প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার কারণে এবং করলা ক্ষেতে ছাগল প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশ এ ঘটনায় ৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বড়শিবপুর মাষ্টারপাড়া এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ধামইরহাট থানাধীন বড়শিবপুর মাষ্টারপাড়া এলাকায় করলা ক্ষেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে আবুল কাশেম ও রনিপক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে আবুল কাশেম পক্ষের মোট পাঁচজন গুরুতর আহত হন।
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেম মারা যান। তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বর্তমানে বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং অন্যান্য আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পরপরই নওগাঁর পুলিশ সুপারের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- মো. আ. হাকিমের ছেলে মো. রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), মৃত আ. গফুরের দুই ছেলে মো. আ. হাকিম ও মো. কফিল উদ্দিন (৬৫), মো. ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী মোসা. আকলিমা বেগম (৩৫), মৃত ইসমাইল হোসেনের মেয়ে মোসা. হামিদা বেগম (৩৮), মো. আ. হাকিমের স্ত্রী মোসা. ফরিদা বেগম (৫০), মো. রাকিবুল ইসলাম রনির স্ত্রী মোসা. জিয়াসমিন বেগম (২১)। সকলেই ধামইরহাট উপজেলার বড়শিবপুর মাষ্টারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্ব ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এক রাতের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত এজাহারনামীয় ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন