ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁর ধামইরহাটে করলা খেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ১ নিহত, ৭ গ্রেপ্তার


নওগাঁর ধামইরহাটে করলা খেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ১ নিহত, ৭ গ্রেপ্তার

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার কারণে এবং করলা ক্ষেতে ছাগল প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশ এ ঘটনায় ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বড়শিবপুর মাষ্টারপাড়া এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ধামইরহাট থানাধীন বড়শিবপুর মাষ্টারপাড়া এলাকায় করলা ক্ষেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম ও রনিপক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে আবুল কাশেম পক্ষের মোট পাঁচজন গুরুতর আহত হন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মারা যান। তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বর্তমানে বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং অন্যান্য আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পরপরই নওগাঁর পুলিশ সুপারের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- মো. আ. হাকিমের ছেলে মো. রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), মৃত আ. গফুরের দুই ছেলে মো. আ. হাকিম ও মো. কফিল উদ্দিন (৬৫), মো. ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী মোসা. আকলিমা বেগম (৩৫), মৃত ইসমাইল হোসেনের মেয়ে মোসা. হামিদা বেগম (৩৮), মো. আ. হাকিমের স্ত্রী মোসা. ফরিদা বেগম (৫০), মো. রাকিবুল ইসলাম রনির স্ত্রী মোসা. জিয়াসমিন বেগম (২১)। সকলেই ধামইরহাট উপজেলার বড়শিবপুর মাষ্টারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্ব ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এক রাতের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষ বয়সে এসেও কোরআন শেখার নেশায় কামারখন্দের কর্মজীবীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


শেষ বয়সে এসেও কোরআন শেখার নেশায় কামারখন্দের কর্মজীবীরা

জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও পবিত্র কোরআন শেখার অদম্য আগ্রহ নিয়ে মসজিদে আসছেন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার প্রবীণ শ্রমজীবী মানুষ। যারা শৈশবে কোরআন শেখার সুযোগ পাননি, তারা এখন বয়সের ভার উপেক্ষা করে আল্লাহর বাণী শিখছেন।

এই অধ্যবসায়ের স্বীকৃতিস্বরূপ, ৪২ জন প্রবীণ শিক্ষার্থীকে কোরআন শিক্ষা সম্পন্ন করার পর পবিত্র কোরআন শরিফ তুলে দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন পেয়েছেন বিনা মূল্যে ওমরাহ পালনের সুযোগ।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে কামারখন্দ উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ‘শেখ আব্দুস সালাম ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে কোরআন শরিফ প্রদান করা হয়।

গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল মোমেন এসব প্রবীণকে বিনা মূল্যে মাদানি পদ্ধতিতে কোরআন শিক্ষা দিয়ে আসছেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সবজি বিক্রেতারা রয়েছেন। প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে তারা মাগরিবের নামাজের পর মসজিদে এসে এশার আজান পর্যন্ত কোরআন শেখার অনুশীলন করেন। পাশাপাশি শুদ্ধভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের নিয়মকানুনও শিখছেন তারা।

অনুষ্ঠানে ছিল আরেকটি বিশেষ চমক। লটারির মাধ্যমে ৭০ বছর বয়সী শফিকুল ইসলাম তারা নামের এক প্রবীণ শিক্ষার্থীকে বিনা খরচে ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দেয় ‘স্যাম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস’ নামের একটি ভ্রমণ সংস্থা। জীবনের এই পর্যায়ে এমন উপহার পেয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক মাওলানা ক্বারী মুয়াজ নোমানী জানান, এটি তাদের কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের দ্বিতীয় ব্যাচ। ২০২৫ সালের ৯ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাচের পাঠদান শুরু হয়। প্রতিদিন মাগরিবের নামাজের পর থেকে এশার আজান পর্যন্ত চলে পাঠদান কার্যক্রম।

তিনি আরও জানান, সারা দিনের কঠোর পরিশ্রমের পরেও প্রবীণ শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হয়েছেন। দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রম শেষ হতে আরও তিন মাস বাকি রয়েছে। এ পর্ব শেষ হলে তৃতীয় ব্যাচের পাঠদান শুরু হবে। স্থানীয় প্রবীণদের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে বিনা মূল্যে এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

কোরআন বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয় ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। এতে উপস্থিত ছিলেন কামারখন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন, শেখ আব্দুস সালাম ফাউন্ডেশনের বয়স্ক কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের পরিচালক মাওলানা ক্বারী মো. মুয়াজ মোহা, বেলকুচি ওলামা ঐক্য পরিষদের সেক্রেটারি হাফেজ মো. রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে কোরআন শেখার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, শেখার কোনো বয়স নেই। প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর অধ্যবসায় থাকলে জীবনের যেকোনো পর্যায়েই নতুন করে শুরু করা সম্ভব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় বড় উদ্যোগ গ্রহণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


দেশে ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় বড় উদ্যোগ গ্রহণ

বড় ধরনের ভূমিকম্পের ফলে যদি কোনো ফায়ার স্টেশন বা হেডকোয়ার্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে উদ্ধার কার্যক্রম যাতে থেমে না যায়, সেই উদ্দেশ্যে জনবল, উদ্ধার সরঞ্জাম এবং কমান্ড কাঠামো বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

এই উদ্যোগের আওতায় ঢাকা এবং এর আশপাশের ৪১টি পয়েন্টে উদ্ধার সরঞ্জাম বিতরণ করা হচ্ছে, পূর্বাচলে বিশেষ রেসকিউ টিম মোতায়েন করা হচ্ছে, বিভাগীয় শহরগুলোতে পৃথক রেসকিউ টিম গঠন করা হচ্ছে এবং ঢাকার আশপাশের ১০০টি ফায়ার স্টেশনকে জরুরি প্রয়োজনে ঢাকায় সহায়তার জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসসকে জানান, বড় ধরনের ভূমিকম্পের সময় একাধিক স্থানে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজন হতে পারে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে ফায়ার সার্ভিসের জনবল, উদ্ধার সরঞ্জাম এবং কমান্ড ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্প বিশ্লেষকদের মতে, প্রতি ১০০ বছরে একটি বড় ভূমিকম্প ঘটে, যা মেজর ভূমিকম্প বা মেগা ডিজাস্টার হিসেবে পরিচিত। দেশে বড় স্কেলের ভূমিকম্পের শতবর্ষ পার হয়ে যাওয়ায় যে কোনো সময় বড় ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে ঝড়ের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হলেও ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে এখনও সেভাবে পূর্বাভাস দেওয়ার প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হয়নি।

এ কারণে ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি এবং প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। ভূমিকম্প হলে কীভাবে আচরণ করতে হবে, সে বিষয়ে আগে থেকেই শেখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিকেন্দ্রীকরণে কমান্ড ব্যবস্থা সচল রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভূমিকম্পসহ যেকোনো দুর্যোগে উদ্ধার ও অন্যান্য কার্যক্রম কমান্ডের ওপর নির্ভরশীল।

যদি ভূমিকম্পে পুরান ঢাকার সদর দপ্তর ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে কমান্ড ব্যবস্থা সচল রাখতে বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দুইজন পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কমান্ড কর্মকর্তাদের মিরপুরে অফিস করার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সদর দপ্তরের মিডিয়া উইংয়ের মূল অংশও সেখানে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পাশাপাশি মিরপুর-১০-এর ট্রেনিং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম পূর্বাচলের নতুন মাল্টিপারপাস ট্রেনিং কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পুরান ঢাকার সদর দপ্তর ভবন নিয়ে ঝুঁকি থাকায় ঢাকার মিরপুরে নির্মাণ করা হচ্ছে ভূমিকম্প প্রতিরোধক বহুতল বিশিষ্ট সদর দপ্তর ভবন। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি-জাইকার সহযোগিতায় মিরপুর ১০-এ নির্মাণাধীন এই ভবনে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘বেজ আইসোলেশন প্রযুক্তি’ ব্যবহার করা হচ্ছে।

এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবনটি ৮ মাত্রার ভূমিকম্পেও ভেঙে পড়বে না। গণপূর্ত অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ২০২৮ সালে এর বাস্তবায়ন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। তখন ফায়ার সার্ভিসের পুরো অধিদপ্তর সেখানে স্থানান্তরিত হবে।

ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য স্টেশনে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী জনবল ও সরঞ্জাম থাকলেও হেডকোয়ার্টারে বেশিরভাগ অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সরঞ্জাম রাখা হতো। ভূমিকম্পে হেডকোয়ার্টার ভবন ধসে গেলে এসব সরঞ্জাম আটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ঢাকা ও এর আশপাশের ৪১টি পয়েন্টে এসব সরঞ্জাম বিভাজন করা হয়েছে। ফলে কোনো ফায়ার স্টেশন ভূমিকম্পে আটকে গেলে নিকটস্থ ফায়ার স্টেশন থেকে সরঞ্জাম এনে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

বিশেষ রেসকিউ টিম গঠন

ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগে ফায়ার স্টেশনের জনবল পর্যাপ্ত নাও হতে পারে। এ কারণে এসআরটি বা স্পেশাল রেসকিউ টিম গঠন করা হয়েছে। ঢাকার পূর্বাচলে ৫০ থেকে ৬০ সদস্যের একটি বিশেষ টিম রাখা হয়েছে, যা দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করবে। একইভাবে বিভাগীয় শহরগুলোর বিভিন্ন স্টেশন থেকে জনবল এনে প্রতিটি বিভাগীয় সদর দপ্তরে ২০ সদস্যের একটি করে এসআরটি টিম রাখা হয়েছে। তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যাতে এ ধরনের দুর্যোগে কলাপসড স্ট্রাকচার সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ অপারেশন পরিচালনা করতে পারে।

ঢাকার সহায়তায় ১০০ ফায়ার স্টেশন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভূমিকম্পে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে বিভাগীয় শহরের বাইরে ১০০টি ফায়ার স্টেশনকে এয়ারমার্ক করা হয়েছে, যাতে মহানগরীর কোনো স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা পর্যাপ্ত জনবল দিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো সম্ভব না হলে এসব স্টেশন থেকে জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে সহায়তা করা যায়। রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেলে হেলিকপ্টারে উদ্ধার সরঞ্জাম ও রেসকিউ টিম স্থানান্তরের বিষয়েও বিমান বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ভূমিকম্প মোকাবিলায় সরঞ্জাম দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্প মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ অধিদপ্তরের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকের বেশ কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্যোগে উদ্ধার অভিযানের সময় ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। ভূমিকম্প-সম্পর্কিত দুর্যোগ ও মেগা ডিজাস্টারে কাজ করার জন্য ফায়ার সার্ভিসকে ইকুইপমেন্ট ও সরঞ্জাম সরবরাহ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কিছু সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে কমিউনিকেশন এক্সারসাইজ পরিচালনা করা হয়েছে। বড় অগ্নিকাণ্ড বা মেগা ভূমিকম্পে ওয়্যারলেস কভারেজ ও মোবাইল টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফায়ার সার্ভিসের যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হতে পারে। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে অ্যামেচার রেডিও অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আরাব) সহায়তায় গত আগস্টে দেশব্যাপী কমিউনিকেশন এক্সারসাইজ করা হয়েছে। এতে বেতার, মোবাইল ও ল্যান্ড টেলিফোন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে বিভিন্ন ফায়ার স্টেশনের যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখার মহড়া দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান বাসস’কে বলেন, বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে এবং ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, রংপুর ও ময়মনসিংহসহ বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এ ঝুঁকি বেশি। তাই সমন্বিত প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। বড় ভূমিকম্প মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ছোট-বড় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, নিয়মিত মহড়া এবং সেগুলোর মনিটরিং ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বড় ভূমিকম্প মোকাবিলা উন্নত দেশগুলোর জন্যও কঠিন। বাংলাদেশেও এ ধরনের দুর্যোগে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে বিদ্যমান সক্ষমতা নিয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান বাসস’কে জানান, বড় ভূমিকম্পের পর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত বিপর্যয় মোকাবিলা করা। বিশেষ করে ভবনধস, মানুষের আটকে পড়া, গ্যাসলাইন থেকে অগ্নিকাণ্ড এবং বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে সরু সড়ক, যানজট, অবৈধ পার্কিং ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকারী গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের স্থিতিশীলতা যাচাই না করে উদ্ধারকাজে প্রবেশ করাও উদ্ধারকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে আমাদের অগ্রাধিকার হবে দ্রুত পরিস্থিতি মূল্যায়ন, আটকে পড়া মানুষকে শনাক্তকরণ, অগ্রাধিকারভিত্তিতে উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করা। একই সঙ্গে উদ্ধারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্লিপার বাসে নতুন চেসিস ও এয়ার সাসপেনশন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


