখ্যক মানুষ এক জায়গায় জমায়েত হলে তাদের সরিয়ে দিতে গিয়ে পরিস্থিতি আরও বিশৃঙ্খল হয়ে উঠতে পারে।" এ কারণে পুলিশ বড় ধরনের জমায়েত নিরুৎসাহিত করছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিসি হারুন বলেন, ইসলামী ব্যাংককেন্দ্রিক এই আন্দোলনের সঙ্গে সাম্প্রতিক কোনো রাজনৈতিক ঘটনা কিংবা আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচির যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তিনি জানান, ব্যাংকপাড়ায় যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
দুপুর ১টার দিকে রোববারের কর্মসূচি শেষ করে দুই পক্ষই মতিঝিলের দিলকুশা এলাকা থেকে সরে যায়। তবে উভয় পক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আবারও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌর শহরের শতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হাফেজ আ: রাজ্জাক মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের আন্ত: শ্রেণি প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ টুনামেন্ট ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠান আজ শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি লায়ন আমিরুল ইসলাম সুজন। স্থানীয় এমপি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল অনুষ্ঠানে বলেন, "শিক্ষার্থীরা হলো, জাতির মেরুদন্ড।" তিনি উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার্থীরা সঠিক শিক্ষা পেয়ে ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, প্রকৌশলী কিংবা বড় রাজনীতিবিদ হতে পারে। এমপি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হয়ে জাতীয়ভাবে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, এমপির রাজনৈতিক সচিব মো: নুরুল ইসলাম, এমপির এপিএস ওয়াসিমুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মস্তুফা আমিনুল হক, সাবেক অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন বাদল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফজল হোসেন, বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জালাল উদ্দিন, বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম শহিদুল্লাহ, নিকলী উপজেলার বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাজী মাসুক মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কামরুজ্জামান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার এবং মেহেরুন রুনি হত্যার বিচার সংক্রান্ত অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে দাখিল করেছে তাদের পরিবার। অভিযোগটি রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দাখিল করেন মামলার বাদী ও রুনির ভাই নওশের রোমান, যিনি চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের কাছে অভিযোগটি জমা দেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ২টা থেকে সকাল ৭টার মধ্যে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট মেহেরুন রুনি। ১৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়নি বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার শুরুতে থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ এবং র্যাব তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করলেও কোনো ফলাফল আসেনি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর ওপর। তবে দীর্ঘ তদন্তের পরও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত হত্যাকারীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হোক। একইসাথে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য অভিযোগটি রেজিস্টারভুক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অভিযোগ গ্রহণের পর চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম প্রাথমিক পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, তারা তাড়াহুড়ো করছেন না, বরং সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত সত্য বের করতে চান।
দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই মামলাটি সম্প্রতি আবারও আলোচনায় এসেছে। নতুন কিছু তথ্য এবং প্রমাণ পাওয়ার খবর প্রকাশের পর সাগর-রুনির একমাত্র সন্তান মেঘও বিষয়টি জানতে ৩০ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছিল বলে একটি সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২০১২ সালের ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিভিন্ন পর্যায়ে তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন হয়েছে। বিচারিক আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমাও বহুবার পিছিয়েছে। একটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯ বার পিছিয়েছে।
এদিকে মামলার দীর্ঘ তদন্তে সাগর-রুনির বাসার নিরাপত্তাপ্রহরী হুমায়ুন কবীর ওরফে এনামুলের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে। তবুও প্রায় ১৩ বছর ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রো উত্তরের একটি তদন্ত প্রতিবেদনে এনামুলকে মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তার মা ফাতেমা বেগম ছেলেকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘ সময়েও এনামুলের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের প্রায় দেড় দশক পর পরিবারের এই নতুন আইনি পদক্ষেপে মামলাটি আবারও আলোচনায় এসেছে। এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে অভিযোগটি পর্যালোচনা করে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেটিই দেখার বিষয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