স্লিপার বাসে নতুন চেসিস ও এয়ার সাসপেনশন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব

সরকার স্লিপার বাসের বডি নির্মাণ ও সড়কে চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রস্তাবিত নীতিমালার আওতায় স্লিপার বাস তৈরির জন্য সম্পূর্ণ নতুন চেসিস ব্যবহার, পেছনে টেনডেম এক্সেল, সব এক্সেলে এয়ার সাসপেনশন এবং এবিএস বা উন্নত প্রযুক্তির ব্রেকিং ব্যবস্থা রাখার শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রতিটি বার্থে ৩০০ কেজি ওজন বহনের সক্ষমতা নিশ্চিত করার প্রস্তাবও রয়েছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সম্প্রতি ‘স্লিপার বাস গাইডলাইন/নীতিমালা, ২০২৬’ শিরোনামে একটি খসড়া প্রস্তুত করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠিয়েছে। তবে, এই নীতিমালাটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে দেশে ৮০০টির বেশি স্লিপার বাস চলাচল করছে। এসব বাসের কাঠামো নির্মাণ, বার্থের নকশা, স্থিতিশীলতা, অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি নির্গমন ব্যবস্থা নিয়ে নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রস্তাবিত সংজ্ঞা অনুযায়ী, চালক ছাড়া কমপক্ষে ১৩ জন যাত্রী বহনের উপযোগী এবং যাত্রীরা শুয়ে বা আরাম করে ভ্রমণ করতে পারেন এমন বাসকে স্লিপার বাস হিসেবে গণ্য করা হবে।

খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশে সম্পূর্ণ তৈরি বা সিবিইউ (কমপ্লিটলি বিল্ট-আপ) অবস্থায় কোনো স্লিপার বাস আমদানি করা হয়নি। এ ধরনের বাসের বডি তৈরির বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানও নেই। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের অনলাইন গাইডলাইন পর্যালোচনা করে জরুরি প্রয়োজন ও বিশেষ বিবেচনায় নীতিমালার খসড়া তৈরি করেছে বিআরটিএ। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়াই স্লিপার বাস নির্মাণ করে সড়ক-মহাসড়কে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।

খসড়ায় স্লিপার বাস নির্মাণে ব্যবহৃত চেসিস অবশ্যই সম্পূর্ণ নতুন হওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। পুরোনো বা ব্যবহৃত চেসিস দিয়ে এ ধরনের বাস তৈরি করা যাবে না। বাসের পেছনে টেনডেম এক্সেল এবং সব এক্সেলে এয়ার সাসপেনশন অথবা উন্নত প্রযুক্তির সাসপেনশন রাখতে হবে। একই সঙ্গে ব্রেকিং ব্যবস্থায় এবিএস (অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম) বা সমমানের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের শর্ত দেওয়া হয়েছে।

বাসের স্থিতিশীলতা পরীক্ষার সময় প্রতিটি বার্থে ৭৫ কেজি ওজন প্রয়োগ করতে হবে। যাত্রী ও মালামালসহ বাসের সর্বোচ্চ ওজন নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে ২১ টন। আর বাসের সর্বোচ্চ উচ্চতা হতে পারবে ৪ দশমিক ২৫ মিটার।

প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি বার্থের দৈর্ঘ্য কমপক্ষে ১ হাজার ৮০০ মিলিমিটার হতে হবে। এক সারিতে তিনটি বার্থ থাকলে প্রতিটির প্রস্থ কমপক্ষে ৬০০ মিলিমিটার এবং দুটি বার্থ থাকলে প্রতিটির প্রস্থ ৬৫০ থেকে ৭৫০ মিলিমিটারের মধ্যে রাখতে হবে।

প্রতিটি বার্থে ৩০০ কেজি ওজন বহনের সক্ষমতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুই পাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। উপরের বার্থে ওঠানামার জন্য হাতলসহ সিঁড়ি রাখতে হবে। এ ছাড়া যাত্রীদের সুবিধার জন্য কলিং লাইট ও কলবেল, রিডিং লাইট, হেডরেস্ট, আর্মরেস্ট এবং খাবারের ট্রে রাখার জন্য ভাঁজযোগ্য টেবিল রাখার শর্তও রয়েছে।

স্লিপার বাসে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার এবং কমপক্ষে তিনটি স্মোক ডিটেক্টর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি নির্গমন দরজা, নিচের ও ওপরের ডেকে জরুরি জানালা এবং জরুরি প্রয়োজনে কাচ ভাঙার জন্য সেফটি হ্যামার রাখতে হবে।

এ ছাড়া সার্ভিস দরজার এয়ারলক খোলার জন্য ম্যানুয়াল ভালভ রাখার শর্ত রয়েছে। বার্থের প্যাডে অগ্নিপ্রতিরোধক ফোম ব্যবহার করতে হবে। আসনের কভার, পর্দা, প্লাইউড ও ফ্লোরিংসহ বাসের অভ্যন্তরীণ উপকরণেও নির্ধারিত দাহ্যতা মান বজায় রাখতে হবে।

প্রস্তাবিত নীতিমালাটি চূড়ান্ত হলে স্লিপার বাস নির্মাণ ও চলাচলের ক্ষেত্রে এসব শর্ত কার্যকর করার কাঠামো তৈরি হবে। তবে খসড়ার বিধানগুলো চূড়ান্ত নীতিমালায় কীভাবে অন্তর্ভুক্ত হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৬ দিনের ছুটি, কোথাও টানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৬ দিনের ছুটি, কোথাও টানা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদরাসার ছুটির তালিকা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানভেদে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা ১০ থেকে ১৬ দিন পর্যন্ত ছুটি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছুটির সময় নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর।

২০২৬ সালের সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৬ ও ১৭ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার এবং পরে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হবে। ২৫ অক্টোবর রোববার লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ছুটি থাকলে শিক্ষার্থীরা ১৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ১০ দিনের বিরতির সুযোগ পাবেন।

তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তে ছুটির সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করা উচিত চূড়ান্ত সময়সূচির জন্য। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কলেজ-৪ শাখার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী, প্রবারণা পূর্ণিমা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ১৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই ছুটির আগে ১৬ ও ১৭ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটি এবং পরে ৩০ ও ৩১ অক্টোবরের শুক্র ও শনিবারের ছুটি যুক্ত হবে। ফলে কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৬ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ১৬ দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ পাবেন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটিও এবার দীর্ঘ হচ্ছে। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীর ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।

এছাড়া ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে নতুন করে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি, এমপিওভুক্ত ও ইবতেদায়ী মাদরাসায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে সাপ্তাহিক ছুটি ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিদ্ধান্তের কারণে ছুটির মোট সময় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দুর্গাপূজার ছুটির সময়সূচি একরকম নয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি নির্ধারণ করে।

কোনো বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ছুটি দিতে পারে, আবার কোনো প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত ছুটি নির্ধারণ করতে পারে। একইভাবে ক্লাস, পরীক্ষা, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও আবাসিক হলের সময়সূচিও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে আলাদা হতে পারে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দুর্গাপূজার ছুটির সঠিক সময় জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সব মিলিয়ে, এবারের দুর্গাপূজায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটিসহ ১০ দিন এবং কলেজে ১৬ দিন পর্যন্ত ছুটির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে চূড়ান্ত ছুটির সময়সূচি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%